বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আগামীকাল খুলনা আসছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আগামীকাল খুলনা আসছেন

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান এক দিনের সফরে আগামীকাল খুলনা আসছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী মন্ত্রী ৮ মে সকাল সাড়ে নয়টায় খুলনা জেলা জজ আদালতের কনফারেন্স রুমে জেলায় কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভা, সকাল ১০টায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত অনুষ্ঠানে এবং বিকাল তিনটায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান এবং রবীন্দ্র কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। তথ্যবিবরণী

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রদর্শক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কোচিং সেন্টার ঘেরাও করেছেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করে দেয়।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনের একপর্যায়ে শহরের সজীব বায়োলজি একাডেমি কোচিং সেন্টারের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীব সরকারি কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অপমানজনক বক্তব্য দিয়েছেন। মূলত এ ঘটনার প্রতিবাদেই তারা কর্মসূচি পালন করেন।

পরে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারটি ঘেরাও করলে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কোচিং সেন্টারের ভেতরে থাকা কিছু শিক্ষার্থী দরজা বন্ধ করে দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীবের গ্রেপ্তার এবং কোচিং সেন্টার স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানান। তারা বলেন, শিক্ষকের সম্মানহানির ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাবে তারা।

শিক্ষার্থী রাশিয়া আক্তার বলেন, একজন সরকারি কলেজ শিক্ষকের সঙ্গে এভাবে অসম্মানজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।

আরেক শিক্ষার্থী মাসুদ বলেন, সন্ধ্যার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে আবারও আন্দোলনে নামব। আমরা সজীবের গ্রেপ্তার দাবি করছি।

এদিকে কলেজের আশপাশে গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান অবাধে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাসেম বলেন, আমাদের এক শিক্ষককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে। আমরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।

সাতক্ষীরা সদর থানার অপারেশন অফিসার (ওসি) সুশান্ত ঘোষ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উত্তেজনা এড়াতে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয় এবং কোচিং সেন্টারটিতে আপাতত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পাইকগাছায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানো বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানো বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় খেলোয়ার, পরিবেশকর্মী, ক্রীড়ামোদী ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে পরস্পর বিরোধী চাপা উত্তেজনাও বিরাজ করছে। এ ঘটনায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানোর চেষ্টা বন্ধ করতে মর্নিংসান স্পোর্টিং ক্লাব ও এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

স্মারকলিপিতে জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়ানের প্রাণকেন্দ্রে ঐতিহ্যবাহী গদাইপুর ফুটবল মাঠটি অবস্থিত। মাঠের পাশ দিয়ে মেইন সড়ক ও তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মাঠটি এলাকার শিশু-কিশোর, যুবসমাজের খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনার একমাত্র স্থান। প্রতি বছর মাঠে অন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এটি শুধু একটি মাঠ নয় বরং এলাকার তরুণ প্রজন্মের সুস্থ বিকাশ, সামাজিক বন্ধন এবং অপরাধমুক্ত পরিবেশ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

 

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে য়ে, বর্তমানে কিছু লোক ব্যক্তি ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে পবিত্র ঈধ-উল আযহা উপলক্ষে উক্ত খেলার মাঠে পশুর হাট বসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অতিতে কখনোই খেলার মাঠে কোরবানির পশুর হাট বসানো হয়নি। প্রতি বছর গদাইপুর বাজারে সুন্দর পরিবেশে কোরবানীর পশু হাট বসে।

উক্ত খেলার মাঠে পশুর হাট বসানো হলে মাঠটি পশুর বর্জ্য, মল-মূত্র ও ময়লা আবর্জনায় দুষিত হয়ে পড়বে। দীর্ঘসময়ের জন্য মাঠটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে। শিশু- কিশোররা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়বে, যা শারিরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

দূর্গন্ধ ও অস্বাস্থকর পরিবেশ সৃস্টি হয়ে পাশের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হবে। মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী হিসাবে সংরক্ষণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এলাকাবাসীকে এ অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

 

 

তালার খলিষখালীতে পান চুরির পর ২০ দিন অতিবাহিত, অভিযুক্তরা এখনো অধরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
তালার খলিষখালীতে পান চুরির পর ২০ দিন অতিবাহিত, অভিযুক্তরা এখনো অধরা

খলিষখালী (পাটকেলঘাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা তালার খলিষখালী ইউনিয়ন এর পালপাড়া গ্রামে গত ২০ দিন আগে অসিত কুমার পাল এর ৩ বিঘা জমিতে পানের বরজ থেকে পান চুরি হয়। এ ঘটনায় বরজের মালিক অসিত কুমার পাল গত ১৫ এপ্রিল তারিখে দুধলী গ্রামের ইমদাদুল হক মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া ও একই গ্রামের আবুল সরদারের ছেলে হেলাল উদ্দিনকে আসামী করে খলিষখালী পুলিশ ক্যাম্পে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেলিম সরদারের বাড়ি থেকে চোরাই পান উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। উদ্ধারকৃত পানের আনুমানিক মুল্য ৪০ হাজার টাকা। পান উদ্ধার হলেও অভিযুক্তরা রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

পানের বরজের মালিক অসিত কুমার পাল জানান, গত ১৪ এপ্রিল ২৬ তারিখে রাতের আধারে আমার পানের বরজ থেকে সেলিম মিয়া ও হেলাল উদ্দিন পান চুরি করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মুল্য ৪০ হাজার টাকা। তিনি আরে জানান, এ ঘটনার প্রায় ২০ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি। উল্টো অভিযুক্তরা তাকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। যার কারনে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন।

 

অসিত কুমার পাল এব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।