মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি

টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বর্তমান বাজারদর এবং বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক প্রাপ্ত বিভিন্ন দরপত্রের মূল্য বিবেচনায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় প্রতি ইউনিট সর্বোচ্চ ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ প্রণোদনার অংশ হিসেবে এই উৎপাদন ব্যয়ের ওপর ২০ শতাংশ মুনাফা ও ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যুক্ত করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোনও গ্রাহক নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে এ ধরনের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে সক্ষম হলে সাশ্রয়কৃত অর্থ তার লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী, যেসব গ্রাহক ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য পাবেন।

বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ নিরূপণ এবং প্রণোদনাসহ বিদ্যুতের মূল্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবে। প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকদের ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হবে। কোনও অবস্থাতেই তা নগদে দেওয়া যাবে না।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর পর স্থাপিত সিস্টেমের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

সৌরভিত্তিক সিস্টেম স্থাপনে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার, মিটারসহ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এসআরইডিএ) নির্ধারিত কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী হতে হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক ইতিমধ্যে স্থাপিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার থেকে এ সংক্রান্ত নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর আওতাধীন সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কার্যালয় থেকেও এ সহায়তা পাওয়া যাবে।

তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানান, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর হবে।

Ads small one

প্রযুক্তি বিস্তারের লাভ ক্ষতি: ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষার্থে এখনই ভাবতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তি বিস্তারের লাভ ক্ষতি: ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষার্থে এখনই ভাবতে হবে

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল

একটি জাতির ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তার অনেকটাই নির্ভর করে আজকের শিশুরা কীভাবে বেড়ে উঠছে তার ওপর। শিশুর মানসিক বিকাশ, জ্ঞানচর্চা, কল্পনাশক্তি, মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা গড়ে তুলতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। অথচ প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের একটি বড় অংশ ক্রমেই বই ও শ্রেণিকক্ষ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন গেম ও বিভিন্ন ধরনের বিনোদনমূলক কনটেন্ট তাদের মনোযোগের বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে। বিষয়টি এখন আর শুধু পারিবারিক সমস্যা নয়; এটি জাতীয় উদ্বেগের বিষয়।

শিশুকে শুধু মোবাইল থেকে দূরে রাখলেই সমস্যার সমাধান হবে না। তার হাতে বিকল্প হিসেবে দিতে হবে আনন্দদায়ক ও আকর্ষণীয় শিক্ষা। শিশুর জন্য বই পড়াকে আনন্দের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে বয়স ও শ্রেণিভিত্তিক পাঠাগার গড়ে তোলা, নিয়মিত বই পড়ার সময় নির্ধারণ, বই পড়া ও গল্প বলার প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং ভালো বই পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা যেতে পারে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প, বিজ্ঞান, ইতিহাস, জীবনী, সাহিত্য ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই পড়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

শিশুদের শ্রেণিকক্ষে ধরে রাখার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু পাঠ্যবই পড়ে শোনানো বা পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার প্রস্তুতি দেওয়াই শিক্ষা নয়। একজন শিক্ষককে শিশুর কৌতূহল জাগাতে হবে, প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করতে হবে এবং পাঠকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। আনন্দময়, অংশগ্রহণমূলক ও শিশুবান্ধব পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে শ্রেণিকক্ষই হয়ে উঠতে পারে শিশুর সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা।

শিক্ষকদেরও তাই ক্লাসে শেখানোর বিষয়ে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আন্তরিক সম্পর্ক, শ্রেণিকক্ষে সক্রিয় অংশগ্রহণ, হাতে-কলমে শিক্ষা, দলীয় কাজ, গল্প ও উদাহরণের মাধ্যমে পাঠদানÑএসব পদ্ধতি শিশুদের শেখার আগ্রহ বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক শিক্ষণ-পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।

অন্যদিকে, শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের বিষয়টি এখন নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। প্রযুক্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা বাস্তবসম্মত নয়; বরং বয়স অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকারকে বাস্তবমুখী ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। শিশুদের জন্য ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বয়সভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং অভিভাবক ও শিক্ষকদের ডিজিটাল সচেতনতা বাড়াতে জাতীয় পর্যায়ে কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকা-, বিতর্ক, বিজ্ঞানচর্চা, ছবি আঁকা, সংগীত ও বই পড়ার মতো সৃজনশীল কার্যক্রম বাড়াতে হবে। শিশুর অবসর যেন কেবল একটি স্ক্রিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে ব্যবস্থা পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজÑতিন পক্ষকেই সম্মিলিতভাবে করতে হবে।

এখানে অভিভাবকদের দায়িত্বও কম নয়। শিশুকে ব্যস্ত রাখার সহজ উপায় হিসেবে হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া বন্ধ করতে হবে। বাবা-মাকেও সন্তানের সঙ্গে কথা বলা, গল্প করা, বই পড়া, খেলাধুলা করা এবং তার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পরিবারে বই পড়ার পরিবেশ তৈরি হলে শিশুর মধ্যেও বইয়ের প্রতি স্বাভাবিক আকর্ষণ তৈরি হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলোÑশিশুকে শুধু পরীক্ষার্থী হিসেবে নয়, ভবিষ্যতের নাগরিক হিসেবে দেখতে হবে। আজকের শিশু আগামী দিনের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা ও রাষ্ট্রনায়ক। তাদের চিন্তাশক্তি, মননশীলতা, মানবিকতা ও সৃজনশীলতা যদি দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে তার প্রভাব পড়বে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপর।

তাই এখনই সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকারকে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিতে হবে, শিক্ষকদের শ্রেণিকেন্দ্রিক হতে হবে, বিদ্যালয়কে আনন্দময় শিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে এবং অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের জন্য বই, পাঠাগার, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকা-ের সুযোগ বাড়াতে হবে।

শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়া মানে শুধু তাকে একটি বই দেওয়া নয়; তার হাতে ভবিষ্যতের চাবিকাঠি তুলে দেওয়া। আর শ্রেণিকক্ষে তার মনোযোগ ধরে রাখা মানে একটি প্রজন্মের চিন্তার ভিত শক্ত করা। মোবাইল ও প্রযুক্তির যুগে শিশুদের সঠিক পথ দেখাতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে এর মূল্য দিতে হবে জাতিকেই।

পরবর্তী প্রজন্মকে জ্ঞাননির্ভর, মানবিক ও সৃজনশীল করে গড়ে তুলতে হলে আজই সিদ্ধান্ত নিতে হবেÑশিশুর হাতে থাকবে বই, শ্রেণিকক্ষে থাকবে মনোযোগ, প্রযুক্তি থাকবে নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনের মধ্যে। তা না হলে প্রযুক্তির দৌড়ে এগিয়ে গিয়েও জ্ঞান ও মননের দিক থেকে একটি জাতি পিছিয়ে পড়তে পারে।

 

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠিতে যা আছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠিতে যা আছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের দাফতরিক প্যাডে চিঠি লেখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চিঠিতে তিনি বোয়িং বিমান কেনার আগ্রহের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসা করেন।

চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ‘আমি সবেমাত্র বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে আপনার চিঠি পেয়েছি এবং আপনার কেনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমি এ বিষয়টি মনে রাখবো। এই বিষয়ে আপনার মনোযোগের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমি খুব অদূর ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় রয়েছি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা জানাই। তারা অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গেছে, কিন্তু আপনার নেতৃত্বে আমি নিশ্চিত যে তাদের এবং আপনার দেশের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী চেয়েছেন, জানালেন বিমানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী চেয়েছেন, জানালেন বিমানমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাম্প একটা জিনিস চেয়েছে যে, আমাদের বোয়িংগুলি ইউজ করেন। আমরা করছি, আমরা কিনছি। ১৪টি বোয়িং কিনছি, আরও আমরা লিজ নিবো।’

সোমবার (৩১ আগস্ট) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা জানান। গত ২৭ আগস্ট দেশের ৬৪ জেলায় সরকারের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। তাদের কেউ একটি, কেউ দুই থেকে তিনটি জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। সেই অনুযায়ী জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মিল্লাত ময়মনসিংহ, শেরপুর ও নেত্রকোণায় সরকারের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য গত দায়িত্ব পান।

সেই সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার প্রসঙ্গ আসে। এসময় মন্ত্রী আরও জানান, ‘আমরা এদিকে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং জার্মানি থেকে যে এয়ারবাস তৈরি হয়, সেখান থেকে ওদের কাছে কিনছি, ওদের কাছেও কিনবো। আমরা সবকিছুই বাড়াবো, ভালো করবো। আমরা দেশকে উন্নত করবো।’

এসময় প্রশাসনের লোকজনকের যার যার যে দায়িত্ব রয়েছে, তা পালন করারও আহ্বান জানান বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এখানে কিন্তু সকলেই যার যার দায়িত্ব আছে, শুধু দায়িত্ববান হলেই হলো, আর কিছু লাগবে না। আপনারা দয়া করে নিজের দায়িত্ব নিজে পালন করবেন—এই আশা ব্যক্ত করি।’

এর আগে রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে এক্স হ্যান্ডেলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করে একটি পোস্ট দেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনি জানান, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বোয়িং বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

পোস্টে সার্জিও গোর উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘জবস’ প্রেসিডেন্ট। তিনি লাখ লাখ উচ্চ বেতনের চাকরি সৃষ্টি, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এবং আমাদের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রতিদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।

সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, এই সপ্তাহে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও একটি অবিশ্বাস্য চুক্তি করেছেন। বাংলাদেশ আরও বোয়িং বিমান কেনার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা তাদের প্রাথমিক অর্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আমাদের প্রেসিডেন্ট আমেরিকা এবং আমাদের অংশীদারদের আবার মহান করে তুলছেন।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি অনুযায়ী, আগেই যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্ৰতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই অনুযায়ী গত ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এসব উড়োজাহাজ কিনতে খরচ পড়বে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা (১ ডলারে ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হিসাবে)।