রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

বিতর্কিতদের নিয়ে হার্ডলাইনে বিএনপি, চলবে শুদ্ধি অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বিতর্কিতদের নিয়ে হার্ডলাইনে বিএনপি, চলবে শুদ্ধি অভিযান

দায়িত্ব গ্রহণের আড়াই মাসের মাথায় সারা দেশে নতুন করে সরকারকে চিন্তিত করছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিভিন্ন স্থানে হত্যা, চাঁদাবাজিসহ বেশ কিছু ঘটনা সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। এ সময়ে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে মারা গেছেন কমপক্ষে ১৩ জন। মার্চ-এপ্রিলে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭ শতাধিক নেতাকর্মী। এর মধ্যে মার্চে ৯ ও এপ্রিলে নিহতের সংখ্যা ৪ জন। আর আহত মার্চে ২৪৭ ও এপ্রিলে ৫০১ জন।

আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ, হামলা, দলীয় কোন্দল ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে বেশিরভাগ ঘটনা ঘটেছে। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদনে এ ধরনের তথ্য উঠে এসেছে।

নির্বাচনের আগেই এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্সের কথা জানিয়ে আসছিল বিএনপির হাইকমান্ড।

গত ১ মে নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে দলীয় নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা রক্ষার তাগিদ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ওই সভায় তিনি বলেন, ‘‘অন্যায়ের সঙ্গে জড়িতদের টপ টু-বটম কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’’

সম্প্রতি একই কথা বলেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশে ব্যাপক দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটেছে। এখনও কেউ কেউ এমন আচরণ করার চেষ্টা করলে দলীয় নেতাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না।’’

শীর্ষ নেতাদের এমন কঠোর মনোভাবের কারণে প্রশ্ন উঠেছে, শিগগিরই কি দলে শুদ্ধি অভিযান শুরু হবে? হলেও বা কবে শুরু হতে পারে? এক্ষেত্রে কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে? এসব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

মার্চ-এপ্রিলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের চিত্র

সরকারের প্রথম দুই মাসে সংঘটিত বেশ কিছু ঘটনা সরকারকে এক ধরনের চাপে ফেলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদন তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চে দেশে ১১৩টি সহিংসতার মধ্যে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ৪৫টি ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৫০১ জন ও নিহত ৯ জন। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ১৬টি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ১০৯ জন ও নিহত ৫ জন।

এইচআরএসএস জানায়, এপ্রিলে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ৪০টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ জন নিহত ও ২৪৭ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়া দলের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল ও যুবদলেও নিজেদের মধ্যে নানা সহিংসতার খবর আসছে। শুধু তাই নয়, বিএনপির সঙ্গে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের নেতাকর্মীদেরও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

কোন প্রক্রিয়ায় বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

দলের চেইন অব কমান্ড ঠিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক রাখতে শিগগিরই নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বিএনপি। এক্ষেত্রে দলের কেউ গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে বিতর্কিত নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হবে। সামনে আনা হবে ক্লিন ইমেজধারীদের। এছাড়া গুরুতর অপরাধীদের বিরুদ্ধে দলের পক্ষ থেকেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আগে প্রকৃত ঘটনার সরেজমিন তদন্ত করা হবে। এতে দোষী প্রমাণিত হলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মূল দল বিএনপি থেকে শুরু করে সহযোগী সব সংগঠনের বেলায়ই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাদের নেতাকর্মীরা ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তখন তাদের নানা হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তারপরও তারা কোনও অন্যায়ে জড়িত হয়নি। তবে এখন যেহেতু দল ক্ষমতায়, তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ কেউ নানা অপকর্ম করতে পারে—যা বিএনপির দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তাই আমরা দলে শুদ্ধি অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগিরই এ ব্যাপারে দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’’ তিনি বলেন, ‘‘মূলত বিতর্কিত নেতাকর্মীদের সরিয়ে স্বচ্ছ ও ত্যাগী নেতাদের সামনে আনা হবে। এক্ষেত্রে সাংগঠনিক কমিটি হতে পারে। আমলনামা অনুযায়ী গুরুতর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে দল থেকেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

কবে নাগাদ শুদ্ধি অভিযান

বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ঈদুল আজহার পরপরই কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হবে। এতে অঞ্চলভিত্তিক নেতারা সাংগঠনিক সফরও করতে পারেন। সম্পন্ন করা হবে অঙ্গসংগঠনের সব কমিটি। তবে তার আগেই দলের সর্বস্তরে শুদ্ধি অভিযান চালানো হবে। বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে হাই কমান্ড।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান  বলেন, ‘‘বিএনপি সব সময় অন্যায়ের বিপক্ষে। অন্যায় করলে অতীতের মতো দলীয় নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হবে না। দল ও সরকারকে বিতর্কমুক্ত রাখতে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সের কথা জানিয়েছেন। এ নির্দেশনা সর্বস্তরে দেওয়া আছে। শিগগিরই এ নিয়ে কাজ করবেন শীর্ষ নেতারা।’’

Ads small one

আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খরিয়াটি গ্রামে স্বামীর গচ্ছিত টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে এক গৃহবধূর পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খরিয়াটি হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম মাওলানা আব্দুস সবুর সরদার এই ঘটনায় খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন ও নিজের স্ত্রী রেশমা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে আব্দুস সবুরের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় আব্দুস সবুর বাড়িতে না থাকার সুযোগে রেশমা খাতুন দুই সন্তানকে ফেলে খোকনের সঙ্গে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় তিনি মাদ্রাসার সঞ্চয় তহবিলের নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা এবং ৩ ভরি ২ আনা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছেন বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী আব্দুস সবুর জানান, রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংগৃহীত মাদ্রাসার টাকা ব্যাংক ছুটি থাকায় তিনি বাড়িতে রেখেছিলেন। স্ত্রী ও অর্থসম্পদ হারিয়ে এখন তিনি নিঃস্ব। মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে এবং শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা ছেড়ে চলে গেছে। এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানকে নিয়ে তিনি এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

আদালতে সিআর ১৫৯/২৬ (আশাশুনি) নং মামলা দায়ের করার পর আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী ০৮ নং আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে বাদী ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের যে চিত্র সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, তাকে কেবল ‘অব্যবস্থাপনা’ বললে ভুল হবে; এটি জনস্বাস্থ্যের প্রতি চরম অবহেলার এক নিষ্ঠুর দলিল। পাঁচ শয্যার একটি ওয়ার্ডে যখন প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ জন রোগীকে চিকিৎসা নিতে হয়, তখন স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলাও নিরর্থক হয়ে পড়ে। সেখানে চিকিৎসা নয়, বরং এক মানবেতর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের।
একটি জেলা শহরের প্রধান সরকারি হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের এমন জরাজীর্ণ দশা মেনে নেওয়া কঠিন। ধারণক্ষমতার চেয়ে আট-নয় গুণ বেশি রোগী যেখানে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন, সেখানে সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখাই অসম্ভব। তার ওপর শিশুদের সঙ্গে বয়স্কদের একই স্থানে রাখা হচ্ছে, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ‘ক্রস ইনফেকশন’ বা সংক্রমণের ঝুঁকিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ হতে এসে নতুন কোনো রোগ বাধিয়ে বাড়ি ফেরার এই শঙ্কা রোগীদের জন্য চরম উদ্বেগের।
হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা আরও ভয়াবহ। চারদিকে ময়লার স্তূপ আর উৎকট দুর্গন্ধের মধ্যে সুস্থ মানুষের পক্ষেই টিকে থাকা দায়, সেখানে রোগাক্রান্ত মানুষ কীভাবে আরোগ্য লাভ করবে? পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হাসপাতালের মৌলিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। জনবল সংকট বা স্থানাভাবের দোহাই দিয়ে এই নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশকে জায়েজ করার কোনো সুযোগ নেই।
সাতক্ষীরা একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হওয়ায় এখানে মাঝে মাঝেই পানিবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। এটি জানা সত্ত্বেও কেন আগেভাগে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের সক্ষমতা বাড়ানো হয়নি, সেই দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না।
আমরা সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের এই মানবিক সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন। কেবল শয্যা বাড়ানোই সমাধান নয়, একই সঙ্গে ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নত করা এবং শিশু ও বয়স্কদের জন্য পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি। ডায়রিয়ার প্রকোপ আরও বাড়ার আগেই যদি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হয়, তবে পরিস্থিতি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। নাগরিকের ন্যূনতম সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাÑকর্তৃপক্ষ আশা করি এই সত্যটি ভুলে যাবে না।

 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট’-এ ক্রিকেটে দাপট দেখিয়েছে শ্যামনগর উপজেলা। রোববার (১০ মে) জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বালক ও বালিকাÑউভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তারা।
ক্রিকেটের বালক বিভাগের চূড়ান্ত লড়াইয়ে শ্যামনগর বালক দল সাতক্ষীরা পৌরসভা দলকে পরাজিত করে। অন্যদিকে, বালিকা বিভাগের ফাইনালে আশাশুনি উপজেলা দলকে হারিয়ে শিরোপা জেতে শ্যামনগরের মেয়েরা। শুধু ক্রিকেট নয়, এর আগে ফুটবল মাঠেও সফল ছিল শ্যামনগরের মেয়েরা। ফুটবলের ফাইনালে তারা কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
টুর্নামেন্টের অন্যান্য ইভেন্টেও শ্যামনগরের জয়জয়কার দেখা গেছে। দলটির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো হলোÑ ব্যাডমিন্টনে বালিকা বিভাগ একক ও দ্বৈতÑউভয় ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন। তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতাতেও শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা। ক্যারাতে ইভেন্টে শ্যামনগর রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছে।

 

রোববার বিকেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনকসহ বিভিন্ন উপজেলার শরীরচর্চা শিক্ষক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।
শ্যামনগর উপজেলার এই অভাবনীয় সাফল্যে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব, ফুটবল রেফারী সমিতি ও ফুটবল একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছে।
ইউএনও শামসুজ্জাহান কনক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “শ্যামনগরের ছেলে-মেয়েরা ক্রীড়াঙ্গনে যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। এই ধারা অব্যাহত রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”