সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-২৬ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এবং প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় অতিরিক্ত প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ, সিনিয়র শিক্ষক শেখ মোবাশশেরুর রহমান পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ ইমরান ফকির, বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার এন্ড স্কোরার অ্যাসোসিয়েশনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি খন্দকার কবির হাসান প্রমূখ।

প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অংশ গ্রহণ করে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় বনাম সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলায় টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩১৫ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে ৬২ বল খেলে তানভীর ব্যক্তিগত ৯৩ রান সংগ্রহ করে।

 

জবাবে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৫ ওভার ২বল খেলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪০ রান করে। বিজয়ী দলের জুনায়েদ ৫টি উইকেট লাভ করে। ফলে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৭৫ রানে জয়লাভ করে টুর্নামেন্টে প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলায় আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন আবু হাসান বাবলু ও জিএম সাইফুল ইসলাম বাপ্পি এবং স্কোরার এর দায়িত্ব পালন করেন এস এম হাবিবুল হাসান। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রাইম ব্যাংক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

আশাশুনিতে ৩৭০১ পরীক্ষার্থী, কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ৩৭০১ পরীক্ষার্থী, কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন

আশাশুনি প্রতিনিধি: সারাদেশের ন্যায় আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ১০টি কেন্দ্রে এবার ৩ হাজার ৭০১ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সোমবার কেন্দ্রগুলোতে কক্ষ পরিদর্শকদের নিয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার আশাশুনির ৫টি এসএসসি কেন্দ্র, ৪টি দাখিল এবং ১টি কারিগরি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসবে।
আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭৭৩জন, বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ৬১৯ জন, দরগাহপুর এসকেআরএইচ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৪৬৫ জন, বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ৪৫২ জন এবং বিছট নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৫৭ জন। আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩১৬ জন, গুনাকরকাটি খাইরিয়া আজিজীয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩৩২ জন, প্রতাপনগর আবু বক্কর ছিদ্দিক ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১৮৫ জন এবং মদিনাতুল উলুম বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ২৫০ জন। সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ কেন্দ্রে ৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
পরীক্ষা শুরুর আগের দিন সকালে ৫টি এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শকদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৃথক এই সভাগুলোতে সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবরা।
সভায় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সচিব মাজহারুল ইসলাম, বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের মোহিত কুমার দাশ, দরগাহপুরের গৌরপদ মন্ডল, বড়দলের মো. বাবলুর রহমান এবং বিছট কেন্দ্রের শান্তি রঞ্জন দাশ নিজ নিজ কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কক্ষ পরিদর্শকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।

গাবুরায় পারিবারিক আয় বাড়াতে গরু পালনের প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
গাবুরায় পারিবারিক আয় বাড়াতে গরু পালনের প্রশিক্ষণ

উপকূলীয় দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গরু পালন বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে গাইনবাড়ী সাইক্লোন শেল্টারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেইথ ইন অ্যাকশন’ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
কানাডিয়ান দাতা সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড রিনিউ’-এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত ‘জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি প্রকল্প’-এর আওতায় এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। গাবুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ২৫ জন নারী ও পুরুষ এই কর্মশালায় অংশ নেন। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মিল্টন বাড়ৈ, প্রজেক্ট অফিসার পরিতোষ কুমার বৈদ্য, মিল অফিসার প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস এবং কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর রব কুমার দাসসহ সংস্থার অন্যান্য কর্মীরা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

লাইসেন্স প্রদান ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে খুলনায় অটোরিকশা চালকদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
লাইসেন্স প্রদান ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে খুলনায় অটোরিকশা চালকদের মানববন্ধন

সংবাদদাতা: খুলনা মহানগরীতে চলাচলকারী অটোরিকশা বা মিশুকের লাইসেন্স প্রদান এবং ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন চালকরা। সোমবার সকালে নগরীর শিববাড়ী মোড়ে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন শেষে চালকরা খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক, জেলা প্রশাসক ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চালকরা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে তাঁরা এই পেশায় থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাফিক পুলিশ ও কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁরা অযৌক্তিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অজুহাতে প্রায়ই তাঁদের অটোরিকশা আটক করা হচ্ছে এবং মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হচ্ছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, “একটি কাগজ না থাকলে ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হচ্ছে, যা আমাদের এক দিনের আয়ের চেয়েও বেশি। এতে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।”

চালকদের প্রধান দাবিগুলো হলোÑ নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে আইনগতভাবে অটোরিকশা বা মিশুক চলাচলের সুযোগ দেওয়া। চালকদের জন্য বৈধ লাইসেন্স ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা। ট্রাফিক পুলিশের অযথা হয়রানি বন্ধ এবং মাঠপর্যায়ে পুলিশের আচরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অটোরিকশা চালক ইসমাঈল হোসেন, নাজমুল হক মনি, মো. শামিম হোসেন, মো. জুয়েল, রবিউল ইসলাম, আল মামুন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, নগরীতে যানজট নিরসন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত, তবে এর বিনিময়ে তাঁদের ন্যায্য অধিকার ও হয়রানিহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস না পেলে ভবিষ্যতে আরও বড় কর্মসূচির ডাক দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন চালকরা।