সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

কালবৈশাখী ঝড়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ
কালবৈশাখী ঝড়

মোঃ সৈয়দুল ইসলাম
কালবৈশাখী ঝড়ে
আমার কুঁড়েঘর,
উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম
করে নড়বড়।
কালবৈশাখী ঝড়ে
মনে লাগে ডর,
কখন যানি যায় উড়ে যায়
ছোট্ট কুঁড়েঘর।
কালবৈশাখী ঝড়ে
আমার স্ত্রী সন্তান,
আল্লাহ আল্লাহ বলে কাঁদে
গায় তাঁর গুনগান।

Ads small one

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজ জেলা সফরে তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজ জেলা সফরে তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে সাথে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর নিজ জেলা বগুড়ায় এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। নিজ জেলায় পৌঁছানোর পর তিনি স্থানীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ৭ সন্তানসহ ৮ শিশুকে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ৭ সন্তানসহ ৮ শিশুকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানায় গুলি করে নিজের ৭ সন্তানসহ ৮ শিশুকে হত্যা করেছেন শামার এলকিন্স নামে এক ব্যক্তি। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

 

স্থানীয় সময় রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোরে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের শ্রিভেপোর্ট শহরে ঘটে নৃশংস এ ঘটনা।

 

শ্রিভেপোর্ট পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র ক্রিস বোর্ডেলন বলেন, রোববার ভোরে শ্রেভপোর্টের দুটি বাড়িতে চালানো এই হামলায় নিহতদের বয়স এক থেকে প্রায় ১২ বছরের মধ্যে। আহত প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে একজন ছিলেন সন্দেহভাজনের সন্তানদের মা।

বোর্ডেলন বলেন, ঘটনার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ ধাওয়া করে তাকে গুলি করলে মারা যান ওই বন্দুকধারী।

এ ঘটনার কারণ এখনও উদঘাটন করতে পারেননি তদন্তকারীরা। বোর্ডেলন বলেন, এখনও অনেক কিছু তদন্ত করা বাকি আছে। তবে, গোয়েন্দাদের ধারণা পারিবারিক কলহের জেরেই ঘটেছে এ হত্যাকাণ্ড।

 

বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব!

অনলাইন ডেস্ক: জ্বালানি তেল ও এলপি গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দামও বাড়তে পারে। আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

 

মন্ত্রিসভার সম্মতি পেলে সেই অনুযায়ী প্রস্তাব পাঠানো হবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। তবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বলছেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

 

বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যেই ১৮ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় এলপি গ্যাসের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু মানুষের আয় সেই হারে না বাড়ায় ব্যয়ের চাপ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

সাধারণ মানুষ বলছেন, গ্যাসের দাম একাধিকবার বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ এমনিতেই কষ্টে পড়ছে। এরমধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে সেটি হবে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। কারণ বিদ্যুৎ বিল বাড়লে বাড়িভাড়াও বাড়বে, ফলে জীবনযাত্রার চাপ আরও বেড়ে যাবে।

মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য তৈরি বিদ্যুৎ বিভাগের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে এই খাতে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় সাড়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি কমাতে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে ৫ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি লাইফলাইন গ্রাহক বাদে অন্যান্য আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সম্মতির পর এসব প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি এখনো খুব প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, চূড়ান্ত কিছু হয়নি।

বিদ্যুতের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কতটা বাড়বে এবং অর্থনীতিতে এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় দাম না বাড়িয়ে ব্যয় কমিয়ে ঘাটতি সমন্বয়ের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেন, ঘাটতি বাড়ার মূল কারণ অপচয় ও অযৌক্তিক ব্যয়। এই ব্যয়ের উৎস খুঁজে বের করে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মুনাফা বাদ দিয়ে বিদ্যুতের প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করতে হবে। আগে ঘাটতির প্রকৃত চিত্র পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করতে হবে। তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত কীভাবে সেই ঘাটতি সমন্বয় করা হবে।

তবে দাম না বাড়িয়ে কীভাবে ঘাটতি কমানো সম্ভব, সে পথও বাতলে দিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের এই জ্বালানি উপদেষ্টা। তিনি আরও বলেন, যদি কয়লার সরবরাহ বাড়ানো যায় এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়, তাহলে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎসহ ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুতের প্রয়োজন কমে যাবে। এতে বড় অঙ্কের খরচ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা যেতে পারে।

এদিকে বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে বলা হয়েছে, দুই বছরের মধ্যে দাম না বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে এখন বিকল্প চিন্তা করতে হচ্ছে সরকারকে।