বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিলার নিয়োগও হবে অনলাইনে, আবেদনকারী বেশি হলে লটারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
ডিলার নিয়োগও হবে অনলাইনে, আবেদনকারী বেশি হলে লটারি

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে ব্যাপক ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল টিসিবি কার্ড, ‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন ডিলার ব্যবস্থাপনা, অল-ইন-ওয়ান পিওএস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সংস্থাটির পণ্য বিতরণ ও ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) টিসিবির সম্মেলনকক্ষে সংস্থাটির কার্যক্রমের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এখনও পুরোপুরি নিরবচ্ছিন্ন ও কার্যকর হয়ে ওঠেনি। উৎপাদক পর্যায় থেকে পণ্য শহর বা রাজধানীর খুচরা বাজারে পৌঁছানোর পর অনেক ক্ষেত্রে দামের বড় ব্যবধান তৈরি হয়। আবার সাময়িক সরবরাহ ঘাটতিও বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। এ পরিস্থিতিতে স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিতে টিসিবির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে টিসিবির সেবায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে সরকারি ভর্তুকির সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।’

কার্ড হারালেও মিলবে পণ্য

টিসিবির নতুন ‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে উপকারভোগীরা প্রচলিত কার্ডের পাশাপাশি নিরাপদ ডিজিটাল মাধ্যমেও সেবা নিতে পারবেন। ডিজিটালি স্বাক্ষরিত ও এনক্রিপ্টেড কিউআর কোডের মাধ্যমে উপকারভোগীর পরিচয় ও পণ্য পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করা হবে। এর ফলে কার্ড হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলেও প্রকৃত উপকারভোগী নির্ধারিত পণ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন না।

ডিলার নিয়োগও ডিজিটাল ব্যবস্থা

অনলাইন ডিলার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ডিলার আবেদন, তথ্য সংরক্ষণ ও নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় আবেদনকারী বেশি হলে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ডিলার নির্বাচনের সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি অনলাইন পেমেন্ট কালেকশন চালুর মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের প্রক্রিয়াও আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা হবে।

এআই দিয়ে নজরদারি

অল-ইন-ওয়ান পিওএসের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি, বায়োমেট্রিক যাচাই, অনলাইন পেমেন্ট এবং তাৎক্ষণিক বিক্রয় রশিদ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে এআইভিত্তিক রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন এলাকায় কত পণ্য বিক্রি ও বিতরণ হচ্ছে, কোথাও অনিয়ম হচ্ছে কি না—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এতে অনিয়ম শনাক্ত এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। এআইভিত্তিক যোগাযোগকেন্দ্রও চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে উপকারভোগীরা দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পান।

৫৯ লাখ অযোগ্য আবেদনকারী বাদ

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে প্রায় ৫৯ লাখ অযোগ্য আবেদনকারীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি যাচাই করা ডিজিটাল ডাটাবেস তৈরি করা হয়েছে। সরকারি ভর্তুকি যেন প্রকৃত ও যোগ্য উপকারভোগীর কাছেই পৌঁছে, তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই ডেটাবেস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে প্রায় ৭৯ লাখ উপকারভোগী টিসিবির সেবার আওতায় রয়েছেন। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা এক কোটিতে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

সাশ্রয় হতে পারে ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে টিসিবির বিভিন্ন উদ্যোগ ও ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকার ভর্তুকি সাশ্রয় হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার, সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভর্তুকির অপচয় আরও উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি হবে মানুষের জন্য, সেবা হবে সহজ, স্বচ্ছ ও মর্যাদাপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ। অনুষ্ঠানে তিনি স্বাগত বক্তব্য দেন।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও টিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে টিসিবির ডিজিটাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

Ads small one

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল হাসেম। অনুষ্ঠানে উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. নাসরিন আক্তারসহ কলেজের ১৬টি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, উত্তরণ ও প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন এর কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের সহযোগিতায় উত্তরণ কর্তৃক বাস্তবায়িত জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম এর আওতায় কলেজ প্রাঙ্গণে এই মিয়াওয়াকি বন গড়ে তোলা হচ্ছে। কলেজের ৬৮ শতাংশ জমিতে বৃক্ষ, ভেষজ, গুল্ম, লতা এবং ঝোপ জাতীয় ১০০ প্রজাতির প্রায় ৮,০০০টি দেশীয় চারা রোপণের মাধ্যমে গড়ে উঠবে এই বন।

কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স ক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহণে পরিচালিত হবে এই উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বনটির পরিচর্যা, সংরক্ষণ ও পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

প্রকৃতি ভিত্তিক সমাধানের এই উদ্যোগ সাতক্ষীরা শহরে সবুজায়ন বৃদ্ধি, নগর তাপদাহের প্রভাব কমানো, পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অবদান রাখবে।
একইসঙ্গে, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্ভিদ পরিচিতি, পরিবেশ শিক্ষা, ব্যবহারিক জ্ঞান ও গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এমন উদ্যোগ জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলার পাশাপাশি তরুণদের পরিবেশ সংরক্ষণে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

নিরাপদ পানি ও কৃষির উপযোগী পানির দাবিতে শ্যামনগরে যুবদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
নিরাপদ পানি ও কৃষির উপযোগী পানির দাবিতে শ্যামনগরে যুবদের মানববন্ধন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: নিরাপদ সুপেয় পানি ও চাষাবাদের জন্য উপযোগী পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রংতুলি ইয়ুথ টিম, রমজাননগর ও পিঁপিঁলিকা ইয়ুথ টিম, একশনএইড বাংলাদেশ, এলআরপি-৫৪ এর সহায়তায় শ্যামনগরের যুব সদস্যরা উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির সামনে এ মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় শ্যামনগরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা, সুপেয় পানির সংকট, কৃষিকাজে প্রয়োজনীয় পানির স্বল্পতা এবং জলাবদ্ধতা স্থানীয় মানুষের জীবন ও জীবিকাকে কঠিন করে তুলছে। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত লবণাক্ততার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় পুকুর ও নলকূপের পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে অনেক পরিবারকে দূরবর্তী স্থান থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়।

বক্তারা আরও বলেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও জলাধারের অভাব, পুকুর-খালের সীমিত ব্যবহারযোগ্য, লবণাক্ত পানি প্রবেশ এবং দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে সারা বছর নিরাপদ পানি ও কৃষিকাজের উপযোগী পানির সংকট দেখা দেয়। লবণাক্ততা ও খরার কারণে গবাদিপশুর পানীয় ও ব্যবহারযোগ্য পানির সংকটও বাড়ছে।

মানববন্ধন শেষে যুব প্রতিনিধিরা শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে কমিউনিটি পর্যায়ে পর্যাপ্ত পুকুর ও খাল খনন/পুনঃখনন, বিদ্যমান পিএসএফ-এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নতুন পিএসএফ স্থাপন, সোলারবেস পিএসএফ ও লোনাপানি মিঠাকরন প্রযুক্তি(আরও প্লান্ট) ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুর পুনঃখনন এবং চিংড়িঘেরে লবণাক্ত পানি প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া বন্ধ ও ভরাট হয়ে যাওয়া খাল-নালা পুনরুদ্ধার, স্লুইস গেটের যথাযথ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, লবণ সহনশীল জাতের বীজের সম্প্রসারণ এবং কৃষি ও মৎস্য চাষে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবিও জানানো হয়।

তালায় যুব এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
তালায় যুব এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

‎সংবাদদাতা: “যুবার হাতেই দিন বদল” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালায় যুব-নেতৃত্বাধীন নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো’র আয়োজনে ও একশনএইড বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকালে তালা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও কমিউনিটি সদস্যদের সমন্বয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিডো’র প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আরিফ্জ্জুামান, ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

‎সিডো’র প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ তহিদুজ্জামান’র সঞ্চালনায় এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভুমিজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অচিন্ত্য সাহা, রপালী এর পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বি.এম. জুলফিকার রায়হান, তালা সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, নগরঘাটা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিবু প্রসাদ, পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লর রহমান, যুব প্রতিনিধি আমীর হামজা, ফিরোজা খাতুন, সিডো’র প্রকল্প কর্মকর্তা শেখর হালদার প্রমুখ। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে নেক্সাস এর কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন, যুব প্রতিনিধি ইমতি জামিল।

‎সভায় জানানো হয়, নেক্সাসের মূল লক্ষ্য মানবিক সহায়তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং সামাজিক শান্তি ও সুরক্ষাকে সমন্বিত করে পদ্ধতির মাধ্যমে সাতক্ষীরার দুর্যোগপ্রবণ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বহুমাত্রিক ঝুঁকি হ্রাস করা, যুব নেতৃত্ব বিকাশ করা এবং সরকারি ও বেসরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি, বাজেট ও পরিষেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।

সভায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণদের অংশগ্রহণে জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সংকট, টেকসই জীবিকা ও কর্মসংস্থানের অভাব, সাইবার অপরাধ, নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য, মাদকাসক্ত ও যুবদের সামাজিক ঝূঁকি, লবণাক্ততা বৃদ্ধিতে কৃষি বিপর্যয়, জলবায়ূ পরিবতন জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।