শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: প্রতিশ্রুতির আলোয় শঙ্কার ছায়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: প্রতিশ্রুতির আলোয় শঙ্কার ছায়া

তারিক ইসলাম

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় নতুন হাতিয়ার হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিকে। আগামী কপ৩১ (সিওপি৩১) সম্মেলনের আয়োজক কর্তৃপক্ষ বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় এআইয়ের কার্যকর ব্যবহারের লক্ষ্যে একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে ‘আনতালিয়া এআই অঙ্গীকার’। এতে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং দায়িত্বশীল ও টেকসই উপায়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এআই খাতের লাগামহীন সম্প্রসারণের মুখে পরিবেশ সুরক্ষার ভারসাম্য রক্ষা করা কতটা বাস্তবসম্মত? নাকি এই উদ্যোগও কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিপুল পরিমাণ পরিবেশগত তথ্য বিশ্লেষণ, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার পূর্বাভাস, স্মার্ট বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয় এবং কৃষি খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল নির্ধারণে এ প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় এআই নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

তবে এর বিপরীত দিকটিও উদ্বেগজনক। উন্নত এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হয় বিশাল তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টার। এসব কেন্দ্র পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগে, যার একটি অংশ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে আসে। একই সঙ্গে সার্ভার ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। ফলে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান কার্বন নিঃসরণ ও জ্বালানি ব্যবহার জলবায়ু সুরক্ষার লক্ষ্য অর্জনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

কপ৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে ঘোষিত আনতালিয়া এআই অঙ্গীকারে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারকদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—তথ্যকেন্দ্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, কম শক্তি খরচ করে কাজ করতে সক্ষম এআই মডেল তৈরি এবং এআই প্রযুক্তির কারণে সৃষ্ট কার্বন নিঃসরণের হিসাব প্রকাশের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

উদ্যোগটি কাগজে-কলমে ইতিবাচক মনে হলেও এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। শিল্প খাতের বিশেষজ্ঞদের অন্যতম উদ্বেগ হলো, এ ধরনের অঙ্গীকার মূলত স্বেচ্ছামূলক। নীতিমালা অনুসরণ না করলে বাধ্যতামূলক আইনি ব্যবস্থা বা অর্থনৈতিক জরিমানার বিধান না থাকলে এর বাস্তবায়ন কতটা নিশ্চিত হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তীব্র বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার বাজারে পরিবেশের স্বার্থে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সম্প্রসারণের গতি কমাবে—এমন প্রত্যাশাও বাস্তবতার নিরিখে প্রশ্নবিদ্ধ।

এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধির তুলনায় এআই শিল্পের সম্প্রসারণ দ্রুত হলে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়তে পারে। সবুজ জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে নতুন তথ্যকেন্দ্রগুলো বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। ফলে এআইয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার স্বল্প মেয়াদে কার্বন নিঃসরণ বাড়িয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকাবিলার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষা—কোনোটিকেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তবে এআই যেন সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নকে ম্লান করে না দেয়, সে জন্য প্রয়োজন কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ।

প্রথমত, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তথ্যকেন্দ্রের কার্বন নিঃসরণ পরিমাপ ও নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। প্রয়োজনে তা বাস্তবায়নে বাধ্যতামূলক আইনি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

দ্বিতীয়ত, তথ্যকেন্দ্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট লক্ষ্যমাত্রা ও সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুতের পাশাপাশি পানির ব্যবহার কমানো এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও জরুরি।

তৃতীয়ত, কম শক্তি খরচে কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম পরিবেশবান্ধব এআই বা ‘গ্রিন এআই’ প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে এআই ব্যবহারের পরিবেশগত প্রভাব নিয়মিত মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি যেন পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে না দাঁড়ায়, তা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আনতালিয়া এআই অঙ্গীকার যদি কেবল আলোচনার বিষয় হয়ে থাকে এবং বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে তা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারবে না। প্রযুক্তিকে পৃথিবীর ধ্বংসের কারণ নয়, বরং মানবজাতি ও প্রকৃতির টিকে থাকার অন্যতম সহায়ক শক্তি হিসেবে গড়ে তোলাই হোক কপ৩১ সম্মেলনের মূল অঙ্গীকার।

লেখক: তারিক ইসলাম, সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি

Ads small one

হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। তবে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের বাণিজ্যিক জাহাজকে এ বিধিনিষেধের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে নানা বাধার মুখে পড়লেও এই চার দেশের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির উপপ্রধান আমির হায়াত মোগাদ্দাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, ইরানের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দেশ চারটিকে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমকে মোগাদ্দাম বলেন, বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের বিধিনিষেধ থেকে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এসব দেশের জাহাজ অবাধে চলাচল করছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও সেগুলোতে বাধা দিচ্ছে না।

তিনি জানান, ভারতীয় জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়ার অন্যতম কারণ দেশটি থেকে ওষুধ আমদানি নিশ্চিত করা। অন্যদিকে, চীনা জাহাজকে ছাড় দেওয়ার পেছনে বেইজিংয়ের রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখার বিষয়টি কাজ করছে।

তবে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের এ ছাড়ের অর্থ বিনা মূল্যে পারাপারের সুযোগ নয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলাচলের অনুমতি পেলেও ভারতীয় জাহাজকে ট্রানজিট ফি বা পারাপারের মাশুল দিতে হতে পারে।

অর্থাৎ, ইরানের এ সিদ্ধান্তে চার দেশের জাহাজের জন্য প্রণালি ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করা হলেও পারাপারের আর্থিক খরচ মওকুফ করা হয়নি।

বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক: আজ ৬ নভেম্বর, বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস। রাগ, ক্ষোভ কিংবা মতবিরোধের সময় চিৎকার না করে ধৈর্য, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে দিবসটি পালিত হয়।

বাড়িতে, কর্মক্ষেত্রে, জনসমক্ষে কিংবা অনলাইনে—সব জায়গায় শান্ত ও সংযতভাবে কথা বলার গুরুত্ব তুলে ধরে দিবসটি। অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, ধৈর্যের সঙ্গে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করা এবং কথোপকথনে সৌজন্য বজায় রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য।

উঁচু স্বরে কথা বললে কেউ আতঙ্কিত হতে পারেন, আবার কেউ নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে শিশুদের মনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই শুধু কথার বিষয়বস্তু নয়, কীভাবে কথা বলা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবসের ইতিহাস

২০২১ সালে যুক্তরাজ্যে দিবসটির সূচনা হয়। ‘লেটস স্টপ শাউটিং কমিউনিটি ইন্টারেস্ট কোম্পানি’ নামের একটি সংগঠন মানুষের কথা বলার ধরন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নেয়। সংগঠনটির মতে, চিৎকার সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে, মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। তাই শান্ত ও ভেবেচিন্তে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তোলাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

ব্রিটিশ কাউন্সেলর ইয়াসমিন শাহিন-জাফর এ উদ্যোগ এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর মতে, কণ্ঠস্বরের ওঠানামা ও কথা বলার ভঙ্গি অন্যের নিরাপত্তাবোধ এবং গুরুত্ব পাওয়ার অনুভূতিকে প্রভাবিত করে। ধীরে ধীরে স্কুল, কর্মক্ষেত্র ও পরিবারেও এ বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।

২০২৪ সালে এ উদ্যোগের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। বিশেষ করে স্নায়ুবৈচিত্র্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রয়োজন ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তাঁদের ক্ষেত্রে মানসিক চাপের সময় চিৎকার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে সহানুভূতিশীল আচরণ ও শান্তভাবে কথা বলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

প্রতি বছর ৬ নভেম্বর বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষে স্কুল, অফিস ও পরিবারে নিজেদের কথাবার্তার ধরন নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেন অনেকে। দিবসটির বার্তা হলো—শান্ত স্বর সম্পর্ককে সুন্দর করে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায়। কথা বলার ভঙ্গিতে সামান্য পরিবর্তনও অনেক সময় বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

কীভাবে পালন করবেন?

দিবসটি পালনে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। দৈনন্দিন কথাবার্তায় সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই এর চর্চা শুরু করা যায়। প্রথমেই স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা নিচু স্বরে কথা বলার চেষ্টা করুন। এতে অন্যরাও শান্তভাবে উত্তর দিতে উৎসাহিত হতে পারেন। বিশেষ করে পরিবারের সদস্য ও শিশুদের সঙ্গে কথা বলার সময় সংযত স্বর বজায় রাখা জরুরি।

কেউ কথা বলার সময় মাঝপথে বাধা না দিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। মনোযোগ দিয়ে অন্যের কথা শোনার অভ্যাস ভুল বোঝাবুঝি কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে মাথা নেড়ে বা হাসিমুখে বুঝিয়ে দিন যে আপনি তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।

বাড়িতে এমন একটি জায়গা তৈরি করতে পারেন, যেখানে টেলিভিশন, মুঠোফোন বা অন্য কোনো যন্ত্রের উচ্চ শব্দ থাকবে না। সেখানে বই পড়া, বিশ্রাম নেওয়া কিংবা কিছুক্ষণ নীরবে বসে থাকা যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রেও সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় সংযত ভাষা ব্যবহার করুন। কোনো বিষয়ে মতবিরোধ হলে সবার সামনে তর্কে না জড়িয়ে আলাদাভাবে কথা বলার চেষ্টা করুন।

এ ছাড়া এক দিনের জন্য টেলিভিশন, মুঠোফোন ও অন্যান্য যন্ত্রের শব্দ কমিয়ে রাখতে পারেন। অতিরিক্ত চিৎকার-চেঁচামেচি রয়েছে—এমন অনুষ্ঠান এড়িয়ে শান্ত গান বা পডকাস্ট শুনতে পারেন। এতে বাড়ি কিংবা কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ আরও শান্ত ও স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠবে।

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য নিহত

কক্সবাজার টেকনাফে মানবকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে প্রশ্নে বাংলাদেশ পাচারের এক সদস্য যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকালে রঙ্গীখা ঘূর্ণিঝড় পাহাড়ে এ প্রচারণা।

চতুষ্পদসদস্যের নাম মো. তাতাস শেখ (২৭)। তিনি একপর্যায়ে বাম কাঁধে গুলিবিদ্ধ হন। নিখুঁত রক্তক্ষরণে কার্যকরী তাকে উদ্ধার করে পরীক্ষা প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত প্রতিষ্ঠান (সিএমএইচ), রাতে নেওয়া হলে ধর্মীয় তাকে মর্যাদা দেন।

আন্তঃ বৃহৎ জনসংযোগ পরিদফের (আইএসপিআর) তথ্যের তথ্য অনুযায়ী, গো মানবা খবরে খবর পাওয়া যায়, রাণীখালী গভীর পাহাড়ে ১৫ থেকে ১৬ এর একটি সশস্ত্রী দল প্রায় ১২০ জন ও বাংলাকে জিম্মি করে তুলেছে। এ তথ্যের প্রকাশক বাংলাদেশভির ১০ পদাতিক ডিশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিটী) ও স্থানীয় পুলিশ সদস্য গঠিত দল আভিযান বিজানা বিক্রেতা বিক্রেতা আকালানুক্রমিক প্রকাশ্য।

এ সময় পাওয়ার সদস্য সস্ত্রীক উপস্থিতি টেরটি মানবপাচারকারী এপাতাড়ি চালায়। ব্যাঙ্গ পার্টির মধ্যে ব্যবহার করা হয়।

যুদ্ধে সেনা বার থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় বন্দুক ও চার রাউন্ড গোলাকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া এ ছাড়া পাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্যের দল এবং জিম্মিকে ৫৭ পরিস্থিতি উদ্ধার করা হয়।

ধর্মরত সেনাসদস্যের আত্মত্যাগের কথা বলা বাংলাদেশকে গভীর শ্রদ্ধা জানাতে। একই সাথে তার বিহীর আত্মার মাগফিরাত কামনা গভীর এবং শোকসন্তান সদস্যদের প্রতি সমবেদনা।