শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগে বাঁচতে পারে লাখো প্রাণ: গবেষণা প্রতিবেদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগে বাঁচতে পারে লাখো প্রাণ: গবেষণা প্রতিবেদন

ন্যাশনাল ডেস্ক: জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যসেবা প্রস্তুতিতে আগেভাগে বিনিয়োগ করলে লাখো প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। এমনকি, আগেভাগে বিনিয়োগ করলে প্রাথমিক ব্যয়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া যেতে পারে। এক বৈশ্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনি তথ্য। গত ৬ মে গবেষণাটি প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (ডব্লিউআরআই)। এই গবেষণায় সহায়তা করেছে দ্য রকেটফল ফাউন্ডেশন।

গবেষণায় প্রতিবেদনে বলা হয়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যসেবায় এক মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মৃত্যু, রোগের চাপ ও অর্থনৈতিক ক্ষতি কমিয়ে চার থেকে ৬৮ মার্কিন ডলারের সুফল পেতে পারে।

৪০ দেশে চলা ৪৬টি প্রকল্প বিশ্লেষণ করে এই গবেষণা প্রতিবেদন করা হয়েছে। এতে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, রোগ নজরদারি, জলবায়ুভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে।

গবেষকরা বলেছেন, তাপপ্রবাহ, বন্যা ও রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। পরিবর্তিত জলবায়ু পরিস্থিতিতে দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাসম্পন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, কলেরা ও ডায়রিয়ার মতো সংক্রামক রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যসেবার একটি সমন্বিত প্যাকেজ সরকার, হাসপাতাল, জরুরি সেবাদানকারী সংস্থা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে আরও সক্ষম করে তোলে।

ডব্লিউআরআই’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও অ্যানি দাসগুপ্তা বলেন, জলবায়ুজনিত দুর্যোগ ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তবে, এগুলো মানব স্বাস্থ্যে যেটুকু প্রভাব ফেলবে, তা এখনও আমাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যই জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে মানবিক দিক। এটি সবার ওপর প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে শিশুদের ওপর এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।

গবেষণা প্রতিবেদনে সতর্ক করা বলা হয়, শক্তিশালী পদক্ষেপ না নিলে ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ুজনিত কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ মৃত্যু পারে। এছাড়া ২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে অর্ধেকেরও কম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বর্তমানে তাদের জাতীয় রোগ নজরদারি ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় জলবায়ু বিষয়ক তথ্য অন্তর্ভুক্ত করছে।

গবেষণা করার সময় গবেষকরা দেখেছেন, জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যসেবা প্রস্তুতিতে বিনিয়োগ রোগের প্রাদুর্ভাব আগেভাগে শনাক্ত করার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়। এমনকি, জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং ইতোমধ্যেই চাপের মধ্যে থাকা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ কমায়।

দ্য রকফেলার ফাউন্ডেশনের ডা. নাভিন রাও বলেন, জলবায়ু সংকট মূলত একটি স্বাস্থ্য সংকট, যা ইতোমধ্যেই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই গবেষণাটি দেখায়, সামান্য বিনিয়োগও কীভাবে সম্প্রদায়গুলোকে জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকির আগে প্রস্তুত হতে সাহায্য করতে পারে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং প্রাণ বাঁচাতে পারে।

ডব্লিইআরআই’র অনুমান, আড়াই কোটি জনসংখ্যার একটি দেশ বছরে আনুমানিক এক কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারে একটি পূর্ণাঙ্গ জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যসেবা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করতে পারলে প্রতি ব্যক্তির জন্য বছরে খরচ হবে মাত্র ৭২ সেন্ট।

বিশ্বজুড়ে চলা বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া গেছে বলে গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্য অবকাঠামো প্রকল্পে জ্যামাইকায় প্রতি এক ডলার বিনিয়োগে ১৬৮ ডলার এবং সেন্ট লুসিয়ায় ৩১৭ ডলারের সুফল পাওয়া গেছে। একই সময়ে ভারতের শহরগুলোতে তাপপ্রবাহ সতর্কতা ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে প্রতি এক ডলার বিনিয়োগে প্রায় ৫০ ডলার পর্যন্ত সুফল মিলেছে।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই ফলাফলগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জনস্বাস্থ্য পরিকল্পনায় জলবায়ু অভিযোজনকে অন্তর্ভুক্ত করার জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করেছে।

সেন্টার ফর পার্টিসিপোটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (সিপিআরডি) প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা বলেন, বাংলাদেশসহ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জলবায়ু ও স্বাস্থ্যকে আলাদা নীতিগত বিষয় হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করা ভবিষ্যতে বড় আকারের স্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার তুলনায় অনেক কম ব্যয়বহুল। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষিত রাখতে এখন আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, কমিউনিটি প্রস্তুতি এবং জলবায়ু–সংবেদনশীল স্বাস্থ্য পরিকল্পনা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বড় ধরনের অর্থায়ন ঘাটতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক উন্নয়নশীল দেশ এখনও জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্য কর্মসূচির জন্য দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। আর আবহাওয়াবিষয়ক সংস্থাগুলোও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদের অভাবে রয়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সেক্রেটারি জেনারেল কেলেসতে সাউলো বলেন, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক উপকরণ ও তথ্য ইতোমধ্যেই সরকারগুলোর হাতে রয়েছে। আমরা যদি পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হই, তবে আমাদের পরিবর্তিত জলবায়ু স্বাস্থ্যঝুঁকিকে এমন গতিতে বদলে দেবে, যা আমাদের ব্যবস্থাগুলো অভিযোজিত হওয়ার চেয়েও দ্রুত।”

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

বিশ্ব মা দিবসে ‘মা পদক’ পাচ্ছেন ববিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ব মা দিবসে ‘মা পদক’ পাচ্ছেন ববিতা

অনলাইন ডেস্ক: ২০২৬ সালটা যেন নন্দিত অভিনেত্রী ববিতার প্রাপ্তির বছর হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। পেয়েছেন ‘হুস হু’ পুরস্কার। আবার আগামী ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে পেতে যাচ্ছেন ‘আনন্দ মেলা’র আজীবন সম্মাননা।

 

এরই মধ্যে তিনি জানালেন, আগামী বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আগামী ১০ মে  ‘আলী-রূপা ফাউন্ডেশন’-এর পৃষ্ঠপোষকতায় মা পদক পেতে যাচ্ছেন। রাজধানীর একটি হোটেলে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে এ পুরস্কার।

ববিতা বলেন, ‘চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আজীবন সম্মাননা, একুশে পদকে ভূষিত হয়েছি। কিন্তু চলচ্চিত্রে মায়ের ভূমিকায় অভিন্ন এবং আমার একমাত্র সন্তান অনিককে মানুষের মতো মানুষ করার কারণে আমাকে বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মা পদক পেতে যাচ্ছি ভেবে ভালো লাগছে। ধন্যবাদ আলী-রূপা ফাউন্ডেশনকে।’

 

সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীনের উদ্যোগে এটি আয়োজন করেছে ‘মাদিহা মার্সিহা অ্যাডভারটাইজিং’। চলতি বছরে সংস্কৃতি অঙ্গন থেকে ছয়জনকে, সাংবাদিকতায় দুইজনকে এবং ব্যাংক, আইন বিচার, বিমানবাহিনী, ডাক্তারি পেশায় ১২ জন সফল ও গর্বিত সন্তানের মায়েদের’কে ‘মা পদক ২০২৬’ দেওয়া হবে।’

 

ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করল মার্কিন আদালত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করল মার্কিন আদালত

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে দেশটির এক বাণিজ্য আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এ রায় দেয়। খবর দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের ওপর এই শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এজন্য ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২ ব্যবহার করে তারা।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের ব্যাপক বৈশ্বিক শুল্ক নীতিকে বাতিল করে দেয়। আদালত বলেছিল, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে এত বড় পরিসরে শুল্ক আরোপ করার ক্ষেত্রে ট্রাম্প তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।

সেকশন ১২২ অনুযায়ী, কোনো দেশের বড় ও গুরুতর ভারসাম্যহীন বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ১৫০ দিনের জন্য আরোপ করতে পারেন।

 

তবে, মামলার বাদীরা যুক্তি দেন, ট্রাম্প এই ধারা ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে পারেননি।

 

আদালতের সর্বশেষ এই রায় নতুন ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য। তবে, এই রায়ের বিরুদ্ধে এখনও আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

 

এবার আমিরাতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
এবার আমিরাতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। আজ শুক্রবার (৮ মে) ভোরে ইরান থেকে ছোড়া একঝাঁক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আমিরাতের আকাশসীমায় আঘাত হানে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। খবর সিএনএনের।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে আসা বেশ কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে রুখে দিয়েছে। রাজধানী আবুধাবি ও দুবাইসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাঝ আকাশে এই ইন্টারসেপশনের বিকট শব্দ শোনা যায়।

 

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের ছবি তোলা বা তার কাছে না যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

গত ৯ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আমিরাতের আকাশসীমা ‘হুমকিমুক্ত’ ঘোষণা করেছিল। তবে গত দুই মাসে অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমিরাতই সবচেয়ে বেশি ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

 

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন ও ইরানি নৌবাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। পেন্টাগন দাবি করেছে, তারা মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো ইরানি সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। এরই প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

আরব আমিরাতের ন্যাশনাল এমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি দেশের নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।