জলবায়ু পরিবর্তন জয় করে দিগন্ত জুড়ে কচি ধানের শীষের সমারোহ
মাছুম বিল্লাহ: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করে জেলায় দিগন্ত জুড়ে যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই কচি ধানের শীষের সমারোহ।যা দেখে কৃষকের মন আনন্দে ভরে উঠছে, তারা দেখছেন একমুঠো ভাতের জন্য রঙিন স্বপ্ন।
জেলায় চলতি মৌসুমে ৮০৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ এবং হেক্টর প্রতি ৪.২৩ মে: টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকলে এক মাসের মধ্যে ধান কাটা শুরু করবেন এবং ভালো ফলন পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকেরা।
তথ্য সুত্রে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ২৩২৮৫ হেক্টর জমিতে ৯৭১১৮ মে: টন চাউল, কলারোয়া উপজেলায় ১২৮৭০ হেক্টর জমিতে ৫৩৩৭৮ মে: টন চাউল, তালা উপজেলায় ১৯১৫৫ হেক্টর জমিতে ৮১৫৫৪ মে: টন চাউল,দেবহাটা উপজেলায় ৬১২৫ হেক্টর জমিতে ২৬৭৪১ মে: টন চাউল, কালিগঞ্জ উপজেলায় ৬৯৫৫ হেক্টর জমিতে ২৮৭২০ মে: টন চাউল,আশাশুনি উপজেলায় ৬৯৯০ হেক্টর জমিতে ৪২১০৪ মে: টন চাউল,শ্যামনগর উপজেলায় ৯১৫ হেক্টর জমিতে ১১৫৩০ মে: টন চাউল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, অন্য বছরের তুলনায় এবার ভারতীয় রড মিনিকেট ধান চাষ করেছেন অধিকাংশ কৃষক,যার শীষগুলো অনেক বড়।এ বিষয়ে সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের কৃষক মনিরুল ইসলাম মনি জানান,এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধান গাছ ভালো হয়েছে।এখান থেকে ৩০ থেকে ৪০ দিনের মধ্যে যদি বড় কোন দুর্যোগ না হয় তাহলে আমরা ধানগুলো ঘরে তুলতে পারবো। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনির হোসেন বলেন,সাতক্ষীরার কৃষকেরা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করে আমাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বোরো ধান আবাদ করেছেন। আমরা নিয়মিত বিভিন্ন মাঠ পরিদর্শন করছি আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ধানের বাম্পার ফলন হবে এবং ধানের দাম ন্যায্য পেলে কৃষকরা লাভবান হবে।












