শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিদায়ী রাষ্ট্রপতির গুলশানের বাসায় নতুন টেলিফোন লাইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
বিদায়ী রাষ্ট্রপতির গুলশানের বাসায় নতুন টেলিফোন লাইন

 

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে বিদায়ের ঘোষণা দেওয়ার পর মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানা হিসেবে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসায় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সেখানে নতুন টেলিফোন সংযোগ দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে একটি গণমাধ্যম।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কের ‘গ্রিন ভিলা’ ভবনে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) দুই কর্মী নতুন টেলিফোন সংযোগ দিতে যান। ভবনটির নিরাপত্তাকর্মী মো. মাছুম জানান, তিন-চার দিন আগে মো. সাহাবুদ্দিন সেখানে এসেছিলেন। সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। এরই মধ্যে বাসার বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজও সম্পন্ন হয়েছে এবং সেখানে বিশেষ শাখার (এসবি) কয়েকজন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশসংবাদ

বিটিসিএলের টেলিকমিউনিকেশন মেকানিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকারি নির্দেশে নতুন টেলিফোন লাইন স্থাপন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়ার পর মো. সাহাবুদ্দিন এই বাসায় উঠবেন বলে তাদের জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর আগের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

এর আগে, শুক্রবার বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।

এদিকে, মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

Ads small one

বিরহের প্রভাত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
বিরহের প্রভাত

জহুরুল হক জুলু
তুমি গেলে দূর অচেনা পথে,
ফিরে চাহিলে না একবার;
তবু তোমার স্মৃতির ছায়া
ছুঁয়ে আছে আমার দুয়ার।
সাঁঝের তারা আকাশপানে
যখন মেলে নীরব আলো,
মনে হয় কে ডাকছে আমায়-
কোন্ সুদূরের মধুর ভালো।
বকুলতলার নিঝুম হাওয়ায়
কাঁপে দিনের শেষের গান,
হারানো সেই কথাগুলি যেন
খুঁজে ফেরে আপন স্থান।
অনেক বাণী জমে আছে আজও
অকথিত হৃদয়তলে,
শুকনো পাতার মর্মরধ্বনি
তাদের কথা বলে চলে।

তোমার সাথে ছিল যে পথ
শিউলিঝরা ভোরের মতো,
আজ সে পথে একা হেঁটে যাই
স্মৃতির প্রদীপ জ্বেলে যত।

দুঃখ আমার অভিশাপ নয়,
এও যেন এক স্নিগ্ধ দান;
বিরহের এই গভীর সুরে
জেগে ওঠে প্রাণের গান।

রাত্রি যখন শেষ হয়ে আসে,
পূব আকাশে রঙের খেলা,
মনে হয় হারাইনি কিছুই-
বদলে গেছে শুধু বেলা।

যা হারাল, হারাল না তা,
রয়েছে হৃদয়ের মাঝে;
নদীর জলে চাঁদের মতো
ভেসে আছে নীরব সাজে।

তাই তো আজ আর ডাকি না তোমায়,
নেই কোনো ফেরার দাবি;
ভালোবাসা ফুরায় না কখনো
থাকে চিরদিন অন্তরছবি।

যে চোখে আলো নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
যে চোখে আলো নেই

জহুরুল হক জুলু
যে চোখে আলো নেই,
সেই চোখও ভোরের খবর পায়—
পাতার কাঁপুনিতে,
পাখির ডানার শব্দে,
বাতাসের নরম স্পর্শে।
মানুষ কেবল চোখ দিয়ে দেখে না,
সে দেখে বিশ্বাস দিয়ে,
দেখে অপেক্ষা দিয়ে,
দেখে বুকের গভীরে জেগে থাকা
একটি অনামা আলোর দিকে তাকিয়ে।
যে পথিক কোনোদিন রঙ দেখেনি,
সে-ও জানে
শিশিরের ভেজা ঘাসের ভাষা,
মায়ের হাতের উষ্ণতা,
প্রিয় মানুষের নীরবতারও একটি রং আছে।
স্বপ্ন কখনো চোখের বন্দী নয়,
তার নিজের ডানা আছে।
সে উড়ে যায়
অন্ধকারের মাথার ওপর দিয়ে,
ভেঙে ফেলে
হতাশার পুরোনো বেড়া।
যারা বলে,
আলো না দেখলে জীবন অসম্পূর্ণ,
তারা হয়তো জানে না
কত মানুষ
চোখ ভরা রোদ নিয়েও
ভেতরে ভেতরে গভীর অন্ধকারে বাস করে।

 

আর কত মানুষ,
দৃষ্টিহীন হয়েও
মানুষের মুখের হাসি
হাতের স্পর্শে পড়ে ফেলে,
কণ্ঠের কম্পনে চিনে নেয়
অবিশ্বাস আর ভালোবাসার পার্থক্য।

আমি বিশ্বাস করি,
স্বপ্নের কোনো চোখ লাগে না,
লাগে শুধু একটি অদম্য হৃদয়,
যে হৃদয়
প্রতিটি পতনের পরও
আবার দাঁড়াতে শেখে।

মধুসূদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
মধুসূদন

মোঃ হায়দার আলি শান্ত
মধুবনে শব্দ ছন্দ বাজে
বজরা আর ফিরে আসেনি ঘাটে
ত্যাজ্য সনদ জুটিলো জমিদার বজ্রে
জাহ্নবী ক্রন্দন রত কবতক্ষ তটে
রাজ নারায়ন দত্ত বুঝেনী তাঁর ব্যথা
পথে পথে জীবন হল অবসান
মেঘনাথ বধ সাধনা যায়নি বৃথা
সুপ বনে উড়িল কীর্তি নিশান
কল্পনা সুন্দরী নেপথ্যে ছিল শক্তি
ভিনদেশি ভাষায় মেটেনি আশা
বঙ্গ ভাষায় দগ্ধ জীবনে মুক্তি
কবতক্ষ নদ মিটালো জলের তৃষা
ভাবের সংসারে জ্বলে উঠিলো জ্যেতি
বঙ্গ ভান্ডারে রক্ষিত মধুর ভাষা।