সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্ব অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য দিবস: অতীত সংরক্ষণ, দৃশ্য-শ্রব্য দলিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্ব অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য দিবস: অতীত সংরক্ষণ, দৃশ্য-শ্রব্য দলিল

সাকিবুর রহমান বাবলা

২৭ অক্টোবর বিশ্ব অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য দিবস। ইউনেসকোর উদ্যোগে পালিত এ দিবসের মূল লক্ষ্য চলচ্চিত্র, বেতার, টেলিভিশন, অডিও ও ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মতো দৃশ্য-শ্রব্য ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং এগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ‘আপনার বিশ্বকে দেখার জানালা’। এ প্রতিপাদ্য বিশ্বজুড়ে মানুষের জীবন, ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সংযোগ তৈরিতে দৃশ্য-শ্রব্য ঐতিহ্যের অপরিহার্য ভূমিকা তুলে ধরে।

১৯৮০ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেসকোর ২১তম সাধারণ সম্মেলনে ‘চলমান চিত্রের সুরক্ষা ও সংরক্ষণবিষয়ক সুপারিশমালা’ গৃহীত হয়। ঐতিহাসিক এ ঘটনাকে স্মরণ করে ২০০৫ সালে ইউনেসকোর ৩৩তম সাধারণ সম্মেলনে ২৭ অক্টোবরকে বিশ্ব অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দিবসটি দৃশ্য-শ্রব্য দলিলের গুরুত্ব তুলে ধরা, এগুলো সংরক্ষণে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং এ কাজে নিয়োজিত পেশাজীবীদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষে পরিণত হয়েছে।

অডিওভিজ্যুয়াল আর্কাইভ মানবজাতির সম্মিলিত স্মৃতির এক অমূল্য ভান্ডার। চলচ্চিত্র, ঐতিহাসিক ভাষণ, বেতার অনুষ্ঠান, টেলিভিশনের সংবাদ, লোকসংগীত ও প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে অতীতের ঘটনা এবং মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা পাওয়া যায়। লিখিত দলিলের পাশাপাশি এসব রেকর্ড ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের দৃশ্য, ঐতিহাসিক ভাষণ এবং বিভিন্ন সময়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস জানতে সহায়তা করে। একইভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের যুদ্ধ, রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও সামাজিক আন্দোলনের দৃশ্য-শ্রব্য দলিল ইতিহাসের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সংস্কৃতি ও ভাষার বৈচিত্র্য সংরক্ষণেও এসব আর্কাইভের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ইতিহাস, লোককথা, গান, নৃত্য এবং ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মৌখিকভাবে প্রচলিত হয়ে আসছে। অডিও ও ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব। বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা আঞ্চলিক ভাষা, উচ্চারণ ও লোকসংগীতের রেকর্ড ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষণার উপাদান হিসেবেও কাজ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মানুষকে অন্য সমাজের জীবনধারা সম্পর্কে জানতে এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে সাহায্য করে। শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায়ও এসব উপাদান গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক উৎস।

তবে দৃশ্য-শ্রব্য ঐতিহ্য সংরক্ষণ বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। পুরোনো ফিল্ম রিল, চৌম্বকীয় অডিও টেপ, গ্রামোফোন রেকর্ড ও ভিডিও ক্যাসেট সময়ের সঙ্গে তাপ, আর্দ্রতা, ছত্রাক এবং রাসায়নিক অবক্ষয়ের কারণে নষ্ট হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এসব রেকর্ড চালানোর যন্ত্রও আর সহজলভ্য নয়। ফলে মূল উপাদান অক্ষত থাকলেও সেখান থেকে তথ্য উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। পুরোনো রেকর্ডের বারবার অনুলিপি তৈরির ফলে শব্দ ও ছবির মান কমে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। তাই উপযুক্ত সংরক্ষণাগার, দক্ষ জনবল, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি।

এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে পুরোনো শব্দ রেকর্ড ও চলচ্চিত্র ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তর করা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত রেকর্ডের শব্দ ও ছবির মান উন্নত করেও অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। ডিজিটাল ফাইলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুরক্ষিত সার্ভার, তথ্য সংরক্ষণের উপযুক্ত মাধ্যম এবং একাধিক অনুলিপি রাখার ব্যবস্থা কার্যকর। তবে ডিজিটাল রূপান্তরের পাশাপাশি মূল উপাদানগুলো উপযুক্ত পরিবেশে সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল ফাইলের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণও প্রয়োজন। একই সঙ্গে তথ্য চুরি, অননুমোদিত প্রবেশ ও প্রযুক্তিগত ত্রুটি থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

বাংলাদেশে দৃশ্য-শ্রব্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ। ১৯৭৮ সালের ১৭ মে তৎকালীন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ফিল্ম ইনস্টিটিউট ও আর্কাইভ’ নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৪ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ রাখা হয়। প্রতিষ্ঠানটি দেশি-বিদেশি চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট উপাদান সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং এ বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির সংরক্ষণাগারে চলচ্চিত্র ও ঐতিহাসিক দৃশ্যচিত্র সংরক্ষিত রয়েছে। অন্যদিকে, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন উপাদান সংরক্ষণ এবং জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব সংগ্রহের যথাযথ সংরক্ষণ, ডিজিটাল রূপান্তর, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দৃশ্য-শ্রব্য ঐতিহ্য সংরক্ষণে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইউনেসকোর ‘আমাদের সম্মিলিত ইউনেসকো ইতিহাসের ডিজিটাল সংরক্ষণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্থাটির ঐতিহাসিক নথি ও দৃশ্য-শ্রব্য সংগ্রহের একটি অংশ ডিজিটাল করা হয়েছে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এ প্রকল্পে জাপান সরকারের সহায়তায় বিপুলসংখ্যক ঐতিহাসিক নথি, চলচ্চিত্র, ভিডিও, আলোকচিত্র ও শব্দ রেকর্ডিং ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়। এর ফলে এসব উপাদান সংরক্ষণের পাশাপাশি গবেষণা, শিক্ষা ও জনসাধারণের ব্যবহারের সুযোগও সম্প্রসারিত হয়েছে। এ উদ্যোগ প্রমাণ করে, ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব অডিওভিজ্যুয়াল ঐতিহ্য দিবস কেবল অতীতের দৃশ্য ও শব্দ স্মরণ করার উপলক্ষ নয়; এসব উপাদান ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের পরিচয়ের মূল্যবান দলিল। তাই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আর্কাইভ পেশাজীবী, গবেষক ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এসব সম্পদ সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে। পুরোনো রেকর্ড দ্রুত ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ, দক্ষ সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এগুলো সহজলভ্য করাই হোক দিবসটির অঙ্গীকার। কারণ, দৃশ্য-শ্রব্য ঐতিহ্য রক্ষা মানে শুধু অতীতকে বাঁচিয়ে রাখা নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য জ্ঞান, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের জানালা খোলা রাখা।

Ads small one

কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের নিবন্ধন শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের নিবন্ধন শুরু

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ডিজিটাল নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আয়োজন শুরু হয়।

সকালে খুলনার জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি হুরে জান্নাত নিজ কার্যালয়ে নিবন্ধন করে কার্যক্রমের সূচনা করেন। সকাল ৯টায় প্রাক্তন পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আয়োজক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা, শতবর্ষের পতাকা উত্তোলন এবং প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ডিজিটাল নিবন্ধন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক এ কে এম সাঈদ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার মণ্ডল, সদস্যসচিব এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মো. কবীর আহমেদসহ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহচরী বিদ্যামন্দির শিক্ষক একাদশ ও হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক একাদশ অংশ নেয়। খেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ক্রীড়া ও কুপন কমিটির আহ্বায়ক এম আজাদ হোসেন।

ছবি ক্যাপশন: কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ডিজিটাল নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

পাইকগাছায় দুর্গাপূজা পরবর্তী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় দুর্গাপূজা পরবর্তী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গাপূজা পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উৎসবের সার্বিক মূল্যায়ন নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক প্রাণকৃষ্ণ দাশ, সদস্যসচিব হিমাদ্রী শেখর দে, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, পৌর কমিটির সভাপতি বাবুরাম মণ্ডল, রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সভাপতি মনোহর চন্দ্র সানা, সরল কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় পূজা মন্দিরের সভাপতি সুরঞ্জন চক্রবর্তী, সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান, স্নেহেন্দু বিকাশ, পূর্ণ চন্দ্র মণ্ডল, সুনীল কুমার মণ্ডল, সঞ্জীব রায়, ভূদেব কুমার মণ্ডল ও দীপঙ্কর সানাসহ অন্যরা।

সভায় বক্তারা দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পূজার সময় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।

কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মাদক ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ, পৌর শহরের যানজট নিরসন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সেতুর দুই পাশের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) হারুন অর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, পৌর জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহম্মদ আলী, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম এনামুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন নাহার আক্তার ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন।

এ ছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ আলী গাজী, মাহবুবুর রহমান মফে, সোহেল রানা, বিশাখা তপন সাহা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান ও মফিজুল ইসলাম এবং কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ সাজেদ, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু ও প্রভাষক আরিফ মাহমুদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।