শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

বিজয়ের চমক, নেপথ্যে যত হিসাব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
বিজয়ের চমক, নেপথ্যে যত হিসাব

বিনোদন ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে শুধু চমকপ্রদ ফলই দেয়নি, বরং বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনও এনে দিয়েছে। বহু বছর ধরে রাজ্যটিতে যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল, সেটি এবার নড়বড়ে হয়ে গেছে। চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) নির্বাচনে এককভাবে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রশ্ন হলো- বিজয় কীভাবে এত অল্প সময়ে বিজয় ছিনিয়ে নিলেন? এ বিষয়ে উঠে এসেছে নানা বিষয়-
দুই দ্রাবিড় দলের প্রতি অনাস্থা:
কয়েক দশক পর তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো দুই প্রধান দ্রাবিড় দল—দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (ডিএমকে) ও অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে) শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতাই নয়, বরং এক ধরনের নীরব প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েছে। নির্বাচনী প্রচারণা চলার সময় এ পরিবর্তনের আভাস তেমন একটা পাওয়া যায়নি। বড় ধরনের সরকারবিরোধী ঢেউও দেখা যায়নি; বরং বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে শহরাঞ্চলের ভোটারদের আচরণের মধ্য দিয়ে তা প্রকাশ পেয়েছে।

কিছু ভোটারের কাছে ডিএমকে অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক দল। তারা শাসনব্যবস্থা পরিচালনার পাশাপাশি ক্ষমতাকে আরও সংহত করেছে। অন্যদিকে নেত্রী জয়ললিতার মৃত্যুর পর এআইএডিএমকে এখনো নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে পারেনি বলে অনেকে মনে করেন। এ নির্বাচনে ভোটাররা দ্রাবিড় রাজনীতিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেননি। তবে তারা দ্রাবিড় রাজনীতির বর্তমান নেতৃত্বের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। আর এই অসন্তোষের জায়গাটিই অনেক ক্ষেত্রে বিজয়কে সুবিধা দিয়েছে।

নতুন মুখের সন্ধান:
এবার ভোটারদের পছন্দের দল বেছে নেয়ার প্রবণতার দিক থেকে এবারের নির্বাচনটি ভিন্ন ছিল। এবার মানুষ শুধু পরিবর্তনের ইচ্ছাই প্রকাশ করেনি, বরং সে পরিবর্তনের ওপর একধরনের আস্থা রেখেই ভোট দিয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে বিজয় এক ব্যতিক্রমী মুখ হিসেবে উঠে আসেন। অভিনয়জগৎ থেকে রাজনীতিতে আসা বিজয় জাতি, শ্রেণি ও আঞ্চলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে গিয়ে এক ধরনের ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠতে পেরেছেন। সমাজের বিভিন্ন স্তর ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রথমবারের মতো ভোটার হওয়া তরুণ, নারী ভোটারের একটি অংশ, শহরের ভাসমান ভোটার, এমনকি কিছু প্রবীণ ভোটারও তাকে সমর্থন দিয়েছেন।

চেন্নাইয়ে বড় পরিবর্তন:
এবার বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতিচ্ছবি দেখতে চাইলে চেন্নাইয়ের দিকে তাকাতে হবে। দীর্ঘদিন তামিলনাড়ু রাজ্যের এই রাজধানী শহরটির রাজনীতিতে সীমিত পরিবর্তন দেখা গেছে। কখনো কখনো রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালেও কোনো বড় রাজনৈতিক শক্তির পুরোপুরি পতনের ঘটনা খুব একটা দেখা যায়নি। ২০২১ সালে দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম চেন্নাইয়ের ১৬টি আসনের সব কটিই জিতে নিয়ে আবারও শহরটিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছিল।

এবার পরিস্থিতি বদলে গেছে। সেই দুর্গ এখন ভেঙে পড়েছে। টিভিকে চেন্নাইয়ের অধিকাংশ আসনে বড় সাফল্য পেয়ে শহরের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দিয়েছে। আর চেপাউক ও হারবারের মতো হাতে গোনা কয়েকটি আসনে জয়ের মধ্য দিয়ে ডিএমকেকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

ভোট বনাম ক্ষমতা:
বিজয়ের উত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নকে সামনে এনেছে। সেটি হলো, আবেগের জায়গা থেকে মানুষকে এক করার মধ্য দিয়ে পাওয়া শাসনক্ষমতা কতটা টেকসই হবে? বিভিন্ন অঞ্চলে টিভিকের সমর্থন ছড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে বিজয়ের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তামিলনাড়ুর ইতিহাস বলছে, নির্বাচনে জিততে হলে অনেক দিনের গড়ে ওঠা শক্ত সাংগঠনিক কাঠামো এবং পরিকল্পিতভাবে ভোট নিজেদের পক্ষে আনার ক্ষমতা দরকার। তামিলনাড়ু রাজ্যে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে তেমন সক্ষমতা তৈরি করেছিল। তবে এবারের নির্বাচনে টিভিকের সাফল্য নতুন এক রাজনৈতিক মডেলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তা হলো, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা জনসমর্থনও বড় ফল এনে দিতে পারে।

ব্যবস্থা পুনর্গঠন:
তামিলনাড়ু তার অতীত রাজনৈতিক ধারাকে পুরোপুরি ত্যাগ করেনি; বরং এই নির্বাচন সেটিকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করেছে। একসময় চলচ্চিত্র, আবেগ ও জনসংযোগের মতো যে বিষয়গুলো দ্রাবিড় রাজনীতির আধিপত্য গড়ে তুলেছিল, সেগুলোকেই এখন নতুন এক রাজনৈতিক শক্তি আবারও ব্যবহার করছে। তবে পার্থক্য হলো, বিজয় সেই উপাদানগুলো ব্যবহার করলেও মতাদর্শগত ও সাংগঠনিক ভিত্তিটা তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাননি।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদকসহ ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদকসহ ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শুক্রবার (০৮ মে ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা, হিজলদী ও তলুইগাছা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় উইন কোরেক্স কফ সিরাপ, ঔষধ, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও শাড়ি আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, মাদরা বিওপির পৃথক দুইটি বিশেষ আভিযানে কলারোয়া থানার উত্তর ভাদিয়ালী ও রাজপুর হতে ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার হিজলদী বুজতলা ডারকি রোড হতে ৪০ হাজার ৮০০ টাকার ১০২ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স কফ সিরাপ আটক করে।

এছাড়াও, তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৩০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ লাখ ৩০ হাজার ৮০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কন্টিকারি ভেষজগুল্ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
কন্টিকারি ভেষজগুল্ম

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): কন্টিকারি কন্টকময় গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বাড়ির পরিত্যক্ত অংশ বা অব্যবহৃত কোণে ধীরে ধীরে গজিয়ে ওঠা অসংখ্য ছোটখাটো লতাগুল্মগুলোকে আমরা বাজে উদ্ভিদ বলে কেটে উজাড় করে ফেলি। তেমনি একটি ভেষজগুল্ম কন্টিকারি। তাকে অবশ্য একটি নামে চেনার উপায় নেই।

 

নিসর্গবিদরা বহু নামে নামকরণ করেছেন এ গুল্মটিকে। কন্টালিকা, কন্টকিনী, কণ্টকারী, ধাবনী, ক্ষুদ্রা, দুষ্প্রধার্ষিণী প্রভৃতি নামে ডাকা হয় তাকে।

তবে কন্টিকারী নামটি বিভিন্ন ভাষায় ভিন্ন নামে বহুল পরিচিত: বাংলায় কন্টিকারী কাটাবেগুন, হিন্দিতে বলে কটেরী, মারাঠীতে বিঙ্গনী, ওড়িয়ায় কন্টমারিষ, তেলেগুতে বেরটিমুলঙ্গ, সংস্কৃতে ব্যাঘী।

কন্টিকারী ডালপালা, কান্ড এবং পাতাসহ কন্টকময়। গুলাজাতীয় উদ্ভিদ গাছের মতো মাটিতে ছড়িয়ে থাকে। ডাটা ৪ ফুট পর্যন্ত লম্বা এবং পর্যন্ত চওড়া ৩ ইঞ্চি হয় কিছুটা ডিম্বাকৃতি দেখায়। পাতার স্থানে স্থানে অস্পষ্ট লোমযুক্ত থাকে পুরো গাছে খাড়াভাবে ধারালো কাটা থাকে এবং আধা ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। পুষ্পদও শাখা প্রশাখাবিশিষ্ট। ফুলের রং সাদা ও নীল, ফল পীতবর্ণ বা সাদা আভাযুক্ত সবুজ বর্ণের হয়। ফুলের পাপড়ি ৫টা। পুংকেশরগুলো লম্বা এবং হলুদ রঙের হয়। ফলের আকার খুবই ছোট, অনেকটা বেগুনের মতো দেখায়। ফলের গায়ে সাদা লম্বা লম্বা দাগ থাকে।

 

ফল পাকলে লাল ও হলুদ বর্ণের হয়। গরম পড়ার প্রথম দিকে গাছে ফুল ফোটে এবং পরে ফল ধরে। ফলের মধ্যে অসংখ্য বীজ থাকে। বর্ষার পানি পেলে গাছ মরে যায়। আরও এক ধরণের কন্টকারী গাছ আছে, যার ফুল দেখতে নীল এ কন্টকারী খুব কম দেখা যায়।

কন্টিকারি একটি কাঁটা ধরনের গাছ। এটি হল নাইটশেড প্রজাতির একটি উদ্ভিদ। যা সৌদি আরব, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, ইরান, চিন, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। এটা রাস্তার ধারের পতিত জায়গায় বেশি হয়। এখন মোটামুটি সারা পৃথিবীতে এর বিস্তৃতি রয়েছে।

এর ফলটা খাওয়ার যোগ্য। তবে মানুষ কম খায়। এটা বন্যপ্রাণীদের খাবার। এর ফলটি জন্মনিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। এ গুল্মের মূল বা শেকড় উপকারী এবং ভেষজগুণসম্পন্ন থাকায় কবিরাজরা এটিকে বিভিন্ন কাজে লাগায়।

 

সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২টায় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ির নাটমন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি অ্যাড. সোমনাথ ব্যাণার্জী।

বার্ষিক সাধারণ সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মন্দির সমিতির উপদেষ্টা বিশ^নাথ ঘোষ, ডাঃ প্রশান্ত কু-ু, সহসভাপতি দীলিপ চ্যাটার্জী, অ্যাড. তারক মিত্র, স্বপন কুমার শীল, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ি মিশন দত্ত, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, তরুন গুহ, নারায়ন মজুমদার, বিকাশ ঘোষ, সুজন বিশ^াস প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠান শুরুতেই গীতা পাঠ ও বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনার প্রতিবেদন পাঠ করেন মন্দির সমিতির কোষাধ্যক্ষ আনন্দ সরকার। বিগত এক বছরের আয় ও ব্যয় এর হিসাব তুলে ধরেন মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন।

 

সভায় সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শ্যামনগরের বৈশখালির ডাঃ অনিমেষ পরমান্য অপহরণ, সদরের মাগুরা বউবাজারের বীথিকা সাধু হত্যা, কালিগঞ্জের চম্পাফুলের মাধবী ম-ল ও তার ছেলে শঙ্কর ম-লকে অমানবিক নির্যাতন করে জমি ও ঘরবাড়ি জবরদখলের চেষ্টা, শ্যামনগরে যশোরেশ^ী কালীমন্দিরে কালী মায়ের মুকুট চুরির ঘটনায় দায়সারা পুলিশ প্রতিবেদন, মন্দিরের প্রধান ফটকের সামনে মন্দিরের জায়গা দখল করে আকবর মোল্লা ও বেল্লাল হোসেন এর দোকার ঘর নির্মাণ, জেলেখালিতে বিষ্টু পরমান্য এর জমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক জহির গাজীর রাস্তা নির্মাণ, হরিণগরের দীলিপ গাইনের ঘরবাড়ি পোড়ানো মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন ও তার তিন ভাইপোর নামে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দেওয়া, সাতক্ষীরার সরকার পাড়ায় শ্যামল রাহার বাড়িতে, কাটিয়ার পিসি জুয়েলাার্সের মালিকের বাড়িতে, মধুমোল্লারডাঙিতে সাংবাদিক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীর বাড়িতে, পুরাতন সাতক্ষীরায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মী গোবিন্দ ঘোষের বাড়িতে, সাতক্ষীরা মায়ের বাড়িতে, কাটিয়া মায়ের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরিসহ বিভিন্ন ঘটনার প্রতিকার ও বিচার নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

 

এ ছাড়া চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুর দ্রুত মুক্তির বিষয়টি ও আলোচনায় স্থান পায়। অনুষ্ঠান শুরুতেই প্রয়াত সদস্যদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

 

সভায় নাটমন্দিরের ছাদ, মন্দিরের প্রাচীর উচ্চকরণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয়বহনে সকল উপদেষ্টা ও আজীবন সদস্যদের এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়। একইসাথে বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন।