শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয় ‘ঝুমুল’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয় ‘ঝুমুল’

দেশের দিকে প্রায় পূর্ণাঙ্গ একটি শক্তিশালী বৃষ্টি বলয় ঝুমুল ধেয়ে আসছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি আবহাওয়া গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম জানিয়েছে, এটি একটি শক্তিশালী প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়। মানে এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের সব এলাকায় কমবেশি বজ্রবৃষ্টি হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণও হতে পারে। এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ এলাকায় কমবেশি ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। এটি চলতি বছরের ৫ম বৃষ্টি বলয়।

সংস্থাটি জানায়, এতে সর্বাধিক সক্রিয় সিলেট বিভাগ। বেশ সক্রিয়-ময়মনসিংহ, রংপুর, ঢাকা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তর অংশের বেশকিছু এলাকা এবং মাঝারি সক্রিয়- বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অনেক এলাকা। কম সক্রিয়- রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকা।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উল্লেখিত স্থানগুলোতে বৃষ্টি বলয় অবস্থান করবে। তবে ২৫ এপ্রিলও দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যত্র কিছুকিছু স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে কালবৈশাখীসহ কিছুটা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে সব চেয়ে বেশি সময় সর্বোচ্চ সক্রিয় থাকবে ২৮ এপ্রিল থেকে ২ মে এবং ৪ ও ৬ মে পর্যন্ত। এর প্রভাবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের অতি বন্যা প্রবণ নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এছাড়া সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ জেলার কিছুকিছু নিচু এলাকায় অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতেপারে সাময়িক সময়ের জন্য। এ সময় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের উজানে ভারতীয় ভূখণ্ডে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের কারণে আসাম ও মেঘালয় রাজ্যের বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হতে পারে। এই পাহাড়ি ঢলের কারণে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের নদনদী গুলোতে ও হাওরে পানি আকস্মিক বৃদ্ধি পেতে পারে।

বিশেষ করে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট জেলার বেশকিছু স্থানে একটানা বর্ষণ হতে পারে।

Ads small one

এই শীতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
এই শীতে

মকবুল মাহ্ফুজ
উলের সোয়েটার পরে আছে ওষুধের দোকান
নতুন বছরের ক্যালেন্ডারের গায়ে শীতের চাদর।

এই শীতে গাছেরা কুঁজো হয়ে আছে।
হাড় কাঁপানো শীত এ বছর
আগুনে সেঁকতে হচ্ছে হাত। পা রোজ।
কার যেন কবিতায় পড়েছিলাম
‘কথা বললেই শীত কম লাগে।’
ইস্, এরা যদি কথা বলতে পারত!

মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে
বাবুর আলী গোলদার
কিছু ইতর প্রাণী মলমূত্র ত্যাগ করছে,
দুর্গন্ধ নাকে আসছে।
নারী কী পুরুষ চেনা দায় হচ্ছে,

সর্বাঙ্গ ঢাকা আছে।
বিরতিহীন হাঁটছে,
এপাড়া-ওপাড়া যাচ্ছে।
ফিসফিসিয়ে বলছেÑ
অনন্তকাল সুখভোগের লোভ দেখাচ্ছে।
বাহ্! সুখ যেন ওদের হাতে,
মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে।
সরলমনা মানুষগুলো কি বুঝতে পারছে?

 

আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

জহুরুল হক জুলু
সকালের রোদের চিকমিক সোনা গায়ে মেখে
যে নতুন দিনের জন্ম দেয়,
আর সন্ধ্যার আকাশে
আবিরের রঙ ছড়িয়ে

অস্তাচলে রেখে যাওয়া শেষ স্বাক্ষরÑ
শিল্পীর তুলিতে আঁকা রঙিন স্বপ্নের মতো;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
শীতের ভোরে
ঘাসের ডগায় জেগে থাকা শিশিরকণা

টুপটাপ ঝরে পড়ে নীরবে,
যেন একান্ত আপন ভেবে
বেদনার ভাষা জানাতে চায়Ñ
হৃদয় নিংড়ানো স্বচ্ছ সে কথা;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে, সুগন্ধ বিলিয়ে
যে নীরবে পৌঁছে যায় হৃদয়ের মনিকোঠায়,

অবশেষে একদিন
ঝরে পড়ে নিঃশব্দে,
নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েÑ
আমি সেই ফুলটিকে ধরে রাখতে চাই
সযতেœ স্মৃতির পাতায়;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
ঘুম ভাঙে কিচিরমিচির ডাকে,

হৃদয়ে জাগে অচেনা আলোড়ন।
কেউ দূর নীল আকাশে ভেসে যায়,
খাদ্যের সন্ধানে ব্যস্ত উড়াল;
সন্ধ্যা নামলে আবার
কুলায় ফেরে তৃপ্ত হৃদয়ে।
তাদের এই সহজ জীবনযাত্রা
কার না মন কাড়ে?
আমি সেই পাখিদের বন্ধু হতে চাই।

সবুজ ফসলের মাঠ মনকে ভুলিয়ে দেয়,
আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলায়
বাতাস দোলে ছন্দে ছন্দে;
তার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে
আমার হৃদয়ের তীরে।
আমি তারও বন্ধু হতে চাই।
তুমিও তবে হাত বাড়াওÑ
দিগন্ত-বিস্তৃত উন্মুক্ত হাত।

এসো, আমরা বন্ধু হই

এই সৌন্দর্যের, এই জীবনের,

এই অনন্ত মমতার।

শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

শাহাবুদ্দীন
সবকিছুর বিনিময়ে তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন ভোরের কুয়াশা তার অদৃশ্য আঙুল দিয়ে
ঘাসের ডগায় হেঁটে যায়,
শুধু নিঃশব্দে কিছু নরম আলো রেখে যায়।
আমি যত দিইÑ
শব্দ, সময়, স্মৃতি, অদৃশ্য আঙুলের স্পর্শÑ
সবই যেন মাটির নিচে সরে যায়;
কিন্তু তুমি ভালো থাকো,
এটাই আমার প্রার্থনা।
যেমন ঝড়ের পর একা পাতার ওপর
সন্ধ্যার আলো নেমে আসে,
তেমনি তোমার মুখে যেন
শান্তির নরম ছাপ থাকেÑ

যেখানে কেউ আহত হয় না, কেউ হারায় না।
আমি জানি, আমার দেওয়া সবকিছু
অদৃশ্য নদীর মতো বয়ে যাবে;
শুধু তুমি ভালো থেকো,
এই ভেবে নদীও থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে দাঁড় করায়।
তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন হেমন্তের শেষে
শিশিরের নিচে একাকী ফুল;
শুধু নিজের উপস্থিতি দিয়ে
সমস্ত মাঠকে ভরিয়ে রাখে।
সবকিছুর বিনিময়ে,
যদি এই পৃথিবীর সমস্ত শব্দ,
সমস্ত নীরবতা, সমস্ত আকাশ
আমার হাতে এসে গলে যায়Ñ
তবু একটাই চাওয়া থাকবে:
তুমি ভালো থেকো,
যেমন নক্ষত্র নিজের আলো দিয়ে
রাত্রিকে আলোকিত রাখে,
অচল, অমোঘ, অদূর।