বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

পাইকগাছায় এসিল্যান্ড নেই, ভূমিসেবা পেতে চরম ভোগান্তিতে মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় এসিল্যান্ড নেই, ভূমিসেবা পেতে চরম ভোগান্তিতে মানুষ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): জমির মালিকানা আছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও প্রস্তুত। কিন্তু নামজারি কিংবা জমাভাগের কাজ শেষ করতে অপেক্ষার যেন শেষ নেই। কেউ পৈতৃক সম্পত্তি নিজের নামে রেকর্ড করতে চান, কেউ জমি কেনার পর নামজারি করতে গিয়ে পড়েছেন অনিশ্চয়তায়। আবার কারও প্রয়োজন জমির সীমানা নির্ধারণ, কারও জরুরি শুনানি। এসব সেবা পেতে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা ভূমি অফিসে এসে বাড়তি ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডের পদটি শূন্য রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ এ পদে কর্মকর্তা না থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এতে উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ভূমি প্রশাসনের দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। ফলে ভূমিসেবার স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ভূমি অফিসের সেবা মানুষের সম্পত্তির অধিকার ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। নামজারির আবেদন নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হলে জমির মালিকানা হালনাগাদ আটকে যায়। এর প্রভাব পড়ে জমি কেনাবেচা, ব্যাংকঋণ গ্রহণ ও উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পত্তি হস্তান্তরসহ বিভিন্ন কাজে। একইভাবে জমাভাগ, আপত্তির শুনানি ও ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হলে দীর্ঘায়িত হয় মানুষের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পত্তিসংক্রান্ত জটিলতা।

জানা গেছে, এসিল্যান্ডের পদ শূন্য থাকায় এসব কার্যক্রমের অতিরিক্ত দায়িত্ব পড়েছে ইউএনওর ওপর। ফলে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভূমি অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রমও সমন্বয় করতে হচ্ছে তাঁকে।

নামজারি ও জমাভাগের আবেদন নিষ্পত্তি, শুনানি গ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন কর আদায় তদারকি, সরকারি খাসজমি সংরক্ষণ, অবৈধ দখল প্রতিরোধ এবং ভূমিসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে এসিল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ পদে কর্মকর্তা না থাকলে এসব কার্যক্রমে সমন্বয় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

পাইকগাছা সদরের বাসিন্দা আবির মল্লিক বলেন, পাইকগাছার মতো উপকূলীয় উপজেলায় সরকারি খাসজমি, জলাশয়, কৃষিজমি ও বিভিন্ন সম্পত্তির দখল নিয়ে বিরোধের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে নিয়মিত তদারকি ও দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকলে মাঠপর্যায়ে নজরদারি ও অভিযোগ যাচাইয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

সদরের আরেক বাসিন্দা সমীর রাহা বলেন, ভূমিসংক্রান্ত মামলার শুনানি, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক সহযোগিতা, সরকারি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এসিল্যান্ডের অনুপস্থিতি শুধু একটি পদ শূন্য থাকার বিষয় নয়, এর প্রভাব পুরো ভূমি প্রশাসনের কার্যক্রমে পড়তে পারে।

সেবাগ্রহীতা হাফিজুর রহমান জানান, জমির নামজারি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ নিয়ে তাঁকে ভূমি অফিসে আসতে হচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট পদে কর্মকর্তা না থাকায় কাজের অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। সময়মতো কাজ শেষ না হলে জমিসংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রমেও সমস্যায় পড়তে হবে।

আরেক সেবাগ্রহীতা বলেন, প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ভূমি অফিসে আসতে যাতায়াত খরচ ও সময় দুটোই ব্যয় হয়। একদিনে কাজ শেষ না হলে আবার আসতে হয়। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। দ্রুত নতুন এসিল্যান্ড পদায়ন করে ভূমিসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী ২০২৫ সালের ১৩ অক্টোবর পাইকগাছায় যোগদান করেন। প্রায় এক বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালের অক্টোবরে তাঁকে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় বদলি করা হয়। ১ অক্টোবর বদলির আদেশের পর ৫ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি বটিয়াঘাটা উপজেলা ভূমি অফিসে যোগদান করেন।

নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, নতুন ব্যাচের ভূমিসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন কর্মকর্তা পদায়ন সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না।

অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২৪ ঘণ্টায় তো চাপ থাকে।’ উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক দায়িত্বের পাশাপাশি ভূমি প্রশাসনের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে তাঁকে। তবে দায়িত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সেবাপ্রত্যাশীদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে বলে জানান তিনি।

গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশাসনিক পদ শূন্য থাকলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বাড়তি চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে সেই চাপের প্রভাব যেন সাধারণ মানুষের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে নামজারি, জমাভাগ, শুনানি ও ভূমিসংক্রান্ত জরুরি আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। দ্রুত নতুন কর্মকর্তা পদায়নের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সময়ে ভূমিসেবার স্বাভাবিক গতি বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Ads small one

প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আসছেন আজ, উদ্বোধন করবেন ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আসছেন আজ, উদ্বোধন করবেন ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প 

পত্রদূত ডেস্ক: দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আবারও মোংলা বন্দরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে তিনি বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নতুন দুটি কনটেইনার জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানান, প্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণের পাশাপাশি পণ্য ওঠানামায় ৪৯টি আধুনিক যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৪৭৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। বাকি অর্থ দেবে সংশ্লিষ্ট চীনা প্রতিষ্ঠান।

প্রকল্প বাস্তবায়নে গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক ও ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে এ-সংক্রান্ত উন্নয়ন চুক্তি করেন।

মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বন্দরের চ্যানেলের নাব্যতা বাড়াতে পরিকল্পিত ড্রেজিং, সড়ক ও রেল যোগাযোগের উন্নয়ন, ফয়লা বিমানবন্দর চালু এবং আকরাম পয়েন্টে এলএনজি স্টেশন নির্মাণের দাবি জানান।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী নতুন দুটি কনটেইনার জেটির নির্মাণকাজ উদ্বোধনের পাশাপাশি ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে রেলপথ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। এর ফলে মোংলা বন্দরে কনটেইনার পরিবহনে রেল যোগাযোগ চালুর সুযোগ তৈরি হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেড. এইচ. সিকদার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা, প্রদর্শিত ৪০ প্রকল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ
জেড. এইচ. সিকদার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা, প্রদর্শিত ৪০ প্রকল্প

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) আয়োজিত এ মেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৪০টি বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শন করেন।

‘উদ্ভাবন, অনুসন্ধান ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত মেলায় শরীয়তপুরের পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তাঁদের প্রকল্পে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৃজনশীল প্রয়োগ এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের নানা ধারণা তুলে ধরা হয়।

মেলা পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল খালেক, রেজিস্ট্রার খন্দকার তাহমিনা নিষাদ এলিনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রকল্পের ধারণা, কার্যপদ্ধতি ও সম্ভাব্য ব্যবহার তুলে ধরেন। অতিথিরা তাঁদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং গবেষণায় উৎসাহ দেন।

আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষণায় আগ্রহ তৈরি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরিতে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে। এতে নির্বাচিত সেরা প্রকল্পের শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে।

মেলার আয়োজনে সহযোগিতা করেছে বেসিক পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, অ্যালবাট্রস এডুকেশন ও ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

বল্লীতে মসজিদের রাস্তা সংস্কারে পরিমাপ ও পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২২ পূর্বাহ্ণ
বল্লীতে মসজিদের রাস্তা সংস্কারে পরিমাপ ও পরিদর্শন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের বরাদ্দে সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোচড়া জামে মসজিদে যাওয়ার রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সরেজমিনে রাস্তার মাপজোখ ও কারিগরি পরিদর্শন সম্পন্ন করে।

এ সময় বল্লী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ মিজানুর রহমান (পিকলু) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এতে মসজিদের মুসল্লি ও সাধারণ পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হতো। রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। পরিদর্শনকালে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য, মুসল্লি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।