রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

পাইকগাছায় সৌর বিদ্যুৎ এর ডিস্যালাইনেশন প্লান্ট সুপেয় পানি সরবরাহে সাড়া ফেলেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় সৌর বিদ্যুৎ এর ডিস্যালাইনেশন প্লান্ট সুপেয় পানি সরবরাহে সাড়া ফেলেছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের লবণাক্ত বারুইডাঙ্গা গ্রামে সৌর বিদ্যুৎ চালিত ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট-রিভার্স অসমোসিস স্থাপনের মাধ্যমে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দূরীকরণে এক অভূতপূর্ব সাড়া জেগেছে। এটি পরিচালনা করতে প্রচলিত গ্রিড বিদ্যুতের কোনো প্রয়োজন হয় না। সম্পূর্ণ সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মাটির গভীর থেকে পানি উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের লবনাক্ত বারুইডাঙ্গা গ্রামে বঞ্চিত মানুষের তীব্র খাবার পানির সংকট নিরসনে ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট-রিভার্স অসমোসিস স্থাপন করা হয়েছে। উপকূলীয় এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের বঞ্চিত মানুষের খাবার পানির অভাব দূর করতে এই আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রত্যান্ত গ্রামের এ প্ল্যান্ট থেকে প্রতিদিন প্রায় একহাজার লিটার সুপেয় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের লবনাক্ত বারুইডাঙ্গা গ্রামের বদরুল আলমের বাড়ীর পাশে রাস্তার ধারে ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট-রিভার্স অসমোসি স্থাপন করা হয়েছে। এনজিও পরিচালিত প্রকল্পটির মেয়াদ ১০ বছর। প্রকল্পের নাম ইনক্রিজিং এ্যাক্সেস টুইমপ্রুভড ওয়াশ সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট-রিভার্স অসমোসিস। বাস্তবায়নেঃ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র-ডরপ, সহযোগিতায়-হেলভেটাস বাংলাদেশ, অর্থায়নে-চ্যারিটিওয়াটার। ছাদের উপর ৩৪০ ওয়ার্টের সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ ব্যাবহার করে মাটির গভির থেকে পানি উৎত্তোলন করে পানি প্রক্রিয়াজাত করে উপরে ট্যাঙ্কিতে রাখা হয়। প্রতি ঘণ্টায় পানি পরিশোধন ক্ষমতা এক হাজার লিটার। প্রকল্পের উপকারভোগী দুইশত পরিবার রয়েছে। পানি লিটার প্রতি ৪০ পয়সা দরে বিক্রি করা হয়। প্রকল্পটির সাত জন উদ্দোক্তাগনের মধ্যে মো: বদরুল আলম মূল দায়িত্ব পালন করেন।

এই প্লান্ট স্থাপন এবং এটি পরিচালনা করতে বিদ্যুৎ শক্তি ব্যাবহার না করে সোলার প্যানেল ব্যাবহার করা হয়েছে। বিদ্যুৎ এর কোন প্রয়োজন নেই। সব সময় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ ব্যাবহার করে মাটির গভির থেকে পানি উৎত্তোলন করে পানি প্রক্রিয়াজাত করে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট হলো এমন একটি শিল্প-কারখানা বা ব্যবস্থা যা সমুদ্রের বা ভূগর্ভস্থ লবণাক্ত পানি থেকে লবণ ও খনিজ পদার্থ অপসারণ করে সুপেয় পানি উৎপাদন করে। রিভার্স অসমোসিস বা পাতন দ্ধতির মাধ্যমে লবণাক্ত পানি থেকে লবণের অণু আলাদা করা হয়, যার ফলে পানি পানযোগ্য হয়ে ওঠে। এটি মূলত বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট নিরসনে ব্যবহার করা হয়। উপকূলীয় এলাকায় যেখানে মিষ্টি পানির অভাব রয়েছে, সেখানে এই প্ল্যান্ট জীবন রক্ষাকারী ভূমিকা পালন করে।

উপকূলে বিভিন্ন সময়ে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে এই এলাকার নদী, পুকুর ও ভূগর্ভস্থ পানিতে অতিরিক্ত লবনাক্তসহ উচ্চ খনিজের কারণে পানের অযোগ্য। লবণাক্ত পানির কারণে উপকূল এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যা লেগেই আছে বিশেষ করে নারীরা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকির আছেন ।

উপকূলীয় এলাকায় লবন পানির কারণে নারীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রমতে- লবনাক্ত পানির প্রভাবে উপকূলের গর্ভবতী মাদের এক্লামশিয়া-খিঁচুনি, প্রি এক্লামশিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ঘোরানো, অঙ্গ হানীসহ মাতৃ মৃত্যু সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফলে গর্ভের ভ্রুন ও শিশুর স্বাস্থ্য মারাতœক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এমনকি মাতৃগর্ভেই মৃত্যু হচ্ছে।

উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলগুলোতে মিষ্টি বা সুপেয় পানির তীব্র অভাব থাকে। এই ধরনের পরিবেশবান্ধব এবং বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী উদ্যোগ একদিকে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায়, অন্যদিকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সরাসরি ভূমিকা রাখছে।

 

 

 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।