মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

কেশবপুরে জলাবদ্ধতায় ৬৬ হেক্টর পাটের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জলাবদ্ধতায় ৬৬ হেক্টর পাটের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): হঠাৎ ভারী বর্ষণে কেশবপুরের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় অধিকাংশ পাট ক্ষেতে কোমর পানি বেঁধে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে পানিতে মরতে শুরু করেছে নাবী জাতের পাট। এ অবস্থায় কৃষকরা অপরিপক্ক পাট কেটে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগের ভাষ্যমতে, ভারী বর্ষণে উপজেলার ৬৬ হেক্টর জমির পাট নষ্ট হয়ে গেছে। এতে একদিকে যেমন কৃষক পাটের কাঙ্খিত ফলন পাচ্ছেন না, অন্যদিকে পাটের ন্যার্য্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে লোকসানের আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষক।

কৃষকরা জানায়, এ উপজেলায় প্রতিবছর অপেক্ষকৃত উঁচু জমিতে ১৫ চৈত্রের পর এবং বোরো ধান কাটার পর (১৫ বৈশাখের পর) এই দুই সময়ে পাটের আবাদ করা হয়। চৈত্র মাসে বপন করা পাটে খরার কারণে শ্রমিকের মজুরীসহ পানি সেচ বাবদ অন্য বারের চেয়ে এবার উৎপাদন খরচ বেশি দিতে হয়েছে। অপরদিকে, বৈশাখে বপন করা পাটে আগাছা পরিস্কার করার পর রাসায়নিক সার প্রয়োগ করে যখন কৃষকরা সোনালী আঁশ ঘরে তোলার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখনই হঠাৎ ভারী বর্ষণে কৃষকের সে স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। নিন্মাঞ্চলের অধিকাংশ পাট ক্ষেতে হাটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানি বেঁধে যায়। পানির মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ে একজন কৃষক এক শতকের বেশি জমির পাট কাটতে পারছে না। স্বাভাবিক মজুরির চেয়ে তাদের বেশি মজুরি খরচ দিতে হচ্ছে। এ অবস্থায় বাধ্য হয় কৃষকরা অপরিপক্ক পাট কাটতে। এতে পাটের ফলনও মান ভালো না হওয়ায় ভালো দামও পাচ্ছেন না।

কৃষি বিভাগ জানায়, গত বছর ৬ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল। চলতি বছর পাটের দাম বেশি হওয়ায় গত বারের চেয়ে এবছর ৬ হাজার ৫৮৫ হেক্টর জমি পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এরমধ্যে পাটের আবাদ হয় ৬ হাজার ৬‘শ হেক্টর জমিতে। পাটের উৎপাদন বাড়ানোসহ ভারতীয় পাট বীজের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এ উপজেলার ৬‘শ জন কৃষককে পাটের বীজ, সারসহ প্রণোদনা দেয়া হয়। পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২০ হাজার ৮০৫ মেট্রিকটন। যার বাজার মূল্য ১৬০ কোটি ২০ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। কিন্তু হঠাৎ ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতায় ৬৬ হেক্টর জমির পাট ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পানি বেশি হওয়ায় অনেক কৃষক পাট কাটতে ব্যর্থ হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় জলাবদ্ধতায় ৬৬ হেক্টর জমির পাটের ক্ষতি হয়েছে। বীজ বপনের ১২০ দিন হলেই পাট পরিপক্ক হয়। ভাদ্র মাসের শেষের দিকে কাটলে কৃষকরা পরিপক্ক পাট পেতেন। কিন্তু পানির কারণে আগেভাগেই পাট কেটে ফেলছেন। পাটের দাম ভালো হলেও কৃষকরা ভালো ফলন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

Ads small one

ফকরাবাদ মসজিদে দুঃসাহসিক চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ফকরাবাদ মসজিদে দুঃসাহসিক চুরি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ বায়তুল আমান জামে মসজিদে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে এ চুরি হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, এশার সালাত শেষে মুসল্লিরা মসজিদে তালা বন্ধ করে যান। পরদিন ভোর পাঁচটায় ফজর সালাতের সময় এসে দেখা যায়, মসজিদের পূর্ব পাশের বেড়া ভাঙা। ভিতর থেকে একটি সাউন্ড বক্স, একটি সোলারের ব্যাটারি এবং দান বাক্সে থাকা প্রায় চার হাজার টাকা চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনায় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক লালমাহমুদ গাজী আশাশুনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বুধহাটা কলেজিয়েট স্কুলে অপরাধবিরোধী সচেতনতামূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
বুধহাটা কলেজিয়েট স্কুলে অপরাধবিরোধী সচেতনতামূলক সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাহাদুরপুর ভূবন মোহন (বিবিএম) কলেজিয়েট স্কুলে মাদক, অনলাইন গেমে আসক্তি ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমদ খান। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক ও অনলাইন গেমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে থেকে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এস কে হাসান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, সহকারী প্রধান শিক্ষক এস এম সিরাজুল ইসলামসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কেশবপুরে মন্দির থেকে অলংকার ও জিনিসপত্র চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে মন্দির থেকে অলংকার ও জিনিসপত্র চুরি

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়সা শ্রীরামপুর এলাকার শ্রীশ্রী মহা শ্মশান কালী মন্দির ও শিব মন্দিরের গ্রিল এবং তালা কেটে স্বর্ণালংকারসহ পূজায় ব্যবহৃত আসবাব ও প্রণামি বাক্স চুরি হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সভাপতি মানিক প্রসাদ দত্ত মঙ্গলবার সকালে কেশবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৪টার মধ্যে কোনো একসময় চুরির ঘটনাটি ঘটে। চুরিতে আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন জানান, মন্দিরে চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। মন্দির কমিটির সভাপতি মানিক প্রসাদ দত্ত বলেন, এর আগেও দুইবার এই মন্দিরে চুরি হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। যজ্ঞ কমিটির সভাপতি পরিতোষ কুমার বিট জানান, মন্দির চত্বরে নৈশপ্রহরী রাখা অথবা সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর বিষয়ে পরবর্তী সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।