সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপালে বন্যায় নিহত ৯০০ ছাড়ালো, নিখোঁজ ৪৭০০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
নেপালে বন্যায় নিহত ৯০০ ছাড়ালো, নিখোঁজ ৪৭০০

নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষ। দুর্যোগের চতুর্থ দিনে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, নদী ও বসতিতে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।

নেপালের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাজা রাম বাসনেত জানিয়েছেন, পাহাড়, জনবসতি ও নদী এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের খুঁজে বের করে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার কাজ চলছে। দুর্গম এলাকায় উদ্ধার তৎপরতায় স্থানীয় বাহিনীর সঙ্গে একাধিক বিদেশি দলও কাজ করছে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সোমবারের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে বন্যায় ৯০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২৪৭ জন, যাদের মধ্যে ৫৯২ জন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে চীনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪৬ জন। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বতে নিখোঁজ বিদেশির সংখ্যা ২৬১ জন, যাদের মধ্যে শতাধিক নেপালি নাগরিক।

বন্যায় সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে অন্তত ৯০ জন আটকা রয়েছেন।

তাদের উদ্ধারে স্থানীয় উদ্ধারকারীদের পাশাপাশি বিদেশি বিশেষজ্ঞ দলও কাজ করছে। তবে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ায় এবং বিপুল পরিমাণ কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ জমে থাকায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

গত বুধবার হিমালয় অঞ্চলের উচ্চভূমিতে একটি হিমবাহ ধসে পড়ার পর ভয়াবহ বন্যার সূত্রপাত হয়। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, হিমবাহের নিচের পাহাড়ি শিলাস্তরের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এর সঙ্গে হিমবাহের একটি অংশও নিচে নেমে আসে।

শিলাধসের মাত্রা এতটাই বড় ছিল যে তা ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূকম্পন হিসেবে রেকর্ড হয়। এরপর বিপুল পরিমাণ পাথর ও গলিত বরফ নিচের উপত্যকাগুলোর নদীতে গিয়ে পড়ে। এতে নদীগুলোর পানির প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে গিয়ে ভয়াবহ স্রোত তৈরি হয়।

সেই স্রোত নেপাল ও তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভবন, সেতু, সড়ক ও মাটির বিশাল অংশ ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বহু জনবসতি এখন কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে আছে।

দুর্যোগের পর থেকে নেপালের বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চল ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় আটকে পড়াদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি, সরু উপত্যকা এবং ধসে পড়া সড়ক-সেতুর কারণে উদ্ধারকারীদের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছাতেও বেগ পেতে হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে উদ্ধার ও ত্রাণকাজের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

ভয়াবহ এই দুর্যোগে নেপাল ও তিব্বতের বহু এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গত এলাকায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ফলে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: এপি

Ads small one

দীর্ঘ তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): জেলে-বাওয়ালি ও পর্যটকদের পদচারণায় আবারও মুখরিত হবে সুন্দরবন, প্রস্তুত নৌকা-জাল ও পর্যটকবাহী ট্রলার।

দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে যাচ্ছে সুন্দরবনের দুয়ার। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর নিয়ম মেনে পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন জেলে-বাওয়ালি ও অন্যান্য বনজীবীরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলো।

সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদের প্রজনন সুরক্ষায় প্রতিবছরের মতো এবারও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ও কাঁকড়া আহরণসহ বনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়। এ সময়ে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটক—কেউই সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেননি।

দীর্ঘ তিন মাসের বিরতির পর সুন্দরবন খোলার খবরে উপকূলীয় জনপদে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য। বিশেষ করে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা, পদ্মপুকুর ও কৈখালীসহ বিভিন্ন এলাকার জেলে-বাওয়ালিরা বনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেউ নৌকা মেরামত করছেন, কেউ পুরোনো জাল সংস্কার করছেন, আবার কেউ নতুন করে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করছেন।

অন্যদিকে পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে পর্যটকবাহী ট্রলার ও নৌযানগুলোরও চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সুন্দরবনে পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হলে পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ী, ট্রলার মালিক, মাঝি ও শ্রমিকদের মধ্যেও নতুন করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।

স্থানীয় জেলে আমিরুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকায় গত তিন মাস আমাদের আয়-রোজগারের প্রধান পথ বন্ধ ছিল। অনেক পরিবার ধারদেনা করে সংসার চালিয়েছে। এখন সুন্দরবন খোলার অপেক্ষায়।

রিপন গাজী বলেন, দীর্ঘ তিন মাস সুন্দরবনের পাববেন্ধর কারণে বনে ঢুকতে পারিনি। বন খুললেই মাছ ও কাঁকড়া আহরণের মাধ্যমে আবারও আয়-রোজগার শুরু করার সম্পন্ন করলাম, পাশ খুললেই চলে যাব সুন্দরবনে। তবে রিপন গাজী অভিযোগ করে বলেন সুন্দরবনের বনদস্যদের কারণে অনেক জেলে সুন্দরবন নিয়ে না যাওয়ার কথা ভাবছেন।

বন বিভাগও সুন্দরবন খোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জেলে-বাওয়ালিদের নিয়ম অনুযায়ী পাস ও পারমিট দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বন কার্যালয়গুলোতে বনজীবীদের প্রবেশসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তবে সুন্দরবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে বন বিভাগের নির্ধারিত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। অনুমোদিত পাস ও পারমিট ছাড়া বনে প্রবেশ, নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ধরা, বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার, অবৈধ জাল ব্যবহার কিংবা বন্যপ্রাণীর ক্ষতি করা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।

বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহারের জন্য বনজীবী ও পর্যটকদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। নিষেধাজ্ঞার সময় বনকে নিরবচ্ছিন্ন রাখার ফলে মাছ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ তিন মাস পর মঙ্গলবার থেকে সুন্দরবনের নদী-খালে আবার শোনা যাবে জেলেদের নৌকার বৈঠার শব্দ, জাল ফেলার ব্যস্ততা এবং পর্যটকবাহী ট্রলারের আনাগোনা।
পাস পারমিট দেওয়ার ফলে, সুন্দরবনকেন্দ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত হাজারো মানুষের জীবিকায়ও ফিরবে নতুন গতি—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

তবে অনেক জেলে সুন্দরবনে না যাওয়ার মনোভাব প্রকাশ করেছেন। কেন সুন্দরবনে যাবেন না জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে বলেন, সুন্দরবনে ঢাকার দল অনেক বেড়ে গেছে। সে কারণে আমরা সুন্দরবনে ভিতরে মাছ ধরতে যাব না। সুন্দরবনের ঢুকলেই গুনতে হবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। কোথায় পাব এত টাকা। এজন্য সুন্দরবনে মাছ, কাঁকড়া আহরণ করতে যাব না।

শাকদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে রফিকুল ইসলাম সভাপতি নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
শাকদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে রফিকুল ইসলাম সভাপতি নির্বাচিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ‘শাকদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’-এর পরিচালনা পর্ষদের নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর কর্তৃক গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. তারিখে ইস্যুকৃত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী ৬ (ছয়) মাসের জন্য ৪ সদস্যবিশিষ্ট এই অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়।

বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক (মুঃ এনামুল কবীর) স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রবিধানমালা-২০২৪ অনুযায়ী নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

অনুমোদিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-, সাধারণ শিক্ষক সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম (জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত), অভিভাবক সদস্য নিলুফা ইয়াসমিন (উপজেলা নির্বাহী অফিসার/জেলা প্রশাসক কর্তৃক মনোনীত), সদস্য সচিব প্রধান শিক্ষক, শাকদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

 

আশাশুনিতে নজরুল বর্ষে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে নজরুল বর্ষে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পত্রদূত ডেস্ক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন,সাহিত্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আশাশুনিতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার হাসানুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হাকিম, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর বৈদ্যনাথ সরকার ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাছুম বিল্লাহ।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফরোজ ফাতেমা এবং গীতা পাঠ করেন দিপালী রায় শ্রেয়া। পরে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয় মল্লিক নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন এবং শিক্ষক মুস্তাহিদুর রহমান কবিতা আবৃত্তি করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, নজরুল শুধু বিদ্রোহের কবি নন, তিনি ছিলেন মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার কবি। তাঁর সাহিত্য ও সংগীত নতুন প্রজন্মকে অন্যায়- অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে।

 

বক্তারা আরও বলেন-নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা,মানবতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অনন্য দৃষ্টান্ত। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে নজরুলের জীবনাদর্শ ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার সোহাগ আলম, আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী শিক্ষক শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।