রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

টিভি-ফ্রিজসহ ভারী পণ্য পরিবহনে রেকর্ড গড়লো ডাক বিভাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
টিভি-ফ্রিজসহ ভারী পণ্য পরিবহনে রেকর্ড গড়লো ডাক বিভাগ

শুধু চিঠি কিংবা প্যাকেট নয়; ডাকযোগে এখন গ্রাহকের কাছে যাচ্ছে ফ্রিজ, মোটরসাইকেলের মতো ভারী পণ্যও। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের স্পিড পোস্ট সেবায় গত দুই মাসে পরিবহন হয়েছে প্রায় ৪০০ টন পণ্য। প্রথম কেজিতে ১০ টাকা, এরপর প্রতি কেজিতে আরও ৫ টাকা-এই মাশুলেই চলছে স্পিড পোস্ট।রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা-বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

মহাপরিচালক বলেন, দেশের আইনে অবৈধ নয়, এমন যেকোনও পণ্যই এখন ডাকের গাড়িতে তোলা, নামানো এবং পোস্টম্যানের মাধ্যমে বিলি করা যায়। সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলও ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। সঙ্গে গেছে ফ্রিজ, আলমারি ও ওয়ারড্রবের মতো বড় আসবাবপত্র। শিক্ষার্থীদের কাঁথা-বালিশ ও বিছানাপত্রও পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া রান্নাঘরের দা-বঁটি-ছুরি, হাঁড়ি-পাতিল, প্রেসার কুকার, ইন্ডাকশন চুলা থেকে শুরু করে এলইডি টিভি, এয়ার কন্ডিশনার, বাইসাইকেল এমনকি কীটনাশক স্প্রে মেশিনও এখন ডাকযোগে পাঠানো যাচ্ছে।

তিনি বলেন, মৌসুমি ফলসহ স্পিড পোস্টের মাধ্যমে গত দুই মাসে মোট প্রায় ৪০০ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে, যা এর আগে ডাক বিভাগের মাধ্যমে কখনো পরিবহন হয়নি। এসব পণ্য যেন সহজে ও সুন্দরভাবে গ্রাহকের কাছে পৌঁছায়, সে জন্য সেবাটিকে গ্রাহকবান্ধব করতে বাড়তি কিছু ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

ডাক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহকদের সুবিধার জন্য চালু হয়েছে অনলাইন মাশুল ক্যালকুলেটর। এর মাধ্যমে আগে থেকেই পণ্য পরিবহনের খরচ জেনে নেওয়া যায়।

বর্তমানে রাজধানীর জিপিওসহ গুলশান, বনানী, মিরপুর ও উত্তরার মতো বেশ কয়েকটি সাব-পোস্ট অফিস থেকে সরাসরি পণ্য পরিবহন করা যাচ্ছে। দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পার্সেলের জন্য রয়েছে বৈদেশিক ইএমএস সেবাও।

তিনি বলেন, সেবাটি যেন সুশৃঙ্খলভাবে চলে, সেজন্য এর কার্যপ্রণালী সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে ডাক অধিদপ্তর। স্পিড পোস্টে ইস্যুকৃত পণ্য জেলা শহর থেকে ঢাকায় সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা আর প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে বিলির জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসকে। তবে, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কিছু দ্রব্য এই সেবার আওতার বাইরেও রাখা হয়েছে। বিস্ফোরক ও দাহ্য পদার্থ, ক্ষতিকর বা বিপজ্জনক রাসায়নিক দ্রব্য, মাদকদ্রব্য, জীবন্ত প্রাণী, আগ্নেয়াস্ত্র এবং ভরা বা খালি গ্যাস সিলিন্ডার স্পিড পোস্টে পাঠানো যাবে না।

এত কম মূল্যে সেবা দেওয়ার বিষয়ে কাজী আসাদুল বলেন, টাকার অঙ্কের চেয়ে মানুষে-মানুষে সংযোগ স্থাপনকে আমি বড় অর্জন বলে মনে করি। একজন মা যেমন কষ্ট করে সন্তান লালন-পালন করেন, বিনিময়ে কিছুই চান না; সন্তানের ভালো থাকাতেই যার তৃপ্তি- রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাক বিভাগও তেমনি জনগণকে সেবা দিতে পারার মধ্যেই সার্থকতা খুঁজে পায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাক বিভাগের এ সেবার প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোট দিতে নিবন্ধন করেন। এরপর ভোট দেওয়া থেকে শুরু করে সেই ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে মুহূর্তে মুহূর্তে বার্তা পেয়ে ভোটের অগ্রগতি জানতে পেরেছেন প্রবাসীরা। এতে করে ডাক বিভাগের প্রতি তাদের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে।

ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, এই অভিজ্ঞতাই পরে বিনা প্রচারণায় মুখে মুখে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররাই এই সেবা থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন। তারাই নিজ উদ্যোগে তারা সেবাটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছেন।

এই জনপ্রিয়তা ডাক বিভাগের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি একজন গ্রাহক বদলি হয়ে অন্য জেলায় বাসা পরিবর্তনের সময় পুরো বাসার আসবাবপত্রই ডাকযোগে নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন। বিশ্বের অনেক দেশের ডাক বিভাগ এমন আন্তঃজেলা বাসাবদল সেবা দিয়ে থাকে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও এমন সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস সক্ষমতা গড়ে তোলা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে পরিবেশবান্ধব একটি প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে ৫০টি বৈদ্যুতিক বাইক, যা চলবে গ্রিন এনার্জিতে।

সক্ষমতা বাড়ানোর এই ধারাবাহিকতায় বদলেছে ডাক বিভাগের অভ্যন্তরীণ কর্মপরিকল্পনাও। মহাপরিচালক বলেন, সহকর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী এক কর্মশালার পর সম্প্রতি সিদ্ধান্ত হয়, ঢাকার তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় মেইল প্রসেসিং সেন্টারকে শতভাগ কাজে লাগানো হবে। এর মধ্য দিয়ে সারা দেশ থেকে ঢাকামুখী মেইল, ঢাকা থেকে সারা দেশে যাওয়া মেইল আর ঢাকা শহরের ভেতরকার মেইল- সবই প্রক্রিয়াজাত হবে একটি জায়গা থেকে। এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে কার্যকরও হয়েছে বলে জানান তিনি।

কমলাপুরের রেলওয়ে মেইল সার্ভিসের বর্তমান সক্ষমতা এখন সীমিত হয়ে পড়েছে জানিয়ে আসাদুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষার খাতা কিংবা গাছের চারার মতো নানা রকম পণ্য একসঙ্গে সামলানো ক্রমেই তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। তাই ঢাকা জিপিও ক্যাম্পাসকে সম্প্রসারিত করে সেখানে শুধু বিদেশগামী ও বিদেশ থেকে আসা রফতানি-আমদানি পার্সেলের জন্য ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এভাবে তেজগাঁও ও কমলাপুরসহ মোট তিনটি হাব মিলিয়ে সমন্বিতভাবে চলবে ডাক বিভাগের মেইল ব্যবস্থাপনা।

মহাপরিচালক বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাভের অঙ্ক আমাদের কাছে মুখ্য নয়। সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ সেবা দিয়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষকে একসূত্রে যুক্ত করাই হবে স্পিড পোস্টের প্রকৃত সাফল্য।

উল্লেখ্য, বিএনপি’র নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে চালু হয় স্পিড পোস্ট সেবা। প্রথমে মৌসুমি ফল পরিবহনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সেবা এখন সম্প্রসারিত হয়েছে নিত্যব্যবহার্য বড় বড় পণ্যসামগ্রী পরিবহনেও। খবর: বাসস

Ads small one

সোনাবাড়ীয়ায় প্রভাতী সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সোনাবাড়ীয়ায় প্রভাতী সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নে সোনাবাড়ীয়া প্রভাতী সংঘ আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় সোনাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় সোনাবাড়ীয়া ইউনাইটেড ফুটবল একাদশ ও সোনাবাড়ীয়া দুরন্ত ফুটবল একাদশ। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় দুরন্ত ফুটবল একাদশকে ২-১ গোলে পরাজিত করে সোনাবাড়ীয়া ইউনাইটেড ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

ফাইনাল খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই সোনাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। খেলা উপভোগ করতে সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। দর্শকদের করতালি, উচ্ছ্বাস ও খেলোয়াড়দের নান্দনিক ফুটবল নৈপুণ্যে পুরো মাঠ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ক্রীড়াঙ্গনে।

সোনাবাড়ীয়া প্রভাতী সংঘের আহবায়ক মেহেদী হাসান রাজুর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান এর সঞ্চালনায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।

খেলাটি উপভোগ করেন ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোকলেছুর রহমান, আকবর আলী বুলবুল, মাস্টার আব্দুল আজিজ বাবু, লেয়াকত আলী,আব্দুস সবুর, আরশাদ আলী,উজ্জল হোসেন, আমির হোসেন, আব্দুর রউফ, মাসুদ রানা, আরশাদ আলী, খালিদ হোসেন, খোরশেদ আলম, রুবেল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, তুহিনুজ্জামান তুহিন, আব্দুল্লাহ, সোহাগ, জুয়েল, শাহাজান, তারেক, আলমগীর, ডাবলু, হাসান, রাজ্জাক, আলামিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ফাইনাল ম্যাচটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেন রেফারি আনার হোসেন বাচ্চু। তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিচালনায় খেলাটি আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। মাঠে প্রাণবন্ত ধারাভাষ্য দেন আনারুল ইসলাম ও আব্দুস সাত্তার। তাদের সাবলীল ধারাভাষ্য দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।
আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা, মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে তরুণদের দূরে রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজনের মাধ্যমে এলাকার তরুণদের সুস্থ, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপনে উৎসাহিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

ফাইনাল খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় আয়োজক ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

তালা প্রতিনিধি: রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিয়মিত পড়াশোনা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং বড় স্বপ্ন দেখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, মাদকের কুফল ও স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার নিয়েও কথা বলেন।

 

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, গান, ছবি আঁকা ও স্কাউটিংয়ের মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার কথা বলেন। এতে যেমন তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে, তেমনি নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি হবে। এছাড়া মন দিয়ে পড়ালেখা করা এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকা, শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করা, পিতা-মাতাসহ বড়দের মান্য করা, নিয়মমতো চলা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, অসদুপায় বর্জন করা, সত্য কথা বলা, ভালো মানুষ হয়ে গড়ে ওঠা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার কথা তুলে ধরেন।

 

পরে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহযোগিতায় পরিচালিত স্কুলের ‘সততা স্টোর’ ঘুরে দেখেন এবং কিছু পরামর্শ প্রদান করেন। এদিকে ইউএনও মহোদয়ের এমন অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করে। তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক গাজী জাহিদুর রহমানসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সাকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়টির ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শতভাগ পাসের লক্ষ্য নিয়ে অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চমৎকার একটি সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। বিগত বছরের তুলনায় আগামী বছরগুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও এসএসসি পরীক্ষায় সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

অনুষ্ঠানে গত আগস্ট মাসে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে ৮৫ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করা ১৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেন সভাপতি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম মফিজুল ইসলাম ও সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল বাশার। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মো. হাসানুজ্জামান, প্রতিষ্ঠাতার পক্ষে তারকনিষ্ঠ পুত্র সালমান হাবিব চয়ন এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।