বছরের দশ মাসে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা তুলা আমদানি কমেছে ৬৯৭ টন
পত্রদূত ডেস্ক: চলতি অর্থবছরের গত ১০ মাসে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা তুলা আমদানি কমেছে ৬৯৭ টন।
গার্মেন্টস ও টেক্সটাইলে চাহিদা না থাকায় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা তুলা আমদানি কমে গেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের তুলনায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্যটির আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, দেশীয় গার্মেন্টস ও সুতা উৎপাদনকারী টেক্সটাইল মিলগুলোতে চাহিদা কমায় আমদানি কমে গেছে।
ভোমরা কাস্টম হাউজের রাজস্ব শাখার তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা তুলা আমদানি হয়েছে ১ হাজার ১১৩ টন। এর আমদানি মূল্য ছিলো ৬৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ১ হাজার ৮১০ টন তুলা আমদানি হয়েছে। যার আমদানি মূল্য ৯৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা ছিল। এ হিসাব অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের গত ১০ মাসে এ বন্দর দিয়ে কাঁচা তুলা আমদানি কমেছে ৬৯৭ টন।
বন্দরের তুলা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুন্দরবন এজেন্সির স্বত্তাধিকারী পরিতোষ কুমার জানান, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে তার প্রতিষ্ঠানে তুলা আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। দেশীয় সুতা উৎপাদনকারী টেক্সটাইল মিল ও গার্মেন্টসগুলোতে চাহিদা না থাকায় তুলা আমদানি কমে গেছে।
তিনি আরো জানান, ভারতেও তুলার দাম কমেছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে ভারতে তুলার দাম কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। ভারতে যে কাঁচা তুলা প্রতি পাউন্ড বিক্রি হয়েছিল ১১৪ টাকা দরে, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি পাউন্ড তুলায় ১৯-২০ টাকা দাম কমেছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ জানান, আমাদের দেশে মোট চাহিদার সিংহভাগ তুলা দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা হয়। তবে সম্প্রতি দেশীয় সুতা উৎপাদনকারী মিলগুলোতে চাহিদা কমায় ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে পণ্যটির।






