মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

কলারোয়ায় পারিবারিক অর্থায়নে গৃহহীন কৃষিশ্রমিকের নতুন ঘর, প্রশংসায় চেয়ারম্যান পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় পারিবারিক অর্থায়নে গৃহহীন কৃষিশ্রমিকের নতুন ঘর, প্রশংসায় চেয়ারম্যান পরিবার
কলারোয়া প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল নিজের জমিতে একটি নিরাপদ পাকা ঘর। কিন্তু দারিদ্র্য সেই স্বপ্নকে বারবার অধরাই রেখেছিল। অবশেষে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলসী গ্রামের গৃহহীন কৃষিশ্রমিক আবিদুল হক মোড়ল (৬১) পেলেন নতুন পাকা ঘর। হেলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, তাঁর ভাই শিল্পপতি ইমাম হোসেন এবং পরিবারের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই ঘর পেয়ে নতুন আশার আলো দেখছেন তিনি।
শনিবার (১ আগস্ট) সরেজমিনে খলসী গ্রামে গিয়ে নতুন ঘরের সামনে আবিদুল হক মোড়লের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি অন্যের জমিতে কৃষিশ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিজের এক টুকরো জমি থাকলেও সেখানে একটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক আবিদুল জানান, ছেলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকেন এবং বাবা-মায়ের খোঁজ তেমন রাখেন না। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বার্ধক্যের কারণে আগের মতো কাজ করতে পারেন না। শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নানা রোগ-ব্যাধিও এখন তাঁর নিত্যসঙ্গী।
এমন অসহায় পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে তাঁর পাশে দাঁড়ান চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনের পরিবার। শুধু ঘর নির্মাণই নয়, প্রয়োজনে ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতাও করে আসছে তাঁরা।
নতুন ঘর পেয়ে আবিদুল হক মোড়ল বলেন, “এখন আর ঝড়-বৃষ্টির রাতে ঘর ভেঙে পড়ার ভয় থাকবে না। জীবনের শেষ বেলায় মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছি। আল্লাহ যেন চেয়ারম্যান ও তাঁর পরিবারের সবাইকে ভালো রাখেন।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, শুধু আবিদুল নন, এর আগে একই পরিবারের অর্থায়নে অসহায় কৃষিশ্রমিক রবিউল ইসলামও পাকা ঘর পেয়েছেন। হেলাতলা ইউনিয়নের আরও অনেক দরিদ্র, অসহায় ও বিপন্ন মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নীরবে কাজ করে যাচ্ছে চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনের পরিবার।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, “সম্পূর্ণ পারিবারিক উদ্যোগে আমরা এলাকায় ২২টি ঘর নির্মাণ করছি। যেসব ঘরের কাজ শেষ হচ্ছে, সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি চলমান মানবিক উদ্যোগ। অসহায় মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে আমাদের পরিবার ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে।”
তিনি আরও জানান, গণপতিপুর গ্রামে ৮ কোটির বেশি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ তাদের পারিবারিক অর্থায়নে চলমান রয়েছে। আবাসন সুবিধাসহ নান্দনিক এই কমপ্লেক্সটি এলাকার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া বেত্রবতী নদীর ওপর কোঠাবাড়ি-রায়টা অভিমুখী প্রায় ৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ে একটি সুদৃশ্য ভাসমান পথচারী সাঁকোও নির্মাণ করেছে তাদের পরিবার, যা স্থানীয় মানুষের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে বছরের পর বছর ধরে দরিদ্র মানুষের জন্য ঘর নির্মাণ, চিকিৎসা সহায়তা, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো নির্মাণের মতো কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মানবিক এই উদ্যোগ অন্য বিত্তবানদেরও সমাজসেবায় এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা মনে করেন।

Ads small one

দেবহাটার সখিপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছুর রহমান মুকুলের মোটরসাইকেল শোডাউন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটার সখিপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছুর রহমান মুকুলের মোটরসাইকেল শোডাউন

দীপঙ্কর বিশ্বাস: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেবহাটার সখিপুর এলাকা জুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন মোখলেছুর রহমান মুকুল।

 

চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থীতা জানান দিতে এবং সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে (২০ অক্টোবর) মঙ্গলবার বিকালে একটি মোটরসাইকেল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোটরসাইকেল শোডাউনটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়াডের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সর্বস্তরের মানুষ তাকে করতালি ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে স্বাগত জানান।

 

মোখলেছুর রহমান মুকুল দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। শাডাউন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় মোখলেছুর রহমান মুকুল বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে রাজনীতি বা সমাজসেবা করি না। দীর্ঘ পথচলায় জনগণের ভালো-মন্দে পাশে থেকেছি।

 

সখিপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি আগামী ইউপি নির্বাচনে আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”শোডাউনে ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ বিপুল অংশ নেন।

পাটকেলঘাটায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাটকেলঘাটায় সনাতন ধর্মাবলম্বী অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় পাটকেলঘাটা দারুল ইসলাম ট্রাস্ট মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডার থেকে প্রাপ্ত শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আপনারা সৎ লোকদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন, তাহলে আপনাদের অধিকার আপনাদের কাছে পৌঁছে যাবে। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। সরকার থেকে যা বরাদ্দ পাই, তা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিই। এক কানাকড়িও নিজের কাছে রাখি না।”

তালা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক ইদ্রিস আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী, তালা উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কবিরুল ইসলাম, সরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ শাহ আলম, ইউপি সদস্য হাফেজ আব্দুল হামিদ প্রমুখ।

কয়রায় বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
কয়রায় বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে দেশীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, শিল্প ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা। এই উৎসব মানুষের মধ্যে ভালবাসা, সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৪টা থেকে কয়রা উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্দিরে ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ে করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাঈদ বিশ্বাস, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, এড. আব্দুর রশিদ, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, শেখ সিরাজুল ইসলাম, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, মল্লিক আজাদ, জাহিদুর রহমান শোভন, মাসুম বিল্লাহ, শেখ মাহমুদ পারভেজ, গোলাম রসুল, নূরুল ইসলাম খোকা, দিলরুবা মিজান, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, নজরুল ইসলাম, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, মহরম হোসেন, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।