শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

দেবহাটায় অর্ধকোটি টাকার খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, শুকিয়ে মরছে গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় অর্ধকোটি টাকার খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, শুকিয়ে মরছে গাছ

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা ইউনিয়নের বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন এবং অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতাধীন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের গৃহীত এই প্রকল্পের শুরু থেকেই নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে অর্থ লোপাট করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা সদরের বোয়ালমারী খালটি পুনঃখননের জন্য প্রায় ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকার একটি প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ১৩ হাজার ২৬৯ দশমিক ৪৪০ ঘনমিটার মাটি অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এতে ১১৯ জন উপকারভোগী শ্রমিকের দৈনিক ৫০০ টাকা হারে কাজ করার কথা। এর বাইরে স্লোপ স্ট্যাবিলাইজেশন ও বৃক্ষরোপণের জন্য পৃথকভাবে ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৪৬০ টাকা এবং শুধু বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের জন্য ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে নামমাত্র কাজ করে বিল তুলে নেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। প্রকল্পে লাগানো গাছের চারাগুলো এতটাই নি¤œমানের যে বেশির ভাগই শুকিয়ে মরতে বসেছে।
নকশা অনুযায়ী খালটি যতটুকু গভীর ও প্রশস্ত করার কথা ছিল, তা করা হয়নি। উল্টো ওপরের স্তরের মাটি কেটে পাড়ে স্তূপ করে রাখায় খালটি আগের চেয়ে আরও সরু হয়ে গেছে। এতে সামান্য বৃষ্টিতেই পাড়ের মাটি ধসে আবার খালে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর কথা থাকলেও এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে দায়সারাভাবে মাটি কাটা হয়েছে। এ ছাড়া শ্রমিক নিয়োগের ভুয়া তালিকা (মাস্টাররোল) তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষায় পানি নিষ্কাশন ও শুষ্ক মৌসুমে সেচের জন্য এই খালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু খননের নামে কেবল ‘আইওয়াশ’ করা হয়েছে। খালের মাঝখানের মাটি না কেটে শুধু দুই পাশ থেকে একটু মাটি তুলে পাড়ে রাখা হয়েছে।
প্রকল্পের সভাপতি ও দেবহাটা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল বলেন, আগে লাগানো গাছগুলো সরকারি লোকজন লাগিয়েছিল। সেগুলো ভালো না হওয়ায় আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে নতুন করে আবার গাছ লাগানো হবে। যোগাযোগ করা হলে প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুর রহমান অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কাজটি এখনও চলমান। কোনো স্থানে নকশা অনুযায়ী কাজ না হয়ে থাকলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেওয়া হবে না এবং পুনরায় সঠিক নিয়মে কাজ করিয়ে নেওয়া হবে। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা জানান, খালের কাজে অনিয়মের লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Ads small one

কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

oplus_0

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির কাশিমনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামি মহিদুল গাজীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কাশিমনগর বাজারের প্রধান সড়কে মানববন্ধন, পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাজসেবক এম বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য দেন পাইকগাছা উপজেলা মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মাজেদা পারভীন, মাওলানা আবু মুসা, গোলাম মোস্তফা গাজী ও তাসমিরা খাতুন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদক ব্যবসায়ী ও নিজের ভাবিকে হত্যাকারী মহিদুল গাজীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিহতের মেয়ে তাসমিরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চাচা মহিদুল গাজী আমার মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু গত ২১ এপ্রিল জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে সে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা উল্টো তাদের ও মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এই পরিস্থিতিতে তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ঘরচালা মাঠপাড়া গ্রামে প্রায় ২৩ শতক জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। উভয় পক্ষই নিজেদের জমির বৈধ মালিক দাবি করে আসায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালত ও ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বল্লী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মৌজার সাবেক ২৪৮, ২৮৪, ২৮৭ সহ কয়েকটি দাগের অন্তর্ভুক্ত ২৩ শতক জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। বাদীপক্ষের মাসুরা খাতুন ও উজির আলী ফকির বিএস খতিয়ানে রেকর্ড সংশোধনের আবেদনসহ সায়েদ আলী মোড়লের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে বিবাদী সায়েদ আলী মোড়ল দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমির নামজারি (মিউটেশন) তার নামে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করছেন। আবেশ আলী সরদারের কাছ থেকে তিনি জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ তাকে জমিতে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। তবে অন্য অংশীদার আবু তালেব ফকির এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, সায়েদ আলীর কাগজপত্র জাল। জমিটি বর্তমানে তাদের দখলে রয়েছে এবং এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে তারা সহকারী জজ ভূমি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র (মাসউক) সাতক্ষীরার উদ্যোগে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির ২০২৫-২০ছঞ মেয়াদের প্রশিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ (টিওটি) কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে লোহাগড়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
এর আগে নড়াইল মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মৌসুমী রানী মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সালমা জামান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির লোহাগড়া শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর ফারুক এবং মানবাধিকার কর্মী সৈয়দ খায়রুল আলম।
তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে জীবন দক্ষতামূলক ও আয়বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন মডিউলের ওপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র রায় এবং মাস্টার ট্রেইনার মো. গিয়াসউদ্দিন। প্রশিক্ষণে মোট ১০জন প্রশিক্ষক অংশ নেন। সমাপনী দিনে মাসউকের হলরুমে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন।