মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রসঙ্গ: বুধহাটা বাজার ও বেতনা নদী ভাঙন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
প্রসঙ্গ: বুধহাটা বাজার ও বেতনা নদী ভাঙন

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশের নদীভাঙন শুধু ভৌগোলিক সমস্যা নয়, এটি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের এক বাস্তব চিত্র। দেশের নদীগুলো যেমন যমুনা, পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র এবং তিস্তা, তেমনি ছোট নদী যেমন বেতনা, কপোতাক্ষ, মরিচচাপ-সবই মানুষের জীবনযাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। বুধহাটা বাজার সংলগ্ন বেতনা নদীর ভাঙন সেই বাস্তবতার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এটি শুধু একটি বাজারের সমস্যা নয়, বরং আশাশুনি উপজেলার একাধিক গ্রামের জীবন, অর্থনীতি এবং সামাজিক কাঠামোর উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।

 

বুধহাটা বাজার আশাশুনি উপজেলার এক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। এটি শুধু গ্রামীণ অর্থনীতি চালায় না, বরং আশেপাশের গ্রামের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের কেন্দ্রও। বাজারের মূল পেশাদারদের মধ্যে রয়েছেন: স্থানীয় কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে বাজারে বিক্রি করেন। মুদি, দোকানদার ও হাটবাজারের ব্যবসায়ীরা বাজারের অর্থনীতি চালায়। স্থানীয় পরিবহন ও শ্রমিকরা বাজারের কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

 

বাজারের অর্থনৈতিক চেইন নদীভাঙনের আগে স্থিতিশীল ছিল। দোকানপাট, কৃষি ব্যবসা ও পরিবহন-সবই একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। নদীভাঙনের ফলে এই চেইন ভেঙে যাচ্ছে। বাজার কেবল অর্থনৈতিক কেন্দ্র নয়; এটি গ্রামের মানুষদের সামাজিক কাঠামোও সংরক্ষণ করে। বন্ধুত্ব, প্রতিবেশিতা ও সামাজিক সমন্বয়, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও মেলামেশা, শিক্ষা ও স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশ, নদীভাঙনের ফলে সামাজিক কাঠামোও বিপন্ন হচ্ছে। পরিবার ছিন্নভিন্ন হচ্ছে, প্রতিবেশী ও বন্ধু হারাচ্ছে।

 

বেতনা নদী, কপোতাক্ষ নদী ও মরিচচাপ নদী-এই নদীগুলো আশাশুনি উপজেলার মানুষের জীবিকা, পানি সরবরাহ এবং কৃষিকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বেতনা নদী এবং আশেপাশের নদীসমূহের ভাঙন দীর্ঘদিন ধরে চলমান। ভাঙনের ফলে দেখা যায়:গ্রামের পর গ্রাম নদীতে বিলীন,লক্ষাধিক মানুষ অভিবাসী হয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। নদী খননের দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যক্রমে মানবসৃষ্ট সমস্যার দেখা মিলেছে।

 

ম্যাপ অনুযায়ী নদীকে বাহাদুরের দিকে খনন করতে হতো। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খনন করা হয়েছে বুধহাটা বাজার সংলগ্ন অংশে, যেখানে মূল লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র একটি ইটভাটাকে বাঁচানো। ফলে, নদীর ¯্রােত বিপর্যস্ত হয়েছে এবং বাজার ও আশেপাশের গ্রামের মানুষদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পাউবোর দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও দেখা গেছে স্পষ্ট গাফলিতি: পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যর্থতা: ম্যাপ অনুযায়ী নদী খনন হয়নি বাঁধ, জিওব্যাগ বা ড্রেজিং কার্যকরভাবে করা হয়নি। নদীভাঙনের শিকার মানুষদের পুনর্বাসন হয়নি।

 

নদীভাঙন ও বাঁধের অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ হয়নি। ফলে, শুধু একটি ইটভাটা বাঁচানো হয়েছে, কিন্তু শত শত মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে। নদীভাঙনের প্রভাব গভীর এবং বহুমাত্রিক। পরিবার অস্থায়ীভাবে ছিন্নভিন্ন, বন্ধুবান্ধব ও প্রতিবেশী হারানো, স্থানান্তরের ফলে শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত, অর্থনৈতিক প্রভাব, বসতবাড়ি ও দোকানপাট ধ্বংস কৃষি জমি হারানো, স্থানীয় ব্যবসা ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত টিনের ঘরে বা অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস, প্রিয়জনের কবর রক্ষা করতে না পারার মানসিক চাপ, দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা ও মানসিক বাংলাদেশে নদীভাঙনের শিকার মানুষদের পুনর্বাসন দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত।

 

বুধহাটা বাজার এবং আশাশুনি উপজেলার মানুষদের জন্য এটি স্পষ্টভাবে প্রযোজ্য। নদীভাঙনের শিকার মানুষরা বারবার ন্যূনতম রাষ্ট্রীয় সহায়তার অধিকার চেয়েও পাননি। এতে বোঝা যায়, রাষ্ট্র নদীভাঙনের শিকার মানুষদের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করছে না। বুধহাটা বাজার সংলগ্ন নদীখাননের বাস্তবতা এবং বেতনা নদীর ভাঙনের চিত্র আমাদের শেখাচ্ছে যে: স্বার্থান্বেষণমূলক প্রকল্প মানুষের জীবন বিপন্ন করে। নদীখনন কেবল একটি ইটভাটাকে বাঁচানোর জন্য করা হলে আশেপাশের হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপন্ন হয়।

 

প্রকৌশলগত ভুল নদীর প্রবাহ ও পরিবেশ বিপর্যস্ত করে। প্রকৃত ম্যাপ অনুযায়ী নদী খনন না হলে ¯্রােত এবং তীর সংরক্ষণ ব্যাহত হয়। মানবিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বের অবহেলা। সরকার নদীভাঙার শিকার মানুষদের পুনর্বাসন ও সহায়তা নিশ্চিত করেনি। পুনর্বাসন ও পরিকল্পিত নদী ব্যবস্থাপনা ছাড়া নদীভাঙন সামাজিক দুর্যোগে রূপ নেয়। পরিবার, বন্ধু, জীবনযাত্রা-সবই প্রভাবিত হয়। নদীভাঙনের ক্ষতি কমানোর জন্য রাষ্ট্র ও প্রশাসনকে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নদী খনন হবে ম্যাপ অনুযায়ী এবং মানবিকভাবে।

 

তীর সংরক্ষণ ও বাঁধের মান নিয়ন্ত্রণ। দীর্ঘমেয়াদি মনিটরিং ও সতর্কতা ব্যবস্থা নদীভাঙার শিকার পরিবারকে স্থায়ী আশ্রয় প্রদান।খাদ্য, চিকিৎসা এবং শিক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করা। স্থানান্তরিত মানুষদের জন্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা।নদীভাঙা মানুষের তালিকা তৈরি। পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন। স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে সমন্বয়।বুধহাটা বাজার এবং বেতনা নদীর ঘটনা শুধু স্থানিক সমস্যা নয়; এটি রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও মানবিক দ্বন্দ্বের এক পরীক্ষা ক্ষেত্র।

 

নদী খনন হবে পরিকল্পিত ও মানবিকভাবে। বুধহাটা বাজারের মানুষদের জীবন ও জীবিকা নিরাপদ হবে। নদীভাঙনের ক্ষতি সীমিত করা সম্ভব। নদীভাঙন থামানো কঠিন, কিন্তু মানবিক ক্ষতি কমানো অসম্ভব নয়-যদি থাকে সদিচ্ছা, পরিকল্পনা এবং দায়বদ্ধতা।

লেখক: সংবাদ কর্মী

Ads small one

মিনা শিশুদের জন্য জনপ্রিয় টিভি কার্টুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
মিনা শিশুদের জন্য জনপ্রিয় টিভি কার্টুন

প্রকাশ ঘোষ বিধান

মিনা হলো দক্ষিণ এশিয়ার শিশুদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শিক্ষামূলক অ্যানিমেশন কার্টুন। ইউনিসেফ এর উদ্যোগে শিশুদের অধিকার রক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই কার্টুনটি তৈরি করা হয়। ১৯৯০-এর দশক থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এটি বাংলাভাষী শিশুদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

মিনা কার্টুনটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি পর্বের পেছনে একটি গভীর সামাজিক বার্তা থাকে। মিনাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য তার বাবার সম্মতি আদায়ের গল্প। ডায়রিয়া প্রতিরোধে খাবার স্যালাইন তৈরি, বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার এবং হাত ধোয়ার গুরুত্ব। ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে খাবার বা শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু পাচার রোধে সচেতনতা তৈরি করা।

কার্টুনের প্রধান চরিত্র মিনা। সে একজন ৯ বছর বয়সী সাহসী, বুদ্ধিমান ও অনুসন্ধিৎসু মেয়ে, যে তার গ্রামের নানা সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। মিনার ছোট ভাই রাজু। সে মিনার সাথে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নেয়। মিনার পোষা তোতাপাখি মিঠু। মিঠু অত্যন্ত চতুর এবং মিনার বিশ্বস্ত সঙ্গী, যে অনেক বিপদে মিনাকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করে। মিনার পোষা গরু লালি।
প্রতি বছর ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মীনা দিবস পালন করা হয়। ইউনিসেফের সহায়তায় ১৯৯৮ সাল থেকে এই দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। যার মূল উদ্দেশ্য হলো; শিশুদের বিশেষ করে কন্যাসন্তানদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং সমঅধিকার রক্ষা করা।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন ভাষায় নির্মিত একটি জনপ্রিয় টিভি কার্টুন মীনা। ১৯৯৩ সালে প্রথম বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে বিভিন্ন সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের একটি অংশ হিসেবে ইউনিসেফের সহায়তায় এই কার্টুন ধারাবাহিকটি নির্মিত হয়। কার্টুন ধারাবাহিকের মূল চরিত্র বাংলা ভাষায় নির্মিত কার্টুনগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র। মীনা কার্টুন শুধু বাংলায় তৈরি হয়নি। বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি, নেপালি-সহ ২৯টি ভাষায় মীনা তৈরি হয়েছে। মীনা কার্টুনের মীনা চরিত্রের রূপদানকারী বিখ্যাত ভারতীয় কার্টুনিস্ট রাম মোহন এবং ইউনিসেফের নিল ম্যাককি ছিলেন কার্টুন সিরিজটির স্্রষ্টা।

মীনা দিবস হলো শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ ও অধিকার নিশ্চিত করার একটি সচেতনতামূলক উৎসব। বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের জন্য মীনা কার্টুন প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত বিভিন্ন ইভেন্ট। শিশুদের অধিকার নিয়ে সচেতনতামূলক নাটক ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়। গল্প বলা বা কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের পুরস্কৃত করে উৎসাহিত করা হয়।

মীনা কার্টুনের প্রধান চরিত্র মীনা শিক্ষার জন্য নানা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে। দক্ষিণ এশিয়ায় ছেলে ও মেয়ে শিশুর মধ্যে যে বৈষম্য করা হতো, তা দূর করতে মীনা একটি প্রতীকী চরিত্র। এই দিনে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের শেখানো হয় যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকারী। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, খাওয়ার আগে হাত ধোয়া, নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং সঠিক পুষ্টি গ্রহণের মতো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধিগুলো মীনা দিবসে শিশুদের খেলার ছলে ও আনন্দের মাধ্যমে শেখানো হয়। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, শিশুশ্রম বন্ধ এবং শিশুদের যেকোনো ধরনের নির্যাতন থেকে রক্ষা করার সচেতনতা তৈরিতে এই দিবসটি বড় ভূমিকা রাখে।

দক্ষিণ এশিয়ায় ছেলে ও মেয়ে শিশুর মধ্যে যে বৈষম্য করা হতো, তা দূর করতে মীনা একটি প্রতীকী চরিত্র। মীনা কার্টুন চরিত্রটি শিশুদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়, যার মাধ্যমে শিক্ষণীয় বার্তাগুলো সহজে তাদের মধ্যে পৌঁছে যায়। এই দিনে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের শেখানো হয় যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকারী।
লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ভালুকঘর বাজারে সোমবার সন্ধ্যার পর ভালুকঘর ক্যাম্প ইনচার্জ দেব কুমার এর সভাপতিত্বে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফা বাবু, সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য এস এম রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসাইন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাহবুর রহমান।

 

আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সহ সম্পাদক মোঃ আব্দুল জব্বার, ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হায়দার আলী সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম আজু, বাজার কমিটির সভাপতি লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক যুবদল নেতা আবু হাসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি। বক্তারা মাদক, চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেন ।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সংবাদদাতা: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরার ১ হাজার ৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও যাতে দীর্ঘ সময় পানি জমে না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজেদের বাড়ি, বিদ্যালয় ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জরুরি। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে বিদ্যালয়, পরিবার ও স্থানীয় পর্যায়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।