সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক: সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন।

 

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

প্রবীণ এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

Ads small one

সম্পাদকীয়: সুন্দরবনের তিন মাসের বিশ্রাম ও উপকূলের প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়: সুন্দরবনের তিন মাসের বিশ্রাম ও উপকূলের প্রস্তুতি

পহেলা জুন থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত টানা তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বনবিভাগ। এই সময়ে বনের ভেতর মাছ ও কাঁকড়া শিকার, মধু আহরণ যেমন বন্ধ থাকবে, তেমনি বন্ধ থাকবে সব ধরনের পর্যটনও। মূলত জুন থেকে আগস্টÑএই তিন মাস সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও মৎস্য সম্পদের প্রজনন মৌসুম। প্রকৃতির নিয়মেই এই সময়ে নিভৃত পরিবেশ প্রয়োজন। তাই সুন্দরবনকে মানুষের আগ্রাসন থেকে সাময়িক মুক্তি দিয়ে যে ‘বিশ্রাম’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয়।

সুন্দরবন কেবল আমাদের অহংকার নয়, এটি উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা সিডর-আইলার মতো প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে এই বন বুক চিতিয়ে লাখো মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করে। কিন্তু বছরের বাকিটা সময় এই বনের ওপর মানুষের যে চাপ থাকে, তা এককথায় নির্মম। তথ্যমতে, বছরে শুধু বৈধভাবেই লাখাধিকবার বনজীবীরা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন, যার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে হাজার হাজার পর্যটকের আনাগোনা। মানুষের এই অতি-উপস্থিতি, কোলাহল এবং যান্ত্রিক নৌযানের শব্দ বনের ভেতরের প্রাণীদের স্বাভাবিক প্রজনন ও বিচরণকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করে। এই প্রেক্ষাপটে, বছরের নির্দিষ্ট একটা সময়ে বনের দরজা বন্ধ রাখা প্রকৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য অপরিহার্য।

তবে এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের মুদ্রার ওপিঠে রয়েছে একটি মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকট। সুন্দরবনের ওপর সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৩০ হাজার বনজীবী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। এই তিন মাস মাছ, কাঁকড়া বা মধু সংগ্রহ বন্ধ থাকায় এই বিশাল জনগোষ্ঠী হুট করেই পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়বে। অভাবের তাড়নায় এই সময়ে পরিবারগুলো যাতে মহাজনদের চড়া সুদের ঋণের ফাঁদে না পড়ে, কিংবা জীবিকার তাগিদে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বনে অনুপ্রবেশ না করে-সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।

সরকারের পক্ষ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নিবন্ধিত জেলে ও বনজীবীদের জন্য যে খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ চাল) দেওয়া হয়, তা যেন প্রকৃত ভুক্তভোগীদের কাছে সময়মতো এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু চাল দেওয়াই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি এই তিন মাস তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের কোনো সুযোগ তৈরি করা যায় কি না, তাও ভেবে দেখা দরকার।

পরিশেষে বলা যায়, সুন্দরবন বাঁচলে বাঁচবে উপকূল, আর উপকূল বাঁচলে বাঁচবে বাংলাদেশ। সুন্দরবনকে সাময়িক বিশ্রাম দেওয়ার এই উদ্যোগ তখনই শতভাগ সফল হবে, যখন বনের সুরক্ষার পাশাপাশি এর ওপর নির্ভরশীল মানুষগুলোর পেটের ভাত নিশ্চিত করা যাবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মানবিক সংকটের টেকসই সমাধানÑএই দুইয়ের সমন্বয়েই সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য আবার তার আপন রূপ ফিরে পাক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

 

 

 

ভাই-বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
ভাই-বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের দাবি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আপন ভাই-বোনের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ আনার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে আদালতের আবেদনের বিবরণের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (পিটিশন নং- ১৮৯৯/২০২৬) শহরের পল্লীমঙ্গল ভোকেশনাল স্কুলের শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় একটি আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নালিশী সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দ্বিতীয় পক্ষ (তার ভাই-বোন) জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করছে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সম্প্রতি প্রতিপক্ষ তার বসতঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে, যার ফলে ঘরটি বসবাসের অনুপযোগীহয়ে পড়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঘর সংস্কারের অনুমতি চেয়ে তিনি আদালতের কাছে জরুরি আবেদন জানান।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত বোন আরুফা সুলতানা বলেন, “ভাঙচুরের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার ছোট ভাই একটি দোতলা বাড়িতে সপরিবারে শান্তিতে বসবাস করছে।

 

আমাদেরকে আইনিভাবে হেনস্তা ও ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে সে এই মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে এই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তবে আদালতে ভাঙচুরের যে দাবি করা হয়েছে, তার কোনো অস্তিত্ব বাস্তবে নেই। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

 

 

 

 

 

কলারোয়ায় জমি বিরোধে যুবককে আটকে মারধরের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় জমি বিরোধে যুবককে আটকে মারধরের অভিযোগ

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের গাইঘাটা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক যুবককে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গত ৩১ মে দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবকের নাম কামরুজ্জামান বাবু। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোছা. তানিয়া সুলতানা বাদী হয়ে ৪ থেকে ৫জনকে অভিযুক্ত করে কলারোয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আহত কামরুজ্জামান বাবু বলেন, “প্রতিপক্ষের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে কলারোয়া থানা ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে আগে থেকেই লিখিত অভিযোগ দেওয়া ছিল। সেই অভিযোগের জের ও পূর্ব শত্রুতার কারণেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।

যোগাযোগ করা হলে কলারোয়া থানা-পুলিশ জানায়, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।