মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ব্লু ইকোনমি ও সাতক্ষীরা উপকূল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
ব্লু ইকোনমি ও সাতক্ষীরা উপকূল

‎‎তারিক ইসলাম
‎‎আজ ৮ জুন, বিশ্ব সমুদ্র দিবস। এবারের সমুদ্র দিবসের মূল সুর ও প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরার উপকূলবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সাথে সমুদ্রের গভীর মিতালি রয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতের ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার রাষ্ট্রীয় সমুদ্র এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে ‘ব্লু ইকোনমি’ বা নীল অর্থনীতি শব্দবন্ধটি আমাদের উন্নয়ন ভাবনায় নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। আর এই সম্ভাবনার ফ্রন্টলাইনে রয়েছে সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ উপকূল।‎
‎সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সরাসরি বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত। এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের এই মোহনা কেবল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধারই নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক নীল অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হতে পারে। সমুদ্রের নোনা জলের এই প্রাচুর্যকে কাজে লাগিয়ে সাতক্ষীরা জেলা দেশের অন্যতম প্রধান মৎস্য উৎপাদনকারী অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এখানকার উৎপাদিত বাগদা চিংড়ি বা ‘সাদা সোনা’ এবং সুস্বাদু কাঁকড়া আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। সমুদ্র ও সংলগ্ন খাঁড়িগুলো থেকে আহরিত এই সম্পদ স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখছে।
‎‎তবে নীল অর্থনীতির এই বিপুল সম্ভাবনার বিপরীতে সাতক্ষীরা উপকূলের রয়েছে এক রূঢ় বাস্তবতার গল্প। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রথম সারির শিকার এই অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষ। সিডর, আইলা, আম্পান থেকে শুরু করে সাম্প্রতিককালের ঘূর্ণিঝড় রেমালের মতো একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাত সইতে হয় এই জনপদকে। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জোয়ারের তীব্রতায় উপকূলীয় বেড়িবাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এর ফলে একদিকে যেমন কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে দেখা দিচ্ছে তীব্র সুপেয় পানির সংকট। সাগরের রুদ্ররূপের কাছে প্রতিনিয়ত নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারাচ্ছে হাজারো পরিবার।
‎‎বিশ্ব সমুদ্র দিবসের এই লগ্নে আমাদের ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে হবে-কীভাবে সমুদ্রের সম্পদকে টেকসই উপায়ে ব্যবহার করে উপকূলের এই মানুষগুলোর জীবনমান উন্নয়ন করা যায়। সাতক্ষীরা উপকূলে সুনীল অর্থনীতির সুফল পেতে হলে প্রথমে আমাদের প্রথাগত চিংড়ি বা কাঁকড়া চাষের বাইরে গিয়ে সামুদ্রিক শৈবাল (ঝবধবিবফ) চাষ এবং আধুনিক মৎস্য আহরণ প্রযুক্তির দিকে নজর দিতে হবে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশের খনিজ সম্পদ উত্তোলনে গবেষণার পরিধি বাড়াতে হবে। এর পাশাপাশি, সুন্দরবন সংলগ্ন মান্দারবাড়িয়া সৈকতের মতো সম্ভাবনাময় উপকূলীয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে গড়ে তুলতে পারলে তা স্থানীয় অর্থনীতিতে এক বিশাল বিপ্লব ঘটাতে পারে।
‎‎সমুদ্র আমাদের যেমন অঢেল সম্পদ দেয়, তেমনি তার সুরক্ষার দায়িত্বও আমাদের। প্লাস্টিক বর্জ্য ও রাসায়নিক দূষণ থেকে বঙ্গোপসাগরকে মুক্ত রাখা এখন সময়ের দাবি। একই সাথে, সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলকে বাঁচাতে হলে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং ম্যানগ্রোভ বনের কৃত্রিম জলছাপ তৈরি করা, যা সাগরের জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করবে।
‎‎সমুদ্রের নীল জলরাশির মাঝেই লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের আগামী দিনের অর্থনৈতিক মুক্তির চাবিকাঠি। বিশ্ব সমুদ্র দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক-সাতক্ষীরা উপকূলের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে বঙ্গোপসাগরের নীল অর্থনীতিকে টেকসইভাবে এগিয়ে নেওয়া। তবেই সুরক্ষিত থাকবে আমাদের উপকূল, সমৃদ্ধ হবে আমাদের বাংলাদেশ। ‎‎লেখক: ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি

Ads small one

খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

খুলনায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আজ (মঙ্গলবার) দিঘলিয়া উপজেলার যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার যোগীপোল ও আড়ংঘাটা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় ৭৫টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের পাশে আছেন এবং সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন। তারই নিদের্শনায় দুর্যোগে আক্রান্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তরা যেন সরকারি সহায়তা পায় এবং তাদের পাশে থাকতে বিভাগীয় প্রশাসনকে নিদের্শনা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এবং দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসণে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিানে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন দাশ গুপ্ত, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: আব্দুল করিম সহ স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পরে খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বেলেঘাট পশ্চিমপাড়ায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৭৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। তথ্যবিবরণী

দলীয় এমপির ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে যা বললো জামায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
দলীয় এমপির ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে যা বললো জামায়াত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবর পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলছে, প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, অতি সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নিজের বক্তব্য, তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ভিডিও বক্তব্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আরও খোঁজখবর ও প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তালা বাজার বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন, সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
তালা বাজার বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন, সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি: তালা বাজারকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র, সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং কথিত আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া চক্রের তৎপরতার অভিযোগ তুলে তালা বাজার বণিক সমিতির উদ্যোগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে তালা ডাকবাংলো হলরুমে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তালা বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত ২০ জুন শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সাগর তার সিডিআই মোটরসাইকেলটি মেরামতের জন্য মেলা বাজার পাম্পসংলগ্ন ফাহিমের গ্যারেজে জমা দেন। দীর্ঘ সময় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আনার আশ্বাস দেওয়ার পর ফাহিম দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ফাহিম নিজেই মোটরসাইকেলটি চুরি করে ভাঙারি ব্যবসায়ী আব্দুল মাজেদের কাছে কেজি দরে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বণিক সমিতি একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নিলেও ফাহিম উপস্থিত হননি বলে দাবি করা হয়।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ জুলাই বণিক সমিতির সভাপতি এস এম নুরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আলমগীর হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন ফাহিমের গ্যারেজে গিয়ে অভিযোগকারী সাগরের উপস্থিতিতে তার বক্তব্য গ্রহণ করেন। এ সময় ফাহিমের বাবা, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল জলিল উপস্থিত থেকে বিষয়টির সিদ্ধান্ত বণিক সমিতির ওপর ছেড়ে দেন বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ করা হয়, একপর্যায়ে সভাপতি ও কার্যনির্বাহী সদস্য সাময়িকভাবে ঘটনাস্থল থেকে সরে গেলে কয়েকজন বহিরাগত যুবক সেখানে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন অস্ত্র প্রদর্শন করে নিজেকে “খুলনার গ্রেনেড বাবু” পরিচয় দিয়ে কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে হত্যার হুমকি দেয়। এ সময় ফাহিম একটি ভারী সাইলেন্সার রেঞ্চ দিয়ে আঘাত করতে গেলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে থাকা মামুন হাওলাদার নামে একজন আহত হন।

এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ফেলে অন্য মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা গুলি করে হত্যার হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, পুলিশি তদন্ত ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় ফাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে “গ্রেনেড বাবু” পরিচয়দানকারী ব্যক্তি খুলনা অঞ্চলের কথিত মাফিয়া “গ্রেনেড বাবু”র সহযোগী “কালা তুহিন” বলে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন বক্তারা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৪০টিরও বেশি মামলা রয়েছে এবং তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি বলেও অভিযোগ করা হয়। এছাড়া, তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে খলিলনগর ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল জলিলের আশ্রয়ে থেকে মাদক ও চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বণিক সমিতির পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো: ফাহিমকে রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং কালা তুহিন ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তালা বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বণিক সমিতির নেতারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তালা বাজার ও আশপাশের এলাকায় বাইরের বিভিন্ন সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা অবস্থান নিয়ে নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এসব কর্মকান্ড রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তালা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এস এম নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক স, ম ইয়াছিন উল্লাহ,বণিক সমিতির নেতা ফারুক হোসেন, মেহেদী হাসান, আলমগীর হোসেন, হারুনসহ সমিতির অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।