রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ  

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ  

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক এর সহযোগিতায় ও গ্রীন কোয়ালিশন আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে স্থানীয় কৃষক, সংগঠক ও পরিবেশকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার বরসা রিসোর্টের হলরুমে উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার উদ্বোধন করেন গ্রীণ কোয়ালিশন সাতক্ষীরার সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবু।

প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বারসিক এর পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস।

বারসিক এর উপকূলীয় আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলামের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণের বিভিন্ন অংশে আলোচনা করেন গ্রীন কোয়ালিশন সাতক্ষীরার উপদেষ্টা কল্যাণ ব্যানার্জি ও অধ্যক্ষ (অব.) আশেক ই এলাহী, শ্যামনগর পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক কিরণ শংকর চট্টোপাধ্যায়, প্রবীণ নাগরিক নেতা আব্দুল মান্নান, কবি দিলরুবা রুবি, গ্রীন কোয়ালিশন সাতক্ষীরার যুগ্ম সম্পাদক এম.বেলাল হোসাইন, নির্বাহী সদস্য রাহাত রাজা, বনজীবী নারী শেফালী বিবি, যুব সংগঠক জান্নাতুল নাঈম, হাবিবুর রহমান, পরিবেশকর্মী রাজু আহমেদ, উন্নয়ন কর্মী নাজমুস সাদাত পলাশ, বারসিক এর সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্বের আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতে কৃষি-জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বিকল্প জৈব পদ্ধতিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, রাসায়নিক নির্ভরতা হ্রাস এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিতে বিভিন্ন ধারণা দেওয়া হয়।

কর্মশালা শেষে গ্রীন কোয়ালিশন নেতৃবৃন্দ কৃষিপ্রতিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় আগামী অর্থবছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেন।

Ads small one

আশাশুনিতে লোকালয়ে অবৈধ কয়লা চুল্লি, ধোঁয়ায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ও প্রকৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে লোকালয়ে অবৈধ কয়লা চুল্লি, ধোঁয়ায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ও প্রকৃতি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তকিপুর এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে কাঠ পোড়ানো কয়লার চুল্লি। লোকালয়ের একদম পাশে গড়ে ওঠা এসব কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় আশপাশের এলাকার জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের কোনো অনুমোদন না থাকলেও রাজনৈতিক প্রভাব আর গোপন লেনদেনের জোরে নির্বিঘেœ চলছে এই ক্ষতিকর ব্যবসা।

তেঁতুলিয়া-সোনাই সড়কের মাঝামাঝি তকিপুর নামক স্থানে ৪টি বিশেষ চুল্লি তৈরি করা হয়েছে। মাটি ও ইটের তৈরি এসব চুল্লিতে দিনরাত পোড়ানো হচ্ছে শত শত মণ কাঠ। শাহনগর গ্রামের বিপুল শাহর জমি ভাড়া নিয়ে বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের আলী গাজী এই কারবার চালাচ্ছেন। কারখানার কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের বাড়িঘরে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফলন্ত গাছপালা ও জমির ফসল।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই ধোঁয়ার কারণে এলাকার শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগ দেখা দিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা খুব কষ্টে আছি। চুল্লির মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করেই তারা এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।”

এর আগে স্থানীয়রা মৌখিকভাবে অভিযোগ জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। দ্রুত তদন্ত করে এই অবৈধ চুল্লির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

১৫ জুনের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষের কড়া নির্দেশ এমপি রবিউলের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
১৫ জুনের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষের কড়া নির্দেশ এমপি রবিউলের

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। রোববার (১০ মে) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।
সভার শুরুতে উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্যদেব চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বেশ কিছু ঠিকাদারের কাজের ধীরগতি ও অনিয়ম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রকৌশলী জানান, অর্থবছর শেষ হতে চললেও অনেক কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়, যা চুক্তির শর্তের পরিপন্থী।
সংসদ সদস্য রবিউল বাশার ঠিকাদারদের বক্তব্য শোনেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণমান বজায় রেখে কাজ শেষ করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, “চুক্তি মোতাবেক কাজ করা বাধ্যতামূলক। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে। জনস্বার্থের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।”
সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল কুদ্দুছ এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভেনামি চিংড়ি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে সচিবালয়ে পর্যালোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
ভেনামি চিংড়ি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে সচিবালয়ে পর্যালোচনা সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ভেনামি চিংড়ি চাষের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা দেশের মৎস্য খাতে ভেনামি চিংড়ি চাষের গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি আয় বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিংড়ি চাষের কোনো বিকল্প নেই।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল এবং ‘শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (সেব)-এর খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের সভাপতি ও সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা। আলোচনায় অংশ নেন ছবি ফিশ-এর মো. মুজিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, মহাপরিচালক, যুগ্ম সচিব এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কক্সবাজার, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার মৎস্য কর্মকর্তারা ভেনামি চিংড়ি চাষের মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভেনামি চিংড়ি চাষের সঠিক নীতিমালা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসবে।