শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বুদ্ধির খেলা দাবা/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
বুদ্ধির খেলা দাবা/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

প্রকাশ ঘোষ বিধান

দাবা খেলা মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি ব্যায়াম। এটি মানুষের চিন্তাশক্তি, স্মৃতিশক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়িয়ে মানসিক বিকাশ ঘটায় এবং মনকে গভীরভাবে শাণিত করে। নিয়মিত দাবা খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। এটি মানুষের দূরদর্শিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

দাবা মস্তিষ্কের উন্নতি সাধন করে, একাগ্রতা ও মনোযোগ বৃদ্ধি করে। দাবায় প্রতিপক্ষের পরবর্তী চাল অনুমান করতে ও নিজের কৌশল সাজাতে গভীর মনোযোগের প্রয়োজন হয়, যা দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য কাজেও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। বিভিন্ন চাল ও প্যাটার্ন মনে রাখার ফলে স্মৃতিশক্তি প্রখর হয় এবং আইকিউ বা বুদ্ধাঙ্ক বাড়াতে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। দাবা খেলা শেখায় ঘোড়া, হাতি, মন্ত্রী ইত্যাদি দিয়ে সর্বোচ্চ কৌশল প্রয়োগ করতে হয়, যা বিশ্লেষণাত্মক ও যৌক্তিক চিন্তাশক্তি উন্নত করে।

প্রতি বছর ২০ জুলাই আন্তর্জাতিক দাবা দিবস পালিত হয়। ১৯২৪ সালের এই দিনে ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন গঠিত হয়। পরবর্তীতে ইউনেস্কো এর প্রস্তাবে ১৯৬৬ সাল থেকে ফিডে-এর উদ্যোগে দিনটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়ে আসছে।

দাবা হলো প্রাচীন ও জনপ্রিয় একটি কৌশলগত বোর্ড গেম। ৬৪ খোপের একটি বোর্ডে দুজন খেলোয়াড় বিপরীত রঙের গুটি সাদা ও কালো গুটি দিয়ে খেলেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের রাজাকে সুরক্ষিত রেখে প্রতিপক্ষের রাজাকে এমনভাবে ফাঁদে ফেলা, যাতে পালানোর কোনো পথ না থাকে। দাবায় দুই খেলোয়াড়ের কাছে মোট ৩২টি ঘুঁটি থাকে। প্রতিটি গুটির চাল আলাদা। সৈন্য: সামনে সোজা এক ঘর যায়। প্রথম চালে দুই ঘরও যেতে পারে, কিন্তু অন্য গুটিকে কোণাকোণি মারে। নৌকা: সোজা বা পাশাপাশি যত ঘর খুশি যেতে পারে। ঘোড়া: এল আকারে আড়াই ঘর চলে এবং অন্য ঘুঁটির ওপর লাফিয়ে যেতে পারে। হাতি: কোণাকোণি যত ঘর খুশি চলতে পারে। মন্ত্রী: সোজা, পাশাপাশি ও কোণাকোণি যত ঘর খুশি যেতে পারে। রাজা: সব দিকে এক ঘর চলতে পারে।

দাবা খেলায় প্রতিটি চাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ভুল চালের কারণে পুরো ম্যাচ হারতে হতে পারে। দাবায় কেবল নিজের চাল দিলেই চলে না, প্রতিপক্ষের পরবর্তী সম্ভাব্য চালগুলো কী হতে পারে তা আগে থেকেই অনুমান করতে হয়। তাই খেলোয়াড়কে দীর্ঘ সময় বোর্ডের দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে হয়। মানুষের দূরদর্শিতা এবং চিন্তাভাবনার ক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

দাবা বোর্ডের প্রতিটি পরিস্থিতি একেকটি জটিল সমস্যা। সীমিত সময়ের মধ্যে এবং মানসিক চাপের মুখে দাঁড়িয়ে সেরা সমাধানটি খুঁজে বের করতে হয়। এই অভ্যাস বাস্তব জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতে দ্রুত এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শেখায়।
একটি দাবা ম্যাচ দীর্ঘসময় ধরে চলতে পারে এবং এতে হার-জিত দুটোই থাকে। এটি খেলোয়াড়দের ধৈর্য ধরতে এবং পরাজয় মেনে নিয়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি দৈনন্দিন জীবনেও কোনো কাজে গভীরভাবে মনোনিবেশ করার ক্ষমতা বাড়ায়।
ধৈর্য ও আবেগ নিয়ন্ত্রণদাবা খেলা হুট করে জেতা যায় না, এর জন্য প্রচুর ধৈর্যের প্রয়োজন। অনেক সময় প্রতিপক্ষের ফাঁদে পড়েও মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে হয়। এটি মানুষের আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্যশীল থাকার মানসিকতা তৈরি করে।

দাবা খেলাকে কেবল একটি ইনডোর গেম বা বিনোদন হিসেবে দেখলে ভুল হবে, এটি মূলত মস্তিষ্কের একটি চমৎকার ব্যায়াম। নিয়মিত দাবা খেললে মানসিক ক্ষমতার বহুমুখী বিকাশ ঘটে এবং মন শাণিত হয়।

মস্তিষ্কের বাম অংশ যুক্তি ও গণিত নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডান অংশ সৃজনশীলতা ও প্যাটার্ন চেনার কাজ করে। দাবা খেলার সময় খেলোয়াড়কে যেমন হিসাব-নিকাশ করতে হয়, তেমনি নতুন চালের পরিকল্পনা ও বোর্ডের রূপরেখা কল্পনা করতে হয়। ফলে মস্তিষ্কের উভয় অংশের সমন্বয় ঘটে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দাবা খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারী স্মৃতিশক্তি শক্তিশালী হয় এবং আলঝেইমার্স বা স্মৃতিভ্রমের মতো রোগ প্রতিরোধে এটি সাহায্য করে। নিয়মিত দাবা খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। এটি মানুষের দূরদর্শিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।