বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সন্তানকে বিবাহ-উপযুক্ত করে গড়ে তোলা: অভিভাবকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
সন্তানকে বিবাহ-উপযুক্ত করে গড়ে তোলা: অভিভাবকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব

সাকিবুর রহমান বাবলা

পরিবার মানবসমাজের আদি প্রতিষ্ঠান। আর এই সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি রচিত হয় বিবাহ বন্ধনের মাধ্যমে। বিবাহ কেবল দুই ব্যক্তির একত্রে বসবাসের বিষয় নয়; এটি পারস্পরিক দায়িত্ব, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি সামাজিক ও নৈতিক বন্ধন। তাই সন্তানকে বিবাহ-উপযুক্ত করে গড়ে তোলা অভিভাবকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যা শুধু আর্থিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নৈতিক, মানসিক, সামাজিক ও মানবিক বিকাশের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

বর্তমান সমাজে আর্থিক ও শিক্ষার প্রসার ঘটলেও পারিবারিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে দাম্পত্য জীবনেও। অল্প সময়ের মধ্যে পারিবারিক কলহ, বিচ্ছেদ, পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সামাজিক অস্থিরতার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব সমস্যার একটি বড় কারণ হলো বিবাহের পূর্বে যথাযথ মানসিক ও সামাজিক প্রস্তুতির অভাব।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিবাহ একটি পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ বন্ধন। পবিত্র কুরআনে দাম্পত্য জীবনকে শান্তি, ভালোবাসা ও মমতার ক্ষেত্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইসলাম মানুষকে দায়িত্বশীল, চরিত্রবান ও নৈতিকতাসম্পন্ন হওয়ার শিক্ষা দেয়, যা একটি সফল বৈবাহিক জীবনের মৌলিক শর্ত। একইভাবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিশ্বের অন্যান্য ধর্মেও বিবাহকে একটি দায়িত্বপূর্ণ সামাজিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সব ধর্মের মূল শিক্ষা হলো—মানুষকে মানবিক, ন্যায়পরায়ণ ও কর্তব্যপরায়ণ করে গড়ে তোলা।

সন্তানকে বিবাহ-উপযুক্ত করার ক্ষেত্রে অভিভাবকের প্রথম কাজ হলো চরিত্র গঠন। কেবল ডিগ্রি অর্জন বা চাকরি পাওয়া একজন মানুষকে পরিপূর্ণ করে না। সততা, আত্মসম্মানবোধ, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা, পারিবারিক দায়িত্ববোধ এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাÑএসব গুণই একজন মানুষকে প্রকৃত অর্থে পরিণত করে। যে সন্তান ছোটবেলা থেকেই পরিবারে মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায়, সে ভবিষ্যতে একজন দায়িত্বশীল জীবনসঙ্গী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

একই সঙ্গে সন্তানকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। পরমুখাপেক্ষী মানসিকতা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। আত্মনির্ভরশীলতা কেবল অর্থ উপার্জনের সক্ষমতা নয়; বরং নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমস্যা মোকাবিলা এবং জীবনের দায়িত্ব গ্রহণের সক্ষমতাও এর অন্তর্ভুক্ত। যে ব্যক্তি নিজের জীবনের দায়িত্ব নিতে শেখে, সে পারিবারিক জীবনেও অধিক সফল হয়।

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য—বিবাহের জন্য কেবল বয়স যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন মানসিক পরিপক্বতা। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সামাজিক চাপ, পারিবারিক প্রত্যাশা বা প্রচলিত রীতিনীতির কারণে যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়াই সন্তানদের বিবাহ দেওয়া হয়। এর ফলে পরবর্তী জীবনে নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাই অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করা, পারিবারিক জীবন সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান প্রদান করা এবং তাদের আবেগীয় ও সামাজিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সময় দেওয়া।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইনও বিবাহের ক্ষেত্রে পরিপক্বতা ও দায়িত্ববোধকে গুরুত্ব দিয়েছে। শিশুবিবাহ প্রতিরোধ এবং বিবাহের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণের মাধ্যমে রাষ্ট্র একটি সুস্থ ও নিরাপদ পারিবারিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে। আইন কেবল শাস্তির বিষয় নয়; এটি সমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার জন্য প্রণীত একটি সামাজিক অঙ্গীকার। তাই ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি আইন সম্পর্কে সচেতনতা ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলাও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

বর্তমান সময়ে সন্তানদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন অভিভাবকের সময় ও সঠিক দিকনির্দেশনা। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে অনেক পরিবারে পারস্পরিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে। অথচ সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা, তাদের মানসিক অবস্থা বোঝা, নৈতিক শিক্ষা প্রদান এবং বাস্তব জীবন সম্পর্কে সচেতন করে তোলাই তাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে অধিক সুন্দর ও স্থিতিশীল করতে পারে।

পরিশেষে বলা যায়, সন্তানকে বিবাহ-উপযুক্ত করে গড়ে তোলা কোনো একক ঘটনার বিষয় নয়; এটি একটি দীর্ঘজীবনমেয়াদি পারিবারিক ও সামাজিক প্রক্রিয়া। ধর্মীয় নির্দেশনা, মানবিক মূল্যবোধ এবং দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা শুধু একজন ভালো জীবনসঙ্গী নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল মানুষ, সচেতন সুনাগরিক এবং মানবিক সমাজ নির্মাণের অংশীদার হতে পারে। একটি সুন্দর পরিবার থেকেই একটি সুন্দর সমাজের জন্ম হয়, আর সেই সুন্দর পরিবারের ভিত্তি নির্মাণের দায়িত্ব শুরু হয় সচেতন অভিভাবকের হাত ধরেই।

Ads small one

নূরনগর ইউনিয়ন নির্বাচনে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
নূরনগর ইউনিয়ন নির্বাচনে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: আসন্ন নূরনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফাকে নূরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে নূরনগরের তানভীর কনভেনশন সেন্টারে ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ডা. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শেখ লিয়াকত হোসেন বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল, উপজেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক এস এম ফজলুল হক, মাওলানা মইনুদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি সাঈদী হাসান বুলবুল এবং উপজেলা শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল মজিদ। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

কুশখালী হাড়িয়াঘাটা মাঠে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
কুশখালী হাড়িয়াঘাটা মাঠে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি: গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকজ ঐতিহ্য ও গ্রামীণ সংস্কৃতি ধরে রাখতে সাতক্ষীরার দক্ষিণ কুশখালী হাড়িয়াঘাটা মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী ২৭তম ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুবসমাজের উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
তীব্র গরম উপেক্ষা করে চোখধাঁধানো এই ঘোড়দৌড় উপভোগ করতে দুপুরের পর থেকেই সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আসা হাজারো ক্রীড়ামোদী মানুষের ঢল নামে মাঠজুড়ে।
ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আজিয়ার রহমান টালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র মো. তাসকিন আহমেদ চিশতী।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, গ্রামীণ বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা আমাদের সংস্কৃতির এক অনন্য মূলভিত্তি। বর্তমান যুগের তরুণ ও যুবসমাজকে মারাত্মক মাদকাসক্তি, ক্ষতিকর মোবাইল আসক্তি এবং নৈতিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের সুস্থ বিনোদন ও মাঠপর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার কোনো বিকল্প নেই। চমৎকার এই আয়োজন গ্রামীণ সৌহার্দ্য আরও বৃদ্ধি করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মো. মনিরুজ্জামান আলম বাপ্পি, কুশখালী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. কামরুজ্জামান, ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা বাবু ও সমাজসেবক মোহাম্মদ জিয়াউল রহমান জিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ঘোড়ার মালিক ও সওয়ারীদের (রাইডার) হাতে নগদ অর্থ পুরস্কার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার ২০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ১৫ হাজার টাকা এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ৮ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এ ছাড়া চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থান অধিকারীদেরও যথাক্রমে সাড়ে ৩ হাজার, ২ হাজার ও ১ হাজার টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়।
স্থানীয় সমাজসেবকরা জানান, গ্রামীণ সংস্কৃতির এই ধারা বজায় রাখতে আগামী বছরগুলোতেও এই ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন ধরে রাখা হবে।

সীমান্তে ‘পুশইন’ ঠেকাতে সাতক্ষীরায় ১১দলীয় জোটের সভা, ভোমরায় সমাবেশ আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
সীমান্তে ‘পুশইন’ ঠেকাতে সাতক্ষীরায় ১১দলীয় জোটের সভা, ভোমরায় সমাবেশ আজ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারত সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইন’ বন্ধ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় জোটের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ১১ দলীয় জোটের প্রধান ও জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল।
সভায় বক্তারা বলেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) অভিযোগটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কর্মকা- দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করার পাশাপাশি কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি সমাধানে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
সভায় জোটের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশইন অবিলম্বে বন্ধ করা, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করা এবং জাতীয় স্বার্থে এ বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জনগণের সামনে তুলে ধরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় জনগণের উদ্বেগ দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন এনসিপির জেলা সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান বুলু, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, খেলাফত আন্দোলনের জেলা সভাপতি হাফেজ ইমদাদুল হক এবং জাগপা ও এবি পার্টিসহ জোটভুক্ত অন্যান্য দলের নেতারা। আজ শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল চারটায় এই দাবিতে সাতক্ষীরার ভোমরায় সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় জোট।