শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

দ্রুত জনসংখ্যা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের যে ১০ শহর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
দ্রুত জনসংখ্যা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের যে ১০ শহর

টেক্সাসের সেলিনা কিংবা নর্থ ক্যারোলাইনার অ্যাপেক্সের মতো উপশহরগুলো যখন জনসংখ্যা আর অর্থনীতিতে প্রতিনিয়ত ফুলেফেঁপে উঠছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের শত শত জনপদ হারাচ্ছে তাদের বাসিন্দা। চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই নীরব সংকট মার্কিন শহরগুলোর গভীর কাঠামোগত পতনকে স্পষ্ট করে তুলছে। বাসিন্দা কমে যাওয়া এই শহরগুলোতে দারিদ্র্য ঘনীভূত হচ্ছে, অবকাঠামো বুড়িয়ে যাচ্ছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এমনকি তরুণেরা এই শহরগুলো ছেড়ে চলে যাওয়ায় সেখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও শিক্ষক আকর্ষণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক শুমারি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ২০ হাজার বা তার বেশি জনসংখ্যার প্রায় ৬০০টি শহর তাদের বাসিন্দা হারিয়েছে। এই দ্রুত হ্রাস পাওয়া শহরগুলোর বেশির ভাগই দক্ষিণাঞ্চলের কৃষ্ণাঙ্গপ্রধান এলাকা, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মেক্সিকান-আমেরিকান ও আদিবাসী আমেরিকানদের শহর কিংবা মিডওয়েস্টের পুরোনো শিল্পাঞ্চল।

দ্রুত জনসংখ্যা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের যে ১০ শহর

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টেক্সাসের বিগ স্প্রিং শহরটি ২০২০ সালের পর থেকে ১৫.৩ শতাংশ বাসিন্দা হারিয়েছে, যা ২০ হাজার বা তার বেশি জনসংখ্যার যেকোনও মার্কিন শহরের মধ্যে সর্বোচ্চ পতনের রেকর্ড। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মিসিসিপির গ্রিনভিল শহরের জনসংখ্যা ২৯ হাজার ৬৯০ থেকে ১০.৬ শতাংশ কমে ২৬ হাজার ৫৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। আদিবাসী বাণিজ্যের কেন্দ্র নিউ মেক্সিকোর গ্যালাপ শহরটি হারিয়েছে ৮.৮ শতাংশ বাসিন্দা। স্থানীয় অর্থনৈতিক ‘ধসের’ কারণে শহরটির দৈনিক পত্রিকা দ্য গ্যালাপ ইন্ডিপেনডেন্ট চলতি বছরের জানুয়ারিতে বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান এর প্রকাশক বব জলিঙ্গার।

বিগ স্প্রিং শহরের এই পতনের মূল কারণ ২০২১ সালে দুটি বেসরকারি ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টার বা আটক কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া, যার ফলে শত শত মানুষ চাকরি হারান। এ ছাড়া এই অঞ্চলের ভাগ্য দীর্ঘদিন ধরে তেলের অর্থনীতির ওঠানামার সঙ্গে জড়িত। দ্রুত সংকুচিত হওয়া শীর্ষ ১০টি শহরের মধ্যে তিনটিই মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের, এগুলো হলো- গ্রিনভিল, ভিকসবার্গ ও জ্যাকসন। এই তিনটিই কৃষ্ণাঙ্গপ্রধান শহর এবং দীর্ঘদিনের বিনিয়োগহীনতা, উচ্চ দারিদ্র্য হার, ভঙ্গুর অবকাঠামো ও তরুণদের অন্যত্র চলে যাওয়ার মতো বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। ক্যালিফোর্নিয়ার টুয়েন্টিবাইন পামস শহরটিও ৭.৬ শতাংশ বাসিন্দা হারিয়েছে, তবে সেখানে মার্কিন মেরিন কর্পসের একটি ঘাঁটি থাকায় এই হ্রাস মূলত সামরিক মোতায়েন চক্রের কারণেও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালের পর লাখ লাখ নতুন বাড়িঘর তৈরি হলেও তার প্রায় পুরোটাই হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চল ও মাউন্ট ওয়েস্টের সমৃদ্ধ মেট্রো এলাকাগুলোতে; দ্রুত সংকুচিত হওয়া এই জনপদগুলোতে কোনো নতুন নির্মাণ হচ্ছে না। অবশ্য জনসংখ্যা হ্রাস মানেই যে সব শেষ, তা নয়। যেমন, সেন্ট লুইস শহরটি গত ৭০ বছর ধরে ছোট হয়ে আসলেও সেখানে এখনও সচল নাগরিক অর্থনীতি, বড় বিশ্ববিদ্যালয় এবং আঞ্চলিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা টিকে আছে।

তবে এই পতনের পেছনে জাতিগত বৈষম্যকে এড়ানো অসম্ভব। মিসিসিপি, আরকানসাস ও লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের শীর্ষ ১০টি সংকুচিত শহরের বেশির ভাগই কৃষ্ণাঙ্গপ্রধান, যারা দশকের পর দশক ধরে চলে আসা বিনিয়োগহীনতা থেকে কখনোই পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। অন্যদিকে, সরকারি আবাসন ও অবকাঠামোর তহবিল এখন চলে যাচ্ছে দ্রুত বর্ধনশীল উপশহরগুলোর দিকে, যেখানে নতুন রাস্তা ও স্কুলের প্রয়োজন। ফলে জনসংখ্যা হ্রাসের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ায় এই সংকুচিত শহরগুলো টিকে থাকার জন্য সীমিত সম্পদ নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে।

Ads small one

ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: আমিনুর রসুল সভাপতি, সাকিলা পারভীন সহ-সভাপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: আমিনুর রসুল সভাপতি, সাকিলা পারভীন সহ-সভাপতি

পত্রদূত ডেস্ক: উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কর্মরত নাগরিক প্লাটফর্ম ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম’-এর নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও জেলা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গঠিত ওই কমিটিতে আমিনুর রসুল সভাপতি ও সাকিলা পারভিন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে। রাজধানীর হুমায়ুন রোডে ‘লিডার্স’ কার্যালয়ে আমিনুর রসুলের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় ১৭ সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠিত হয়। এরমধ্যে ৭ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন করা হয়।

 

নির্বাহী কমিটিতে সভাপতি ও সহ-সভাপতি ছাড়াও আছেন সাধারণ সম্পাদক মোহন কুমার ম-ল (সাচিবিক দায়িত্বে), গণমাধ্যম ও যোগাযোগ সম্পাদক রায়হান ফেরদৌস, যুব প্রতিনিধি শ্রুতি রানী দে এবং কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী ও খাদিজা খানম।

এছাড়া উপদেষ্টা কমিটিতে আছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র এবং উন্নয়নকর্মী সৈয়দা শামীমা সুলতানা।

নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আমিনুর রসুল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এরমধ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

 

আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের নতুন কমিটি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অ্যাডভোকেসির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের মানুষের অধিকার রক্ষা এবং টেকসই জলবায়ু নীতি বাস্তবায়নে জোরালো ভূমিকা রাখবে।

 

তরুণ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে জলবায়ু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা

তালা প্রতিনিধি: খুলনায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তালা প্রেসক্লাব। একই সঙ্গে এই ন্যক্কারজনক হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এক যৌথ বিবৃতিতে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক জোয়ার্দ্দার ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনসহ সংগঠনের নির্বাহী ও সাধারণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকেরা সমাজ ও রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের ওপর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এই হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর একটি সরাসরি আঘাত।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে খুলনা মহানগরীর শান্তিধাম জাতিসংঘ পার্কসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে অবস্থানকালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলিবর্ষণ করে। এতে সেখানে অবস্থান করা কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।

কুলিয়া কাঁচা বাজারের উচ্ছেদকৃত মসজিদটি পুনরায় অন্যত্র নির্মাণকল্পে এডহক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
কুলিয়া কাঁচা বাজারের উচ্ছেদকৃত মসজিদটি পুনরায় অন্যত্র নির্মাণকল্পে এডহক কমিটি গঠন

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মোড় কুলিয়া কাঁচা বাজারের উচ্ছেদকৃত মসজিদটি পুনরায় অন্যত্র নিদিষ্ট স্থানে নির্মাণ কল্পে এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মাগরিবের নামাজের পর কুলিয়া কাঁচা বাজার সংলগ্ন ইউনিয়ন পরিষদ মোড় চত্বরে মসজিদ নির্মাণ কল্পে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কুলিয়া কাঁচা বাজারে ও ইউনিয়ন পরিষদে আসা বহু মুসল্লি উক্ত মসজিদে নামাজ পড়ত। মসজিদটি ভেঙে দেওয়ার কারণে মুসল্লীদের নামাজ পড়তে দুভোর্গে পড়তে যাচ্ছে। সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে পাকা না হলেও এখনি একটি টিন সেটের মসজিদ নির্মাণ করার দরকার। মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুঠিত হয়।

সভায় বক্তব্যে রাখেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সবুজ, কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এড. জাহাঙ্গীর কবির বাবু, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন বাবলু, জামায়াত নেতা মাছুম খান চৌধুরী ও বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ডাঃ অহিদুজ্জামান, বিএনপি নেতা গোলাম রসুল খোকন, মোসফিকুর রহমান, রুহুল আমিন, রফিকুল ইসলাম ও জামায়াতের ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইয়াকুব আলী প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে মসজিদ নির্মাণ কল্পে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আমিনুর রহমানকে আহবায়ক ও অন্যান্য সদস্যরা যথাক্রমে মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান সবুজ, মাসুম খান চৌধুরী, মাওলানা রুহুল আমিন, দেলোয়ার হোসেন বাবলু, সাংবাদিক রুহুল আমিন, আব্দুস সামাদ গাজী, সিরাজুল ইসলাম মোড়ল,এ্যাডঃ আল আমিন, রওশন সরদার, আবুল কাশেম ও মাওলানা ইয়াকুব আলী।