রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস: জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস: জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ

সাকিবুর রহমান বাবলা

“একটি দেশের প্রকৃত সম্পদ তার সোনা-দানা বা খনিজ পদার্থ নয়, বরং তার মানুষ।”— নেলসন ম্যান্ডেলা।
প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য, লিঙ্গসমতা, দারিদ্র্য হ্রাস, মানবাধিকার এবং টেকসই উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিই এ দিবসের মূল লক্ষ্য।

 

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা যেমন একটি দেশের জন্য সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে, তেমনি সুশাসন ও পরিকল্পনার অভাবে তা নানা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি করতে পারে। তাই জনসংখ্যাকে শুধু সংখ্যা হিসেবে নয়, বরং মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের সূচনা হয় ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই, বিশ্বে জনসংখ্যা ৫০০ কোটির মাইলফলক অতিক্রম করে ঐ দিন। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরপর থেকে দিবসটি জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশের সরকার, উন্নয়ন সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের উদ্যোগে পালিত হয়ে আসছে।

ধারনা, বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা ৮৩০ কোটিরও বেশি। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব জনসংখ্যা ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর ৮০০ কোটি অতিক্রম করে। বিবিএস সূত্রে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৭৮ লাখ। ভৌগোলিক আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ। ফলে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে, অন্যদিকে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের সুযোগও সৃষ্টি করেছে।

গবেষণা অনুযায়ী, মানব ইতিহাসে প্রথম ১০০ কোটিতে পৌঁছায় ১৮০৪ সালে। এরপর ১৯২৭ সালে ২০০ কোটি, ১৯৮৭ সালে ৫০০ কোটি এবং ২০২২ সালে ৮০০ কোটি অতিক্রম করে। অর্থাৎ প্রযুক্তি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে মানুষের আয়ু বেড়েছে, শিশুমৃত্যু কমেছে এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি অভূতপূর্ব পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও সাম্প্রতিক দশকগুলোতে অনেক দেশে জন্মহার হ্রাস পাওয়ায় ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

বিশ্বের জনসংখ্যার সঙ্গে জাতিগত, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন জাতি, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের বসবাসে পৃথিবী এক বহুবর্ণ সমাজে পরিণত হয়েছে। খ্রিষ্টান, মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বের বৃহৎ জনগোষ্ঠী গঠন করেছে, আর দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়া সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম। তবে জনসংখ্যার বণ্টন সর্বত্র সমান নয়; মোনাকো, সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের মতো অঞ্চলে জনঘনত্ব অত্যন্ত বেশি, বিপরীতে অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ড ও সাহারা মরুভূমির মতো প্রতিকূল পরিবেশে জনসংখ্যা খুবই কম।

মানবসভ্যতার ইতিহাসে জনসংখ্যা গণনারও দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। ধারণা করা হয়, প্রাচীন ব্যবিলন সাম্রাজ্যে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩৮০০ অব্দে প্রথম জনসংখ্যা গণনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে চীনের হান রাজবংশ খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে পরিকল্পিত আদমশুমারি পরিচালনা করে। বর্তমানে জনশুমারি একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন পরিকল্পনা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নীতিনির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে মানবজাতির ইতিহাস ও বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র আল-কুরআন অনুযায়ী, মহান আল্লাহ প্রথম মানুষ হযরত আদম (আ.)-কে মাটি থেকে সৃষ্টি করেন এবং তাঁর বংশধরদের মাধ্যমে মানবজাতির বিস্তার ঘটান। ইসলাম মানবকল্যাণ, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্বশীল জনসমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। মহাবিশ্বের নিখুঁত হিসাব: “আমি (আল্লাহ) প্রত্যেক বস্তুকে পরিমিতরূপে সৃষ্টি করেছি, (সূরা আল-ক্বামার: ৪৯) এবং তাঁর (আল্লাহর) কাছে তাদের পরিসংখ্যান রয়েছে এবং তিনি তাদের গণনা করে রেখেছেন, (সূরা মারইয়াম: ৯৪)।”

আজকের বিশ্বে জনসংখ্যা শুধু সংখ্যাগত বিষয় নয়; টেকসই উন্নয়নের জন্য জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা, পরিবার পরিকল্পনা, নারীর ক্ষমতায়ন, মানসম্মত শিক্ষা, মানবস্বাস্থ্য এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত করা রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। সচেতনতা, সুশাসন ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জাতীয় অগ্রগতির শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের মূল বার্তাও হলো—মানুষই উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু, আর সুশিক্ষিত ও সুস্থ মানুষই একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ভবিষ্যতের ভিত্তি।

 

Ads small one

জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ভূমিহীন নেতারা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দেবহাটা-কালিগঞ্জের ভূমিহীন জনপদের নেতা মো. আলমগীর হোসেন, মো. বায়োজিদ হোসেন সবুর গাজী, জেলা ভূমিহীন পরিবারের সভাপতি মো. কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রেজাউল করিম রেজা, দপ্তর সম্পাদক স্বপন কুমার সানা এবং ভূমিহীন নেতা আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের দীর্ঘদিনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে বাবরবাদ ঘের ও জমির বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও পরে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওই আন্দোলনের সময় ঐতিহাসিক সখিপুর কলেজ মাঠে এসে ভূমিহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় তিনি ভূমিহীনদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকান্ডের বিচার করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৭ জনকে জমির দলিল প্রদান করেন। এরপর তাঁরা সেখানে ভূমিহীন হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, ঐতিহাসিক ওই আন্দোলন এবং ভূমিহীনদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভূমিহীনদের অধিকার রক্ষার নামে কেউ যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারেন, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ভূমিহীনদের নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে ব্যক্তিস্বার্থে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। সাতক্ষীরায় এখনো অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার রয়েছে। সরকারি খাসজমি থাকলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হবে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, সরকারি জমি না থাকলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পুনর্বাসন করা সম্ভব নয়। তবে প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারগুলো যাতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

 

 

 

কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): আষাঢ় শ্রাবণ মাস বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রে বর্ষাকাল। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের কৃষকের জন্য আমন ধানের চারা রোপনের সুবর্ণ সময় এই বর্ষাকাল। তাই বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেশবপুরের কৃষকরা আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

বৃষ্টির মৌসুম শুরুতে একটু বৃষ্টি কম হলেও বর্তমান যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টিপাত হওয়ায় খাল বিল ডোবা নালা পানিতে পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। তাই কৃষকরা উচু-ডোবা জমি থেকে আগাম পাট কেটে সেই জমিতে আমন ধান রোপন শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকেরা আগাম পাট চাষ করে থাকে। সেই পাট কেটে রোপা আমন ধানের আবাদ করে। অন্যান্য বছরের তুলনায় কেশবপুরে এবার পাটের আবাদ কম হলেও ফলন ভাল হয়েছে। পুকুর ও ডোবা নালায় যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টির পানি জমে থাকায় কৃষকদের ক্ষেতের পাট কেটে পঁচন দিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তাই তারা পাটকেটে পচন দিয়ে সেই জমিতে আমন আবাদ শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপনের মহোৎসাব। অন্য বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি ও কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে কেশবপুরের প্রায় ৮০টির বেশী গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ার কারণে আমন আবাদ ব্যহত হলেও এবার কৃষকরা কপোতাক্ষের রাহু গ্রাস থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তাই এসব জমিতে এখন কৃষকরা মনের আনন্দে ধানের চারা রোপন করছে।

এবিষয়ে কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, কেশবপুরে এবার ৮হাজার ৫’শত হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকল থাকলে লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

 

 

 

কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে মসজিদে মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালালো চোর। তথ্য সূত্রে জানা গেছে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পৃথক দুটি বাড়িতে হানা দিয়ে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৭টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। আলতাপোল (বারোইপাড়া) গ্রামের কুমারের ৪টি এবং মঙ্গলকোট গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির ৩টি গরু নিয়ে যায় তারা। গরুর মূল্য হবে ১০ থেকে ১২ লাখ।

চোরেরা সুকুমারের গরুগুলো বাড়ির পাশের একটি বাগানে এবং রবির গরুগুলো যশোর-চুকনগর সড়কের আলতাপোল চারেরমাথা এলাকার একটি মেহগনি বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। ধারণা করা হচ্ছে, পরে পিকআপে তুলে গরুগুলো নিয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা।

কিন্তু ফজরের আজানের সময় বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদের মাইকে গরু চুরির ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা শুনে চোরেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। রেখে যায় চুরি করা ৭টি গরু। পালানোর সময় তারা গরু বাঁধা বাগানে একটি গামছা ও পানির বোতলও ফেলে যায়।

ঘটনাটির আরও একটি বেদনাদায়ক দিক রয়েছে। রবিউল ইসলাম রবির ছোট ভাই মাত্র শুক্রবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিবারটির শোক এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য নতুন করে দুর্ভোগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে বৃষ্টির পানিতে কেশবপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন, অন্যদিকে কৃষকের শেষ সম্বল গবাদিপশুও নিরাপদ নয়-এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্থানীয়রা বলছে রাতের পুলিশি টহল কতটা কার্যকর?

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতের টহল আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন আমাদের কাছে এ ধরনের কোন অভিযোগ আসেনি তবে বিষয়টা আমাদের জেনেছি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।