শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রসঙ্গ: খোলপেটুয়া নদী রক্ষায় প্রয়োজন কঠোর ও টেকসই পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
প্রসঙ্গ: খোলপেটুয়া নদী রক্ষায় প্রয়োজন কঠোর ও টেকসই পদক্ষেপ

সম্পাদকীয়

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে খোলপেটুয়া নদী কেবল একটি জলাধার নয়, এটি এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করা এই জনপদের জন্য নদীভাঙন এক চিরস্থায়ী অভিশাপ। আর এই ক্ষতকে আরও গভীর করে তুলছে এক শ্রেণির অসাধু চক্রের অবৈধ বালু উত্তোলন। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে রাতের আঁধারে পরিচালিত অভিযান এই দস্যুতা রোধে একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

দৈনিক পত্রদূতে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, শ্যামনগরে বর্তমানে কোনো বৈধ বালুমহাল নেই। তবুও জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোলপেটুয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়েছেন। বিশেষ করে রাতের আঁধারে বালু দস্যুদের ধরতে এই তৎপরতা প্রমাণ করে যে, প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সচেতন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়Ñ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইজারা বিহীন নদী থেকে বালু তোলার সাহস এই চক্রটি পায় কোথায়?

খোলপেটুয়া নদীটি অত্যন্ত ভাঙনপ্রবণ। এই নদীর পাড় রক্ষা করতে প্রতি বছর সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়। অথচ একদল স্বার্থান্বেষী মানুষ সামান্য ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য নদীর তলদেশ থেকে বালু তুলে পাড়ের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। এতে কেবল বাঁধের ঝুঁকি বাড়ছে না, বরং উপকূলীয় বাস্তুসংস্থান এবং মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিও হুমকির মুখে পড়ছে। বালু উত্তোলনকারীরা মূলত সাধারণ মানুষের জীবনের বিনিময়ে নিজেদের পকেট ভারী করছে।

প্রশাসনের এই অভিযানকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে কেবল মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা বা কয়েকজনকে জরিমানা করাই যথেষ্ট নয়। বালু দস্যুতার এই শিকড় অনেক গভীরে। এদের পেছনে থাকা রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাবশালী শক্তির উৎসগুলো চিহ্নিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নদী এলাকায় নিয়মিত টহল ব্যবস্থা জোরদার এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

নদী বাঁচলে উপকূল বাঁচবে। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান যেন লোক দেখানো বা সাময়িক কোনো তৎপরতা না হয়। বরং খোলপেটুয়া নদীকে দস্যুমুক্ত করতে এই অভিযান নিয়মিত ও স্থায়ী হোকÑএটাই উপকূলবাসীর প্রত্যাশা। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়, বরং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

বিশ্ব মা দিবসে ‘মা পদক’ পাচ্ছেন ববিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ব মা দিবসে ‘মা পদক’ পাচ্ছেন ববিতা

অনলাইন ডেস্ক: ২০২৬ সালটা যেন নন্দিত অভিনেত্রী ববিতার প্রাপ্তির বছর হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। পেয়েছেন ‘হুস হু’ পুরস্কার। আবার আগামী ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে পেতে যাচ্ছেন ‘আনন্দ মেলা’র আজীবন সম্মাননা।

 

এরই মধ্যে তিনি জানালেন, আগামী বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আগামী ১০ মে  ‘আলী-রূপা ফাউন্ডেশন’-এর পৃষ্ঠপোষকতায় মা পদক পেতে যাচ্ছেন। রাজধানীর একটি হোটেলে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে এ পুরস্কার।

ববিতা বলেন, ‘চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আজীবন সম্মাননা, একুশে পদকে ভূষিত হয়েছি। কিন্তু চলচ্চিত্রে মায়ের ভূমিকায় অভিন্ন এবং আমার একমাত্র সন্তান অনিককে মানুষের মতো মানুষ করার কারণে আমাকে বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মা পদক পেতে যাচ্ছি ভেবে ভালো লাগছে। ধন্যবাদ আলী-রূপা ফাউন্ডেশনকে।’

 

সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীনের উদ্যোগে এটি আয়োজন করেছে ‘মাদিহা মার্সিহা অ্যাডভারটাইজিং’। চলতি বছরে সংস্কৃতি অঙ্গন থেকে ছয়জনকে, সাংবাদিকতায় দুইজনকে এবং ব্যাংক, আইন বিচার, বিমানবাহিনী, ডাক্তারি পেশায় ১২ জন সফল ও গর্বিত সন্তানের মায়েদের’কে ‘মা পদক ২০২৬’ দেওয়া হবে।’

 

ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করল মার্কিন আদালত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করল মার্কিন আদালত

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে দেশটির এক বাণিজ্য আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এ রায় দেয়। খবর দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের ওপর এই শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এজন্য ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২ ব্যবহার করে তারা।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের ব্যাপক বৈশ্বিক শুল্ক নীতিকে বাতিল করে দেয়। আদালত বলেছিল, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে এত বড় পরিসরে শুল্ক আরোপ করার ক্ষেত্রে ট্রাম্প তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।

সেকশন ১২২ অনুযায়ী, কোনো দেশের বড় ও গুরুতর ভারসাম্যহীন বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ১৫০ দিনের জন্য আরোপ করতে পারেন।

 

তবে, মামলার বাদীরা যুক্তি দেন, ট্রাম্প এই ধারা ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে পারেননি।

 

আদালতের সর্বশেষ এই রায় নতুন ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য। তবে, এই রায়ের বিরুদ্ধে এখনও আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

 

এবার আমিরাতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
এবার আমিরাতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। আজ শুক্রবার (৮ মে) ভোরে ইরান থেকে ছোড়া একঝাঁক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আমিরাতের আকাশসীমায় আঘাত হানে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। খবর সিএনএনের।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে আসা বেশ কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে রুখে দিয়েছে। রাজধানী আবুধাবি ও দুবাইসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাঝ আকাশে এই ইন্টারসেপশনের বিকট শব্দ শোনা যায়।

 

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের ছবি তোলা বা তার কাছে না যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

গত ৯ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আমিরাতের আকাশসীমা ‘হুমকিমুক্ত’ ঘোষণা করেছিল। তবে গত দুই মাসে অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমিরাতই সবচেয়ে বেশি ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

 

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন ও ইরানি নৌবাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। পেন্টাগন দাবি করেছে, তারা মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো ইরানি সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। এরই প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

আরব আমিরাতের ন্যাশনাল এমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি দেশের নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।