দুর্যোগ আসার আগেই প্রস্তুতি, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় নতুন উদ্যোগ
এসএম বিপ্লব হোসেন: দুর্যোগ আঘাত হানার পর তৎপরতার পাশাপাশি পূর্বাভাসের ভিত্তিতে আগাম প্রস্তুতি ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় প্রত্যাশা প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ। সভাপতিত্ব করেন উত্তরণের লিগ্যাল অ্যাডভাইজর অ্যাডভোকেট মো. মনিরউদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।
সভায় অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার (এসিএফ)-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার হুমায়ূন কবীর সুমন, সিনিয়র কমিউনিকেশন অ্যান্ড নলেজ ম্যানেজমেন্ট অফিসার শাহনাজ রহমান, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, আবহাওয়া, পরিবেশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সিপিপির কর্মকর্তাসহ সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. রেজওয়ান উল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।
সভায় প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল তুলে ধরে বলা হয়, দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর নির্ধারিত ট্রিগারের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া গেলে জানমাল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। এ জন্য আগাম সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দুর্যোগের আগেই পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অংশীজনরা সাতক্ষীরার স্থানীয় দুর্যোগঝুঁকি তুলে ধরে সরকারি দপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, এনজিও, গণমাধ্যম ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের সুপারিশ করেন।
উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ জেলা সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি রয়েছে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় আগাম পদক্ষেপের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা সভায় উঠে আসে।












