বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) প্রতিরোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন ২০২৬ তারিখে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের প্রতিপক্ষ ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়, ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১.৫ থেকে ২ কিলোমিটার ভেতরে বিভিন্ন স্থানে ১২ থেকে ১৫ জন বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এসব ব্যক্তিকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং একাধিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তের সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত রাত্রিকালীন টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে পুশইন বিষয়ে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে। টহলরত সদস্যরা বাঁশি, শক্তিশালী লাইট ও মেগাফোন ব্যবহার করে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছেন। এছাড়া নদী সীমান্তের শূন্যরেখা দিয়ে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হাই স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়।

এদিকে, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স (ছজঋ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের সদস্যরা সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।

এবিষয়ে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ শাহারিয়ার রাজিব বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখন্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন অপচেষ্টা ১৭ বিজিবি কর্তৃক কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুনে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

 

 

 

Ads small one

জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে তালা প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে তালা প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তালা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ক্লাসের একটি প্রতিনিধিদল জেলা পরিষদ প্রশাসককে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তালার প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হাসান, সাধারণ সম্পাদক শেখ জলিল আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এম মান্নান, যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার এস এম আকরামুল ইসলাম, এস এম হাসান আলী বাচ্চু, বি এম বাবলুর রহমান, এস এম জহর হাসান সাগর, পার্থ প্রতিম ম-ল, কাজী জীবন, লিটন হুসাইন, মো. ফয়সাল হোসেন ও মো. হাফিজুর রহমান।

সাক্ষাৎকালে তালা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ জেলার উন্নয়ন, গণমাধ্যমের বিকাশ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত পরিবেশের উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে। উন্নয়ন ও জনগণের সমস্যা তুলে ধরার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

 

জেলা পরিষদের প্রশাসককে জিয়া পরিষদের অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদের প্রশাসককে জিয়া পরিষদের অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদ ভবনে প্রশাসকের অফিস কক্ষে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ পাড়, সহসভাপতি ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট শেখ আলমগীর আশরাফ, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ হাফিজুল আল-মাহমুদ রিটু উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান, শ্যামনগর উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রভাষক শফিউল আলম, কালিগঞ্জ উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ অলিউর রহমান এবং তালা উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সাইফুল্লাহসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসককে বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসককে বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে পৃথকভাবে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে প্রথমে শুভেচ্ছা জানান নারিকেলতলাস্থ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি: খুলনা-৭৬৪) নেতৃবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মজনু সরদার, সহসভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, ঝাউডাঙ্গা শাখার সভাপতি মো. আহাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল হোসেন লাভলু, পাটকেলঘাটা শাখার সভাপতি শেখ বিল্লাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেনসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে শুভেচ্ছা জানান সাতক্ষীরা জেলা তাঁতী দলের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা তাঁতী দলের সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, সাধারণ সম্পাদক এস এম সাহেব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম বুলবুল, পৌর তাঁতী দলের আহ্বায়ক মো. সাজ্জাদ হোসেন লাল্টু এবং কলারোয়া উপজেলা ও পৌর তাঁতী দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।