রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রাক্তন প্রেমিকার সাথে ফোনালাপের পর তরুনের আত্মহত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
প্রাক্তন প্রেমিকার সাথে ফোনালাপের পর তরুনের আত্মহত্যা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সৈকত মুখার্জী (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্র গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার রাতের খাবার খেয়ে নিজের শয়ণকক্ষে ঢোকার পর শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে। শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সৈকত উপজেলার বংশীপুর গ্রামের অদিত্য মুখার্জীর ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহতের পিতা অদিত্য মুখার্জীর ভাষ্য কয়েকদিন পুর্বে পারিবারিক সিদ্ধান্তে তিনি বোনের মেয়ের সাথে একমাত্র ছেলের বিয়ে ঠিক করেছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় হবু বধুকে নিয়ে বাজার-সদয় শেষে তাকে (হবু বধু) বাড়িতে পৌছে দিয়ে আসে সৈকত। একপর্যায়ে রাতের খাবার খেয়ে নিজের শয়নকক্ষে গুমাতে যেয়ে সহপাঠী সীমা বৈরাগীর সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে শনিবার সকালে সীমা তাদেরকে মোবাইলে কল দিয়ে সৈকতের খোঁজ-খবর নিতে বললে তারা ঘরের দরজা ভেঙে ফ্যানের সাথে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে চিকিৎসকের কাছে নিলেও তাকে মৃত ঘোষনা করা হয়।

সৈকতের পিতার দাবি সীমার সাথে তার ছেলের প্রেম ছিল। প্রায় পাঁচ মাস আগে সীমাকে পরিবারের সদস্যরা অন্যত্র বিয়ে দেয়। সম্প্রতি সৈকতকে বিয়ে দেয়ার দিনক্ষন নির্ধারিত হওয়ার কারনে সীমা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। যে কারনে শুক্রবার কেনাকাটার পর হবুবধুকে বাড়িতে পৌছে দেয়ার খবর জানতে পেরে সীমা মোবাইল করে তার ছেলের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করায় সে আত্মহত্যা করেছে। মৃতদেহ ময়না তদন্ত না করার দাবি অগ্রাহ্য হওয়ায় এখন তিনি এঘটনায় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

সীমা কিংবা তার পিতার নম্বরে বার বার যোগাযোর চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান জানান সৈকতের মৃত্যুর ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ইউডি মামলা হয়েছে। মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবার মামলা করতে চাইলে ৩০৬ ধারায় মামলা রুজু হবে।

 

 

 

 

 

Ads small one

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ১০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ১০

অনলাইন ডেস্ক:  সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

 

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান।

 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ ভোর ৫টার দিকে সীমান্তে দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশ সীমান্তের অভ্যন্তরে অবৈধ অনুপ্রবেশ করার সময় ১০ জনকে আটক করে বিজিবির বারাদি ক্যাম্পের সদস্যরা। আটককৃতদের মধ্যে ২ জন পুরুষ, ৩ জন মহিলা ও ৫ জন শিশু রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, আটককৃত ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলমান রয়েছে। প্রাথমিক আইনানুগ কার্যক্রম শেষে তাদের দর্শনা থানায় সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলাও হবে।

 

তিনি আরও জানান, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পারাপার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

রহস্যময় অন্ধকার কোঠা ও গুপ্তধনের লোককথা ঘিরে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
রহস্যময় অন্ধকার কোঠা ও গুপ্তধনের লোককথা ঘিরে চাঞ্চল্য
জুলফিকার আলী
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এক ঐতিহাসিক জনপদ সোনাবাড়িয়া। প্রায় দুই শত বছর আগের গোটা সোনাবাড়িয়াজুড়ে আজও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে জমিদার শাসনের নানা প্রাচীন নিদর্শন। আর এই ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় ধারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ‘সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দির’। প্রায় ৬০ ফুট উঁচু, টেরাকোটা ফলক খচিত এই শ্যামসুন্দর মন্দিরটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে টিকে আছে। তবে যথাযথ সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহ্যবাহী এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি এখন চরম জরাজীর্ণ। দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নিলে এর অবশিষ্ট অংশটুকুও চিরতরে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
​পুকুরের ‘টাকার মেঠে’ ও সুরঙ্গ রহস্য
​এই মঠ মন্দিরকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে কিছু রোমাঞ্চকর ও গা ছমছমে রহস্য। এলাকার প্রবীণদের দাবি, মন্দিরের সামনের বিশাল পুকুরটিতে একটি লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা ‘টাকার মেঠে’ বা জালা (গুপ্তধনের পাত্র) ছিল। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার রাতে ওই মেঠে থেকে টাকাগুলো বের হয়ে পুকুরের পানিতে কিলবিল করে ভাসতো, যা তৎকালীন সময়ে অনেকেই নিজ চোখে দেখেছেন। এ ছাড়াও লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে, পুকুরের মাঝ বরাবর একটি গোপন সুরঙ্গ পথ ছিল, যা দিয়ে সরাসরি মঠ মন্দিরের ভেতরে যাতায়াত করা যেত।
​আশ্চর্য অন্ধকার কোঠা ও স্বয়ংক্রিয় কষ্টিপাথর
​মন্দিরের ভেতরে রয়েছে এক রহস্যময় কক্ষ, যা স্থানীয়দের কাছে ‘অন্ধকারা কোঠা’ নামে পরিচিত। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, একসাথে ১০টি টর্চ লাইট জ্বালালেও সেই কোঠার ভেতরের অন্ধকার দূর করা যেত না; আলোর তীব্রতা ভেদ করে সেখানে শুধু ঘুটঘুটে অন্ধকারই দেখা যেত। তবে ওই কোঠার ভেতরে আসলে কী ছিল, তা আজও এক রহস্য।
​প্রবীণরা জানান, ওই কোঠার মধ্যে একটি অলৌকিক কষ্টিপাথর ছিল, যা প্রতি শনি ও মঙ্গলবারে আপনা-আপনি ঘুরতো। আর এই অলৌকিক দৃশ্য দেখতে ও পূজা করতে তখন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভিড় জমাতেন। ধারণা করা হয়, কোনো কারণে ওই কোঠার পবিত্রতা নষ্ট হওয়ায় অলৌকিক কষ্টিপাথরটি শিকল কেটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুকুরে পড়ে যায়। বর্তমানে সেই শিকলের মাত্র দুটি আংটা বা কড়া মন্দিরের কোঠায় ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় অনেকেরই বিশ্বাস, সেই ‘টাকার মেঠে’ বা গুপ্তধনের পাত্রটি আজও পুকুরের তলদেশে লুকিয়ে আছে।
​ইতিহাস ও অলৌকিক জনশ্রুতি
​বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্র থেকে জানা যায়, বাংলা ১২০৮ সালে রানী রাশমনি এই মঠ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে এই মঠ মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে রয়েছে নানা রোমাঞ্চকর অলৌকিক জনশ্রুতি। প্রচলিত আছে, সোনাবাড়িয়ার এক বেলগাছ তলায় রাতের আঁধারে মাটি ফুঁড়ে একাধিক শিব মূর্তি বের হয়েছিল। পরবর্তীতে রানী রাশমনি স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে স্নানের সময় নদী থেকে একটি ভাসমান পাথরের শিবমূর্তি উদ্ধার করেন এবং এই অলৌকিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতেই তিনি এই মঠ মন্দিরটি নির্মাণ করেন।
​স্থাপত্যশৈলী ও কাঠামোগত সৌন্দর্য
​আম, কাঁঠাল, নারকেল, মেহগনি, সেগুন ও দেবদারু গাছের বাগান দিয়ে ঘেরা প্রায় ১৫ একর জমির ওপর অবস্থিত এই মন্দির প্রাঙ্গণ। মূল মন্দিরটির দৈর্ঘ্য ২০ ফুট এবং প্রস্থ ১৫ ফুট। বিশালাকৃতির এই মঠ মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছে ছোট ছোট পাতলা ইট ও চুন-সুরকি দিয়ে। এর দেয়ালজুড়ে রয়েছে নজরকাড়া টেরাকোটা ফলকের কারুকাজ।
​মন্দিরের সামনে রয়েছে একটি বিশাল পুকুর। পুকুরের পাশ দিয়ে ভেতরে ঢোকার জন্য ছিল একটি বড় তোরণ, যার ওপর নির্মিত হয়েছিল নহবতখানা। মন্দিরের পূর্ব পাশ দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ১২টি ঘরে একসময় ১২টি শিবলিঙ্গ ছিল। এ ছাড়াও মূল মঠ মন্দিরের দোতলায় ঝুলন্ত দোলনায় থাকত সোনার তৈরি রাধাকৃষ্ণের মূর্তি।
​বৌদ্ধ ধর্মের সংযোগ ও ভিন্নমত
​মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে এলাকার প্রবীণদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও চমৎকার একটি তথ্য পাওয়া যায়। অনেকের মতে, প্রাচীনকালে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে গৌতম বুদ্ধের অনুসারীরা এখানে প্রথম একটি মঠ বা উপাসনালয় তৈরি করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার ও প্রসারে সুবিধা করতে না পেরে তারা সোনাবাড়িয়া ত্যাগ করেন। এরপর মঠটি বেশ কিছুকাল পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। বহু বছর পর সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই পরিত্যক্ত কাঠামোটি পুনরায় নির্মাণ ও সংস্কার করে এটিকে মন্দিরে রূপান্তরিত করেন।
​বর্তমান দশা ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা
​কালের বিবর্তনে এবং যথাযথ যত্নের অভাবে হারিয়ে গেছে মন্দিরের সেই জৌলুস। চুরি হয়ে গেছে মূল্যবান কষ্টিপাথর ও সোনার মূর্তি। ধসে পড়েছে নহবতখানাসহ অনেক কক্ষ। বর্তমানে দেয়ালের টেরাকোটা খসে পড়ছে এবং পুরো ভবনটিই চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
​এলাকাবাসী ও ইতিহাস সচেতন মহলের দাবি, দক্ষিণবঙ্গের এই অনন্য প্রাচীন স্থাপত্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এই ঐতিহাসিক মঠ মন্দিরটি রক্ষার্থে ও এর রহস্য উদ্ঘাটনে অতি দ্রুত সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনই সংস্কার করা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সোনাবাড়িয়ার এই গৌরবময় ইতিহাস কেবলই রূপকথা হয়ে থাকবে।

৭ দিনের ঈদের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ, কাল থেকে খুলবে অফিস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
৭ দিনের ঈদের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ, কাল থেকে খুলবে অফিস

অনলাইন ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি শেষ হচ্ছে আজ রোববার (৩১ মে)। দীর্ঘ বিরতির পর সোমবার (১ জুন) থেকে খুলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের পুঁজিবাজার।

 

এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন। দীর্ঘ ছুটি শেষে সোমবার থেকে কর্মস্থলে ফিরবেন চাকরিজীবীরা।

ঈদের ছুটি শেষে দেশের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস, ব্যাংক-বিমা কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারবাজারে নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হবে। ঈদের আগে সীমিত পরিসরে কিছু ব্যাংক শাখা খোলা থাকলেও সোমবার থেকে দেশের সব ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন চলবে। একইসঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও নিয়মিত লেনদেন শুরু হবে।

 

অন্যদিকে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের ফিরতি যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার ও রোববার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সড়ক, রেল ও নৌপথে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। ফলে রাজধানীর সড়কগুলোতেও ধীরে ধীরে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে।

তবে প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিসপাড়ায় কর্মব্যস্ততা তুলনামূলক কম থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। অনেক কর্মী সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সময় কাটান এবং অনেক প্রতিষ্ঠানও প্রথম দিন সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

 

ঈদের ছুটির পর ব্যাংকগুলোতে প্রথম কর্মদিবসে সাধারণত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লেনদেনের চাপ কম থাকে। তবে ছুটির পর জমে থাকা বিভিন্ন আর্থিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সপ্তাহজুড়ে ব্যস্ততা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।