রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কার্পেটিং শক্ত হতে প্রকৌশলগত সময়ের প্রয়োজন; তুলে ফেলার প্রবণতা রুখতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
কার্পেটিং শক্ত হতে প্রকৌশলগত সময়ের প্রয়োজন; তুলে ফেলার প্রবণতা রুখতে হবে

প্রকাশ ঘোষ বিধান

সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত বিটুমিনের কাঁচা কার্পেটিং শক্ত হওয়ার জন্য প্রকৌশলগত নির্দিষ্ট সময় বা কিউরিং দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই সময় দেওয়ার আগেই কার্পেটিং তুলে ফেলার প্রবণতা রোধ করতে হবে, অন্যথায় সড়কের স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দ্রুত রাস্তা নষ্ট হয়ে যায়।

সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি এবং নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার বন্ধ করার মাধ্যমেই হাত দিয়ে কার্পেটিংয়ের আস্তরণ তুলে ফেলার প্রবণতা স্থায়ীভাবে রুখতে হবে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক সংস্কারের পরপরই স্থানীয়দের হাত দিয়ে কার্পেটিং তুলে ফেলার ঘটনা ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। এটি মূলত ঠিকাদারদের অনিয়ম এবং কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

কার্পেটিং শেষ হওয়ার পরপরই হাত দিয়ে টেনে তোলা সম্পূর্ণ নিষেধ। কাজ শেষ হওয়ার পরপরই তা টেনে তোলা সম্পূর্ণ কারিগরি জ্ঞানশূন্য কাজ। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যেন তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তা নষ্ট করার এই প্রবণতা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কার্পেটিং শক্ত হওয়ার প্রকৌশলগত ধাপগুলো হলো। বিটুমিন ও পাথরের মিশ্রণটি প্রায় ১৪০ ডিগ্রি থেকে ১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস উচ্চ তাপমাত্রায় প্রয়োগ করা হয়। রোলার দিয়ে কমপ্যাকশন করার পর, রাস্তাটির ভেতরের আর্দ্রতা শুকিয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসতে এবং পাথরগুলো নিখুঁতভাবে লক হতে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগে। রাস্তাটি পুরোপুরি স্থায়ী রূপ নিতে ও ট্রাফিকের চাপ নেওয়ার উপযোগী হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। প্রকৌশলগত এই সময়ের আগে যদি রাস্তাটিতে যানবাহন চলাচল শুরু করে বা কেউ কাঁচা কার্পেটিং খুঁচিয়ে বা হাত দিয়ে টেনে তুলে ফেলার চেষ্টা করে, এতে রাস্তার স্থায়ীত্ব নষ্ট করে দেয়।

কার্পেটিং বা বিটুমিনাস সারফেসিং শক্ত হতে এবং টেকসই রূপ নিতে প্রকৌশলগত প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। কাজ শেষের পরপরই ভারী যানবাহন চলাচলের আগে বিটুমিনকে পুরোপুরি সেট হওয়ার জন্য এবং নিচের স্তরের সাথে স্থায়ী বন্ডিং তৈরি করার সময় দিতে হয়।

সড়ক সংস্কারের পর হাত দিয়ে কার্পেটিং টেনে তোলার প্রবণতা মূলত দুটি বড় কারণে ঘটে থাকে। ঠিকাদারি দুর্নীতি এবং প্রযুক্তিগত অজ্ঞতা। নিম্নমানের বিটুমিন ও ইটের খোয়া ব্যবহার এবং কার্পেটিংয়ের নির্ধারিত পুরুত্ব বজায় না রাখলে এই সমস্যা দেখা দেয়। কার্পেটিং করার আগে প্রয়োজনীয় প্রাইম কোট ও ট্যাক কোট বা বিটুমিন ছিটানো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হয়।

 

মূল খোয়া বা পাথরের ওপর জমে থাকা কাদা ও ধুলার আস্তরণ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে তবেই পিচ ঢালাই করতে হবে। অন্যথায় নতুন আস্তরণ স্থায়ী হয় না। চুক্তি অনুযায়ী কার্পেটিংয়ের জন্য নির্ধারিত পুরুত্ব যেমন ২৫ বা ৪০ মিলিমিটার কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে। পোড়া মাটির খোয়া, রাবিশ বা নিম্নমানের ইটের পরিবর্তে উচ্চমানের পাথর ও সঠিক গ্রেডের বিটুমিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীদের কাজের প্রতিটি ধাপে সশরীরে উপস্থিত থেকে তদারকি করতে হবে। কার্পেটিং যেন নির্ধারিত পুরুত্বের হয় এবং সেখানে সঠিক অনুপাতে বিটুমিন ও পাথর ব্যবহার করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। কার্পেটিং শুরুর আগে রাস্তার বেস বা ইটের খোয়ার ওপর জমে থাকা ময়লা এবং কাদার আস্তরণ অবশ্যই ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

কোনো স্থানে নিম্নমানের কাজের প্রমাণ মিললে সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং বিল আটকে দেওয়া উচিত। অনিয়ম প্রমাণিত হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জামানত বাজেয়াপ্ত, লাইসেন্স বাতিল এবং আইনগত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ল্যাব টেস্টে কাজের মান উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারদের চূড়ান্ত বিল প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।

সড়ক নির্মাণ একটি অতি-প্রয়োজনীয় প্রকৌশলগত প্রক্রিয়া। কার্পেটিং শেষ হওয়ার পর তা শক্ত হতে এবং স্থায়ী বন্ধন তৈরি করতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন। সম্প্রতি কার্পেটিং শেষ হওয়ার পরপরই তা হাত দিয়ে টেনে তোলার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তা সম্পূর্ণ কারিগরি জ্ঞানশূন্য কাজ। কার্পেটিং শেষ হওয়ার পরপরই তা নরম থাকে। এই অবস্থায় হাত দিয়ে টেনে তোলা হলো একটি নবজাতক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা। কার্পেটিং তুলা মানে কাজের গুণগত মান নয়, বরং সময়ের আগেই তার ওপর যান্ত্রিক বল প্রয়োগের ফল। রাস্তায় কার্পেটিং করার পর রোলার দিয়ে করা হয়। রোলার দেওয়ার সাথে সাথেই রাস্তাটি তার পূর্ণ শক্তি অর্জন করে না। বিটুমিনাস লেয়ারটি যখন তার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসে, তখনই তা টেকসই রূপ নেয়। কাজ চলাকালীন বা কাজ শেষ হওয়ার পরপরই রাস্তার কার্পেটিং খুঁচিয়ে তুলে ফেলা মানে হলো রাস্তার ইন্টারলকিং সিস্টেম ধ্বংস করা।

নতুন পাকা সড়কের কার্পেটিং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে কাঁচা কার্পেটিং তুলে ফেলার প্রবণতা রুখতে হবে। রাস্তা শক্ত হওয়ার জন্য প্রকৌশলগত নির্দিষ্ট সময় বা কিউরিং পিরিয়ড প্রয়োজন হয়। পাকা করার পরপরই ভারী যানবাহন চললে বা কার্পেটিং তুলে ফেলা হলে রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। কাঁচা কার্পেটিং হাত বা অন্য কোনোভাবে টেনে তোলা মানে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা এবং নষ্ট করা। কাজ শেষ হওয়ার পরপরই তা হাত দিয়ে টেনে তোলার প্রবণতা সম্পূর্ণ কারিগরি জ্ঞানশূন্য কাজ ও নির্মাণ বিধির পরিপন্থী।

কার্পেটিং এর ইন্টারলকিং সিস্টেম হলো একটি স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থা। কার্পেটিং শক্ত হতে বা টেকসই রূপ নিতে একটি নির্দিষ্ট প্রকৌশলগত সময়ের প্রয়োজন হয়। কাজ শেষ হওয়ার পরপরই তা হাত দিয়ে টেনে তোলা বা খুঁচে নষ্ট করা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিম্নমানের কাজ চোখে পড়লে তা হাত দিয়ে না তুলে সরাসরি ছবি বা ভিডিওসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানাতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সম্পাদকীয়/ নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীসহ স্থানীয় সুশীল সমাজ। রবিবার ‘পত্রদূত’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, মে থেকে জুলাই পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে জেলায় ৬৮৪টি অপরাধের ঘটনা এবং ১৩৬ জনের অপমৃত্যুর তথ্য আমাদের চিন্তিত করে। ২৫১টি মাদক মামলা, ৫০টি নারী নির্যাতন, ২১টি ধর্ষণ এবং ৯টি হত্যাকা-ের মতো ঘটনা প্রমাণ করে যে, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে।
সর্বাধিক চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক অস্থিরতার প্রকাশ। তিন মাসে ৬৫টি আত্মহত্যার ঘটনা কোনো সাধারণ পরিসংখ্যান নয়; এটি তীব্র মানসিক সংকট, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও সামাজিক সহমর্মিতার অভাব নির্দেশ করে। এর পাশাপাশি সুন্দরবনে ডাকাতদের হাতে ৩২ জন জেলের অপহরণ এবং সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা উপকূলীয় ও সীমান্তঘেঁষা মানুষের জীবিকা ও জীবনকে প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।
আইনশৃঙ্খলার এই ধসের পাশাপাশি বিচারপ্রার্থী মানুষের আইনি সুরক্ষার পথও আজ অবরুদ্ধ। সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় শত শত ভুক্তভোগী নারী ও শিশু বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেনÑযা মানবাধিকারের আরেকটি বড় লঙ্ঘন। বিচারিক প্রক্রিয়ার এই স্থবিরতা অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। মানবাধিকার রক্ষা কেবল কোনো নির্দিষ্ট সংস্থার একক দায়িত্ব হতে পারে না; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি। সাতক্ষীরার এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অবিলম্বে কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তা হলোÑ মাদক ট্রাফিকিং, চুরি-ডাকাতি ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশের দৃশ্যমান ও কঠোর টহল নিশ্চিত করা। জজ কোর্টের শূন্য পদে দ্রুত বিচারক নিয়োগ দিয়ে স্থবির হয়ে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি করা। সীমান্তে কঠোর কূটনৈতিক তদারকি এবং সুন্দরবনে জেলেদের নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের যৌথ অভিযান জোরদার করা। আত্মহত্যা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে কাউন্সেলিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা।
একটি সভ্য সমাজে সংখ্যা দিয়ে মানুষের জীবনের মূল্য বিচার করা যায় না। প্রতিটি অপমৃত্যু ও অপরাধের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সুশীল সমাজকে অবিলম্বে একসঙ্গে বসে এই নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে।

ক্যালারোয়ায় ‘জাতীয় তরুণ সংঘের’ নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রবিউল, সম্পাদক রঞ্জু, সাংগঠনিক মোস্তাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ক্যালারোয়ায় ‘জাতীয় তরুণ সংঘের’ নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রবিউল, সম্পাদক রঞ্জু, সাংগঠনিক মোস্তাক

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন জাতীয় তরুণ সংঘের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে কলারোয়া সরকারি কলেজ সংলগ্ন ক্লাবের নিজস্ব ভবনে এক জরুরি সভায় ক্লাবের সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। তিন বছর মেয়াদি নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে মো. রবিউল হোসেনকে সভাপতি, আরিফুর রহমান রঞ্জুকে সাধারণ সম্পাদক ও মোস্তাক আহমেদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। এছাড়া কমিটিতে ৬ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে রাখা হয়েছে।
সভা শেষে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক জানান, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন জাতীয় তরুণ সংঘ তার ঐতিহ্য অব্যাহত রাখতে কাজ করবে। মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে অতি দ্রুতই কলারোয়া সরকারি কলেজ মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন, তরুণ প্রতিভাবান ফুটবল খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। একই সাথে উপজেলায় বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম মল্লিক, এনায়েত খাঁন টুন্টু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আহম্মেদ সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ই-ইউনুছ আলী, কোষাধ্যক্ষ আলমগীর কবীর তারেক, দপ্তর সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুকুল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক শাহাদাত হোসেন অপু, প্রচার সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সহ-প্রচার সম্পাদক আতিয়ার রহমান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাহেব আলী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক উত্তম গোলদার, সহ-সংস্কৃতি সম্পাদক সন্তোষ কুমার, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সহ-শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মজনুর রহমান মজনু, শাহীনুজ্জামান খাঁন পপি, মোজাম্মেল হক ও নজরুল ইসলাম।
এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন-সিরাজুল ইসলাম, মাগফুর রহমান রাজু (সাবেক পৌর কাউন্সিলর), শেখ জামিল হোসেন (সাবেক পৌর কাউন্সিলর), শেখ আমজাদ হোসেন (সাবেক সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য), রফিকুল হাসান (সাবেক পৌর কাউন্সিলর) ও ড্যা. মনোয়ার হোসেন।

দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা ও উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলার পারুলিয়া সীমান্ত ট্রেড স্কুল চত্বরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং সুশীলন দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান।
সুশীলনের সিভিও কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক লিটন ঘোষ বাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মীর খাইরুল আলম, সাংবাদিক আর. কে. বাপ্পা, ইছামতি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আহসান সালেহীন, সাংবাদিক কে. এম. রেজাউল করিম, পারুলিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য নূর বানু কাদেরী, হাছিনা খাতুন ও রেহেনা পারভীন।