মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুতে শীর্ষে পুরুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুতে শীর্ষে পুরুষ

ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে সম্প্রতি ময়মনসিংহের স্বদেশ হাসপাতালে ভর্তি হন আল-আমিন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয় তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে আবারও তাকে স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে বুধবার বিকেলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেদিন সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শুধু আল-আমিনই নয়, চলতি বছরে ২৫ জুন পর্যন্ত সরকারি হিসেবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বেশি। কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কর্মক্ষেত্রে বা বাইরে বেশি সময় কাটানো, যার ফলে মশার সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা বাড়ে। এছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাব বা চিকিৎসার জন্য দেরিতে হাসপাতালে যাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের শুরু থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ১৩ জনের মধ্যে ৬১.৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮.৫ শতাংশ নারী। অর্থাৎ মৃত্যুর হারেও পুরুষ এগিয়ে। একই সময়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৫ হাজার ৫১৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৬২.২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৮ শতাংশ নারী। অর্থাৎ আক্রান্তের ক্ষেত্রেও পুরুষের আধিক্য স্পষ্ট।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। কর্মক্ষেত্রে বা বাইরে পুরুষদের বেশি সময় কাটানো, ফলে এডিস মশার সংস্পর্শে বেশি আসা, সচেতনতার ঘাটতি এবং অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা নিতে দেরি করাও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বশার বলেন, স্ত্রী এডিস মশা ডিম ধারণের সময় রক্তকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এ সময় প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের বেশি কামড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের বিপাকক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হওয়ায় এবং তারা বেশি চলাফেরা করায় শরীরের তাপমাত্রা ও ঘাম বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর থেকে বেশি পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসৃত হয়, যা মশাকে আকৃষ্ট করে। এছাড়া অনেকেই জ্বরকে গুরুত্ব না দিয়ে চিকিৎসা নিতে দেরি করেন। এতে ডেঙ্গু জটিল রূপ নিতে পারে এবং মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়।

অধ্যাপক কবিরুল বশার আরও বলেন, ডেঙ্গুর এই মৌসুমে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। জ্বর হলে তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে ডেঙ্গু হয়েছে কি না। ডেঙ্গু শনাক্ত হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

অধ্যাপক কবিরুল বশার বলেন, ডেঙ্গুর এই সময়টায় পরিবারের সবাইকে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত নারী বা পুরুষ কারো ক্ষেত্রেই অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বর হলে তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে ডেঙ্গু হলো কি না। যদি ডেঙ্গু হয় তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নিতে হবে।

জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক গোলাম সারোয়ার বলেন, ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার ভয়ংকর গাণিতিক বৃদ্ধির বিপরীতে যতগুলো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আছে তার সবগুলোরই উপযুক্ত প্রয়োগ আবশ্যক। নিশ্চিত করতে হবে ক্রমবর্ধমান মশার প্রজনন ক্ষেত্রের নিয়মিত ধ্বংস ও ম্যানেজমেন্ট।

তিনি বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ব্রিডিং সোর্স ম্যানেজমেন্ট। ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, নির্মাণাধীন ভবনের পানির ট্যাংক, বহুতল ভবনের বেইসমেন্টে জমে থাকা পানি, ঘরের ড্রাম বা বালতিতে সংরক্ষিত পানি—এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে অথবা পানি জমতে দেওয়া যাবে না। যেসব স্থানে পানি অপসারণ সম্ভব নয়, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

তার মতে, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষকেও সম্পৃক্ত হতে হবে। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশে এডিস মশার প্রজননের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

Ads small one

পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন: দূর-দূরান্তে যাচ্ছে উপকূলের টক-মিষ্টি ফল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন: দূর-দূরান্তে যাচ্ছে উপকূলের টক-মিষ্টি ফল

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: উপকূলীয় উপজেলা পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে মুখরোচক ফল আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এ ফলের ফলন ও বাজার দর ভালো পাওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে স্থানীয় আমড়া চাষি ও ব্যবসায়ীদের।

খুলনার লবণাক্ত এ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে গদাইপুর, রাড়ুলী, হরিঢালী ও কপিলমুনির মতো উঁচু এলাকাগুলোতে প্রচুর আমড়ার চাষ হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, ভিটামিন এ, বি, সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রনসমৃদ্ধ এ ফলটি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দারুণ ভূমিকা রাখে। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা আমড়া বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।

আষাঢ় থেকে ভাদ্রÑএই তিন মাস আমড়ার প্রধান মৌসুম। ব্যাপারীরা এ সময় গ্রাম ঘুরে পুরো গাছের ফল এককালীন চুক্তিতে কিনে নেন। এরপর আড়ত হয়ে এ আমড়া সরবরাহ করা হয় ঢাকা, খুলনা, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, রোদযুক্ত উঁচু স্থানে সারিবদ্ধভাবে রোপণ করলে ৩-৪ বছরের মধ্যে ফল পাওয়া যায়। এখানে মূলত দেশি ও হাইব্রিড—দুই জাতের আমড়া চাষ হয়। হাইব্রিড জাতের চারা রোপণের মাত্র এক বছরের মধ্যেই ফলন মেলে। দানাদার সার ও বর্ষার মৌসুমে পোকা দমনে সামান্য কীটনাশক ব্যবহার করলেই গাছ রোগমুক্ত থাকে।

চলতি মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একরামুল হোসেন জানান, আমড়া উপকূলীয় এলাকার একটি অন্যতম অর্থকরী ফসল। উৎপাদন আরও বাড়াতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নতুন চারা রোপণে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

 

খানাখন্দে জর্জরিত পাটকেলঘাটা-চোমরখালি সড়ক: দুর্ভোগে শত গ্রামের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
খানাখন্দে জর্জরিত পাটকেলঘাটা-চোমরখালি সড়ক: দুর্ভোগে শত গ্রামের মানুষ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা বাণিজ্যিক কেন্দ্রের দক্ষিণ অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির এখন বেহাল দশা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হওয়া বিশাল খানাখন্দকের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত গ্রামের বাসিন্দা।

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু হওয়া এ সড়কটি সরুলিয়া ও খলিশখালী ইউনিয়নের ওপর দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হয়েছে। রাজেন্দ্রপুর, লালচন্দ্রপুর, জুসখোলা, চোমরখালি, আমতলা ডাঙা, শিয়ালডাঙ্গা, কাশিয়াডাঙ্গা ও খলিশখালীসহ বহু গ্রামের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম এটি। প্রতিদিন এই পথ দিয়েই খুলনা, সাতক্ষীরা, কেশবপুর, আশাশুনি ও গোয়ালপোতাগামী যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।

বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ বহুগুণ বেড়ে যায়। স্থানীয় কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা শামীম শেখ আফসোস করে জানান, পুরো সাতক্ষীরা জেলায় এত খারাপ রাস্তা আর কোথাও আছে বলে তাঁর জানা নেই। অন্যদিকে খলিশখালী ইউনিয়নের প্রবীণ বাসিন্দারাও জানান, সড়কটির এমন চরম দুরবস্থা তাঁরা আগে কখনো দেখেননি।

যোগাযোগব্যবস্থার এই নাজুক অবস্থা নিয়ে সরুলিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাসুদ রানা ও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ রুস্তম মোড়ল জানান, সড়কটি মেরামতের বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোস্তফা লুৎফুল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, সড়কটির বেহাল দশার বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

 

জমি দখলের হুমকি ও বেড়া ভাঙচুর: আদালতের দ্বারস্থ অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
জমি দখলের হুমকি ও বেড়া ভাঙচুর: আদালতের দ্বারস্থ অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা

পত্রদূত রিপোর্ট: “কালই জমি দখল নেব, কত ক্ষমতা আছে ঠেকাস”—এমন হুমকি দিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাবাসপুর মৌজায় এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা, লেখক ও গবেষকের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি, অশালীন গালাগাল ও বেড়া ভাঙচুরের মুখে পড়ে আতঙ্কে রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ভুক্তভোগী শেখ সিদ্দিকুর রহমান আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় আবেদন করেছেন।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, শেখ সিদ্দিকুর রহমান ২০১০ সালে রেজিস্টারকৃত দলিলের মাধ্যমে হাবাসপুর মৌজার বিআরএস খতিয়ান নং-৪৭১, দাগ নং-১২৩৫-এর ১৬.৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। নামজারি সম্পন্ন করে ও নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিটি ভোগদখল করছিলেন। সীমানা নির্ধারণে সিসি পিলার স্থাপনের পাশাপাশি সেখানে তিনি ফলজ ও বনজ গাছও রোপণ করেন।

সম্প্রতি একই এলাকার মো. খলিলুর রহমান ওই দাগের পশ্চিম পাশে ৩.৩০ শতাংশ জমি কেনার পর শেখ সিদ্দিকুর রহমানকে তাঁর জমির মধ্য থেকে ৪ শতাংশ ছেড়ে দিতে চাপ দেন। পূর্বে কেনা ৮ শতাংশ ও নতুন ৩.৩০ শতাংশ জমি একত্রে ভোগ করার অজুহাতে তিনি ভুক্তভোগীকে পূর্বদিকে সরে যেতে বলেন।

পরিস্থিতি নিরসনে গত ১৮ জুলাই উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত জরিপকারক দিয়ে জমি পরিমাপ করা হয়। জরিপে শেখ সিদ্দিকুর রহমানের দলিলাংশের ১৬.৩৩ শতাংশ জমি সঠিক পাওয়া গেলেও দেখা যায়, খলিলুর রহমান ৩.৩০ শতাংশের স্থানে প্রায় ৬.৫৭ শতাংশ জমি দখলে রেখেছেন।

পরিমাপ শেষে ঐদিন বিকেলে নিজের জমির এক কোণে গবাদিপশুর সুরক্ষায় একটি অস্থায়ী বেড়া দিয়ে শেখ সিদ্দিকুর রহমান গ্রামে চলে যান। পরে জানতে পারেন, অভিযুক্ত খলিলুর রহমান বেড়াটি উপড়ে ফেলেছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাঙচুরের সময় পুনরায় বেড়া দিলে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তীকালে ২১ জুলাই বুধহাটা বাজারে জমি জরিপকারী শেখ হেদায়েতুল ইসলামকে হেনস্তা করা হয়। একই দিনে মোবাইল ফোনে শেখ সিদ্দিকুর রহমানকে চরম অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে ২২ জুলাই জমি দখলের হুমকি দেওয়া হয়। পরদিন থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরমর্শ দিয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দিলেও শঙ্কা কাটেনি। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে শেখ সিদ্দিকুর রহমান সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করে আদালতের আদেশের অপেক্ষায় আছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. খলিলুর রহমানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।