সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রে গাইলেন কনক দত্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রে গাইলেন কনক দত্ত

প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করলেন কনক দত্ত। ওয়ালিদ আহমেদ পরিচালিত ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের গানে তার এই অভিষেক হয়। ওয়ালিদ আহমেদের লেখা ও সুরে এবং রুবেল ফ্লাইং কাইটস এর সংগীত পরিচালনায় “হৃদয়ের জমিনে” শিরোনামের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সঙ্গীতশিল্পী কনক দত্ত বলেন, সংগীত আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেক বছর ধরে গান করছি, তবে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার সুযোগ এবারই প্রথম পেলাম। প্রতিটি শিল্পীর স্বপ্ন থাকে প্লেব্যাক করার। ‘ঢাকা ১২০৫’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। নির্মাতা আমার কন্ঠে আস্থা রেখেছেন তাই আমি কৃতজ্ঞ।

সংগীত পরিচালক রুবেল ফ্লাইংকাইটস বলেন, “হৃদয়ের জমিনে” গানটি একদম মনে দাগ কাটার মতে। গানটি শোনার সময় শ্রোতারা শুধু মিউজিক না পাশাপাশি এমন অনুভব করবেন যেন পুরো গানটা তারা শুনেই ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারছেন। কন্ঠশিল্পী কনক দত্ত একজন বিনয়ী গুণীশিল্পী। তার ব্যতিক্রম কন্ঠ ও চ্যালেঞ্জ নেবার দক্ষতা আমায় মুগ্ধ করেছে।

‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের পরিচালক ওয়ালিদ আহমেদ বলেন, “হৃদয়ের জমিনে” গানটির জন্য আমরা এমন একজন শিল্পী খুঁজছিলাম, যিনি সুরের পাশাপাশি গানের আবেগটিও সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারবেন। কনক দত্ত সেই কাজটি সফলভাবে করেছেন। ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের এই গানের আবহের সঙ্গে তাঁর কণ্ঠ খুব সুন্দরভাবে মিশে গেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই গানটি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, লোকসংগীত, ধ্রুপদী ও আধুনিক গানের চর্চার মাধ্যমে কনক দত্ত সংগীতপ্রেমীদের কাছে একজন পরিচিত মুখ। এরই ধারাবাহিকতায় চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের মাধ্যমে কনক দত্তের এই যাত্রা তাঁর ক্যারিয়ারে একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করলেন। অডিও গান ও মঞ্চ পরিবেশনার বাইরে এবার বড় পর্দার দর্শকদের কাছেও তাঁর কণ্ঠ পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হলো।

প্রসঙ্গত, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিতব্য ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা ও অভিনেতা রাকিব হোসাইন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক: সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন।

 

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

প্রবীণ এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

বেলতলায় আমের দামে ধস, লোকসানের মুখে আম চাষীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
বেলতলায় আমের দামে ধস, লোকসানের মুখে আম চাষীরা

oppo_0

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সর্ববৃহৎ পাইকারি আমের মুকাম বেলতলা আম বাজারে চলতি মৌসুমে কাঙ্খিত দাম পাচ্ছেন না আম চাষিরা। এতে করে লোকসানের মুখে পড়েছে আমবাগান মালিক ও আমচাষিরা।

উপজেলার বিভিন্ন আম বাজারে মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন জাতের আম সরবরাহ শুরু হলেও বাজারে প্রত্যাশিত পাইকারের উপস্থিতি না থাকায় আমের দাম গত বছরের চেয়ে এবার অনেক কম হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
সরেজমিনে বেলতলা আম বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোর থেকেই কৃষকরা গোবিন্দভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া এবং অল্প পরিসরে আম্রোপালি জাতের আম নিয়ে বাজারে আসছেন।

 

শুরুতেই গবিন্দভোগ আম ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা, হিমসাগর ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা, ল্যাংড়া ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা, আম্্েরাপালি ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা বিক্রয় হচ্ছে। যা গতবছর চেয়ে অনেক কম। এখানে ৪৪-৪৫ কেজিতে মণ হারে আম বিক্রয় হয়। এবছর ক্রেতা ও পাইকারদের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় অনেককেই কাঙ্খিত দাম না পেয়ে কম দামে আম বিক্রি করছে। আমের এই মূল্য চলতে থাকলে উৎপাদন খরচ উঠবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে এ অঞ্চলের আম চাষিরা।

স্থানীয় আম চাষি জামাল সরদার বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজারে পাইকার ও ক্রেতা কম থাকায় আমের কদর নেই। যে কারণে কম দামে আম বিক্রয় করতে হচ্ছে। বর্তমানে যে দামে আম বিক্রি হচ্ছে, এই দাম চলতে থাকলে লাভ তো দুরের কথা, খরচ তোলাই কঠিন হয়ে পড়বে।

শার্শার কায়বা ইউনিয়নের আম চাষি রাজ্জাক ও আহমেদ আলী জানান, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মুজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। অথচ বাজারে আমের দাম অনেক কম। ফলে লোকসানের মুখে পড়েছে বাগান মালিক ও আম চাষিরা। অন্যান্য বছরে মৌসুমের শুরুতে সাধারণত বাজারে বেশি পাইকার থাকে। কিন্তু এবার সে তুলনায় পাইকার কম। ফলে আমের বেচাকেনাও কম হচ্ছে।

কৃষি-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মৌসুমের প্রথমে অপরিপক্ক আম বাজারজাতের কারণে ভোক্তারা আম কম কিনছেন। জ্যৈষ্ঠ মাসে শুরু হলে এবং ঈদ পরবর্তী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমের চাহিদা বাড়বে এবং বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি থাকবে না বলে কৃষক এবং আম ব্যবসায়ীরা মনে করেন। একাধীক আম ব্যবসায়ী জানান, এরকম আমের দাম যদি থাকে, তাহলে চাষিরা আমগাছ কর্তন করবে। এবং এ অঞ্চলের আমচাষিরা আম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুধুমাত্র শার্শা উপজেলায় ১ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হচ্ছে। এখানে আমচাষি রয়েছেন ৪ হাজার ৬৬৮ জন। হিমসাগর আম ৩৩৭ হেক্টর, আম্্েরাপালি ২১৫ হেক্টর, মল্লিকা ৩৫ হেক্টর, ল্যাংড়া ১৫৫ হেক্টর, গোবিন্দভোগ ৬০ হেক্টর, গোপালভোগ ১৫৫ হেক্টর, বুম্বাই ৫৯ হেক্টর, কাটিমন ৯ হেক্টর, বারি৪ ২০ হেক্টর, বারি১১-১ হেক্টর এবং দেশিও আম রয়েছে ৩৪ হেক্টর। যশোর জেলার শার্শা, ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আমের চাষ হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার আম এ বাজারে বিক্রি হয়।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার শাহা দাবী করেন, ঈদের আগে তিনি আম বাজার পরিদর্শন করেছেন। তখন ১৬০০ থেকে ৩৬০০ টাকা ধরে প্রতি মণ আম বিক্রয় হচ্ছিল। “তবে আম বাজারের বাস্তব চিত্র ভিন্ন” প্রতি মণ আম বিক্রয় হচ্ছে ১২০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা মণ দরে। আম চাষিদের দাবী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে লোকসানের মুখে পড়েছেন আম চাষিরা।

 

সুন্দরবনের বনদস্যু নানা বাাহিনী ডন এর সদস্য পরিচয়ে ছয় জেলেকে অপহরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের বনদস্যু নানা বাাহিনী ডন এর সদস্য পরিচয়ে ছয় জেলেকে অপহরণ

পত্রদূত রিপোর্ট: মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণের দাবিতে বনদস্যু সুন্দরবনের নানা ভাই ডন বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে পাঁচটি ছয়জন জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। রবিবার রাত ১১টার দিকে সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়ে খাল ও সুবদে খাল থেকে তাদেরকে অপহরণ করা হয়।

 

সোমবার বিকেল তিনটার মধ্যে মুক্তিপণের টাকা না পাঠালে তাদেরকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ সময় ইসমাইল খাঁ নামের এক জেলেকে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথা ফাটিয়ে জখম করেছে বনদস্যুরা।

 

আহত ইসমাইল খাঁ’কে সোমবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার বাড়ি শ্যামনগরের দক্ষিণ কদমতলীর কুলতলী এলাকায়।

 

অপহৃতরা হলেন, শ্যামনগরের দক্ষিণ কদমতলীর কুলতলী এলাকার দেলোয়ার খাঁর ছেলে ইয়াছিন খাঁ (৩২) ও আলমগীর খাঁ (৩৮), হরিনগরের আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে আল আমিন মোল্লা (৩৫), একই গ্রামের নুরুল হক গাজীর ছেলে কামরুল গাজী (৫০), আব্দুল গফুর গাজীর ছেলে শাহজাহান গাজী (৪৮) ও খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার মহেশ^রীপুর গ্রামের রফিকুল গাজীর ছেলে শহীদুল গাজী (৪৬)।

 

অপহৃত জেলেদের স্বজনরা জানান, শনিবার সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে কাঁকড়া ধরার অনুমতি (পাস) নিয়ে পাঁচটি নৌকায় ১৮জন জেলে সুন্দরবনে যান। প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি পহেলা জুন সকালে তাদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল।

 

এজন্য তারা রবিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়িয়া খাল ও সুবদে খাল এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় বনদস্যু নানা বাহিনী ডন এর সদস্য পরিচয়ে সশস্ত্র কয়েকজন ডাকাত পাঁচটি নৌকা থেকে ছয়জনকে মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

 

দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা সোমবার বিকেল তিনটার মধ্যে বিকাশ নাম্বারে পরিশোধ না করে তাদেরকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় চালতেবেড়িয়া এলাকায় একটি নৌকায় অবস্থান করা দক্ষিণ কদমতলীর কুলতলী এলকার গণি খাঁ’র ছেলে ইসমাইল খাঁকে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। তাকে আশাঙ্কাজনক অবস্থায় সোমবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

 

সুন্দরবনের কদমতলা স্টেশন কর্মকর্তা মনিরুল করিম জানান, বিষয়টি তার জানা নেই।
শ্যামনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ খালেদুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে অপহৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।