শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তালায় অষ্টম প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
তালায় অষ্টম প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ

সংবাদদাতা: তালার আশাননগর রাধা গোবিন্দ মন্দির চত্বরে অষ্টম প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও ধর্মীয় উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার উৎসবের সমাপনী দিনে ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত ছিল মন্দির প্রাঙ্গণ।

 

নারায়ণ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এসএম নজরুল ইসলাম। ধর্মীয় আলোচনা সভায় বক্তারা সমাজে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

 

 

Ads small one

মানুষের নামে পশুর নাম রাখা মানবমর্যাদার অপমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
মানুষের নামে পশুর নাম রাখা মানবমর্যাদার অপমান

প্রকাশ ঘোষ বিধান

মানুষের নামে কোনো পশুর নাম রাখা সামাজিক শিষ্টাচার, ধর্মীয় অনুশাসন এবং মানবমর্যাদার পরিপন্থী। মানুষের নাম পশুর জন্য ব্যবহার করা মানবমর্যাদার অপমান। বিশেষ করে কোনো পরিচিত মানুষের নাম, তারকা বা সেলিব্রিটির নাম কোনো পশু গরু, ছাগলের নাম রাখা হলে সমাজে ওই ব্যক্তির চরম অসম্মান ও উপহাস করা হয়। কোনো ব্যক্তিকে পশুর সাথে তুলনা করা বা পশুর নামে ডাকা অসভ্যতা ও তাচ্ছিল্যের প্রতীক। এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। পশুপাখির জন্য সুন্দর ও মার্জিত নাম রাখা যেতে পারে। কিন্তু মানুষের নামের সাথে মিলে এমন কোনো নাম পশুকে দেওয়া অনুচিত।

মানুষের নামে পশুর নাম রাখা সাধারণত আপত্তিকর ও অসম্মানজনক হিসেবেই গণ্য করা হয়। মানবজাতিকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং কোনো ব্যক্তির নাম পশুর ক্ষেত্রে ব্যবহার করলে পরোক্ষভাবে সেই ব্যক্তি বা মানবমর্যাদাকে অপমান করা হয়। কাউকে অবমাননা বা তাচ্ছিল্য করার উদ্দেশ্যে পশুর সাথে নামের তুলনা করা অনুচিত এবং এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করা, বিদ্রূপ করা বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তার নামে পশুর নামকরণ করা নিশ্চিতভাবে মানবমর্যাদার চরম অবমাননা। সমাজ বা রাজনীতির কোনো আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির নামে হাটের কোরবানির পশুর নাম রাখা মূলত এক ধরনের মনন্তাত্ত্বিক আক্রমণ। এটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সমাজের সামনে হাসির পাত্রে পরিণত করে।

সাধারণ অর্থে মানুষের নাম মানুষের জন্যই মানানসই। পশুর নাম সাধারণত তাদের বৈশিষ্ট্য বা শখের বশে রাখা হয়, যা মানুষের নামের সাথে মিলিয়ে রাখা হলে সমাজে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে। পশুর নাম রাখা যাবে, তবে বিশেষ করে মানুষের নাম বা মানুষের মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নাম পশুর জন্য ব্যবহার করা অনুচিত। মানুষের নামে নামকরণ থেকে বিরত থাকা উচিত।

উদ্দেশ্যমূলকভাবে মানুষের নামে পশুর নাম রাখা সামাজিক নীতি এবং মানবিক মর্যাদার দৃষ্টিকোণ থেকে স্পষ্টতই একটি অবমাননাকর বিষয়। মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাদের বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়েছে। তাই পশুকে মানুষের নামে ডেকে সেই সম্মান ক্ষুণœ করা অনুচিত।

সাধারণত কাউকে পশু বলা বা পশুর সাথে তুলনা করাকে সমাজে অবক্ষয়, মূর্খতা বা অসভ্যতার প্রতীক মনে করা হয়। পশুকে মানুষের নাম দিলে তা সামাজিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী দেখায়। কাউকে অবমাননা বা তাচ্ছিল্য করার উদ্দেশ্যে পশুর সাথে নামের তুলনা করা অনুচিত এবং এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। পশুর হাটে গরুর নাম টাইটানিক, কালা পাহাড় বা কোনো সেলিব্রিটির নামে রেখে ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়। আর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নামগুলো অতি-প্রচার পাওয়ার কারণে এটি এক ধরনের সস্তা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে, যা সুস্থ সামাজিক সংস্কৃতির পরিপন্থী।

অনেক ক্ষেত্রে পোষা প্রাণীকে পরিবারের সদস্য মনে করা হয়। পরম মমতায় অনেকে তাদের প্রিয় পশুর মানুষের সাধারণ নাম যেমন: টম, টমি, রকি, বা দেশীয় কোনো নাম দিয়ে থাকেন। এটি পশুকে তুচ্ছ করার জন্য নয়, বরং ভালোবাসার কারণে করা হয়। অজান্তেই কোনো পশুর নাম মানুষের নামের সাথে মিলে যেতে পারে। একে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবমাননা হিসেবে না দেখে কাকতালীয় হিসেবে দেখাই শ্রেয়। তবে নামকরণের পেছনে মানুষের মানসিকতা, উদ্দেশ্য এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে এর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা রয়েছে।

পশুর নাম রাখা উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। যদি কাউকে হীন প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এমনটা করা হয়, তবে তা অবশ্যই মর্যাদাহানিকর। আর যদি তা কেবলই স্নেহের বশে করা হয়, তবে তা মনন্তাত্ত্বিকভাবে ভিন্ন অর্থ বহন করে।
সমাজ বা রাজনীতিতে বিতর্কিত বা শত্রুভাবাপন্ন কোনো ব্যক্তির নামে পশুর নাম রাখা এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আঘাত এবং এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তবে বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার উদ্দেশ্যে বা কাউকে সরাসরি ছোট করার জন্য মানুষের নাম ব্যবহার করা এক ধরনের বিকৃত মানসিকতা, যা পরিহার করা উচিত।

সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের একটি নিজস্ব মর্যাদা রয়েছে। তাই সস্তা বিনোদন কিংবা কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার জন্য মানুষের নাম পশুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের প্রবণতা রোধে আমাদের সামাজিক সচেতনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা জরুরি।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা পেলো ইরানের ফুটবল দল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা পেলো ইরানের ফুটবল দল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও বৈরী সম্পর্কে বিশ্বকাপে খেলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের ভিসা পাওয়া নিয়ে বাড়ছিল উৎকণ্ঠা। অবশেষে ইরানের জাতীয় ফুটবল দলকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে বলে শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন তুরস্কে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক।

এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতেও পৃথকভাবে ভিসা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের এক কর্মকর্তা।

ভিসা পাওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে অংশ নিতে পারবে ইরান। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি; বর্তমানে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন টম ব্যারাক বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিতে ইরানের জাতীয় ফুটবল দলের ভিসা প্রক্রিয়াকরণে আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের দল যে কাজ করেছে, সে জন্য আমি তাদের নিয়ে গর্বিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘খেলাধুলা সীমান্তের গণ্ডি অতিক্রম করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা খেলোয়াড় ও সমর্থকদের স্বাগত জানাতে আমরা মুখিয়ে আছি।’

ইরানের জাতীয় দল শনিবার তুরস্ক থেকে স্পেনে যাবে। সেখান থেকে তারা মেক্সিকোতে তাদের মূল ক্যাম্পে পৌঁছাবে রবিবার।

উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে ইরানের দল মেক্সিকোকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করবে। তবে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে।

আজ সাফের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ, দেখবেন কোথায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
আজ সাফের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ, দেখবেন কোথায়?

ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের টানা দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা এবার হ্যাটট্রিক মিশনে মাঠে নামছে আজ শনিবার। ফাইনালে সন্ধ্যা ৭টায় স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে তারা। ম্যাচটি দেখাবে টি স্পোর্টস টিভি ও তাদের ইউটিউব চ্যানেল।

ভারতের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। ২০১৬ সালের পর এবারই প্রথমবারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত।

২০২২ ও ২০২৪ সালে শিরোপা জয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য পূরণের পথে আর মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছে তারা। তবে এবারের অভিযানে একটি ধাক্কাও খেতে হয়েছে। গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।

তবে ভারতের শক্তিমত্তার কথা স্বীকার করে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। তার মতে, ২০২২ ও ২০২৪ সালে নেপালে শিরোপা জয়ের পথে যেমন কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে হয়েছে, এবারও তেমন যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত তার দল। ম্যাচের আগে বলেছেন, ‘মানসিকভাবে আমরা সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছি। সামনে যাই আসুক, সেটি মোকাবিলা করতে হবে। এই সুযোগ আমরা অর্জন করেছি, তাই মাঠে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। ম্যাচের বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে আমরা ভাবছি না। পুরো মনোযোগ ম্যাচ ও পারফরম্যান্সে।’

অন্যদিকে, সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন তারা। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ভারত গ্রুপ পর্বেই করেছে ১৪ গোল! তবে সর্বশেষ দুই আসরে তারা ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল। সেই দুই আসরেই নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।