রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

জলবায়ু পরিবর্তনে উপকূলের ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর ন্যায্যতা ও সমতা কার্যকর করা প্রযোজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তনে উপকূলের ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর ন্যায্যতা ও সমতা কার্যকর করা প্রযোজন

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও সমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনে বাংলাদেশের ভূমিকা নামমাত্র হলেও, উপকূলবাসীকে লবণাক্ততা, ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, এবং নদীভাঙনের মতো ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, যাদের মানবাধিকার সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায়বিচারের অন্যতম প্রধান শর্ত। খরা, বন্যা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো দুর্যোগে তাদের বাসস্থান, সুপেয় পানি, খাদ্য ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে।

ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি, যা প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন ও সুরক্ষায় সহায়তা করবে। যেকোনো জলবায়ু নীতি ও অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়নে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও আদিবাসীদের মতামতকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলগুলো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। গত তিন দশকে সামুদ্রিক ঘুর্নিঝড়, জলোচ্ছাস ও নদী ভাঙন সুন্দরবন উপকূলীয় জনপদগুলো লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে এক দিকে যেমন সমুদ্র পৃষ্টের তলদেশ উঁচু হয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে নদ-নদীর নাব্যতা হারিয়ে গতিপথে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে সমুদ্রের পানি উপকূলীয় এলাকায় উপচে পড়ছে। ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগে লাখ লাখ মানুষ সহায় সম্বল হারিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে।

সূত্রমতে, ১৯৮৮ সালের ২৯ নভেম্বর সুন্দরবন উপকূলে প্রলংকরী সামুদ্রিক ঘুর্ণিঝড়, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল চট্রগ্রাম কক্সবাজার অঞ্চলে স্মরনকালের ভয়াবহ সামুদ্রিক ঝড়। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, খুলনার উপকুলে সিডরের তান্ডব। ২০০৮ সালে ঘূর্ণিঝড় নার্গিস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়, যা মে মাসে মায়ানমারে আঘাত হানে। খুলনা, সাতক্ষীরা উপকূলে আইলার ভয়াবহ জলোচ্ছাসে গোটা উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে। এর সঙ্গে নতুন মাত্রায় নদী ভাঙন যোগ হয়ে লন্ডভন্ড করে দিচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্পান অত্যন্ত শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানে। ২০২২ সালে ২৫ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের বরিশাল উপকূলে আঘাত হানে।

উপকূলের কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ, আশাশুনি ও শ্যামনগর এলাকায় প্রতিনিয়ত বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। উপর্যুপরি নদী ভাঙন কেড়ে নিচ্ছে শত শত একর কৃষি জমি, বসত ভিটা, চিংড়ি ঘের ও রাস্তাঘাট। শুকনো মৌসুমে কয়রার অনেক এলাকায় ভয়াবহ নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ সকল এলাকায় দিন যতই পার হচ্ছে উপকূলীয় এলাকার মানুষ জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে ততই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে জমি জায়গা হারিয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমিয়েছেন। কপতাক্ষ নদের ভাঙ্গনে পাইকগাছার দরগাহমহলের শেখ আব্দুর রহিম (৫৫) বলেন, নদের ওপারে আমার বাপের ভিটা ছিল, আমরা সব হারিয়েছি, একেবারেই নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমার বাপ-চাচাদের ৬ একর ৬৭ শতক জমি ছিল, আজ তার ১ শতক জমিও নেই, ভিটে মাটি হারিয়ে অন্য জায়গায় বসবাস করছি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গৃহহীনদের ঘর প্রদান হলো সরকারের একটি বিশেষ উদ্যোগ, যার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভূমিহীন পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করা হয়। এর প্রধান মূল লক্ষ্য হলো দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ, নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নত করা। পাইকগাছা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব বিশ্বাস বলেন, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ-আশ্রয়ন প্রকল্পে উপজেলায় ৮১৭ ভূমিহীন পরিবারকে জমিসহ ঘর ও ৩৩২ পরিবার জমি আছে ঘর নেই তাদের ঘর তৈরি দেওয়া হযেছে।

দাতা সংস্থা ও জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো পরিদর্শন করে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস কমাতে সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। জলবায়ু ফান্ডের অর্থায়নে সরকার উপকূলীয় এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দাতা সংস্থাগুলো এনজিওদের মাধ্যমে বাঁধ সংস্কার, কাঁচা রাস্তা নির্মাণ, ঝড় সহনশীল ঘর তৈরী, পয়নিস্কাশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন, গভীর অগভীর নলকূপ স্থাপন, রেইন ওয়াটার হার্ভেষ্টিং প্রকল্প বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

 

বেসরকারি অনেক সংস্থা দেশের উপকূলীয় বেশ কয়েকটি জেলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ঝড় জলোচ্ছাস জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে কিছুটা রেহাই পাবে। সম্প্রতি সরকারের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীর কিনার ড্যাম্পিং করে বেড়িবাঁধে ব্লক বসানোর কারনে নদী ভাঙন কিছুটা কমেছে। উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধ রক্ষায় বিশ্বব্যাংকের বাস্তবায়নাধীন চলমান প্রকল্প চালু থাকলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে সৃষ্ট জলোচ্ছাসের ক্ষয়ক্ষতি থেকে এ অঞ্চলের জনসাধারনের জানমাল অনেকটা রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল বা লস অ্যান্ড ড্যামেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপকূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলজুড়ে মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা এবং নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন। যেকোনো জলবায়ু নীতি ও অভিযোজন প্রকল্প প্রণয়নে স্থানীয় উপকূলীয় জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক মানুষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে। লবণাক্ত জমিতে ফসল ফলানোর নতুন প্রযুক্তি জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং বিশ্বমঞ্চে সোচ্চার হওয়ার মাধ্যমে এই ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

Ads small one

পাইকগাছায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাতা প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাতা প্রদান

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় দুটি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাতা বিতারণ করেছে।

 

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় গদাইপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ও আল- আমিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ৪০ জন ছাত্রীকে এ ছাতা প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গদাইপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট সালাউদ্দীন, আল আমিন মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট বাহারুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন গদাইপুর ইউনিয়ন কর্মকর্তা গাজী শারমিন রহমান, উর্মি মালা সরদার ও তম্ময় রায়।

সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

মোঃ সিরাজুল ইসলাম: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোববার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পৌঁছান এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে চিকিৎসা সেবার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। সরকারি চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধা ঠিকঠাক পাওয়া যাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তিনি রোগীদের কাছে জানতে চান। এ সময় উপস্থিত রোগীরা সেবা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সুযোগ-সুবিধার জন্য ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে সেবার মান আরও বৃদ্ধির জন্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে তিনি সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হন।

সদর হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ কাওসার আজিজ, সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সাংবাদিকেরা।

সদর হাসপাতালে আসার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এসময় মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্যাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ কাওসার আজিজ, সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সাংবাদিকেরা। এখানেও অনুরূপভাবে চিকিৎসক ও রোগীদের সাথে কথা বলেন মন্ত্রী এবং একই নির্দেশনা দেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. শাওলী নানজিবা তন্নির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি।

তালা পরিদর্শনের শুরুতে মন্ত্রী হাসপাতালের রান্নাঘরে প্রবেশ করেন এবং রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবার চেখে দেখে সেটির মান যাচাই করেন। পরবর্তীতে তিনি পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড, ওয়াশরুম, ওষুধ স্টোর, অপারেশন থিয়েটার (ওটি) ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের এসি চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং চলমান সংস্কারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করারও নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং শিগগিরই মাটি পরীক্ষার (সয়েল টেস্ট) কাজ শুরু হবে। সেখানে ৭ থেকে ৮ তলাবিশিষ্ট একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখানে পৃথক প্যারালাইসিস সেন্টার, ফিজিওথেরাপি সেন্টার, মাতৃদুগ্ধ কর্নার ও ট্রমা সেন্টার থাকবে।

এ সময় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য যাচাইকারী আবেদনকারীদের মৌখিক পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য যাচাইকারী আবেদনকারীদের মৌখিক পরীক্ষা

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাজে কর্মী নিয়োজন কার্যক্রমের প্রথম দিনে আবেদন ও ভাইবা দিতে শত শত মানুষের সমাগম ঘটেছে। রবিবার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও সমাজ সেবা কার্যালয়ে আবেদন গ্রহণ ও ইউএনও অফিস সংলগ্ন ভাইবা পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।

উপজেলার ১১ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাজের জন্য ১০১জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১০জন সুপার ভাইজার নিয়োজন করা হবে।

শনিবার পর্যন্ত আবেদনকারীদের ভাইবা পরীক্ষা রবিবার উপজেলা পরিষদের দুটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আফরোজা খাতুন এবং উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ও আইসিটি কর্মকর্তা আক্তার ফারুক বিল্লাল ভাইবা পরীক্ষা গ্রহণ করেন। রবিবার (১ম দিন) সুপারভাইজার পদে ২৩জনের ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে ২০৩জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন।

আগামী ২৮ জুলাই পর্যন্ত আবেদন গ্রহণের সময় বাড়ানো হয়েছে। এসময়ে আবেদনকারীদের ২৯ জুলাই (দ্বিতীয় ধাপে) নিয়োজন পরীক্ষার ভাইবা অনুষ্ঠিত হবে।