মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

দীর্ঘ ৯ বছর পর আবাদের হাট বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি গফফার ও সম্পাদক রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ ৯ বছর পর আবাদের হাট বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি গফফার ও সম্পাদক রেজাউল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর সাতক্ষীরার আবাদের হাট বাজার কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে মোট ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে দুটি প্যানেলে ৩৪ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ৬ জন প্রার্থী অংশ নেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল দুটি ছিলÑআব্দুল গফফার ও এস এম আজিমুল্লাহ (ময়না) প্যানেল এবং মো. আকরাম ও মো. আব্দুল মজিদ প্যানেল। নির্বাচনে ৬০২ জন ভোটারের মধ্যে ৫৫৬ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, সভাপতি পদে আব্দুল গফফার-আজিমুল্লাহ প্যানেল ১০টি, আকরাম-মজিদ প্যানেল ৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২টি পদে জয়লাভ করেছেন।

কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আব্দুল গফফার (বাস প্রতীক) ৩৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকরাম হোসেন (মোটরসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ১৯৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল ইসলাম (ডালিম প্রতীক) ২৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন; তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহিনুর রহমান (বই প্রতীক) পেয়েছেন ৯৬ ভোট।

সহসভাপতি পদে মো. শফিকুল ইসলাম (কলম প্রতীক, ২৬১ ভোট) ও মো. শামসুর রহমান (হরিণ প্রতীক, ২২৪ ভোট) বিজয়ী হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মাসুম বিল্লাহ (উড়োজাহাজ প্রতীক, ৩৪৩ ভোট) ও জালাল উদ্দিন (টেবিল ফ্যান প্রতীক, ২৭৮ ভোট) জয় পেয়েছেন।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেনÑসাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন (হাতি, ২৮০ ভোট), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ হোসেন (চেয়ার, ৪৫৬ ভোট), কোষাধ্যক্ষ আমিনুল এহসান ( ব্যাট, ২৭৫ ভোট), দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম (মোরগ, ৩৫১ ভোট), প্রচার সম্পাদক আব্দুস সামাদ মিন্টু (মাইক, ৩১২ ভোট), ধর্মবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান (ঘুড়ি, ৩৪৭ ভোট) এবং ক্রীড়া সম্পাদক মামুনুর রহমান (আনারস, ৩২২ ভোট)।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেনÑআমিরুল ইসলাম (কেটলি, ৩৫৪ ভোট), সালাউদ্দিন (হাঁস, ২৮৩ ভোট), শাহাজান আলী (বাইসাইকেল, ২৬১ ভোট) ও মনিরুল ইসলাম (টেবিল, ২৫৯ ভোট)।

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ১১ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক ও ৫ নম্বর শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ এবং সদস্যসচিব ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম ভোটিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব আবুল কালাম জানান, কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রার্থীরা নিজ নিজ সমর্থনের ভিত্তিতে জয়ী হয়েছেন।

Ads small one

একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

একবার নোবেল পুরস্কার পাওয়াই যেকোনো বিজ্ঞানী, লেখক বা গবেষকের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে গণ্য হয়। তবে মেধার এমন কিছু অনন্য ও বিস্ময়কর ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে একই ব্যক্তি বা সংস্থা একাধিকবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

নোবেল কমিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি এবং দুটি সংস্থা একাধিকবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার নজিরবিহীন গৌরব অর্জন করেছেন।

দুইবার নোবেলজয়ী পাঁচ অনন্য বিজ্ঞানী ও ব্যক্তিত্বব্যক্তিগত যোগ্যতায় বিজ্ঞানের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় বা একই শাখায় দুইবার নোবেল পেয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পাঁচ কিংবদন্তি:

মারি ক্যুরি (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন)
ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দুইবার নোবেল জয়ের রেকর্ড গড়েন ফরাসি বিজ্ঞানী মারি ক্যুরি। ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে এবং ১৯১১ সালে বিশুদ্ধ রেডিয়াম পৃথকীকরণের জন্য এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। দুটি ভিন্ন বিজ্ঞান শাখায় নোবেল পাওয়ার এই অনন্য রেকর্ড আজ পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি।

লিনাস পলিং (রসায়ন ও শান্তি)
মার্কিন রসায়নবিদ লিনাস পলিং ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দুটি ভিন্ন বিভাগে এককভাবে (কারো সঙ্গে ভাগ না করে) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালে রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতির ওপর গবেষণার জন্য তিনি রসায়নে নোবেল পান। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬২ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

জন বারডিন
মার্কিন এই পদার্থবিজ্ঞানী ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি, যিনি একই বিভাগে (পদার্থবিজ্ঞান) দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য এবং ১৯৭২ সালে অতিপরিবাহিতা বা সুপারকন্ডাক্টিভিটির মৌলিক তত্ত্ব প্রমাণের জন্য তিনি দুইবারই পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান।

ফ্রেডরিক সেঙ্গার
ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ফ্রেডরিক সেঙ্গার রসায়ন শাস্ত্রে দুইবার নোবেল জয়ের বিরল কৃতিত্ব দেখান। ১৯৫৮ সালে ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথমবার রসায়নে নোবেল পান। এরপর ১৯৮০ সালে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং বা নিউক্লিক অ্যাসিডের বেস সিকোয়েন্স নির্ধারণের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য দ্বিতীয়বার রসায়নে নোবেল লাভ করেন।

ব্যারি শার্পলেস
তালিকার সর্বশেষ সংযোজন মার্কিন রসায়নবিদ কে. ব্যারি শার্পলেস। ২০০১ সালে চিরল অনুঘটক জারণ বিক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথম রসায়নে নোবেল পান। এর দীর্ঘ ২১ বছর পর, ২০২২ সালে ‘ক্লিক কেমিস্ট্রি’ এবং বায়োঅর্থোগোনাল রসায়নের অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ডের বাইরে বৈশ্বিক মানবিক সংকটে অবদানের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে:

রেড ক্রস
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি নোবেল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩ বার (১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে) বিশ্ব শান্তিতে অনন্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে সংস্থাটিকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার
বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সংস্থাটি দুইবার (১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
সূত্র: বিএসএস

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ভারতকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে । প্রীতি ম্যাচে আজ তারা গুনে গুনে ৬বার বল জড়িয়েছে ভারতের জালে। শেষ পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী দেশটি ৬-১ গোলে হারিয়েছে ভারতকে। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণভাবে লড়াই করেছে স্বাগতিক শিবির। এই সময়ে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জালে একবার বলও পাঠিয়েছে তারা। দুর্দান্ত লড়াই করে ভারত প্রথমার্ধে ২-১ গোলে পিছিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই হাফ-ডজন গোল হজম করে বসে স্বাগতিক শিবির।

পানামা ম্যাচে ড্র এবং ব্রাজিল ম্যাচের লড়াকু ফলাফল ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের উরুগুয়ে ম্যাচে ভালো ফলের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই স্বপ্ন বাস্তবের রূপ নিল না। বরং বড় হারের লজ্জায় তা রুক্ষ মাটিতে আছড়ে পড়ল।

তবে চেষ্টার কোনও কমতি ছিল না। লড়াই করার মানসিকতাও প্রশংসনীয়। ৯০ মিনিট মাঠে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছেন মনবীর, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা। কিন্তু দিনের শেষে দুই দলের মধ্যে দক্ষতার ফারাক যে আকাশ-পাতাল। সেই ফারাক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আজকের যুবভারতী।

ম্যাচের প্রথমার্ধে অনিরুদ্ধ থাপা ইতিহাস গড়ে একটি গোল করলেন বটে। কিন্তু শেষমেশ ৬-১ গোলের বড় পরাজয়ই সঙ্গী হলো স্বাগতিক ভারতের।

‘তন্দ্রাবিলাস’-এ শরতের আমেজ খুঁজলেন পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
‘তন্দ্রাবিলাস’-এ শরতের আমেজ খুঁজলেন পরীমণি

শরৎ এলেই কাশফুল আর নীল আকাশের টানে অনেকেই ছুটে যান কাশবনে। এবার সেই সুযোগ হয়নি চিত্রনায়িকা পরীমণির। তবে শরতের আবহ থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি তিনি। নীল শাড়ি পরে হাতে নিয়েছেন হুমায়ূন আহমেদের বই ‘তন্দ্রাবিলাস’।

মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর ফেসবুকে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন পরীমণি। ছবিতে তাকে দেখা গেছে নীল রঙের শাড়িতে। চুল খোঁপা করে, কানে দুল আর মুখে মৃদু হাসি নিয়ে ক্যামেরার সামনে হাজির হয়েছেন তিনি।

একটি ছবিতে ‘তন্দ্রাবিলাস’ বইটি বুকে জড়িয়ে রেখেছেন পরীমণি। অন্য ছবিতে বইয়ের পাতা উল্টাতে দেখা গেছে তাকে। নীল শাড়ি, সাদামাটা সাজ আর বই হাতে তার উপস্থিতি ভক্তদের নজর কেড়েছে।

ছবিগুলোর সঙ্গে নিজের অনুভূতিও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘না হলো যাওয়া আর কাশবনে, না হলো দেখা শরতের আকাশ। উপায় হলো এই তন্দ্রাবিলাস।’

পরীমণির পোস্টের পর তার ভক্ত-অনুরাগীরা নানা মন্তব্য করেছেন। নীল শাড়িতে অভিনেত্রীর সাজের প্রশংসার পাশাপাশি তার ক্যাপশন নিয়েও মন্তব্য করেছেন অনেকে।

দেব দুলাল দত্ত নামে একজন লিখেছেন, ‘পরীর আবার আকাশ বাতাস কী… পরীর সব ই আকাশ, সব ই বাতাস…!’

ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘কাশবনে তোমার দেখা না মিললেও, এই লেখার ভাঁজে যেন তোমাকেই খুঁজে পেলাম। শরতের আকাশ যতটা নীল, তোমার মায়ায় হারিয়ে যাওয়ার অনুভূতিটা তার চেয়েও গভীর।’

আর মিনার হোসাইন লিখেছেন, ‘এমনিতেই যা সুন্দরী তার উপর আবার নীল শাড়ি পোলাপান তো পাগল হয়ে যাবে।’