রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

কেশবপুরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া মূল্যে সার বিক্রির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া মূল্যে সার বিক্রির অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিসিআইসি ডিলাররা সিন্ডিকেট করে রাসায়নিক সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চলতি পাট মওসুমে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার চড়া মূল্যে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাব ডিলারদের অভিযোগ, এসব সার বিসিআইসি ডিলারদের কাছ থেকে তাদের চড়া মূল্যে কিনতে হচ্ছে বলেই তারা কৃষকদের কাছে চড়া মূল্যেই বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

ডিলারদের অতি মুনাফা লাভের আশায় এ উপজেলায় সম্প্রতি টিএসপি, ডিএপি ও ইউরিয়া সারের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে পাট ও সবজি চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। যে কারণে চলতি মওসুমে কেশবপুরে পাট চাষে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, কেশবপুরে বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার রয়েছেন ১৩ জন। এসব ডিলারের অধীনে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১০৮ জন খুচরা বিক্রেতা (সাব ডিলার) রয়েছেন। এছাড়া এ উপজেলাই বিএডিসি ডিলার রয়েছে ২৯ জন। চলতি মওসুমে কেশবপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে।

 

এছাড়া সবজি চাষ হয়েছে ৬ শত ৮০ হেক্টর জমিতে। পাট ও অন্যান্য সকল প্রকার মওসুমি ফসলের অনুকুলে চলতি জুন মাসের মোট ইউরিয়া সারের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ শত ১৮ মেট্রিক টন, ডিএপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ শত ৯২ মেট্রিক টন, এমওপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ শত ১০ মেট্রিক টন, টিএসপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৭২ মেট্রিক টন। গত মে মাসে ১ শত ৩৮ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ১ শত ৩০ মেট্রিক টন ডিএপি, ১ শত ১৫ মেট্রিক টন এমওপি ও ৫৫ মেট্রিক টন টিএসপি সারের বরাদ্দ দেয়া হয়।

 

অথচ কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অধিকাংশ বিসিআইসি ডিলার ও সাব ডিলাররা অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছে বেশী দামে সার বিক্রি করছেন। এর ফলে ভরা মওসুমে কৃষকরা বাধ্য হয়ে এ সার চড়া মূল্যে কিনে জমিতে প্রয়োগ করছেন।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটা দোকানে সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা থাকলেও প্রতি কেজি ইউরিয়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ডিএপি ৩২ থেকে ৩৮ টাকা, টিএসপি ৩৫ থেকে ৪২ টাকা, এমওপি ২২ থেকে ২৬ টাকা দরে বিক্রি করছেন খুচরা সার বিক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, কেশবপুর উপজেলার প্রত্যেক বিসিআইসি ডিলারের রয়েছে গোপন গুদাম ঘর।

 

রাতের আধারেই সেখান থেকেই চড়া মূল্যে এ সার চলে যাচ্ছে মৎস্য ব্যবসায়ীর ঘেরে। যার কারণে বিসিআইসি ডিলাররা বরাদ্দকৃত সার সাব ডিলারদের কাছে বিক্রি করতে অনিহা প্রকাশ করছেন। এভাবে বিসিআইসি ডিলাররা সারের সংকট তৈরী করে তাদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশী মূল্যে বিক্রি করছেন। বিধায় কৃষকদের চড়া মূল্যে সার কিনতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, চলতি মাসে তার দোকানে ইউরিয়া সারের চাহিদা ১৫০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ২০ বস্তা, ডিএপি সারের চাহিদা ১৫০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৫ বস্তা, টিএসপি সারের চাহিদা ১০০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৫ বস্তা, এমওপি সারের চাহিদা ১০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৩ বস্তা।

বিদ্যানন্দকাটি গ্রামের কৃষক মোকাররাম হোসেন বলেন, চলতি বছর তিনি ৬ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এ জমিতে সার প্রয়োগ করতে তিনি বাধ্য হয়ে কেশবপুর শহরের এক দোকান থেকে ১৫ শত টাকায় ১বস্তা ইউরিয়া ও ১৫ শত টাকায় ১বস্তা ডিএপি কিনেছেন। দোকানে স্যারের সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা থাকলেও সে দামে তিনি সার কিনতে পরেনি। তার অভিযোগ, কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় অধিকাংশ সার ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছে বেশী দামে সার বিক্রি করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন সিন্ডিকেটের কথা অস্বীকার করে বলেন, সারের কোন সংকট নেই। কৃষকরা মাত্রা অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করায় একটু সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, কোন ব্যবসায়ী বেশী দামে সার বিক্রি করলে তার রশিদ থাকলে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।