শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

আহ্ছানিয়া দর্শন ও জীবনবোধ তুলে ধরে ‘আহ্ছানিয়া জীবন’ বুকলেট প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
আহ্ছানিয়া দর্শন ও জীবনবোধ তুলে ধরে ‘আহ্ছানিয়া জীবন’ বুকলেট প্রকাশ

আহ্ছানউল্লা সেন্টার ফর ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ও চট্টগ্রাম আহ্ছানিয়া মিশনের যৌথ আয়োজনে ‘আহ্ছানিয়া জীবন’ শীর্ষক বুকলেটের অনলাইন প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আহ্ছানিয়া মিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আহ্ছানউল্লা সেন্টার ফর ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল মাসুদ। বুকলেটটির বিষয়বস্তু ও তাৎপর্য তুলে ধরেন চট্টগ্রাম আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী সদস্য ড. কাজী এহছানুর রহমান। পরে ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বুকলেটটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আলহাজ্জ এ এফ এম এনামুল হক এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তায়েব আবু আহমেদ। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহসভাপতি ডা. মুহাম্মাদ খলিলুল্লাহর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আহ্ছানউল্লা সেন্টার ফর ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটির কাউন্সিল সদস্য ডা. নায়লা পারভিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ গোলাম ওয়ারেশ মুক্তা।

বক্তারা বলেন, ‘আহ্ছানিয়া জীবন’ বুকলেটটি আহ্ছানিয়া জীবনধারা, তরিকা ও মিশনের আদর্শকে সমন্বিতভাবে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে পাঠকেরা আহ্ছানিয়া দর্শন, নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবকল্যাণের চেতনা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, প্রকাশনাটি আহ্ছানিয়া মিশনের আদর্শ ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বুকলেটটি অনলাইনে পাঠক ও আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

তালায় বাল্যবিয়ের আয়োজন, ৫ হাজার টাকা জরিমানা; অভিযানে কনের পরিবার পলাতক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
তালায় বাল্যবিয়ের আয়োজন, ৫ হাজার টাকা জরিমানা; অভিযানে কনের পরিবার পলাতক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের গাবতলা এলাকায় বাল্যবিয়ের আয়োজন বন্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে কিশোরী কনেকে নিয়ে তাঁর বাবা-মা পালিয়ে যান। বরযাত্রীবাহী গাড়ি মাঝপথ থেকে ফিরে যায়। এ ঘটনায় কনের চাচাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানতে পারেন, তালার গাবতলা এলাকার গরু ব্যবসায়ী বজলুর রহমানের ১৬ বছরের বেশি বয়সী এক কিশোরী মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে ওই বাড়িতে প্রায় ৫০০ মানুষের ভোজের আয়োজন করা হয়।

বিষয়টি সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো হয়। পরে দুপুর ২টার দিকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের তালা উপজেলার প্রতিনিধি রাজিবুল ইসলাম, রুপা ঘোষ ও সজীব সরদার ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা সেখানে নগরঘাটা ইউনিয়নের সাবেক এক চেয়ারম্যানসহ প্রায় ৫০০ অতিথির খাবার গ্রহণের বিষয়টি দেখতে পান।

অভিযানকালে অধিদপ্তরের কর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান সাতক্ষীরা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহেদ হোসেন।

অভিযানের খবর পেয়ে কিশোরীকে নিয়ে তাঁর বাবা-মা পালিয়ে যান। অন্যদিকে, বরযাত্রীবাহী গাড়ি মাঝপথ থেকেই ফিরে যায়। কিশোরীর চাচা মো. মোনজেদ সরদার অপরাধ স্বীকার করে মুচলেকা দেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. শাহেদ হোসেন তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ মামলায় প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার উপপরিচালক নাজমুন নাহার।

কিশোরীর অভিভাবকেরা তিন মাস আগে বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করলেও এ-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। কিশোরীর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ের উদ্যোগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

অভিযানে অংশ নেওয়া মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মী রাজিবুল ইসলাম ও কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংগীত শিক্ষক সজীব সরদারের কাছ থেকে নেওয়া দুটি হেলমেট পরে ফেরত দিয়ে ক্ষমা চান কনের পক্ষের লোকজন। জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান ও তরুণ প্রতিরোধকর্মী হৃদয় মণ্ডলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, শুক্রবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা ও কিশোর-কিশোরী ক্লাবের ফিল্ড সুপারভাইজার করবী সুলতানা। সেখানে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। তাঁদের আগামী রোববার সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

 

এরশাদের ৯ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: জাপা নেতা আশু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
এরশাদের ৯ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: জাপা নেতা আশু

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান আশু বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৯ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল। ওই সময়ে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও শক্তিশালী করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের কাটিয়া মাস্টারপাড়ায় জেলা জাতীয় পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আশরাফুজ্জামান আশু বলেন, উপজেলা ব্যবস্থা চালু থাকলেও বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যানদের হাতে আগের মতো ক্ষমতা নেই। আগে উপজেলা চেয়ারম্যানরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার বেশি সুযোগ পেতেন। কিন্তু বর্তমানে উপজেলা প্রশাসনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কর্তৃত্ব বেড়েছে।

এরশাদের শাসনামলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, এরশাদ উপজেলা পর্যায়ে উন্নয়ন করেছেন। রেডিও ও টেলিভিশনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান প্রচারের ব্যবস্থা করেছিলেন। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা করেছিলেন। মসজিদ, মাদ্রাসা ও হিন্দুদের উপাসনালয়ের পানির বিল ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করেছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বাবু বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অধিকাংশ দল ও প্রার্থী প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করেছেন। একমাত্র জাতীয় পার্টি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। অতীতে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনগুলোর মধ্যে তাঁর দেখা নির্বাচনটি অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ছিল বলে দাবি করেন তিনি। কোথাও কারচুপির অভিযোগও ওঠেনি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন, “অথচ সেই চেয়ারে আমরা থাকতে পারলাম না। এটাই কি বৈষম্য? তাহলে আমরা কী ধরনের পরিবর্তন চেয়েছিলাম?”

সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরে মশিউর রহমান বাবু বলেন, বর্তমানে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, আয় কমেছে এবং অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাও নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
দেশের সংকট মোকাবিলায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের উচিত সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে আলোচনায় বসা। আলোচনার মাধ্যমে দেশের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। কোনো একটি দল বা গোষ্ঠীর পক্ষে দেশের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।

সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টি সাতক্ষীরা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস ছাদেক, জেলা জাতীয় পার্টির সহসাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শাখাওয়াতুল করিম পিটুল, কোষাধ্যক্ষ মো. আশরাফ কন্টাক্টর, পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রসমাজের সভাপতি মো. কায়সারুজ্জামান হিমেল, জেলা জাতীয় তরুণ পার্টির আহ্বায়ক আবু ইয়াছিন, সদর উপজেলা জাতীয় ছাত্রসমাজের সাধারণ সম্পাদক মো. কাইমুজ্জামান পাভেল এবং সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্রসমাজের সভাপতি সাকিব জামান দীপ্তসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

সভায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কাটিয়া শাহী মসজিদের ইমাম মুফতি হাফিজুর রহমান।

সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার রোড ক্যাম্পেইন ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার রোড ক্যাম্পেইন ও আলোচনা সভা

সংবাদদাতা: জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড ক্যাম্পেইন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শহরের পলাশপোলের শহীদ কাজল সরণিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

নিসচা সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি এস এম মহিদার রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মীর আবু বকরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ফারুক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সাবেক সমন্বয়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, উপদেষ্টা এবং সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. আবুল কালাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা জাহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহীন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আলমগীর আশরাফ, সংগঠনের সহসভাপতি অধ্যাপক নূর মোহাম্মাদ পাড়, মো. ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, প্রভাষক এস এম রজব আলী ও কার্যকরী সদস্য প্রভাষক নাজমুল হক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ আলী ও শাহজাহান আলী মিটন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল উদ্দীন সরদার, প্রচার সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আতিকুজ্জামান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, যুববিষয়ক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন জনি, কার্যকরী সদস্য মো. আবু সাঈদ, মো. আব্দুল মান্নান, অধ্যক্ষ মোরশেদুল হক, হাফেজ মো. আবুল হোসেন, এম এম রবিউল ইসলাম, মো. মাসুদ হাসান মনি, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. হাবিবুল্লাহ বাহার, মোহাম্মাদ হাফিজ, শেখ জোবায়ের আল জামান, মো. কামাল হোসেন, ডা. অহিদুজ্জামান, মেম্বর রবিউল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, মো. লাল্টু, আবীর হোসেন লিযন ও মো. আতিয়ার রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালক দিয়ে যানবাহন পরিচালনা এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

তাঁরা আরও বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এ জন্য চালক, মালিক, যাত্রী, পথচারী ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পরিবারের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিকল্প নেই।