রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

বিদেশ ভ্রমণে বছরে ১৮ হাজার ডলার খরচের সুযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
বিদেশ ভ্রমণে বছরে ১৮ হাজার ডলার খরচের সুযোগ

বিদেশ ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের বার্ষিক সীমা ১২ হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এখন থেকে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকরা একটি পঞ্জিকাবর্ষে বিদেশ ভ্রমণের জন্য আগের তুলনায় ৬ হাজার ডলার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যমান ভ্রমণ-সুবিধা সংশোধন করে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো বাংলাদেশে বসবাসরত কোনও প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিককে একটি পঞ্জিকাবর্ষে বিদেশ ভ্রমণের জন্য সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় করতে পারবে। এত দিন এ সীমা ছিল ১২ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রকৃত ভ্রমণসংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণ এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের পরিবর্তিত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্ধিত ১৮ হাজার ডলারের সীমা পুরো পঞ্জিকাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক বছরে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

তবে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকছে। তাদের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের অনুমোদিত ভ্রমণসীমার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সুবিধা থাকবে। সে হিসাবে নতুন সীমা অনুযায়ী ১২ বছরের কম বয়সী একজন শিশুর জন্য বার্ষিক ভ্রমণসুবিধা হবে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ডলার।

অপরদিকে, নগদ মার্কিন ডলার নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। নতুন ১৮ হাজার ডলারের বার্ষিক ভ্রমণ কোটার মধ্যেও একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার নগদ ডলার নোট সঙ্গে নিতে পারবেন। বাকি বৈদেশিক মুদ্রা কার্ড বা অনুমোদিত অন্যান্য ব্যবস্থায় ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তে বিদেশ ভ্রমণের সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারে কিছুটা বাড়তি সুবিধা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পর্যটন, চিকিৎসা, শিক্ষা, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা এবং অন্যান্য অনুমোদিত ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাড়তি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ ভ্রমণকারীদের জন্য নমনীয়তা বাড়াবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগে একজন প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য বছরে ভ্রমণ খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১২ হাজার ডলার। নতুন সিদ্ধান্তে তা ৬ হাজার ডলার বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করা হয়েছে। অর্থাৎ আগের সীমার তুলনায় ভ্রমণ কোটায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ডলারের বাজারে চাপের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সাধারণত বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে নাগরিকদের প্রকৃত ভ্রমণ চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবার সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো নির্ধারিত নিয়ম ও কাগজপত্রের ভিত্তিতে ভ্রমণকারীদের এ সুবিধা দেবে। তবে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত অন্যান্য বিধিবিধান ও অনুমোদনের শর্তগুলো বহাল থাকবে।

Ads small one

কেশবপুরে মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কেশবপুরের শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজ নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শনিবার কেশবপুর প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে গভর্নিং বডির সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হাসান লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার ভাই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাসুদ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে শাহাদাত বরণ করেন। তার আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং এলাকায় উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে আমার পিতা সাবেক এমপি মরহুম মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন নিজের জমি ও শ্রম দিয়ে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ কলেজটি আমাদের আবেগ, দায়বদ্ধতা ও এলাকার মানুষের প্রতি অঙ্গীকার।

 

প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে ও সংশ্লিষ্ট সকলের অনুরোধে আমি সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছি। দায়িত্ব নিয়েই কলেজের নতুন ভবন নির্মানসহ অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করেছি। সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এ কলেজের নিয়ন্ত্রন দখলের চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

 

প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদসহ কলেজটি যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়, শিক্ষার পরিবেশ যেন অক্ষুন্ন থাকে তার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনের সময় উপস্থিত ছিলেন, গভর্নিং বডির সদস্য আব্দুল খালেক, বিএনপি নেতা বাবলুর রহমান, মুশফিকুর রহমান ও শুভ্র।

সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ:দা:) মোঃ আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীর ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মুহা: আবুল খায়ের প্রমূখ।

এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মমিনুর রহমান মুকুল, রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আশরাফুর রহমান খোকন, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ, গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অডিটর ও আলিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম আব্দুর রকিব, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ আবু সাঈদ প্রমূখ।

এসময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন খেজুরডাঙ্গা আর কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস।

কলারোয়ায় সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে পেঁপের বাম্পার ফলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে পেঁপের বাম্পার ফলন

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পাচনল গ্রামের মাঠে পেঁপে চাষে ব্যাপক সাফল্য দেখা দিয়েছে। উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ৫.৫ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে এই আধুনিক পেঁপে বাগান। বর্তমানে বাগানজুড়ে ঝুলে থাকা পেঁপে এবং এর বাম্পার ফলনে মুখে হাসি ফুটেছে সংশ্লিষ্টদের।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট’ (এসএসিপি-রেইনস)-এর আওতায় এবং জিএএফএসপি ও আইএফএডি -এর আর্থিক সহযোগিতায় উচ্চমূল্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি বাগান হিসেবে এটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে ‘টপ লেডি’ ও ‘গ্রীন ফায়ার’ জাতের পেঁপে চাষ করা হয়েছে।

বাগান পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৩০ মণ থেকে ১৪০ মণ কাঁচা ও পাকা পেঁপে তোলা হচ্ছে এই ক্ষেত থেকে। সংগৃহীত পাকা পেঁপেগুলো সুন্দরভাবে ক্যারেট ও প্যাকেটে বন্দি করে সরাসরি রাজধানী ঢাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারি বাজারে এই পেঁপের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএএও) আকলিমা আক্তার এবং উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় উন্নত প্রযুক্তি ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এই ফলন নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রচলিত ফসলের তুলনায় পেঁপে চাষে লাভ বেশি এবং উৎপাদনও দ্রুত পাওয়া যায়। এলাকাটিতে পেঁপে চাষের এই বাম্পার ফলন দেখে আশেপাশের অন্য অনেক চাষিও এখন উচ্চমূল্যের এ ফল ও সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা সৌরভ দেবনাথ জানান, কলারোয়ার মাটি ও আবহাওয়া পেঁপে চাষের জন্য বেশ উপযোগী। কৃষকদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে কলারোয়ার এই সফলতার গল্প অন্যান্য এলাকাতেও ছড়িয়ে দেয়া যায়।