বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

দোয়া চাইলেন অসুস্থ তানিয়া বৃষ্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ
দোয়া চাইলেন অসুস্থ তানিয়া বৃষ্টি

কিছুদিন আগে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। প্রথমে বাংলাদেশে অস্ত্রোপচার হয় এবং অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতে তার অস্ত্রোপচার হয়। বর্তমানে চেন্নাইয়ের এমজিএম হাসপাতালের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে।
তানিয়া বৃষ্টি এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। শনিবার (২ মে), এ অভিনেত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুকে তার অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। তাতে জানানো হয়, তানিয়া বৃষ্টি কিছুটা অসুস্থ, সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

লেখার শুরুতে বলা হয়েছে, “আসসালামু আলাইকুম। আমাদের সবার প্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি আপু শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থতার মধ্যে আছেন। তবে চিন্তার তেমন কিছু নেই, তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে আছেন।”

দোয়া চেয়ে এ স্ট্যাটাসে বলা হয়েছে, “তিনি তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন, যেন তিনি খুব দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন।”

গত মাসের শুরুতে তানিয়া বৃষ্টির তৃতীয় অস্ত্রোপচারের খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখনো এটি সম্পন্ন হয়নি। এ বিষয়ে তানিয়া বৃষ্টি বলেছিলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমার দ্বিতীয় সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তৃতীয় সার্জারিটিও করতে হবে, তবে এখনই নয়—নিউরোসার্জন প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কয়েক মাস সময় লাগবে।”

মুন্সিগঞ্জের মেয়ে তানিয়া বৃষ্টি ২০১২ সালে একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন। এরপর নাম লেখান টিভি নাটকে। তবে বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে নজর কাড়েন। পরবর্তীতে অভিনয়েও নিজেকে প্রমাণ করেন।

২০১৫ সালে ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন তানিয়া বৃষ্টি। এরপর বেশ কটি সিনেমায় কাজ করেন। তবে বড় পর্দার চেয়ে টিভি নাটকে অভিনয় করে অধিক খ্যাতি কুড়ান এই অভিনেত্রী।

২০১৯ সালে মুক্তি পায় তানিয়া বৃষ্টি অভিনীত ‘গোয়েন্দাগিরি’ সিনেমা। এটি তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা। দীর্ঘ বিরতির পর ফের বড় পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রায়হান খানের ‘ট্রাইব্যুনাল’ সিনেমায় তার কাজের কথাও ছিল। আর এরই মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লেন তানিয়া বৃষ্টি।

Ads small one

মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা শহরের ৩টি রেস্তোরায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়েছে। এসময় ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, বাসি খাবার ফ্রিজে রাখা, মিষ্টিতে তেলাপোকা পাওয়া এবং কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল কেওড়া জল খাবারে ব্যবহারের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান ৩টি থেকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় জানায়, শহরের পলাশপোল এলাকায় অবস্থিত পানসী রেস্তোরার ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করাসহ কিছু বাসি খাবার ফ্রিজে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়া শহরের মুনজিতপুর এলাকায় অবস্থিত হোটেল রাজ এর ফ্রিজে বাসি গ্রিল রাখা, ফ্রিজ অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন থাকা, খাবার ঢেকে না রাখা, মিষ্টিতে ছোট একটি তেলাপোকা পাওয়া, দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করার অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অপরদিকে শহরের লাবনী মোড় এলাকায় অবস্থিত সোনারগাঁও রেস্তোরায় দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, ঝুল পরিস্কার না করা, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষিদ্ধ কেওড়া জল (যা কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল) খাবারে ব্যবহার করার অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনটি রেস্তোরাকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় আরো জানায়, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ এর একটি চৌকশ টিমের সহায়তায় উক্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান তানভীর উক্ত অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এসময় জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার দীপংকর দত্ত এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), সাতক্ষীরা এর নির্বাহী সদস্য জি এম ইশতিয়াক জামিল সহায়তা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালের শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তদারকি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

গাজী নজরুল ইসলামের শাস্তি ও পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরের এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
গাজী নজরুল ইসলামের শাস্তি ও পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরের এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ

পত্রদূত রিপোর্ট: তরুণীর সাথে ভিডিও কান্ডে গাজী নজরুল ইসলামের শাস্তি ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিভিন্নস্তরের মানুষ। এতে উত্তাল হয়ে পড়ে পুরো সংসদীয় আসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার কাশিমাড়ী, নুরনগর, কৈখালী এবং শ্যামনগর সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস চত্তরে শ্যামনগরের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার আয়োজনে মানববন্ধনে ফরিদুজ্জামানের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।

উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের নুরনগর বাজারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে ব্যাবসায়ী মিজানুর রহমান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গোলাম আলমগীর সাবেক চেয়ারম্যান নুরনগর ইউনিয়ন পরিষদ।

উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশীপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও গ্রাম ডাঃ আব্দুল হালিম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আছাদুল্লাহ বাহার আছু, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান। এছাড়া উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের কাশিমাড়ী বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এসব বিক্ষোভ মিছিল থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে অবিলম্বে এমপি থেকে পদত্যাগের জন্য দাবি জানানো হয়। তা নাহলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এছাড়া তার শাস্তির দাবিও উঠে আসে বিক্ষোভ মিছিল থেকে।

এদিকে, আজ সকালে আরো একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায় একজন নারীকে নিয়ে গাজী নজরুল একটি ভবনে প্রবেশ করেছেন। এবং তার সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তে জড়িয়ে পড়েন।

জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের

পত্রদূত ডেস্ক: জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানির খুলনা ডিপো কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহে কোন সংকট নেই। সাতক্ষীরার ফুয়েল স্টেশনগুলো পূর্বে যেমন জ্বালানি বরাদ্দ পেত বর্তমানেও বরাদ্দের হার একই আছে।

কাজেই জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত গুজবে আপনাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।