রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

কালিগঞ্জে ফারজানা হত্যার ঘটনায় মামুনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে ফারজানা হত্যার ঘটনায় মামুনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও কাশিবাটি গ্রামের এনামুল হকের মেয়ে ফারজানা সুলতানা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রহিম শুক্রবার সংশ্লিষ্ট আদালতে এ আবেদন জানান।

এদিকে ফারজানার মৃত্যুকে ঘিরে মব সৃষ্টি করে গৃহবধু সুমাইয়া খাতুনকে পুলিশের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে ইট দিয়ে থেঁতলে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৬ দিনের কোন মামলা হয়নি। ফলে হত্যার সঙ্গে জড়িতরা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তবে এ দুটি হত্যার ঘটনার নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।

নিহত সুমাইয়া খাতুনের ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চার বছর আগে কাশিপুর গ্রামের এন্তোফ মোড়লের ছেলে হামিদুলের কথায় তার বোন সুমাইয়া খাতুনকে একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর তারা জানতে পারেন যে, আমিরুল একজন নেশাগ্রস্ত ও জুয়াড়ি। এ নিয়ে সুমাইয়া ও আমিরুলের মধ্যে প্রতিনিয়ত ঝগড়া হতো। সুমাইয়ার উপর চলতো নির্যাতন। এ নিয়ে শালিসি বৈঠক হয়েছে কয়েকবার। এক শালিসি বৈঠকে হামিদুলকে লাঞ্চিত হতে হয় মামুনের কাছে।

 

পরবর্তীতে মামুনকে মারপিট করে বদলাও নেন হামিদুল। এরপর থেকে তাদের মধ্যে সম্পর্কেও চরম অবনতি হয়। তবে নিহত ছাত্রী ফারাজানা সুলতানা ও সুমাইয়া খাতুনের পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় ছিল। একে অপরের বাড়িতে রান্না করা খাবার বিনিময় করতেন। চলতো অর্থনৈতিক লেনদেনও। হামিদুলের সঙ্গে তার বোনের সুসম্পর্ক ছিল। ২০ জুলাই সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সে ভাগ্নি আমেনাকে খাবার কিনে দিয়ে বাড়ি চলে আসে। দুপুর সোয়া একটার দিকে কয়েকটি মোবাইল থেকে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, সুমাইয়া ও ফারজানা তাদের বাড়িতে গেছে কি না?

চিংড়িখালি ভূমিহীন জনপদে বসবাসকারি এশার আলী জানান, তার বলা মতে গত ২০ জুলাই সকালে তার পুত্রবধু সুমাইয়া খাতুন তাদের বাড়িতে আসেন। দুপুর দেড়টার দিকে ফারজানার চাচীসহ কয়েকজন মুঠোফোনে জানতে চান যে, ফারজানা তার কাছে আছে কিনা! উত্তর না বলায়, তাকে বাড়িতে ফিরে আসতে বলা হয়।

কলুরমেদে গ্রামের নাছিমা খাতুন জানান, ফারজানাকে পাওয়া যাচ্ছে না এমন খবর পেয়ে বিষয়টি সুমাইয়া তাকে অবহিত করে। তিনিও মেয়ে সুমাইয়ার সাথে তাদের বাড়িতে চলে আসেন। এ সময় হামিদুলসহ কয়েকজন সুমাইয়ার কাছে ফারজানা সম্পর্কে জানতে চাইলে সে কিছু জানে না বলে জানায়। কিছুক্ষণ পর সুমাইয়ার বাবা শেখ আব্দুল লতিফ চলে আসায় তারা দুইজন কথা বলে বাড়িতে ফিরে অসেন।

নাছিমা খাতুন আরো জানান, ফারজানাকে কোথাও খুঁজে না পাওয়ায় সুমাইয়ার উপর চাপ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ সুমাইয়ার লাশ নিয়ে গেছে এমন খবর ছড়িয়ে দিলে একটি মহল উত্তর দিকের ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। পরে সুমাইয়ার কাছে চাবি না চেয়ে তালা ভেঙে ঘরে ঢোকে পুলিশসহ স্থানীয় কয়েকজন। এ সময় লক বিহিন পিছনের জানালা খুলে পড়ে ছিল। পরবর্তীতে সোয়া ছয়টার দিকে আবারো ঘরে ঢুকে কয়েকজন ওয়ালসোকেচ থেকে ফারজানার হাত ও পা বাঁধ লাশ উদ্ধার করে।

 

সুমাইয়া কিছু জানে না বলার পরও কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে পুলিশের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে উঠানে ফেলে দিয়ে পুলিশের সামনেই ইট দিয়ে থেঁতলে মৃত ভেবে ফেলে রাখে হামিদুল মোড়ল, একই গ্রামের মাসুম, হুসাইন খান, পানি বিক্রেতা তৌফিকসহ কয়েকজন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে সুমাইয়াকে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ইন্দ্রনগর মোড়ে অবস্থান নেয়।

 

রাত প্রায় ৯টার দিকে পুলিশ এসে ফারজানা ও সুমাইয়ার লাশ নিয়ে চলে যায়। একজোড়া দ্ইু আনা সোনার দুল নিতে ফারাজানাকে ঝালমুড়ি খাওয়ানোর কথা বলে বাড়িতে ডেকে সুমাইয়া হত্যা করেছে মর্মে প্রচার করা হয়। নিয়ে নেওয়া হয় সুমাইয়ার ফোন। নতুন করে হামলার ভয়ে ময়না তদন্তের একদিন পর গভীর রাতে কলুরমেদে গ্রামে সুমাইয়ার লাশ দাফন করা হয়। আবারো হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় তারা হত্যাকারিদের নামে মামলা করতে পারছেন না। রয়েছে এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির চাপও।

নাছিমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ফারজানার কানের দুল দুটি ও সুমাইয়ার মোবাইল ফোন কোথায় তা তিনি জানতে চান। পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিশোধ নিতে ও মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ঘটনাস্থলে না থাকায় পরও ফারজানা হত্যা মামলায় তার ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আসামী করেছে হামিদ মোড়ল। এমনকি নিজে সুমাইয়া হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে ফারজানা হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী হয়েছেন। সুমাইয়া হত্যার ব্যাপারে তারা দ্রুত মামলা করবেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সুমাইয়ার ঘরে আসবাবপত্র দিয়ে ঘর দুটি সাজানো- গোছানো ছিল। তবে যে ঘর থেকে ফারজানার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ওই ঘরের পিছনের জানালার পাল্লা মজবুত করে লাগানো ছিল না। তাছাড়া সুমাইয়ার ভাসুরের ছেলে মোস্তাককে (২৩) ২০ জুলাই দুপুরের পর থেকে আজো এলাকায় দেখা যায়নি। তাছাড়া ফারজানা ইউনিফর্ম পরে স্কুলে এলেও লাশ উদ্ধারের সময় তার পরিহিত পাজামা অন্য রং এর ছিল।

 

ইউনিফর্মের পায়জামা দিয়ে তার পা দুটি বাঁধা ছিল। আশঙ্কা করা হচ্ছে স্কুল থেকে সুমাইয়ার বাড়িতে আসা ফারজানাকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পিছনের জানালা দিয়ে ঢুকে হাত ও পা বাঁধা অবস্থায় ওয়ালসোকেচের মধ্যে রাখা হয়েছে। কারণ ৯ বছরের একটি মেয়েকে টেনে নিয়ে একাকি ওয়ালসোকেচের মধ্যে রাখা অসম্ভব প্রায়। আর সুমইয়া দুলের লোভে ফারজানাকে হাত ও পা বেঁধে হত্যা করে ওয়ালসোকেচের মধ্যে রাখলে তাকে মোবাইল ফোনে ডাকার পর সে বাড়িতে আসতো? তা ছাড়া তার কাছে চাবি থাকার পরও তা না নিয়ে তালা ভাঙা হলো কেন? মোস্তাকের অবস্থান সম্পর্কে পরিবার নিশ্চুপ কেন?

 

গত বৃহষ্পতিবার জেলা প্রশাসক মিজ কাওছার আজিজ ফারাজানার বাড়িতে গেলে হামিদ মোড়ল কেন বললেন স্যার, গণপিটুনিতে মারা গেছে সুমাইয়া। এনিয়ে যেন কাউকে হয়রানি করা না হয়। তারা আরো জানান, স্থানীয় প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির ইচ্ছার গুরুত্ব না দিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করলে পুলিশ দুটি হত্যাকা-ের ক্লু দ্রুত উদ্ধার করতে পারবে। ক্ষতিগ্রস্তরা পাবে ন্যায় বিচার।
এ ব্যাপারে হামিদুল মোড়লের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে ফারজানাকে ময়নাতদন্তকারি চিকিৎসক সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মাহাফুজুর রহমান প্রতিবেদন দেওয়ার আগে সে ধর্ষিত হয়েছিল কিনা তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ১০ দিনের রিমা- আবেদন জানানো হয়েছে। জব্দ তালিকায় ফারজানার স্কুল ইউনিফর্মের পাজামা না অন্য কিছু তা তিনি বলতে পরেননি। জব্দ তালিকা ও সুরতহাল প্রতিবেদন উপপরিদর্শক সাব্বির হোসেন প্রস্তুত করেছিল বলে জানান তিনি।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম জানান, সুমাইয়া হত্যার ঘটনায় শনিবার বিকেল চারটা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। তবে শনিবার সন্ধ্যায় মামলা হতে পারে। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করা হলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করবে। তবে দুটি হত্যার ব্যাপারে ন্যয়বিচারের স্বার্থে তারা যথাযথ তদন্ত করে যাচ্ছেন ।

 

Ads small one

সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্লা মাদ্রাসার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটিতে ১১ বস্তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে চাল হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় পরিচালকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করাই সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

মাদ্রাসায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আল ফেরদৌস আলফা ও ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সংকটই মোকাবিলা করে না, বরং সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নানা সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে দেওয়া এ সহায়তাকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সংগঠনটির মূলমন্ত্র—“জীবন প্রতিযোগিতার নয়, জীবন সহযোগিতায়”-এই বার্তাকেই সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে ‘পুলিশের মোটিভেশন ট্রেনিং ও নৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত’ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনবান্ধব, সেবামুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো পুলিশ সদস্যদের মধ্যে জনসেবার মানসিকতা, সততা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করা।

 

জনগণের প্রতি আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আস্থাভাজন সম্পর্ক গড়ে তোলা। তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও মূল্যবোধ কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগের জন্য সকল প্রশিক্ষণার্থী’র প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ শাহীনুর চৌধুরীসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যবৃন্দ।