বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

চাতুর্যের কাছে মেধার পরাজয়, কোথায় যাচ্ছে আমাদের রাজনীতি?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
চাতুর্যের কাছে মেধার পরাজয়, কোথায় যাচ্ছে আমাদের রাজনীতি?

‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

রাজনীতি কোনো পাশাখেলা নয়, সাময়িক চাতুর্যেরও নাম নয়। রাজনীতি মানুষের কল্যাণ, রাষ্ট্রের উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ রক্ষার একটি বড় দায়িত্ব। অথচ দুঃখজনকভাবে আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কখনো কখনো মেধা, যোগ্যতা ও সততার চেয়ে কৌশল, ব্যক্তিস্বার্থ, চাটুকারিতা ও গোষ্ঠীগত প্রভাব বেশি গুরুত্ব পেয়ে যায়। এই প্রবণতা শুধু রাজনীতির মর্যাদাই ক্ষুণœ করে না, যোগ্য নেতৃত্বের বিকাশের পথও সংকুচিত করে।

 

একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করে তার রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর। তাই রাজনীতিতে কে কতটা কৌশলী তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত কে কতটা যোগ্য, সৎ, জনবান্ধব এবং দায়িত্বশীল। কারণ কৌশল দিয়ে সাময়িকভাবে পদ-পদবি কিংবা রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন করা সম্ভব হলেও জনগণের আস্থা অর্জন করা যায় না। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।

 

তাদের বড় একটি অংশ শিক্ষিত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং পরিবর্তনমুখী। তারা রাজনীতিতে নতুন চিন্তা, স্বচ্ছতা ও যোগ্য নেতৃত্ব দেখতে চায়। কিন্তু যখন তারা দেখে মেধার চেয়ে পরিচয়, যোগ্যতার চেয়ে তদবির কিংবা জনসেবার চেয়ে ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাশ বেশি কার্যকর, তখন স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির প্রতি তাদের আগ্রহ কমে যায়। এর প্রভাব শুধু রাজনৈতিক দলেই পড়ে না, দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর ওপরও পড়ে।

 

রাজনীতিতে একজন নেতার সবচেয়ে বড় সম্পদ হওয়া উচিত তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা। দেশের ইতিহাস, সংবিধান, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, প্রশাসন ও জনজীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে যার স্পষ্ট ধারণা নেই, তিনি কীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার স্বপ্ন দেখবেন? শুধু বক্তৃতার মঞ্চে জনপ্রিয় হওয়া আর রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করা এক বিষয় নয়। রাষ্ট্রের জটিল সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন চিন্তা, গবেষণা, অভিজ্ঞতা ও বাস্তবভিত্তিক নীতি।

 

আজকের বাংলাদেশে কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্পায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন ও তরুণদের ভবিষ্যৎ এসব বিষয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রয়োজন। জনগণ এখন শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না; তারা জানতে চায়, সমস্যা সমাধানে বাস্তব পরিকল্পনা কী। তাই রাজনীতিতে বক্তৃতার চেয়ে নীতিনির্ধারণী সক্ষমতা এবং স্লোগানের চেয়ে বাস্তব কাজের গুরুত্ব বাড়াতে হবে। অবশ্য মাঠের রাজনীতির অভিজ্ঞতারও কোনো বিকল্প নেই।

 

একজন প্রকৃত নেতা মানুষের কাছে থাকেন, মানুষের সুখ-দুঃখ বোঝেন এবং সংকটের সময়ে পাশে দাঁড়ান। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে যিনি দীর্ঘদিন কাজ করেন, জনগণের আস্থা অর্জনের প্রকৃত ভিত্তি তাঁরই তৈরি হয়। কেবল নির্বাচনের সময় মানুষের দরজায় গিয়ে ভোট চাওয়া আর বছরের পর বছর মানুষের পাশে থাকা দুটিকে এক করে দেখার সুযোগ নেই।

 

রাজনীতিতে সিন্ডিকেট, চাটুকারিতা ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রভাবের সংস্কৃতি যত বাড়বে, ততই যোগ্য নেতৃত্বের পথ সংকুচিত হবে। তাই দলীয় রাজনীতিতেও প্রার্থী কিংবা নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দেখতে হবে, তিনি কতটা সৎ, দক্ষ, কর্মঠ, জনসম্পৃক্ত এবং নীতিনিষ্ঠ। কার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক কতটা ঘনিষ্ঠ, সেটি যেন যোগ্যতার মাপকাঠি না হয়।

 

রাজনীতিতে কৌশল থাকতে পারে, কিন্তু কৌশল যেন যোগ্যতার বিকল্প না হয়। কারণ ক্ষমতা মানুষকে কিছু সময়ের জন্য পরিচিত করে, আর মেধা, সততা ও জনসেবা মানুষকে ইতিহাসে স্মরণীয় করে।

লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

 

Ads small one

৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার উলাশীতে রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে ৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে মাসিক ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসহায় পরিবারের হাতে চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত ৫০টি পরিবারের হাতে দেওয়া হয় মাসিক ত্রাণ কার্ড। এ কার্ডের মাধ্যমে এসব পরিবার নিয়মিত প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাবেন।
একই অনুষ্ঠানে অসহায় মো. জাহাঙ্গীরের অপারেশনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের জন্যও মাসিক ত্রাণ কার্ডের মাধ্যমে এক মাসের প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রুবিয়া রহমানের নিজস্ব অর্থায়নে এসব মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

শ্যামল শীল
২০২৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৩ পাশ হয়। ১৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সংগতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আধুনিক জ্ঞানচর্চা পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটর-এর মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অতীব প্রয়োজনীয় ও যুক্তিযুক্ত।
একইদিনে নারায়নগঞ্জে আরো একটি বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন পাশ করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে, ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে ‘নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়।
জাতীয় সংসদের গত বাজেট অধিবেশনে ১০৬ সাতক্ষীরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং একই সাথে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং থাকলে, তা কতদিনে বাস্তবায়ন হতে পাবে? প্রশ্ন করেন।
উত্তরে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে বর্তমানে সরকার কর্তৃক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং আঞ্চলিক বৈষমা হ্রাসের লক্ষ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি সরকার সময়ে সময়ে পর্যালোচনা করে থাকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার, উদ্ভাবনী চর্চা, গবেষণামনকতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ, সম্ভাবাতা যাচাই এবং অর্থায়নের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। যদি এ সংক্রান্ত কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও অনুমোদিত হয়, তবে প্রকল্পের ধরন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।”
মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় তাঁর প্রশ্নে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) সম্পর্কে যেমন সুনিদিষ্ঠ কিছু বলেননি, ঠিক একইভাবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এর উত্তরেও “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি” উল্লেখ করে আইনের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যে আইনটি বিগত সময়ে প্রণয়ন হয়েছিল, সেটি বাতিল হয়েছে এমন কোন তথ্য আমরা খুজে পাইনি। যদি আইনটি থাকে, তবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আর কি কি প্রয়োজন সেটা সম্পর্কেও সুনিদিষ্ঠ কোন তথ্য কারো কাছ থেকে জানতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন আমার এমন একজন শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানিয়েছেন, আইন পাশের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর জন্য ভিসিসহ অন্যান্য পদে নিয়োগ এবং একাডেমিক কার্যক্রম যে কোন সময় শুরু করা যেতে পারে।
সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এটা এখন সময়ের দাবী। তবে, রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়ে আমাদের অনেক দাবীই বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। বিশ্বাবদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনাটুকু অতিতে সৃষ্টি হয়েছিল তা আবার হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রয়োজন থেকেই এই জনপদে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হোক-এই দাবীতে সাতক্ষীরাবাসীর দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা এখন জরুরি। এব্যাপারে সকলে এগিয়ে আসুন।

 

ভারতে ইছামতীর পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত বেনাপোল সীমান্তের ১০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
ভারতে ইছামতীর পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত বেনাপোল সীমান্তের ১০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: ভারতের ইছামতী নদীর উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে প্লাবিত ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার বিকেলে দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সীমান্ত এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়া ১০০টি পরিবারের মধ্যে এ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে চাল, ডাল, আটা, তেল, লবণ ও চিনি তুলে দেন ২১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান। সম্প্রতি নদীর পানি বৃদ্ধিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। দুর্ভোগ কমাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়। ২১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের পাশে বিজিবির এই সহায়তার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।