মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় নার্সারীতে গুটি কলম তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় নার্সারীতে গুটি কলম তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিক

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছার নার্সারী গুলিতে গুটি কলম তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে মালিক ও শ্রমিকরা। গুটি কলম তৈরীর উপযুক্ত সময় বর্ষাকাল। সাধারণত বৈশাখ-আষাঢ় গুটি কলম তৈরীর উপযুক্ত সময়। বর্ষার আর্দ্র আবহাওয়া ও মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকায় এই সময়ে কলমের ডালে খুব দ্রুত ও সফলভাবে শিকড় গজায়।

মাতৃগুণ বজায় রাখা, দ্রুত ফলন, রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ানো এবং অধিক ফলন পেতে গুটিকলম ব্যবহার করা হয়। সম্পূর্ণ মাতৃগাছে গুণাগুন সমৃদ্ধ চারা করার জন্য গুটিকলম জনপ্রিয়। কাগজি লেবু, পেয়ারা, লিচু, জলপাই, ডালিম, করম চা, গোলাপ জামসহ বিভিন্ন গাছে গুটি কলম করা হয়।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছোট-বড় প্রায় ৫ শতাধিত নার্সারী গড়ে উঠেছে। যার উল্লেখযোগ্য সংখ্যা রয়েছে গদাইপুর গ্রামে। বর্ষা মৌসুম শুরুতে চারা তৈরীর জন্য নার্সারী মালিক ও কর্মচারীরা গুটিকলম তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেছে। যে গাছের ডালে গুটি করা হবে সে ডালের বয়স কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ২ বছর হতে হবে। গুটি কলম তৈরী করতে গাছের ডালের দুই ইঞ্চি মত ছাল পুরাটা গোল করে কেঁটে ফেলে জৈব সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে কাঁটা অংশ ভাল করে বেঁধে গুটি করতে হবে। মাটির গুটি সবসময় ভিজা রাখতে হবে। মাটিতে পলিথিন দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিতে হবে। ১ মাসের মধ্যেই মাটির ভিতর থেকে শিকড় বেড় হয়।

হিতামপুর গ্রামে অবস্থিত রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল জানান, এ বছর তার নার্সারীতে ২৫ হাজার গুটি কলমের চারা তৈরী করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মিস্টি জলপাই, মাল্টা, পেয়ারা ও লিচু।

গদাইপুর নার্সারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামাল সরদার জানান, তার নার্সারীতে বিভিন্ন জাতের প্রায় ৪৫ হাজার গুটি কলম তৈরী করছেন। শ্রমিকের অভাবে কলম তৈরী করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে কলম তৈরীর সময় পার হয়ে গেলে এ মৌসুমের আর গুটি কলম তৈরী করা যাবে না। সে কারনে কলম তৈরীতে অধিক পয়সা খরচ হচ্ছে। এছাড়া শামসুল, আক্তার, রওশনারা, মিজানুর, নাসির, নজরুল, বিল্লালসহ বিভিন্ন নার্সারি মালিক গুটি কলম তৈরি করছেন।

গদাইপুর গ্রামের গুটি কলমের অভিজ্ঞ কারিগর হামিদ মোড়ল জানান, প্রতিটি গুটি দুই টাকা দরে তৈরী করছি। গোপালপুর গ্রামের গুটি কলমের অভিজ্ঞ কারিগর মোক্তার ও সালাম বলেন, লেবু গুটি ২টাকা ও অন্য জাতের গুটি কলম ১ টাকা ৭০ পয়সা দরে তৈরী করছি।

পাইকগাছা উপজেলা নার্সারী মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার পাল জানান, কলম তৈরীর শ্রমিক ঠিকমত না পাওয়ায় কারণে উচ্চ মূল্যে শ্রমিক নিয়ে কলম তৈরী করতে হচ্ছে। গদাইপুর এলাকার তৈরী কলম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। তবে ঠিকমত বাজার দর না পাওয়ায় নার্সারী মালিকরা আশানারুপ ব্যবসা করতে পারছে না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, পাইকগাছার নার্সারী শিল্প খুলনা জেলার শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে। নার্সারীতে উৎপাদিত চারা সবুজ বননায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে তেমনি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সুদমুক্ত ও ইসলামী নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনায় ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে সাতক্ষীরায় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (এলবিডব্লিউএফ)-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় সাতক্ষীরার আল কুরআন একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আইবিডব্লুউএফ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মো. মহিউদ্দীন মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার কাজী আবিদ হাসান। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ব্লিস হাসপাতালের এমডি মো. আবু হাসান, আইবিডব্লুউএফের জেলা সেক্রেটারী কামাল হোসেন, ব্যবসায়ি মনিরুজ্জামান মনির, ইকরামুল কবির, সাইফুল্লাহ, আব্দুর হামিদ, কাজী সালাউদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধ, সততা, আমানতদারি ও সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা ব্যবসায়ীদের হালাল উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ‘মাত্র ১০ হাজার টাকায় ব্যবসার দ্বার খুলবে’ শীর্ষক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।

 

 

সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

সংবাদদাতা: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর বর্তমান সংকট নিরসন, একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত ও ব্যর্থতার বিরুদ্ধে এবং সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতে সাতক্ষীরায় সচেতন গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের মূল শাখার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে ব্যাংককে অনিয়ম ও দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যাংকের সুষ্ঠু পরিচালনার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট আবু তালেব। বক্তব্য রাখেন গ্রাহক জযনাল আবেদিন, এসকে মুনছুর আলী, বেলাল হোসেন ও সেলিম হোসেন।

বক্তারা ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ থেকে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ১. বর্তমান চেয়ারম্যান জহির হোসেনকে পদত্যাগ বা অপসারণ করতে হবে। ২. ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ে দক্ষ, যোগ্য, সৎ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। ৩. এস আলমের অবৈধভাবে অর্জিত ৮২ শতাংশ শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের দায় শোধ এবং মূল উদ্যোক্তা ও আদি মালিকদের কাছে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. ব্যাংকের পরিচালনায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী দুই বছর কোনো ঊর্ধ্বতন নির্বাহীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি না দেওয়া এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ নবায়ন করতে হবে। ৫. ব্যাংকের অভ্যন্তরে সক্রিয় এস আলমের চিহ্নিত দালাল ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের শনাক্ত করে বহিষ্কার করতে হবে। ৬. ব্যাংক লুটেরাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, কার্ড বিজনেস ডিভিশন (প্রধান কার্যালয়, ঢাকা)-এর উদ্যোগে “ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশলেস ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রডাক্টস ক্যাম্পেইন-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান শেখ মো. শামসুদ্দোহা।

এসময় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের মূল ফটক এবং হাসপাতাল প্রবেশদ্বারে ফিতা কেটে পূবালী ব্যাংকের দুটি বিশেষ বুথ ও স্টল উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. কাজী আরিফ আহমেদ।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক কার্ড বিজনেস বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধান এন. এম. ফিরোজ কামাল এবং সম্মানীয় অতিথি ছিলেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. এস. এম. মনিরুজ্জামান। এছাড়া মঞ্চে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আসন গ্রহণ করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর ড. হরষিত চক্রবর্তী এবং পূবালী ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ইকবাল হোসেন। পরবর্তীতে কলেজের শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজ ও হাসপাতাল কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আব্দুস সালাম এবং পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে পাঠ করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি., সাতক্ষীরা শাখার সিনিয়র অফিসার (সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার) সুমন সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি