বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

গোপনে বিয়ে করলেন নায়িকা সুবাহ, পাত্র কে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
গোপনে বিয়ে করলেন নায়িকা সুবাহ, পাত্র কে?

আলোচিত মডেল ও চিত্রনায়িকা হুমাইরা সুবাহ জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। সম্প্রতি তিনি চুপিসারে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিয়ের বিষয়টি এতদিন গোপন থাকলেও অবশেষে নিজেই তা প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী।

সুবাহ জানান, বেশ কিছুদিন আগেই তাদের বিবাহ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। ব্যক্তিগত ব্যস্ততা এবং নির্বাচনি কার্যক্রমে যুক্ত থাকার কারণে বিষয়টি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, সুবাহর স্বামী পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। পাশাপাশি তার পারিবারিক শিকড় ঢাকাতেই।

বিয়ে নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজন করে ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

ইতোমধ্যে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার করেছেন সুবাহ। সেই পোস্ট ঘিরে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে মন্তব্যের ঘর।

নতুন এই পথচলায় তাদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন বিনোদন অঙ্গনের সহকর্মীসহ ভক্তরা।

Ads small one

সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন

আহবায়ক এম কামরুজ্জামান, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাংবাদিক এম কামরুজ্জামানকে কমিটির আহবায়ক ও মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জলকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভাঘরে সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের সভায় উক্ত কমিটি গঠন করা হয়।

 

ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এর প্রধান নির্বাহী এডভোকেট সাইদুর রহমান।

 

নেটওয়ার্কের সম্পাদক এডভোকেট মুনির উদ্দীনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক ইত্তেফাক ও একুশে টেলিভিশনের জিএম মনিরুল ইসলাম মিনি, বেতার বাংলাদেশ, ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি ও আজকের পত্রিকার আবুল কাশেম, সময় টিভির মমতাজ আহমেদ বাপি, এটিএন বাংলার এম কামরুজ্জামান, আমাদের সময় ও মাছরাঙা টিভির মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঢাকা টাইমস/দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস এর মো. হোসেন আলী, এখন টিভির আহসানুর রহমান রাজিব, দৈনিক ভোরের এডভোকেট দিলিপ কুমার দেব, বণিক বার্তার গোলাম সরোয়ার, দৈনিক মানবজমিনের এসএম বিপ্লব হোসেন, বাংলা ট্রিবিউন এর আসাদুজ্জামান মধু, ডিবিসি টিভির বেলাল হোসেন প্রমুখ।

 

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাংবাদিক এম কামরুজ্জামানকে আহবায়ক ও মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জলকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করে ২৭ সদস্য বিশিষ্ঠ সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সাংবাদিক আব্দুল বারীর মাতা এবং সাংবাদিক আসাদুজ্জামানের ভাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

উপকূলের লবনাক্ত মাটিতে শখের আঙুর চাষে সফল উদ্যোক্তা তৈয়েবুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
উপকূলের লবনাক্ত মাটিতে শখের আঙুর চাষে সফল উদ্যোক্তা তৈয়েবুর রহমান

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় বাণিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষের উদ্যোক্তা ও কৃষক হিসাবে তৈয়েবুর রহমান সফলতা অর্জন করেছেন। তাদের কঠোর পরিশ্রম এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে মিষ্টি আঙ্গুর চাষে বিপ্লব ঘটেছে। যা লবনাক্ত উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য একেবারেই নতুন ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। আঙ্গুর চাষে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছেন এবং আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তিনি স্কোয়াশ চাষ করে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কৃষকের স্বীকৃতি পেয়েছেন।

উপজেলায় কপিলমুনি ইউনিয়নের বিরাশি গ্রামের উদ্যমী উদ্যোক্তা ও নার্সারী ব্যবসায়ী তৈয়েবুর রহমান আঙ্গুর চাষে সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সরেজমিনে তার বাগানে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় তিন শতক জমিতে জিও ব্যাগ ব্যবহার করে তিনি আঙ্গুর চাষ করছেন। মাচার উপর গাছ ছড়িয়ে আছে। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে বিদেশি ফল আঙুর। এমন দৃশ্য চোখে পড়লে মনে হবে বিদেশে আঙুর চাষের দৃশ্য। তার সংগ্রহে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের বাইকোনুর, পার্পেল, গ্রিন লং, একলো এবং সুপার নোভাসহ ১০ টি জাতের আঙুর গাছ আছে। তার বাগানে প্রায় এক হাজার ছোট চারা রয়েছে। যা এক শত থেকে তিন শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

উদ্যমী উদ্যোক্তা তৈয়েবুর রহমান জানান, শখের বশে আঙুর চাষ শুরু করেন। অনলাইনে ইউটিউব ও বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক ওয়েবসাইট দেখে আঙ্গুর চাষ সম্পর্কে ধারণা নেন। গত বছর তিনি পরীক্ষামূলকভাবে বাড়ির উঠানে মাত্র দুটি আঙ্গুর গাছ রোপণ করেন। প্রত্যাশার চেয়েও ভালো ফলন হওয়ায় তিনি নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে সাত আট মাস আগে আরও ২০টি জিও ব্যাগে আঙ্গুর গাছ লাগান।

 

বর্তমানে প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় আঙ্গুর ধরেছে। ছোট বড় থোকা ঝুলছে, যার ওজন প্রায় পাঁচ শত গ্রাম থেকে এক কেজিও বেশি হয়েছে। গাছগুলোতে ফলের পরিমাণ ও মান দেখে স্থানীয় মানুষজন বিস্মিত এবং আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তার বাগানে প্রতিনিয়ত স্থানীয় কৃষকরা পরিদর্শনে যাচ্ছেন এবং নতুনভাবে চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, আঙ্গুর চাষ করতে চাহিলে, আমি তাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছি। আমাদের এলাকায় এই চাষ ছড়িয়ে পড়লে কৃষকরা নতুনভাবে লাভবান হতে পারবেন। এখন আঙ্গুর চাষে সফলতা পেয়ে আরও বড় পরিসরে চাষের পরিকল্পনা করছি। ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষ করতে চাই।

মূলত জিও ব্যাগে চাষ করার ফলে গাছের শিকড় নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মাটি, সার ও পানি ব্যবস্থাপনা করা যায়। এছাড়া মাচা পদ্ধতিতে গাছগুলো উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়ায় পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পায়, ফলে গাছের বৃদ্ধি ও ফলন দুটোই বৃদ্ধি পায়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, উপকূলীয় লবনাক্ত এলাকায় আঙ্গুর চাষ একটি ব্যতিক্রমী ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া আঙ্গুরের জন্য অনুকূল নয় বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেই ধারণা ভেঙে দিয়েছেন তৈয়েবুর রহমান। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা উন্মুক্ত রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।

পাইকগাছার উদ্যোক্তা তৈয়েবুর রহমান উপকূলের মাটিতে আঙ্গুরের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। লবণাক্ততা আর প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষি সবসময়ই চ্যালেঞ্জের মুখে থাকে। প্রতিকূলতাকে জয় করে আঙ্গুর চাষে সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।

 

 

সাতক্ষীরায় নারী খামারিদের দক্ষতা উন্নয়নে আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নারী খামারিদের দক্ষতা উন্নয়নে আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা: “দক্ষ নারী শক্তি, খামারের উন্নতি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় নারী খামারিদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে আধুনিক ডেইরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রজেক্টের আয়োজনে বুধবার (৬ মে) সকালে সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই প্রশিক্ষণে প্রায় ১০০ জন নারী দুগ্ধ খামারি অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত। তিনি বলেন, ব্র্যাক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নারী দুগ্ধ খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের স্বাবলম্বী করতে সহায়ক হবে এবং দেশের দুগ্ধ শিল্পকে আরও টেকসই করবে। তিনি আরো বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন শুধু সামাজিক উন্নয়ন নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিরও অন্যতম চালিকাশক্তি।

 

তিনি আরো বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, বিশেষ করে দুগ্ধ খামার ব্যবস্থাপনায় তাদের অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। সঠিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা পেলে নারী খামারিরা শুধু স্বাবলম্বীই নয়, দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণেও বড় অবদান রাখতে পারবে। এ ধরনের উদ্যোগকে তিনি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ব্র্যাক ডেইরি এন্ড ফুড প্রজেক্ট এর যশোর অঞ্চলের সাতক্ষীরা এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার মোঃ সোহেল রানা’র সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা: মো: মশিউর রহমান, সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করিম,ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ইন্সপেক্টর শরিফুল ইসলাম, ব্র্যাকে’র জেলা সমন্বয়ক আশরাফুল মাশরুদসহ আরো অনেকে। নারী খামারিদের দক্ষতা উন্নয়নে আধুনিক ডেইরি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সাতক্ষীরা এরিয়ার ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ তাজ মোহাম্মদ।

আয়োজকরা জানান, বর্তমান সময়ে দুগ্ধ খামারে নারীদের অংশগ্রহণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুগ্ধ শিল্প নারীর ক্ষমতায়নের অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। টেকসই দুগ্ধ শিল্প গড়ে তুলতে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা জরুরী। এ ধরনের প্রশিক্ষণ নারী খামারিদের দক্ষতা বাড়াবে এবং খামারের আয় বৃদ্ধি করে নারীর ক্ষমতায়নে সহায়তা করবে।
প্রশিক্ষণে নারীর ক্ষমতায়ন, দুগ্ধ খামারে নারীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা, সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে গরু পালন, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ, কৃত্রিম প্রজনন, দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর খামার পরিচালনার বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক নারী খামারিকে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দুধ সংগ্রহের জন্য বিনামূল্যে একটি করে মিল্ক নেট (দুধ ছাঁকনি) ও গাভি পালনের বই বিতরণ করা হয়।