বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

গ্রামীণ নারী দিবসের মেলায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
গ্রামীণ নারী দিবসের মেলায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্ব

পত্রদূত ডেস্ক: জলবায়ু সহনশীল কৃষিচর্চা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বাগেরহাটের রামপালে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলায় গ্রামীণ নারী কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য, হস্ত ও কুটিরশিল্পের সামগ্রী, দেশীয় খাবার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিপ্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউ (আইআরভি) এ মেলার আয়োজন করে। ‘জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন, টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণ’ স্লোগানে আয়োজিত মেলার উদ্বোধন করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌসী। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ নারী কৃষকদের উৎপাদন ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

উজলকুড় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বিউটি বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উত্থাপন করেন আইআরভির ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ফার্মিং-মার্কেট অ্যাকসেস (সিআরএফএমএ) প্রকল্পের সমন্বয়কারী সৌরভ ভদ্র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সদস্য মো. আক্তার মোড়ল, ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য আসমা বেগম এবং সিআরএফএমএ প্রকল্পের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো. আলমুজ্জামান ও জান্নাতুল ফেরদৌস।

মেলায় বিভিন্ন স্টলে স্থান পায় মৌসুমি শাকসবজি, দেশীয় ফল, পিঠাপুলি, নকশিকাঁথা, কুশিকাটার সামগ্রী, বেতের তৈরি ল্যাম্পশেড, ঝুড়ি, ধামা, ফুলদানি, বাঁশের কুলা ও পুঁতির ব্যাগ। এসব পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর প্রযুক্তি। সিআরএফএমএ প্রকল্পের স্টলে প্রদর্শন করা হয় নারী কৃষকদের ব্যবহারের জন্য সহায়তাপ্রাপ্ত সৌরচালিত সেচপাম্প, সৌরবিদ্যুৎচালিত ডিম ফোটানোর ইনকিউবেটর, বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, দেশীয় ফল ও ভার্মি কম্পোস্ট সার। পাশাপাশি আইআরভির বিভিন্ন প্রকাশনাও প্রদর্শিত হয়। এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ ও বাজারসংযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীদের আয় বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Ads small one

ফেসবুকে প্রকাশ্যে উস্কানি দিয়ে হত্যাকাণ্ড, অধরা মূল অভিযুক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
ফেসবুকে প্রকাশ্যে উস্কানি দিয়ে হত্যাকাণ্ড, অধরা মূল অভিযুক্ত
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অজুহাতে ফেসবুক লাইভ ও পোস্টের মাধ্যমে উস্কানি ছড়িয়ে ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটার পরও মূল প্ররোচনাকারী ফজলুল হজ আমিনী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে। ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিয়ে উন্মত্ত জনতা জড়ো করা, হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নিয়ে দেয়ালে আছাড় মারা ও পিটিয়ে হত্যার মতো বর্বরোচিত অপরাধের দায় নিজ মুখে স্বীকার করার পরও তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার না করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা।
‘মব জাস্টিস’-এর মূল কারিগর ফজলুল হক আমিনী ও তার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন অডিও-ভিডিও ও পোস্টের তথ্যানুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন ফজলুল হক আমিনী।
 উস্কানি ও স্বীকারোক্তি: তিনি নিজেই বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে স্পষ্ট স্বীকার করেছেন যে, তিনি ফেসবুক লাইভ ও পোস্ট দিয়ে ‘তৌহিদী জনতা’কে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেন এবং উস্কানি ছড়িয়ে মানুষকে উত্তেজিত করেন।
 আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ: অডিও বার্তায় প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করতে দেখা গেছে—প্রশাসন তাকে গ্রেপ্তার করলে করবে এবং এর পরিণামে তার জেল-জুলুম বা ফাঁসি হলেও কোনো পরোয়া নেই। এমন প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ও উস্কানির পরেও তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি ব্যবস্থা দৃশ্যমান না হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
উস্কানিদাতার প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো নিয়ে সুশীল সমাজ ও নেটিজেনদের ক্ষোভ
 ফজলুল হক আমিনীর ফেসবুক পোস্টেৎসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ মানুষ কড়া ভাষায় এই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করছেন: নেটিজেনদের বড় একটি অংশ মন্তব্য করছেন যে, ফেসবুক লাইভ ও পোস্টের সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে যেখানে মূল উস্কানিদাতাকে প্রথম সুযোগেই গ্রেপ্তার করার কথা, সেখানে সে কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় ও বড় বড় কথা বলে?
 এছাড়া রাষ্ট্রীয় ও আইনি কাঠামোর চরম ব্যর্থতা: একজন মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষকে হাসপাতাল থেকে বের করে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো, আর যে লোক মাইকিং বা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এই রক্তক্ষয়ী মব সৃষ্টি করল, সে এখনও আইনের আওতার বাইরে থাকা মানে দেশে ‘মব কালচার’কে প্রশ্রয় দেওয়া।
নিহতের বড় ভাই আব্দুল জলিল জানান, সোমবার সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ করেন মানসিক রোগাক্রান্ত ওয়াহিদুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ওই অডিওতে কটূক্তি সংক্রান্ত কথা রয়েছে দাবি করে দেবহাটার ফজলুল হক আমিনী ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ফেসবুকে লাইভ করে জনতাকে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা ওয়াহিদুজ্জামানের বাড়ির গেট ভাঙচুর করে সুবর্ণাবাদ বাজারে নিয়ে মারধর করে। মঙ্গলবার রাতে ফজলুল হক আমিনীসহ বিক্ষুব্ধরা চিকিৎসাধীন শামীমকে চেম্বার থেকে বের করে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এরপর ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে এক হাজারের বেশি লোক সখীপুর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন ওয়াহিদুজ্জামানকে দেয়ালে আছাড় মারে এবং বাইরে এনে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মব সৃষ্টির মাধ্যমে আইন হাতে তুলে নিয়ে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আব্দুল জলিল।
নিহতের ছোট ভাই জেলা রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও সুবর্ণাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি তাহসিভ রহমান সাগর জানান, বুধবার রাতে এশার নামাজের পর শামীমের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর দুটি ছেলে রয়েছে। বড় ছেলের বয়স ১২ বছর, ছোট ছেলের বয়স ৭ থেকে ৮ মাস। আজকে মামলা করবো।
ফজলুল হক আমিনী জানান, শামীম তার প্রতিবেশীদের সাথে কথাবার্তার মাধ্যমে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য করেছে এবং প্রতিবেশীদের কাছে এই সংক্রান্ত ভিডিও রেকর্ড বা প্রমাণ রয়েছে।
ওই যুবকের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, কোনো পাগল ব্যক্তি শুধু আল্লাহ, রাসূল, কোরআন, হাদিস, সাহাবি এবং ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে সুনির্দিষ্ট ও ধারাবাহিক কথা বলে না। পাগলের লক্ষণ থাকলে সে অন্যান্য বিষয় নিয়েও কথা বলত, কিন্তু তার বক্তব্যে শুধুমাত্র ইসলাম ও কোরআন-হাদিসের বিরুদ্ধে কথা বলায় এটি কোনো পাগলের লক্ষণ হতে পারে না বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন যে, ইসলাম ধর্ম, কোরআন বা রাসূলকে নিয়ে কেউ কটুক্তি বা অবমাননা করলে তা আইনের দৃষ্টিতে যেমন অপরাধ, তেমনি শরীয়তের দৃষ্টিতেও এর বিচার হওয়া উচিত। ধর্ম নিয়ে ওয়াহিদুজ্জামান দীর্ঘ ছয় মাস ধরে আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছিল। ‘তৌহিদী জনতা’ গণপিটুনি দিয়ে তাকে পৃথিবী থেকে বিদায় করেছে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি জানান যে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নন, তবে কোরআন ও রাসূলকে নিয়ে কেউ বিরূপ মন্তব্য করলে তার প্রতিবাদ করাকে তিনি নিজের ঈমানী দায়িত্ব মনে করেন। তিনি ফেসবুক এবং লাইভে স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষ জড়ো করার বিষয়টির পাশাপাশি নিজের এই অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন। এই বিষয়ে প্রশাসন বা অন্য কেউ তাকে ধরলে তার জন্য তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছেন এবং বাজারে এসে প্রশাসনের অপেক্ষায় করছেন, এমনকি এর পরিণামে তার ফাঁসি বা জেল-জুলুম হলেও তার কোনো আপত্তি নেই বলে উল্লেখ করেন।
তিনি নিজের পেশাগত পরিচয় ও সামাজিক কাজের কথা উল্লেখ করে বলেন যে তিনি পারুলিয়া বাজারের গরু-ছাগল জবাইয়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মোটরসাইকেল চালক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মসজিদে ইমামের দায়িত্বে থাকার পাশাপাশি বর্তমানে কোনো ইমাম অসুস্থ হলে তার প্রক্সি বা সহযোগিতায় এগিয়ে যান বলে তিনি জানান।
পরিশেষে তিনি বলেন, ইসলাম ও রাসূলের অবমাননার মতো ঘটনায় যারা কটুক্তি বা বিরূপ মন্তব্য করে, তাদের বক্তব্য আগে সম্পূর্ণ শোনা উচিত এবং ইসলামবিরোধী এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ও ক্ষোভ সবসময় অব্যাহত থাকবে।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, এখন পর্যন্ত ওই ঘটনায় পরিবার থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সকালে ফোন দিয়েছে এবং তারা থানায় এসে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
 তিনি আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেইসবুক) ফজলুল হক আমিনীর লাইভ ও স্ট্যাটাসের বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে।
 এ বিষয়ে পুলিশ একটি ছায়া তদন্ত শুরু করেছে এবং এর সাথে কারা কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে বিস্তারিত অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে।
হাসপাতাল ও আশেপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং ছড়িয়ে পড়া সামাজিক মাধ্যমের ভিডিও বিশ্লেষণ করে জড়িতদের সনাক্ত করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ জনগণের মতে, কোনো দেশে যদি ডিজিটাল মাধ্যমে উস্কানি দিয়ে মানুষ হত্যা করার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি এভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে পারে, তবে তা সমাজের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। উস্কানিদাতা ফজলুল হক আমিনীসহ এ ঘটনার মূল হোতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় না আনলে আইনের শাসনের ওপর মানুষের আস্থা বজায় রাখা কঠিন হবে।

শুক্রবার মহাষষ্ঠী: জাগ্রত হোক বিবেকের শক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
শুক্রবার মহাষষ্ঠী: জাগ্রত হোক বিবেকের শক্তি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

শরতের নীল আকাশ, কাশফুলের দোলা, শিউলির সুবাস আর ঢাকের শব্দ জানান দিচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের বার্তা। বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সূচনা শুক্রবার মহাষষ্ঠীতে। ২০২৬ সালের ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার পালিত হবে এই তিথি। দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। কিন্তু মহাষষ্ঠীর তাৎপর্য প্রতিমা প্রতিষ্ঠা কিংবা আচার-অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নয়। এর মূল শিক্ষা অশুভের বিরুদ্ধে শুভশক্তির জাগরণ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। হিন্দু পুরাণের কাহিনি অনুসারে, মহিষাসুরের অত্যাচার থেকে দেবতাদের রক্ষা করতে আবির্ভূত হন দেবী দুর্গা। দীর্ঘ সংগ্রামের পর তাঁর হাতে মহিষাসুরের পরাজয় ঘটে। এই কাহিনি ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ হলেও এর অন্তর্নিহিত বার্তা সর্বজনীন। অহংকার, নিপীড়ন ও ক্ষমতার অপব্যবহার যত প্রবলই হোক, তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজন কখনো ফুরায় না। দেবী দুর্গার অসুরবিনাশী রূপ তাই অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার প্রতীক। মহাষষ্ঠীর অন্যতম প্রধান আচার দেবীর বোধন।

 

প্রচলিত বিশ্বাসে, এদিন দেবীকে জাগ্রত করে মর্ত্যে আহ্বান জানানো হয়। এই বোধনের একটি সামাজিক তাৎপর্যও রয়েছে। দেবীকে জাগ্রত করার পাশাপাশি মানুষের বিবেকও কি জাগ্রত হচ্ছে? প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে অন্যায়ের বিনাশ কামনা করি আমরা, অথচ বাস্তব জীবনে অন্যায় দেখেও অনেক সময় নীরব থাকি। নারী নির্যাতন, দুর্নীতি, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিলে অসুরবিনাশিনীর আরাধনা কেবল আনুষ্ঠানিকতায় আটকে থাকে। এবারের দুর্গাপূজায় দেবীর আগমন ও গমনের বাহন নিয়েও প্রচলিত শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা রয়েছে। পঞ্জিকার গণনা অনুযায়ী, দেবীর আগমন ঘোটকে বা ঘোড়ায় এবং গমন নৌকায়। শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যায় ঘোটকে আগমনকে ‘ছত্রভঙ্গস্তুরঙ্গমে’ বলা হয়, যা বিশৃঙ্খলা ও বিপর্যয়ের আশঙ্কার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। অন্যদিকে, নৌকায় গমনকে শস্যবৃদ্ধি ও সুখ-সমৃদ্ধির লক্ষণ মনে করা হয়; পাশাপাশি জলবৃদ্ধি বা বন্যার আশঙ্কার কথাও প্রচলিত রয়েছে।

 

এসব বিশ্বাস ধর্মীয় ঐতিহ্য ও লোকাচারের অংশ। তবে দেবীর বাহনের সঙ্গে রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সরাসরি কার্যকারণ সম্পর্কের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই এসব ব্যাখ্যাকে আতঙ্কের কারণ না করে বাস্তব দায়িত্ব পালনের তাগিদ হিসেবে দেখা উচিত। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করে গণতান্ত্রিক আচরণ, সহনশীলতা ও আইনের শাসনের ওপর। আর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজন আগাম সতর্কতা, কার্যকর প্রস্তুতি ও দ্রুত ব্যবস্থা। দেবীর কাছে শান্তি কামনা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; শান্তি রক্ষার কাজটিও মানুষকেই করতে হয়। দুর্গোৎসবের আরেকটি বড় শক্তি সামাজিক সম্প্রীতি।

 

বাংলাদেশে এই উৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আয়োজন হলেও এর আনন্দ বহু মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পূজাম-পে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের উপস্থিতি, শুভেচ্ছা বিনিময় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্যের সুযোগ তৈরি করে। এই মিলনই উৎসবের সামাজিক সৌন্দর্য। কিন্তু সম্প্রীতির প্রকৃত পরীক্ষা ম-পের আলোকসজ্জায় নয়, বরং উৎসবের বাইরের দৈনন্দিন জীবনে। সংখ্যালঘু মানুষের নিরাপত্তা, ধর্মীয় উপাসনালয়ের সুরক্ষা ও সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পূজার কয়েকটি দিনে নিরাপত্তা জোরদার করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; সারা বছরই নাগরিকদের নিরাপদে ধর্ম পালন ও জীবনযাপনের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

 

প্রতিমা ভাঙচুর, উপাসনালয়ে হামলা, ভয়ভীতি কিংবা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের ঘটনা ঘটলে দ্রুত তদন্ত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধীর পরিচয় যা-ই হোক, আইনের প্রয়োগে পক্ষপাতের সুযোগ থাকা উচিত নয়।দুর্গোৎসবের সঙ্গে বহু মানুষের জীবিকা জড়িয়ে আছে। প্রতিমাশিল্পী, ঢাকি, মৃৎশিল্পী, বাঁশ ও কাঠের কারিগর, আলোকসজ্জাকর্মী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মাসের পর মাস প্রস্তুতি নেন। তাঁদের শ্রমেই উৎসবের আয়োজন পূর্ণতা পায়।

 

অথচ ম-পের জাঁকজমক নিয়ে আলোচনা হলেও এই শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য পারিশ্রমিক ও কাজের নিরাপত্তা সব সময় যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না। উৎসবের সাফল্য বিচার করতে হলে তাঁদের প্রাপ্য মর্যাদার বিষয়টিও সামনে আনতে হবে। পরিবেশ ও জন নিরাপত্তাও আয়োজকদের দায়িত্বের অংশ। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা, যানজট ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিমা বিসর্জনে নদী-জলাশয়ের দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। আবহাওয়ার পূর্বাভাস, বৃষ্টিপাত, জলাবদ্ধতা ও যাতায়াতের নিরাপত্তায় বাড়তি সতর্কতা জরুরি। আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত প্রস্তুতি থাকলে অনাকাক্সিক্ষত ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

 

মহাষষ্ঠী আমাদের সামনে তাই দুটি প্রশ্ন রাখে: আমরা কীভাবে দেবীর আরাধনা করছি, আর তাঁর শিক্ষাকে জীবনে কতটা ধারণ করছি? দেবী দুর্গার শক্তি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস জোগায়। সেই সাহসের বাস্তব প্রকাশ ঘটতে হবে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থানে, ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রত্যাখ্যানে এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে। এবারের মহাষষ্ঠীতে অঙ্গীকার হোকÑধর্মের পরিচয় দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো যাবে না, অন্যায়ের সামনে নীরব থাকা যাবে না, আর নাগরিক অধিকার কারও দয়া বা অনুগ্রহের বিষয় হতে পারে না।

 

দেবীর বোধন তখনই সার্থক হবে, যখন মানুষের বিবেক জাগবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে উঠবে এবং রাষ্ট্র প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ম-পে অসুরবিনাশিনীর বন্দনা আর বাস্তবে অন্যায়ের সঙ্গে আপসÑএই দ্বিচারিতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ, দেবীর আরাধনার সার্থকতা প্রতিমার উচ্চতায় নয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের অবস্থানে; উৎসবের আলোকসজ্জায় নয়, প্রতিটি মানুষের নিরাপদে বাঁচার অধিকারে।

লেখক: সংবাদকর্মী

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাদ্য প্যাকেটে হস্তক্ষেপমুক্ত সতর্কতা লেবেল চালুর দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাদ্য প্যাকেটে হস্তক্ষেপমুক্ত সতর্কতা লেবেল চালুর দাবি

বাংলাদেশে অতি-প্রক্রিয়াজাত প্যাকেট খাবারের উপর নির্ভরশীলতা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে খাদ্যজনিত বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি। খাদ্য প্যাকেটের সামনে সহজ, স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক সতর্কীকরণভিত্তিক ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল) এক্ষেত্রে ভোক্তার সচেতন খাদ্য নির্বাচন সহজীকরণ এবং খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তবে, খাদ্যশিল্পের নানামুখী চাপে এফওপিএল সংক্রান্ত “নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬” এর খসড়াটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি দ্রুত চূড়ান্ত করা প্রয়োজন। বিশ্ব খাদ্য দিবস, ২০২৬ উপলক্ষ্যে আজ (১৫ অক্টোবর) গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর সহযোগিতায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) আয়োজিত “অতি-প্রক্রিয়াজাত খাদ্য-প্যাকেটের সামনে সতর্কতামূলক লেবেল: অগ্রগতি, বাধা ও করণীয়” শীর্ষক ওয়েবিনারে এসব তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। আগামীকাল বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য “ইনোভেট টুডে, নারিশ টুমরো”।

ওয়েবিনারে জানানো হয়, বাংলাদেশে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত লবণ, চিনি ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণের প্রবণতা ব্যপকহারে বাড়ছে। গবেষণা বলছে, দেশের ৯৭ ভাগ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এসব খাবার খেয়ে থাকেন। তবে, বর্তমানে খাদ্য-প্যাকেটের পেছনে থাকা জটিল পুষ্টিতথ্য ভোক্তার পক্ষে বোঝা এবং সঠিক খাদ্য নির্বাচন করা কঠিন। এই সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এফওপিএল সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রবিধানমালা তৈরি করেছে, যা বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে। জানা গেছে, খাদ্যশিল্পের দেশি-বিদেশি অংশীজনদের পক্ষ থেকে বাধ্যতামূলক ব্যবস্থার বদলে স্বেচ্ছামূলক লেবেলিং, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তির অজুহাত, বাস্তবায়নের সময় বাড়ানো, ছোট প্যাকেটে ছাড় এবং সতর্কবার্তার পরিবর্তে বিভ্রান্তিকর বা কম দৃশ্যমান এফওপিএল ব্যবহার প্রভৃতি অযৌক্তিক দাবি অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, “খসড়াটি বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)-এর বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দিয়েছি এবং ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সাথেও কাজ করছি। আশা করছি এটি দ্রুত গেজেট আকারে প্রকাশ করা সম্ভব হবে।”

জনস্বাস্থ্যবিদ ও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর) এর সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ ঘটে বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে, যার অন্যতম কারণ অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণ। বাধ্যতামূলক এফওপিএল খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে, তাই কোম্পানির হস্তক্ষেপমুক্ত থেকে খসড়া প্রবিধানমালাটি দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে। ”

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অফ পাবলিক হেলথ এর অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট আবু আহমেদ শামীম বলেন, “প্যাকেটজাত অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রকৃত পুষ্টিমান ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে ভোক্তাদের স্পষ্ট ধারণা দিতে সতর্কীকরণভিত্তিক এফওপিএল সবচেয়ে বেশি কার্যকর।”

গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন,  “এফওপিএল বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য ব্যয় কমবে এবং এসডিজি ৩.৪  অর্জনের পথ আরও সুগম হবে।”

দৈনিক ইত্তেফাকের চিফ রিপোর্টার এম শামসুদ্দীন আহমেদ বলেন, “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এফওপিএল খুবই কার্যকরী পদক্ষেপ। খসড়া প্রবিধানমালাটি দ্রুত চূড়ান্ত করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।”

ওয়েবিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার (ডায়েট রিলেটেড রিস্ক ফ্যাক্টর) সামিনা ইসরাত এবং ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস-এর কনসালটেন্ট আমিনুল ইসলাম সুজন। প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কো-অর্ডিনেটর মাশিয়াত আবেদিনের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রোগ্রাম অফিসার শবনম মোস্তফা। নাগরিক সমাজ, এনজিও এবং যুব সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ওয়েবিনারে অংশ নেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি