রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

একটা সময় ছিল, যখন বিদ্যুৎ না থাকাটা ছিল স্বাভাবিক। সন্ধ্যা নামলেই হারিকেন, কুপিবাতি বা হ্যাজাকের আলোয় জীবন চলত। গ্রামের মানুষ রাতের আকাশের নিচে বসে গল্প করত, শহরেও অন্ধকারকে মেনে নেওয়ার এক ধরনের অভ্যাস ছিল। কিন্তু সেই সময় আর নেই। এখন বিদ্যুৎ ছাড়া একটি মুহূর্তও যেন অচল হয়ে পড়ে পুরো জীবনযন্ত্র।

 

তাই আজ যখন কেউ বলেÑ“বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব”Ñতখন সেটি নিছক বাড়াবাড়ি নয়, বরং এক গভীর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। এই বাস্তবতা আমাদের বলে, বিদ্যুৎ এখন আর শুধু একটি সুবিধা নয়; এটি আধুনিক সভ্যতার শিরা-উপশিরা। এই শিরায় রক্ত চলাচল বন্ধ হলে যেমন শরীর থেমে যায়, তেমনি বিদ্যুৎ না থাকলে থেমে যায় আধুনিক জীবন।

 

বাংলাদেশসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গত দুই দশকে বিদ্যুতায়নের বিস্তৃতি ঘটেছে অভূতপূর্ব গতিতে। গ্রাম-শহরের বৈষম্য অনেকটাই কমেছে। টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, ফ্রিজ, সেচপাম্পÑসবকিছুই এখন সাধারণ মানুষের নাগালে। এই পরিবর্তন নিঃসন্দেহে জীবনমান উন্নত করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে তৈরি করেছে এক গভীর নির্ভরতা। এখন মানুষ শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে না; বরং বিদ্যুৎ ছাড়া জীবন কল্পনাও করতে পারছে না।

 

একটি পরিবারে সকাল শুরু হয় মোবাইলের অ্যালার্মে, দিনের কাজ চলে ইন্টারনেট ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রের সাহায্যে, রাত শেষ হয় আলো ও ফ্যানের নিচে। বিদ্যুৎ চলে গেলে এই পুরো চক্র থেমে যায়। শহরে কয়েক মিনিট লোডশেডিং হলেই অস্থিরতা শুরু হয়। লিফট বন্ধ হয়ে যায়, ট্রাফিক সিগন্যাল কাজ করে না, অফিসের কাজ থেমে যায়, অনলাইন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। অন্যদিকে গ্রামে এর প্রভাব আরও তীব্র। পানির পাম্প বন্ধ হয়ে যায়, কৃষিকাজ ব্যাহত হয়, মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়ে।

এই দুই বাস্তবতা এক জায়গায় এসে দাঁড়ায়Ñবিদ্যুৎ ছাড়া আধুনিক জীবন অচল। আজকের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমেই ডিজিটাল হয়ে উঠছে। অনলাইন ক্লাস, ভার্চুয়াল লাইব্রেরি, প্রজেক্টও ভিত্তিক শিক্ষাÑসবকিছুই বিদ্যুৎনির্ভর। বিদ্যুৎ না থাকলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার গতি থেমে যায়।গ্রামের শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের আলোকে পড়াশোনা করে। বিদ্যুৎ না থাকলে তাদের প্রস্তুতি ব্যাহত হয়, পরীক্ষার ফলেও তার প্রভাব পড়ে। ফলে বিদ্যুৎ এখন শিক্ষার সমান গুরুত্বপূর্ণ একটি অবকাঠামো।

 

হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বিদ্যুৎ মানে জীবন। অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, ভেন্টিলেটর, ডায়াগনস্টিক মেশিনÑসবকিছু বিদ্যুৎ ছাড়া অচল। এক মুহূর্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা অনেক সময় রোগীর জীবন-মৃত্যুর ব্যবধান তৈরি করে দেয়। বড় হাসপাতালগুলোতে জেনারেটর থাকলেও গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেই সুযোগ সীমিত। ফলে বিদ্যুৎ সংকট সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বিদ্যুৎ শুধু ঘর আলোকিত করে না; এটি অর্থনীতির চাকা ঘোরায়। পোশাক শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, মৎস্য খামার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পÑসবকিছুই বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।

একটি কারখানা কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকলে উৎপাদন ক্ষতি হয়, রপ্তানি কমে যায়, শ্রমিকদের আয় ব্যাহত হয়। তাই বিদ্যুৎ সরবরাহের স্থিতিশীলতা এখন অর্থনৈতিক নিরাপত্তার অংশ। বাংলাদেশের কৃষি এখন অনেকাংশে যান্ত্রিক ও বিদ্যুৎনির্ভর। সেচপাম্প, ঠান্ডা সংরক্ষণাগার, মাছের ঘেরের অক্সিজেন সরবরাহÑসবই বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ি ও মাছচাষে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। বিদ্যুৎ না থাকলে পানি চলাচল বন্ধ হয়, ফলে উৎপাদন ঝুঁকিতে পড়ে।

 

বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অপচয়ের প্রবণতাও বাড়ছে। অপ্রয়োজনে লাইট-ফ্যান চালু রাখা, এসির অতিরিক্ত ব্যবহার, অবৈধ সংযোগÑএসব বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে সিস্টেম লস ও অব্যবস্থাপনাও বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে উৎপাদন বাড়লেও অনেক সময় প্রকৃত সরবরাহ সংকট থেকে যায়। বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর। সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি, বায়োগ্যাসÑএসব উৎস আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে পারে।

বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে সূর্যের আলো প্রচুর, সেখানে সৌরবিদ্যুৎ আরও বিস্তৃত করা গেলে গ্রামীণ বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিদ্যুৎ সংকট শুধু উৎপাদনের সমস্যা নয়; এটি ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও নাগরিক আচরণেরও প্রশ্ন। সরকারকে যেমন দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি নাগরিকদেরও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।

 

অপ্রয়োজনে বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ না হলে কোনো উৎপাদন ব্যবস্থাই দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। “বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব”Ñএই কথাটি আক্ষরিক অর্থে সত্য নয়, কিন্তু প্রতীকী অর্থে এটি গভীর বাস্তবতা বহন করে। বিদ্যুৎ ছাড়া আমরা হয়তো বাঁচব, কিন্তু সেই জীবন হবে অগোছালো, অচল এবং পিছিয়ে পড়া। আধুনিক সভ্যতা বিদ্যুতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই ভিত্তি দুর্বল হলে পুরো কাঠামোই কেঁপে উঠবে। তাই বিদ্যুৎকে শুধু সুবিধা হিসেবে নয়, বরং একটি জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখা জরুরি।

 

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শুধু বিদ্যুৎ পাওয়া বা না পাওয়ার নয়Ñপ্রশ্ন হলো, আমরা এই সম্পদকে কতটা দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে পারছি। কারণ ভবিষ্যতের উন্নয়ন নির্ভর করবে আলো জ্বালানোর ক্ষমতার ওপর নয়, বরং সেই আলো কতটা টেকসইভাবে ধরে রাখতে পারি তার ওপর।

লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।