রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

বিজয়ের চমক, নেপথ্যে যত হিসাব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
বিজয়ের চমক, নেপথ্যে যত হিসাব

বিনোদন ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে শুধু চমকপ্রদ ফলই দেয়নি, বরং বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনও এনে দিয়েছে। বহু বছর ধরে রাজ্যটিতে যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল, সেটি এবার নড়বড়ে হয়ে গেছে। চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) নির্বাচনে এককভাবে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রশ্ন হলো- বিজয় কীভাবে এত অল্প সময়ে বিজয় ছিনিয়ে নিলেন? এ বিষয়ে উঠে এসেছে নানা বিষয়-
দুই দ্রাবিড় দলের প্রতি অনাস্থা:
কয়েক দশক পর তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো দুই প্রধান দ্রাবিড় দল—দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (ডিএমকে) ও অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে) শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতাই নয়, বরং এক ধরনের নীরব প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েছে। নির্বাচনী প্রচারণা চলার সময় এ পরিবর্তনের আভাস তেমন একটা পাওয়া যায়নি। বড় ধরনের সরকারবিরোধী ঢেউও দেখা যায়নি; বরং বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে শহরাঞ্চলের ভোটারদের আচরণের মধ্য দিয়ে তা প্রকাশ পেয়েছে।

কিছু ভোটারের কাছে ডিএমকে অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক দল। তারা শাসনব্যবস্থা পরিচালনার পাশাপাশি ক্ষমতাকে আরও সংহত করেছে। অন্যদিকে নেত্রী জয়ললিতার মৃত্যুর পর এআইএডিএমকে এখনো নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে পারেনি বলে অনেকে মনে করেন। এ নির্বাচনে ভোটাররা দ্রাবিড় রাজনীতিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেননি। তবে তারা দ্রাবিড় রাজনীতির বর্তমান নেতৃত্বের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। আর এই অসন্তোষের জায়গাটিই অনেক ক্ষেত্রে বিজয়কে সুবিধা দিয়েছে।

নতুন মুখের সন্ধান:
এবার ভোটারদের পছন্দের দল বেছে নেয়ার প্রবণতার দিক থেকে এবারের নির্বাচনটি ভিন্ন ছিল। এবার মানুষ শুধু পরিবর্তনের ইচ্ছাই প্রকাশ করেনি, বরং সে পরিবর্তনের ওপর একধরনের আস্থা রেখেই ভোট দিয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে বিজয় এক ব্যতিক্রমী মুখ হিসেবে উঠে আসেন। অভিনয়জগৎ থেকে রাজনীতিতে আসা বিজয় জাতি, শ্রেণি ও আঞ্চলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে গিয়ে এক ধরনের ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠতে পেরেছেন। সমাজের বিভিন্ন স্তর ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রথমবারের মতো ভোটার হওয়া তরুণ, নারী ভোটারের একটি অংশ, শহরের ভাসমান ভোটার, এমনকি কিছু প্রবীণ ভোটারও তাকে সমর্থন দিয়েছেন।

চেন্নাইয়ে বড় পরিবর্তন:
এবার বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতিচ্ছবি দেখতে চাইলে চেন্নাইয়ের দিকে তাকাতে হবে। দীর্ঘদিন তামিলনাড়ু রাজ্যের এই রাজধানী শহরটির রাজনীতিতে সীমিত পরিবর্তন দেখা গেছে। কখনো কখনো রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালেও কোনো বড় রাজনৈতিক শক্তির পুরোপুরি পতনের ঘটনা খুব একটা দেখা যায়নি। ২০২১ সালে দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম চেন্নাইয়ের ১৬টি আসনের সব কটিই জিতে নিয়ে আবারও শহরটিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছিল।

এবার পরিস্থিতি বদলে গেছে। সেই দুর্গ এখন ভেঙে পড়েছে। টিভিকে চেন্নাইয়ের অধিকাংশ আসনে বড় সাফল্য পেয়ে শহরের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দিয়েছে। আর চেপাউক ও হারবারের মতো হাতে গোনা কয়েকটি আসনে জয়ের মধ্য দিয়ে ডিএমকেকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

ভোট বনাম ক্ষমতা:
বিজয়ের উত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নকে সামনে এনেছে। সেটি হলো, আবেগের জায়গা থেকে মানুষকে এক করার মধ্য দিয়ে পাওয়া শাসনক্ষমতা কতটা টেকসই হবে? বিভিন্ন অঞ্চলে টিভিকের সমর্থন ছড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে বিজয়ের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তামিলনাড়ুর ইতিহাস বলছে, নির্বাচনে জিততে হলে অনেক দিনের গড়ে ওঠা শক্ত সাংগঠনিক কাঠামো এবং পরিকল্পিতভাবে ভোট নিজেদের পক্ষে আনার ক্ষমতা দরকার। তামিলনাড়ু রাজ্যে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে তেমন সক্ষমতা তৈরি করেছিল। তবে এবারের নির্বাচনে টিভিকের সাফল্য নতুন এক রাজনৈতিক মডেলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তা হলো, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা জনসমর্থনও বড় ফল এনে দিতে পারে।

ব্যবস্থা পুনর্গঠন:
তামিলনাড়ু তার অতীত রাজনৈতিক ধারাকে পুরোপুরি ত্যাগ করেনি; বরং এই নির্বাচন সেটিকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করেছে। একসময় চলচ্চিত্র, আবেগ ও জনসংযোগের মতো যে বিষয়গুলো দ্রাবিড় রাজনীতির আধিপত্য গড়ে তুলেছিল, সেগুলোকেই এখন নতুন এক রাজনৈতিক শক্তি আবারও ব্যবহার করছে। তবে পার্থক্য হলো, বিজয় সেই উপাদানগুলো ব্যবহার করলেও মতাদর্শগত ও সাংগঠনিক ভিত্তিটা তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাননি।

Ads small one

পাটকেলঘাটায় সরকারি জমি দখল করে ঘর নির্মাণ: উচ্ছেদ ও জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় সরকারি জমি দখল করে ঘর নির্মাণ: উচ্ছেদ ও জরিমানা

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা বাণিজ্যিক কেন্দ্রে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা একটি স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১০ মে) বিকেলে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে সরকারি আদেশ অমান্য করায় অভিযুক্তকে জরিমানাও করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তালা উপজেলার সরুলিয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী মৌজার ১৪৯ দাগের ‘ক’ তপশিলভুক্ত সরকারি জমিতে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ করছিলেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা অমান্য করে নির্মাণকাজ চালিয়ে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরেজমিন পরিদর্শন করে অবৈধ নির্মাণের প্রমাণ পান।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন তালা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাহাত খান। পরিদর্শনকালে দেখা যায়, মাত্র এক শতক সরকারি জমি দখল করে স্থায়ী স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি আদেশ অমান্য করার দায়ে দ-বিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় নির্মাণাধীন স্থাপনাটি উচ্ছেদ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে পাটকেলঘাটা থানা-পুলিশের একটি দল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা প্রদান করে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাহাত খান সাংবাদিকদের জানান, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে জমি উদ্ধারে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জনস্বার্থে কোনো অবৈধ দখলদারকে ছাড় দেওয়া হবে না।

কেশবপুরে জাল সনদ বিক্রির আস্তানা ‘পিটিএফ’ সিলগালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জাল সনদ বিক্রির আস্তানা ‘পিটিএফ’ সিলগালা

এমএ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জাল ডাক্তারি সনদ বিক্রি করে আসছিল ‘প্যারামেডিকেল অ্যান্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন’ (পিটিএফ) নামের একটি প্রতিষ্ঠান। গতকাল রোববার (১০ মে) দুপুরে যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা অভিযান চালিয়ে ভুয়া এই প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দিয়েছেন।
এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রেকসোনা খাতুন এই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছিলেন। সে সময় জালিয়াতির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার এ কে আজাদ ওরফে ইকতিয়ারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে লোকচক্ষুর অন্তরালে চক্রটি তাদের জাল সনদ বিক্রির বাণিজ্য অব্যাহত রাখে।
২০১৬ সালে খুলনার যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (জয়েন্ট স্টক) থেকে নিবন্ধন নিয়ে কেশবপুর শহরের মাইকেল মোড়ে একটি ভাড়া বাসায় পিটিএফের ‘কেন্দ্রীয় হেড অফিস’ খোলেন আবুল কালাম আজাদ। এরপর ডিএমএফ, প্যাথলজি, আল্ট্রাসোনোগ্রাফিসহ ৫৬টি ট্রেডে সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে ট্রেনিং সেন্টার শুরু করেন। আকর্ষণীয় লিফলেটের প্রলোভনে পড়ে বেকার যুবকরা এখানে আসতেন এবং কোর্সভেদে ৩৫ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া ডাক্তারি সনদ হাতিয়ে নিতেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিষয়ক যেকোনো ট্রেনিং বা সনদ প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ কে আজাদ জয়েন্ট স্টকের একটি সাধারণ নিবন্ধনকে পুঁজি করে গত ১১ বছর ধরে অবৈধভাবে এই ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। সরকারি তদারকি না থাকায় জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা বলেন, “পিটিএফ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভুয়া সনদ বিক্রি করছেÑএমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তারা বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”

আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খরিয়াটি গ্রামে স্বামীর গচ্ছিত টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে এক গৃহবধূর পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খরিয়াটি হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম মাওলানা আব্দুস সবুর সরদার এই ঘটনায় খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন ও নিজের স্ত্রী রেশমা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে আব্দুস সবুরের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় আব্দুস সবুর বাড়িতে না থাকার সুযোগে রেশমা খাতুন দুই সন্তানকে ফেলে খোকনের সঙ্গে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় তিনি মাদ্রাসার সঞ্চয় তহবিলের নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা এবং ৩ ভরি ২ আনা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছেন বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী আব্দুস সবুর জানান, রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংগৃহীত মাদ্রাসার টাকা ব্যাংক ছুটি থাকায় তিনি বাড়িতে রেখেছিলেন। স্ত্রী ও অর্থসম্পদ হারিয়ে এখন তিনি নিঃস্ব। মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে এবং শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা ছেড়ে চলে গেছে। এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানকে নিয়ে তিনি এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

আদালতে সিআর ১৫৯/২৬ (আশাশুনি) নং মামলা দায়ের করার পর আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী ০৮ নং আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে বাদী ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।