বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব ডাক দিবস: চিঠির সীমানা ভূবনজুড়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
বিশ্ব ডাক দিবস: চিঠির সীমানা ভূবনজুড়ে

সাকিবুর রহমান বাবলা

৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হয়। ১৮৭৪ সালের এই দিনে সুইজারল্যান্ডের বার্নে প্রতিষ্ঠিত হয় ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নÑআন্তর্জাতিক ডাক যোগাযোগকে একটি অভিন্ন কাঠামোর মধ্যে আনার ঐতিহাসিক উদ্যোগ। ১৯৬৯ সালে জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউপিইউ কংগ্রেসে ৯ অক্টোবরকে প্রথমে ইউপিইউ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; ১৯৮৪ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বিশ্ব ডাক দিবস করা হয়। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ডাকব্যবস্থার অবদানকে তুলে ধরা।

ডাকব্যবস্থার ইতিহাস মূলত মানুষের দূরত্ব জয় করার ইতিহাস। আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির আবির্ভাবের বহু আগে সংবাদ, ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রশাসনিক নির্দেশ, ব্যবসায়িক নথি ও রাষ্ট্রীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম ছিল চিঠি। বাংলার ডাকব্যবস্থার ঐতিহ্যেও রয়েছে ‘রানার’ বা ডাকহরকরার স্মৃতিÑদুর্গম পথ পেরিয়ে মানুষের কাছে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার সেই শ্রমনির্ভর সংস্কৃতি আজও আমাদের সাহিত্য ও লোকস্মৃতিতে জীবন্ত। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় সেই রানারের জায়গা নিয়েছে মোটরযান, আধুনিক পরিবহন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও ই-কমার্স লজিস্টিকস; কিন্তু মানুষের সঙ্গে মানুষের সংযোগ স্থাপনের মৌলিক দায়িত্বটি বদলায়নি।

বিশ্বপরিসরে ইউপিইউ ডাক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বিশ্ব ডাক দিবস তাই শুধু পুরোনো চিঠি বা ডাকটিকিটের স্মৃতিচারণ নয়; এটি যোগাযোগের সার্বজনীন অধিকার, সেবা-প্রাপ্তির সুযোগ এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির কথাও মনে করিয়ে দেয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ উপলক্ষে নতুন ডাকটিকিট ও পণ্য প্রকাশ, ডাকটিকিট প্রদর্শনী, উন্মুক্ত দিবস, কর্মীদের সম্মাননা এবং তরুণদের চিঠি লেখার মতো আয়োজন করা হয়। ইউপিইউ-এর আন্তর্জাতিক চিঠি লেখার প্রতিযোগিতাও শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা ও লেখার দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশের ইতিহাসেও ডাকব্যবস্থা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, জাতীয় পরিচয় ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অংশ। ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই মুজিবনগর সরকারের উদ্যোগে আটটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে প্রতীকী ভূমিকা রাখে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ডাকব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। পরবর্তীকালে ডাকটিকিটে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের স্মৃতি ধারণ করা হয়েছে। ডাক অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডাকটিকিট এখন শুধু ডাকমাশুলের প্রতীক নয়; ফিলাটেলির মাধ্যমে এগুলো ইতিহাস ও জাতীয় ঐতিহ্যেরও দলিল হয়ে উঠেছে।

বর্তমান বাংলাদেশে ডাকব্যবস্থার পরিধি চিঠির গ-ি ছাড়িয়ে বহুমুখী সেবায় বিস্তৃত। চিঠি ও নথিপত্রের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পার্সেল, এক্সপ্রেস মেইল, ইএমএস, ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার, পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, সঞ্চয় ও বীমাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা এর আওতায় রয়েছে। ডাক অধিদপ্তরের অনলাইন ব্যবস্থায় পোস্টকোড অনুসন্ধান, ইএমএস ট্র্যাকিং এবং অন্যান্য ই-সেবাও রয়েছে।

বিশ্ব ডাক ইতিহাসে দীর্ঘ বিলম্বে চিঠি পৌঁছানোর ঘটনাও বিস্ময়কর। ফ্রান্সে ১৮৭৭ সালে পাঠানো একটি চিঠি ২০১৫ সালে গন্তব্যে পৌঁছেÑপ্রায় ১৩৮ বছর পর; এটি দীর্ঘতম বিলম্বের উল্লেখযোগ্য অনানুষ্ঠানিক ঘটনা। অন্যদিকে, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, ১৯১৯ সালে যুক্তরাজ্যের ডরসেট থেকে পাঠানো একটি চিঠি ৮৯ বছর পর, ২০০৮ সালে পৌঁছে অফিসিয়াল রেকর্ড গড়ে। এছাড়া ১৯১৬ সালে লন্ডন থেকে পাঠানো একটি চিঠি প্রায় ১০৫ বছর পর এবং ১৯৬৬ সালে মন্ট ব্লাঙ্কে বিমান দুর্ঘটনার পর হারিয়ে যাওয়া কূটনৈতিক ডাকের একটি ব্যাগ ৪৬ বছর পর, ২০১২ সালে হিমবাহ থেকে উদ্ধার হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে। এসব ঘটনা ডাকব্যবস্থার ইতিহাসে সময়, প্রযুক্তি ও মানুষের স্মৃতির এক বিস্ময়কর অধ্যায় হয়ে আছে।

ডিজিটাল যুগে প্রশ্ন উঠতে পারেÑই-মেইল, মেসেজিং অ্যাপ ও তাৎক্ষণিক অনলাইন যোগাযোগের সময়ে ডাকব্যবস্থার প্রয়োজন কতটা? বাস্তবতা হলো, ডাকব্যবস্থা বিলীন হয়নি; বরং তার ভূমিকা পরিবর্তিত হয়েছে। ই-কমার্সের পণ্য সরবরাহ, সরকারি ও বাণিজ্যিক নথি, পার্সেল, আর্থিক সেবা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে রাষ্ট্রের সংযোগে এর প্রয়োজনীয়তা এখনো প্রবল। ডিজিটাল বিভাজনের কারণে যাঁরা অনলাইন অবকাঠামোর পূর্ণ সুবিধা পান না, তাঁদের কাছেও ডাকঘর একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসেবা কেন্দ্র।

অতএব, বিশ্ব ডাক দিবসের তাৎপর্য অতীতের চিঠির আবেগে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি পুরোনো প্রতিষ্ঠানকে নতুন প্রযুক্তি, নতুন অর্থনীতি ও নতুন নাগরিক প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার আহ্বান। বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন ডাকঘরগুলোকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, দ্রুত, স্বচ্ছ, নিরাপদ ও গ্রাহকবান্ধব করা; একই সঙ্গে গ্রাম ও শহরের মধ্যে সেবার বৈষম্য কমানো। রানারের ঐতিহ্য থেকে ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের যুগে পৌঁছানো ডাকব্যবস্থা প্রমাণ করেছেÑপ্রযুক্তি মাধ্যম বদলায়, কিন্তু মানুষের সংযোগের প্রয়োজন কখনো শেষ হয় না।

Ads small one

সম্পাদকীয়: মাদুরশিল্প বাঁচাতে উদ্যোগ জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়: মাদুরশিল্প বাঁচাতে উদ্যোগ জরুরি

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মাদুরশিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। একসময় তালা উপজেলার বহু পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন ছিল মাদুর তৈরি। পাটকেলঘাটার মাদুরের সুনামও ছিল দেশের বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু কাঁচামালের সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, মাদুরের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং প্লাস্টিক পণ্যের দাপটে এ শিল্প এখন সংকটে।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, মেলে ঘাসের দাম বেড়েছে, অথচ মাদুরের বিক্রিমূল্য সেই তুলনায় বাড়েনি। ফলে শ্রম ও উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে কারিগরদের হাতে সামান্য অর্থ থাকছে। এ কারণে অনেকেই পেশা বদল করতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে ব্যাংকঋণের অপ্রতুলতা ও সরকারি সহায়তার অভাবও শিল্পটির সংকট বাড়াচ্ছে।
এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে হলে প্রথমে মাদুরশিল্পীদের সহজ শর্তে ঋণ, কাঁচামাল সংগ্রহে সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি মাদুরের নকশা ও ব্যবহার বহুমুখী করে বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ে মাদুর মেলার আয়োজন এবং দেশীয় ও অনলাইন বাজারে বিপণনের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।
পাটকেলঘাটার মাদুরশিল্প শুধু একটি পেশা নয়, এটি স্থানীয় ঐতিহ্য ও গ্রামীণ অর্থনীতির অংশ। তাই শিল্পটি পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়ার আগেই সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এতে ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি বহু প্রান্তিক পরিবারের কর্মসংস্থানও টিকে থাকবে।

 

কলারোয়ায় ৪৬টি ম-পে দুর্গাপূজা, ঝুঁকিপূর্ণ নয় কোনটিই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় ৪৬টি ম-পে দুর্গাপূজা, ঝুঁকিপূর্ণ নয় কোনটিই

কলারোয়া প্রতিনিধি: সামনেই শারদীয় দুর্গোৎসব। উৎসবকে ঘিরে কলারোয়া উপজেলার সব ম-পে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে রঙ-তুলির শেষ মুহূর্তের ছোঁয়া। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রস্তুতিতে কোনো সমস্যা হয়নি বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।
বৃহস্পতিবার পৌরসভার তুলসীডাঙ্গা ঘোষপাড়া মাতৃমন্দির, উত্তর মুরারিকাটি পালপাড়া ও গোয়ালঘাটা পূজাম-প ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমার নির্মাণ ও রঙের কাজ প্রায় শেষ। ম-পে ম-পে প্রতিমা দেখার জন্য স্থানীয় হিন্দুধর্মাবলম্বী মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। উৎসব ঘিরে সর্বত্র সম্প্রীতিময় পরিবেশ বজায় রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়ায় এবার ৪৬টি ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে, যা গতবারের চেয়ে একটি বেশি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত সভায় জানানো হয়, উপজেলার সবকটি ম-প সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। কোনো ম-পকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

পৌরসভার আটটি ম-প হলোÑতুলসীডাঙ্গা ঘোষপাড়া সর্বজনীন, তুলসীডাঙ্গা গোয়ালঘাটা, উত্তর মুরারিকাটি পালপাড়া, মুরারিকাটি দক্ষিণ পাড়া, মুরারীকাটি দক্ষিণ হরিসভা, গোপীনাথপুর ঘোষপাড়া, গোপীনাথপুর দক্ষিণ পাড়া ও ঝিকরা হরিতলা সর্বজনীন পূজাম-প।
ইউনিয়ন পর্যায়ের ম-পগুলোর মধ্যে জয়নগরে আটটি, দেয়াড়ায় ছয়টি, কুশোডাঙ্গায় চারটি, জালালাবাদ, কেঁড়াগাছি ও হেলাতলায় তিনটি করে, কয়লা, লাঙ্গলঝাড়া, চন্দনপুর, কেরালকাতা ও যুগিখালিতে দুটি করে এবং সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নে একটি ম-পে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
সার্বিক পরিবেশ নিয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস দেবু সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে এবং কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সবার সহযোগিতায় উৎসবমুখর পরিবেশে এবারও পূজা সম্পন্ন হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।

তালায় দুর্গাপূজা ঘিরে নবাগত ওসির মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
তালায় দুর্গাপূজা ঘিরে নবাগত ওসির মতবিনিময় সভা

শাহিন আলম, খলিষখালী (পাটকেলঘাটা): শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তালার খলিষখালীতে বিভিন্ন পূজাম-পের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে পাটকেলঘাটা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফাজ্জল হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় খলিষখালী রামকৃষ্ণ আশ্রমে এ সভা হয়।
খলিষখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবীর হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাটকেলঘাটা থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা শেখ নূর আহম্মেদ ও শেখ আব্দুল হান্নান, তালা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র মজুমদার, খলিষখালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. সায়েম, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. জিহাদ হোসেন এবং জয়দেব বাবু। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন তালা উপজেলা যুবদলের নেতা মেহেদী হাসান।